এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রের যৌবনের গান MCQ প্রশ্নের উত্তর ব্যাখ্যাসহ পিডিএফ ডাউনলোড করুন। ১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে সিরাজগঞ্জে মুসলিম যুব সমাজের অভিনন্দনের উত্তরে তাদের উদ্দেশ্যে কাজী নজরুল ইসলাম যে প্রাণোচ্ছল ভাষণ দিয়েছিলেন, ‘যৌবনের গান’ রচনাটি তারই পরিমার্জিত লিখিত রূপ। এই অভিভাষণে কবি দুরন্ত ও দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করেছেন। কারণ যৌবন হলো অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। স্বভাব ও বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে যে যৌবন দেশ-জাতি-কাল ও ধর্মের সংকীর্ণ বাঁধন মানে না, সেই যৌবনশক্তিকে কবি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন সমস্ত জীর্ণ-পুরোনো সংস্কার ধ্বংস করে নিজের মনের মতো নতুন জগৎ নির্মাণের সাধনায় অগ্রসর হতে। তাই দেরি না করে যৌবনের গান MCQ গুলো পড়ে ফেলুন।
যৌবনের গান MCQ প্রশ্নের উত্তর
১। ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে কবি তারুণ্য দেখেছেন কাদের মাঝে?
ক. আরবদের মাঝে
খ. বেদুইনদের মাঝে
গ. আরব বেদুইনদের মাঝে
ঘ. কালাপাহাড়ের মাঝে
✅ উত্তর: গ. আরব বেদুইনদের মাঝে
ব্যাখ্যা: প্রবন্ধে কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্পষ্টভাবে বলেছেন, “তারুণ্য দেখিয়াছি আরবের বেদুইনদের মাঝে”। তিনি আরব বেদুইনদের অদম্য গতি, সাহস ও মৃত্যুভয়হীনতার উদাহরণ দিয়েছেন।
২। ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের প্রতিপাদ্য—
ক. যৌবনের রূপ বিশ্লেষণ
খ. যৌবনের স্বরূপ বর্ণনা
গ. যৌবনশক্তির জয়গান
ঘ. নবীনদের ভূমিকা বর্ণনা
✅ উত্তর: গ. যৌবনশক্তির জয়গান
ব্যাখ্যা: এই প্রবন্ধের মূল বক্তব্য হলো যৌবনশক্তির অপার মহিমা, সম্ভাবনা ও অদম্য প্রশংসা। লেখক যৌবনকে আলোর দেবতা বলে অভিহিত করেছেন এবং তারুণ্যের বিজয়গান গেয়েছেন।
৩। ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে কবি কিসের প্রশস্তি গেয়েছেন?
ক. দুর্গম
খ. সেবকের সেবার
গ. মানবতার
ঘ. দুর্বার যৌবনের
✅ উত্তর: ঘ. দুর্বার যৌবনের
ব্যাখ্যা: ‘প্রশস্তি’ মানে স্তুতি বা প্রশংসা। প্রবন্ধের মূল ভাব অনুসারে কবি অদম্য ও অপ্রতিরোধ্য (দুর্বার) যৌবনের মহিমা প্রকাশ করেছেন। তিনি যৌবনকে সূর্যের সাথে তুলনা করেছেন।
৪। কাজী নজরুল ইসলাম ‘যৌবনের গান’ অভিভাষণটি কোথায় দিয়েছিলেন?
ক. ঢাকায়
খ. কুমিল্লায়
গ. ময়মনসিংহে
ঘ. সিরাজগঞ্জে
✅ উত্তর: ঘ. সিরাজগঞ্জে
ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২৮ সালে সিরাজগঞ্জে অনুষ্ঠিত বঙ্গীয় মুসলিম যুবক সম্মেলনের সভাপতির অভিভাষণ হিসেবে এই প্রবন্ধটি রচনা ও পাঠ করেন।
৫। কাজী নজরুল ইসলাম কত বছর বয়সে বাকশক্তি হারান?
ক. ৪৩ বছর
খ. ৪৬ বছর
গ. ৫৩ বছর
ঘ. ৫৬ বছর
✅ উত্তর: ক. ৪৩ বছর
ব্যাখ্যা: কবি ১৯৪২ সালে (প্রায় ৪৩ বছর বয়সে) গুরুতর অসুস্থ হন এবং বাকশক্তি হারান, যা তাকে সাহিত্যকর্ম থেকে দীর্ঘকালের জন্য বঞ্চিত করে।
৬। ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক নিজেকে ধ্যানী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন কেন?
