জীবন ও বৃক্ষ প্রবন্ধের MCQ প্রশ্নের উত্তর

এইচএসসি জীবন ও বৃক্ষ প্রবন্ধের বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর (PDF)

এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রের জীবন ও বৃক্ষ প্রবন্ধের MCQ প্রশ্নের উত্তর পিডিএফ ডাউনলোড করুন। মোতাহের হোসেন চৌধুরীর “জীবন ও বৃক্ষ” প্রবন্ধটি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘সংস্কৃতি কথা’ থেকে সংকলিত। এই প্রবন্ধে লেখক মানুষের জীবনকে বৃক্ষের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বৃক্ষ যেমন নিঃস্বার্থভাবে অন্যের উপকার করে, তেমনি মানুষকেও পরার্থে আত্মনিবেদিত, সুকৃতিময় ও বিবেকবান হতে হবে—এই মহৎ আদর্শই লেখক তুলে ধরেছেন। এর মাধ্যমে স্বার্থপর, অহংকারী ও নিষ্ঠুর মানুষের পরিবর্তে প্রেম, সৌন্দর্য ও সেবায় বিকশিত এক পূর্ণাঙ্গ মানবজীবনের প্রত্যাশা প্রকাশ পেয়েছে। এই ব্লগে আমরা ‘জীবন ও বৃক্ষ প্রবন্ধের MCQ’ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর আলোচনা করব, যা HSC পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত সহায়ক।


জীবন ও বৃক্ষ প্রবন্ধের MCQ প্রশ্নের উত্তর

১। মোতাহের হোসেন চৌধুরীর জন্ম কোথায় হয়েছিল?

ক) ঢাকা

খ) চট্টগ্রাম

গ) নোয়াখালী

ঘ) ময়মনসিংহ

সঠিক উত্তর: গ) নোয়াখালী

ব্যাখ্যা: প্রাবন্ধিক মোতাহের হোসেন চৌধুরী ১৯০৩ সালে তৎকালীন নোয়াখালী জেলার (বর্তমান কুমিল্লা জেলার হলেও প্রশ্নে নোয়াখালী সঠিক হিসেবে দেওয়া) নোয়াখালীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাঙালি মুসলমান সমাজের একজন যুক্তিবাদী ও প্রগতিশীল লেখক ছিলেন।

২। মোতাহের হোসেন চৌধুরীর কোন গ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রবন্ধ-সাহিত্যে একটি বিশিষ্ট সংযোজন?

ক) ‘সুখ’

খ) ‘সভ্যতা’

গ) ‘সংস্কৃতি কথা’

ঘ) ‘Civilization’

সঠিক উত্তর: গ) ‘সংস্কৃতি কথা’

ব্যাখ্যা:‘সংস্কৃতি কথা’ হলো মোতাহের হোসেন চৌধুরীর একমাত্র মৌলিক প্রবন্ধ গ্রন্থ, যা মরণোত্তর প্রকাশিত হয়। এটি রুচি, সংস্কৃতি, মানবপ্রেম ও মুক্তবুদ্ধির আলোচনায় বাংলা প্রবন্ধ-সাহিত্যে এক বিশিষ্ট সংযোজন হিসেবে বিবেচিত।

৩। মোতাহের হোসেন চৌধুরীর অনূদিত গ্রন্থটি কোন লেখকের লেখা ছিল?

ক) আবুল ফজল

খ) বারট্রান্ড রাসেল

গ) ক্লাইভ বেল

ঘ) আবদুল কাদির

সঠিক উত্তর: খ) বারট্রান্ড রাসেল

ব্যাখ্যা: মোতাহের হোসেন চৌধুরী ব্রিটিশ দার্শনিক বারট্রান্ড রাসেলের ‘Conquest of Happiness’ গ্রন্থটি ‘সুখ’ নামে অনুবাদ করেছিলেন। এছাড়া তিনি ক্লাইভ বেলের ‘Civilization’ গ্রন্থের অংশবিশেষও অনুবাদ করেন, কিন্তু প্রধান অনূদিত গ্রন্থটি হলো রাসেলের লেখা।

৪। মোতাহের হোসেন চৌধুরী কখন মৃত্যুবরণ করেন?

ক) ১৯৪৭

খ) ১৯৫৬

গ) ১৯৬৫

ঘ) ১৯৭১

সঠিক উত্তর: খ) ১৯৫৬

ব্যাখ্যা: মোতাহের হোসেন চৌধুরী ১৯৫৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মাত্র ৫৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

৫। সমাজের কাজ কি নয়?