ক. ধ্যান করতে পছন্দ করতেন বলে
খ. কর্মক্ষম ছিলেন না বলে
গ. তরুণেরা ধ্যান করত না বলে
ঘ. পথপ্রদর্শকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন বলে
✅ উত্তর: ঘ. পথপ্রদর্শকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন বলে
ব্যাখ্যা: নজরুল শুধু কর্মশক্তিই নয়, সঠিক পথের দিশা দেওয়ার গুরুত্ব বোঝাতে নিজেকে পথপ্রদর্শক বা ধ্যানী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যিনি লক্ষ্য স্থির করতে সহায়তা করেন। ধ্যানীরা পরিকল্পনা করেন আর কর্মীরা তা বাস্তবায়ন করেন।
৭। কাজী নজরুল ইসলাম যৌবনের গান গাইতে পছন্দ করেন কেন?
ক. যুবকদের পছন্দ করেন বলে
খ. যৌবন জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ বলে
গ. যৌবনের পূজারি বলে
ঘ. নিজে যুবক বলে
✅ উত্তর: খ. যৌবন জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ বলে
ব্যাখ্যা: নজরুলের কাছে যৌবন হলো সৃষ্টির মূল শক্তি, অফুরন্ত প্রাণ ও জীবনের শ্রেষ্ঠতম সম্পদ। তাই তিনি এর জয়গান গেয়েছেন। তিনি নিজেকে “যৌবনের পূজারী কবি” বলেও উল্লেখ করেছেন।
৮। ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে যৌবনের মাতৃরূপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কোনটি?
ক. কর্মোদ্দীপনাকে
খ. নতুন সৃষ্টিকে
গ. অফুরন্ত প্রাণশক্তিকে
ঘ. সেবাপরায়ণ দিককে
✅ উত্তর: ঘ. সেবাপরায়ণ দিককে
ব্যাখ্যা: যৌবনের যে দিকটি মায়ের মতো নিঃস্বার্থভাবে পরের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দেয়, কবি তাকেই যৌবনের মাতৃরূপ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি লিখেছেন, “যৌবনের মাতৃরূপ দেখিয়াছি- শব বহন করিয়া যখন সে যায় শ্মশানঘাটে… বন্ধুহীন রোগীর শয্যাপার্শ্বে যখন সে রাত্রির পর রাত্রি জাগিয়া পরিচর্যা করে।”
৯। কাজী নজরুল ইসলামের মতে, তরুণদের দেশ নাই, জাতি নাই, ধর্ম নাই কেন?
ক. তারা ভবঘুরে
খ. সবাই এক দেশের
গ. তারা ধর্ম-কর্ম করে না
ঘ. তারা সংকীর্ণ গণ্ডির ঊর্ধ্বে
✅ উত্তর: ঘ. তারা সংকীর্ণ গণ্ডির ঊর্ধ্বে
ব্যাখ্যা: তরুণদের মন উদার ও মুক্ত; তারা দেশ, জাতি, ধর্ম ইত্যাদি সংকীর্ণ ভেদবুদ্ধি বা গণ্ডির ঊর্ধ্বে উঠে মানবতাকে বড় করে দেখে। কবি বলেন, “দেশ-কাল-জাতি-ধর্মের সীমার ঊর্ধ্বে ইহাদের সেনানিবাস।”
১০। ‘চঞ্চু’ শব্দের অর্থ কী?
ক. ঠোঁট
খ. চোখ
গ. নাক
ঘ. কান
✅ উত্তর: ক. ঠোঁট
ব্যাখ্যা: ‘চঞ্চু’ হলো একটি তৎসম শব্দ যার আভিধানিক অর্থ পাখির ঠোঁট। প্রবন্ধে ব্যবহৃত “তীক্ষ্ণ চঞ্চু” বলতে ধারালো ঠোঁট বোঝানো হয়েছে।
আরো পড়ুন: মাসি-পিসি গল্পের বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ও উত্তর
১১। ‘তিমির-কুন্তলা’ শব্দের অর্থ কী?