ক) মানুষকে বড় করে তোলা

খ) বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের আগ্রহ সৃষ্টি করা

গ) টিকে থাকার সুবিধা দেওয়া

ঘ) মানুষের জীবনে আগ্রহ জাগিয়ে তোলা

সঠিক উত্তর: গ) টিকে থাকার সুবিধা দেওয়া

ব্যাখ্যা: লেখকের মতে, সমাজের কাজ শুধু মানুষকে বেঁচে থাকার সুবিধা (টিকে থাকার সুবিধা) দেওয়া নয়, বরং মানুষকে বিকশিত, বড় ও সজীব করে তোলা। তার মতে, মানুষ শুধু জৈবভাবে বেঁচে থাকার জন্য নয়, বরং পরিপূর্ণ মানসিক ও আত্মিক বিকাশের জন্য সমাজে বাস করে। (জীবন ও বৃক্ষ প্রবন্ধের MCQ প্রশ্নের উত্তর)

৬। বিশেষ মানুষদের মধ্যে কিসের অভাব দেখা যায়?

ক) দানশীলতা

খ) প্রেম ও সৌন্দর্যের স্পর্শ

গ) সজীবতা

ঘ) বিবেক

সঠিক উত্তর: খ) প্রেম ও সৌন্দর্যের স্পর্শ

ব্যাখ্যা: প্রবন্ধের ভাষ্য অনুসারে, যে সমস্ত মানুষ কেবল জাগতিক বা বৈষয়িক জীবন নিয়ে ব্যস্ত থাকে এবং জীবনের ‘ফুটফুটে ফুল’ ফোটানোর দিকে মনোযোগ দেয় না, তাদের মধ্যে প্রেম ও সৌন্দর্যের স্পর্শ তথা সজীব অনুভূতির অভাব দেখা যায়।

৭। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার কবিতায় কোন বিষয়টি বিশেষভাবে প্রতিস্থাপন করেছিলেন?

ক) মানব প্রেম

খ) নদীর গতি

গ) মানুষের প্রচেষ্টা

ঘ) বৃক্ষের ফুল ফোটানো

সঠিক উত্তর: খ) নদীর গতি

ব্যাখ্যা: মোতাহের হোসেন চৌধুরী উল্লেখ করেছেন যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার কবিতায় নদীর গতিকে (বা প্রবাহমানতাকে) মনুষ্যত্বের এবং আত্মার অপ্রাপ্তির বেদনা প্রকাশের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

আরো পড়ুন: এইচএসসি গন্তব্য কাবুল গল্পের বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর

৮। রবীন্দ্রনাথ যে বেদনা নদীর গতি দিয়ে ব্যক্ত করেছিলেন, তা কী কারণে?

ক) নদী সহজে চলে না

খ) নদী পৃথিবীর সব বাধা কাটিয়ে চলে

গ) নদী অপরিসীম আনন্দ বহন করে

ঘ) নদী ছাড়া মনুষ্যত্বের বেদনা অনুভূত হয় না

সঠিক উত্তর: খ) নদী পৃথিবীর সব বাধা কাটিয়ে চলে

ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথের কাছে নদী তার প্রবাহপথে সব বাধা-বন্ধনকে অতিক্রম করে অবিরাম চলতে থাকে, ঠিক যেমন মানুষের আত্মা সব বন্ধন কাটিয়েও যেন একটি অপ্রাপ্তি বা অতৃপ্তির বেদনা বয়ে বেড়ায়। সেই অদম্য অথচ অতৃপ্ত গতিময়তাই বেদনার উৎস।

৯। বৃক্ষের সার্থকতার প্রতীক হিসেবে কী কী গুণাবলী রয়েছে?

ক) একগুঁয়েমি

খ) ধীরস্থিরতা ও পরিপূর্ণতা

গ) সর্বদা বৃদ্ধি ও উন্নতি

ঘ) শুধুমাত্র বৃদ্ধি ও প্রাথমিক অবস্থা

সঠিক উত্তর: খ) ধীরস্থিরতা ও পরিপূর্ণতা

ব্যাখ্যা: মোতাহের হোসেন চৌধুরীর মতে, বৃক্ষ তার ধীরস্থির, নীরবে বেড়ে ওঠার মাধ্যমে ফুল ফোটায় ও ফল ধারণ করে। এটি হলো পরিপূর্ণতা ও সার্থকতার প্রতীক।

জীবন ও বৃক্ষ প্রবন্ধের MCQ প্রশ্নের উত্তর

১০। রবীন্দ্রনাথ নদী ও বৃক্ষের মধ্যে কোন একটি প্রতীক বেছে নিয়েছিলেন?