ক. অন্ধকার যার চুল
খ. আলো
গ. কুন্তলা
ঘ. তিমির
✅ উত্তর: ক. অন্ধকার যার চুল
ব্যাখ্যা: ‘তিমির’ মানে অন্ধকার এবং ‘কুন্তল’ মানে চুল বা কেশ। ‘তিমির-কুন্তলা’ বলতে অন্ধকার যার চুল অর্থাৎ ঘন অন্ধকারকে বোঝানো হয়েছে। প্রবন্ধে “দুঃখের তিমির কুন্তলা নিশীথিনী” বলতে দুঃখের ঘন অন্ধকার রাত্রিকে বোঝানো হয়েছে।
১২। ‘যৌবনের সীমা পরিক্রমণ আজও আমার শেষ হয় নাই’—যৌবনের গান প্রবন্ধে এ মন্তব্য কার?
ক. তরুণের
খ. লেখকের
গ. অভিযাত্রিকের
ঘ. সেবকের
✅ উত্তর: খ. লেখকের
ব্যাখ্যা: এই মন্তব্যটি স্বয়ং প্রবন্ধের লেখক কাজী নজরুল ইসলামের। তিনি এর মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে বয়সে বড় হলেও তার ভেতরের তারুণ্যশক্তি এখনো ফুরিয়ে যায়নি। তিনি যৌবনের সীমা অতিক্রম করেননি বলে উল্লেখ করেছেন।
১৩। কবি কাজী নজরুল ইসলামের দেখা আরবের বেদুইনদের তারুণ্যে কোন বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান?
ক. সাহসী ও ক্ষিপ্রগতিময়
খ. আক্রমণাত্মক
গ. ভীরু ও রক্ষণাত্মক
ঘ. দুঃসাহসী ও মৃত্যুভয়হীন
✅ উত্তর: ক. সাহসী ও ক্ষিপ্রগতিময়
ব্যাখ্যা: কবি তাদের দুঃসাহস (সাহসী) এবং মরুভূমির বুকে তাদের দ্রুতগামী (ক্ষিপ্রগতিময়) চলার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি আরবের বেদুইনদের মাঝে তারুণ্যের এই দুটি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করেছেন।
১৪। ‘তাহাদিগকে সকল দেশের সকল ধর্মের সকল লোক সমান শ্রদ্ধা করে’—যৌবনের গান প্রবন্ধে এ শ্রদ্ধার কারণ—
ক. তারুণ্যদীপ্ততা
খ. বিপ্লবী মানসিকতা
গ. মৃত্যুঞ্জয়তা
ঘ. কীর্তি
✅ উত্তর: ক. তারুণ্যদীপ্ততা
ব্যাখ্যা: তরুণদের সংকীর্ণতা মুক্ত, মানবকল্যাণে নিবেদিত এবং প্রাণময় তারুণ্যদীপ্ততার কারণেই তারা সর্বজনীন শ্রদ্ধা লাভ করে। দেশ-কাল-জাতি-ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে যারা কাজ করতে পারে, তারাই সকলের শ্রদ্ধা পান।
১৫। কালাপাহাড় কে ছিলেন?
ক. মুসলিম যোদ্ধা
খ. খেলোয়াড়
গ. সাহিত্যিক
ঘ. কবি
✅ উত্তর: ক. মুসলিম যোদ্ধা
ব্যাখ্যা: কালাপাহাড় ছিলেন একজন বিখ্যাত মুসলিম সেনাপতি বা যোদ্ধা। তিনি মূলত রাজা গণেশের পুত্র, পরে ধর্ম পরিবর্তন করে মুসলমান হন এবং সেনাপতি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। প্রবন্ধে তার অসি বা তরবারির কথাও উল্লেখ রয়েছে।
১৬। ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে কবি নিজেকে কোন পাখির সাথে তুলনা করেছেন?
ক. ময়ূর
খ. কোকিল
গ. কাক
ঘ. ফিঙে
✅ উত্তর: খ. কোকিল
ব্যাখ্যা: কবি নিজেকে “কবি-বনের পাখির মতো” বলেছেন এবং কাক-ফিঙে যখন গানের পাখিকে (কোকিল) তাড়া করে, তখনও সে গান গায়—এই প্রসঙ্গে তিনি কোকিলের উদাহরণ দিয়েছেন।
১৭। কাক-ফিঙে যখন গানের পাখিকে তাড়া করে, তখন গানের পাখি কী করে?