ক) বৃক্ষ

খ) নদী

গ) ফুল

ঘ) বৃক্ষ ও নদী

সঠিক উত্তর: খ) নদী

ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ তার কবিতায় (যেমন ‘নিরুদ্দেশ যাত্রা’) নদীর গতিকে মানবাত্মার গতি ও অপ্রাপ্তির বেদনা প্রকাশের প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।

১১। বৃক্ষের ফুল ফোটানো ও ফল ধরানোর ছবি কিসের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়?

ক) গোপন সাধনা

খ) মানুষের সৃজনশীলতা

গ) জীবনবোধের প্রতীক

ঘ) প্রকৃতির চিরন্তন নিয়ম

সঠিক উত্তর: গ) জীবনবোধের প্রতীক

ব্যাখ্যা: বৃক্ষের ফুল ও ফল কেবল প্রাকৃতিক নিয়ম নয়, বরং এটি আত্মার পরিপূর্ণতা, সৃজনশীলতা এবং উচ্চতর জীবনবোধের প্রতীক। এটি নীরবে নিজেকে প্রকাশের চরম সার্থকতা।

১২। বৃক্ষের প্রতি রবীন্দ্রনাথের যে অনুভূতি প্রকাশ পায় তা কী?

ক) জীবন ও প্রেমের গভীরতা

খ) আত্মার প্রতি অনুভূতি

গ) সামাজিক দায়িত্ব

ঘ) প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

সঠিক উত্তর: ক) জীবন ও প্রেমের গভীরতা

ব্যাখ্যা: প্রবন্ধে বৃক্ষকে তুলনা করা হয়েছে জীবনের পরিপূর্ণতা এবং ভালোবাসার সঙ্গে। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় বৃক্ষ নীরব, স্থির হলেও তা জীবন ও প্রেমের গভীর অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত।

আরো পড়ুন: এইচএসসি কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ও উত্তর

১৩। বৃক্ষের জীবনের প্রসঙ্গ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ক) এটি প্রকৃতির জন্য

খ) এটি আত্মার পরিপক্বতার চিহ্ন

গ) এটি মানুষের অপ্রাপ্তি

ঘ) এটি কেবল দৈহিক বৃদ্ধির প্রতীক

সঠিক উত্তর: খ) এটি আত্মার পরিপক্বতার চিহ্ন

ব্যাখ্যা: বৃক্ষের ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা এবং ফল-ফুলে ভরে ওঠা হলো কেবল দৈহিক বৃদ্ধি নয়, বরং মানুষের আত্মার পরিপূর্ণতা ও পরিপক্বতার প্রতীক।

১৪। বৃক্ষের ফুল ফোটানো ও ফল ধরানোর মধ্যে কি কোনো বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে?

ক) সহজ হতে হয়

খ) একে একে হয়

গ) সেটি মানুষের জন্য পরিপূর্ণতা এবং সার্থকতার প্রতীক

ঘ) চিরন্তন নিয়মে সম্পূর্ণ হয়

সঠিক উত্তর: গ) সেটি মানুষের জন্য পরিপূর্ণতা এবং সার্থকতার প্রতীক

ব্যাখ্যা: বৃক্ষের ফুল ও ফল হলো তার বিকাশের চূড়ান্ত পর্যায়। মানুষের জীবনে এই পর্যায়টি হলো আত্মিক পরিপূর্ণতা এবং সার্থকতার প্রতীক। (জীবন ও বৃক্ষ প্রবন্ধের MCQ প্রশ্নের উত্তর)

১৫। মার্কসবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে মানুষের লক্ষ্য কী হতে পারে?

ক) প্রকৃতির সাথে সম্পৃক্ততা

খ) ধনী হওয়া

গ) আত্মবিশ্বাস অর্জন

ঘ) সামাজিক অবস্থা উন্নয়ন

সঠিক উত্তর: ঘ) সামাজিক অবস্থা উন্নয়ন

ব্যাখ্যা: যদিও এই প্রবন্ধে মার্কসবাদের সরাসরি উল্লেখ নেই, কিন্তু মোতাহের হোসেন চৌধুরী মানব-মুক্তির কথা বলেছেন। মার্কসবাদের মূল লক্ষ্য হলো শ্রেণিহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের সামাজিক অবস্থা (ও অর্থনৈতিক অবস্থা) উন্নয়ন ঘটিয়ে মুক্তি অর্জন করা। (প্রশ্নে আত্মবিশ্বাস অর্জন বিকল্পটি অপ্রাসঙ্গিক, তাই ‘সামাজিক অবস্থা উন্নয়ন’ যুক্তিযুক্ত)।

১৬। মানুষের পরিপক্বতা কী দ্বারা অন্বেষিত হতে পারে?

ক) ভৌতিক জ্ঞানে

খ) একাগ্রতার মাধ্যমে

গ) প্রেম এবং অনুভূতির মাধ্যমে

ঘ) কৃত্রিম জ্ঞান দিয়ে

সঠিক উত্তর: গ) প্রেম এবং অনুভূতির মাধ্যমে

ব্যাখ্যা: মোতাহের হোসেন চৌধুরীর মতে, মানুষের প্রকৃত পরিপক্বতা বা সার্থকতা আসে তার আত্মার বিকাশ থেকে। এই আত্মিক বিকাশ হয় প্রেম, সৌন্দর্য ও অনুভূতির স্পর্শে, কেবল বস্তুগত বা কৃত্রিম জ্ঞান দিয়ে নয়।

১৭। বৃক্ষের বৃদ্ধি সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?

ক) বৃক্ষ শুধু গতি ও বৃদ্ধির প্রতীক নয়

খ) বৃক্ষ একদিন নিজের সবকিছু ছেড়ে চলে যাবে

গ) বৃক্ষের বৃদ্ধি গভীরভাবে মানুষকে শিক্ষা দেয়

ঘ) বৃক্ষ কোন বিকাশ নেই

সঠিক উত্তর: গ) বৃক্ষের বৃদ্ধি গভীরভাবে মানুষকে শিক্ষা দেয়

ব্যাখ্যা: বৃক্ষ নীরবে, ধীরস্থিরভাবে বেড়ে উঠে ফুল ফোটায় এবং ফল ধারণ করে। তার এই নীরব ও পরিপূর্ণ বিকাশ মানুষকে জীবনের সার্থকতা ও আত্মার পরিপূর্ণতা সম্পর্কে গভীরভাবে শিক্ষা দেয়।

১৮। বৃক্ষের সার্থকতা ও পরিপূর্ণতার ছবি কিভাবে পাওয়া যায়?

ক) সৃষ্টির মাঝে

খ) প্রকৃতির মধ্যে

গ) বৃক্ষের ফুল ফোটানো

ঘ) মানবিক বিকাশের মধ্যে

সঠিক উত্তর: গ) বৃক্ষের ফুল ফোটানো

ব্যাখ্যা: বৃক্ষের জীবনের চূড়ান্ত সার্থকতা ও পরিপূর্ণতা মূর্ত হয়ে ওঠে তার ফুল ফোটানো এবং ফল ধারণের মাধ্যমে, যা মানুষের আত্মার পরিপূর্ণতার প্রতীক।

১৯। বৃক্ষের শিখন কখন হয়?

ক) যখন তা ফুল ফোটাতে সক্ষম হয়

খ) যখন তা রস শোষণ করতে পারে

গ) যখন তা বেঁচে থাকে

ঘ) যখন তা তার দানে পরিপূর্ণ হয়

সঠিক উত্তর: ক) যখন তা ফুল ফোটাতে সক্ষম হয়

ব্যাখ্যা: এই প্রবন্ধে ফুল ফোটানো বৃক্ষের পরিপক্বতা ও সার্থকতার প্রতীক। যখন বৃক্ষ তার জীবনের চূড়ান্ত বিকাশে পৌঁছায় এবং ফুল ফোটানোর মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করে, তখন তার শিক্ষা সম্পূর্ণ হয় বলে লেখক ইঙ্গিত করেছেন।

২০। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় নদী কিভাবে মানব প্রকৃতির প্রতীক হিসেবে হাজির হয়?

ক) তার দ্রুত চলার কারণে

খ) তার শান্তিপূর্ণ প্রবাহের জন্য

গ) তার বাধা অতিক্রমের জন্য

ঘ) তার সমুদ্রের দিকে প্রবাহের জন্য

সঠিক উত্তর: গ) তার বাধা অতিক্রমের জন্য

ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথের কবিতায় নদীর গতি হলো সেই মানবাত্মার প্রতীক, যা পৃথিবীর সব বাধা-বন্ধন কাটিয়ে নিরন্তর চলছে, কিন্তু তার ভেতরে একটি অপ্রাপ্তির বেদনা রয়ে গেছে।


এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রের জীবন ও বৃক্ষ প্রবন্ধের MCQ প্রশ্নের উত্তর পিডিএফ ডাউনলোড করুন।

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

1 thought on “এইচএসসি জীবন ও বৃক্ষ প্রবন্ধের বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর (PDF)”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top