ক. পালিয়ে যায়
খ. চুপ করে যায়
গ. এক গাছ থেকে উড়িয়ে আরেক গাছে গিয়ে গান ধরে
ঘ. লড়াই করে
✅ উত্তর: গ. এক গাছ থেকে উড়িয়ে আরেক গাছে গিয়ে গান ধরে
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “বায়স ফিঙে যখন বেচারা গানের পাখিকে তাড়া করে, তীক্ষ্ণ চঞ্চু দ্বারা আঘাত করে, তখনও সে এক গাছ হইতে উড়িয়া আর গাছে গিয়া গান ধরে।”
১৮। গানের পাখির হাসিতে কী থাকে?
ক. কান্না
খ. গান
গ. আর্তনাদ
ঘ. নীরবতা
✅ উত্তর: খ. গান
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “তাহার হাসিতে গান, তাহার কান্নায় গান। সে গান করে আপন মনের আনন্দে।”
১৯। কবির গানে যদি কারও অলস-তন্দ্রা, মোহ-নিন্দ্রা টুটে যায়, তাহা কী?
ক. কবির কৃতিত্ব
খ. দৈব ব্যাপার
গ. পাঠকের কৃতিত্ব
ঘ. সমালোচকের প্রভাব
✅ উত্তর: খ. দৈব ব্যাপার
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “যদি তাহাতে কাহারও অলস-তন্দ্রা, মোহ-নিন্দ্রা টুটিয়া যায়, তাহার একান্ত দৈব।” অর্থাৎ এটি কবির কৃতিত্ব নয়, দৈবক্রমে ঘটে যায়।
আরো পড়ুন: বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
২০। ‘তাহা আমার অগোচরে’ বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
ক. তিনি গান শোনেন না
খ. তার গানের প্রভাব তিনি জানেন না
গ. তিনি গান বুঝেন না
ঘ. তিনি গান ভুলে যান
✅ উত্তর: খ. তার গানের প্রভাব তিনি জানেন না
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, তারুণ্যের ভরা-ভাদরে যদি আমরা গান জোয়ার আনে, তাহা আমার অগোচরে—অর্থাৎ তার গানের প্রভাব তিনি নিজে জানেন না, যেমন চাঁদ জানে না সে জোয়ার আনে।
২১। কবি নিজেকে কোন দলের মানুষ বলে উল্লেখ করেছেন?
ক. বক্তা
খ. কমবক্তা
গ. দিগ্বিজয়ী বক্তা
ঘ. বক্তিয়ার খিলজি
✅ উত্তর: খ. কমবক্তা
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে।” অর্থাৎ তিনি বেশি কথা বলেন না, কম কথা বলেন।
২২। বক্তাদের বাণী কিসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?
ক. ঝরনাধারার সাথে
খ. পদ্মা-ভাগীরথীর খরস্রোতার সাথে
গ. ক্ষীণ ধারার সাথে
ঘ. গুঞ্জন ধ্বনির সাথে
✅ উত্তর: খ. পদ্মা-ভাগীরথীর খরস্রোতার সাথে
ব্যাখ্যা: কবি বক্তাদের বাণীকে পদ্মা-ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা বলেছেন। অন্যদিকে কবিদের বাণী ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতো।
২৩। কবিদের বাণী কিসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?
ক. পদ্মা নদীর সাথে
খ. ভাগীরথীর সাথে
গ. ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার সাথে
ঘ. বৃষ্টিধারার সাথে
✅ উত্তর: গ. ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার সাথে
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়।”
২৪। কবির একমাত্র সম্বল কী?
ক. অর্থ
খ. খ্যাতি
গ. তরুণদের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসা
ঘ. বন্ধুবান্ধব
✅ উত্তর: গ. তরুণদের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসা
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “আমার একমাত্র সম্বল-আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।”
২৫। যেদিন থেকে কবি গান গাহিতে শিখিয়াছেন, সেদিন থেকে তিনি কী করিয়াছেন?
ক. বক্তৃতা দিয়াছেন
খ. তরুণদের সালাম ও সশ্রদ্ধ নমস্কার করিয়াছেন
গ. কবিতা লিখিয়াছেন
ঘ. ভ্রমণ করিয়াছেন
✅ উত্তর: খ. তরুণদের সালাম ও সশ্রদ্ধ নমস্কার করিয়াছেন
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “আমি যেদিন হইতে গান গাহিতে শিখিয়াছি, সেদিন হইতে বারে বারে সালাম করিয়াছি, সশ্রদ্ধ নমস্কার নিবেদন করিয়াছি।”
২৬। কবি যৌনকে কীভাবে দেখেছেন?
ক. মেঘের মতো
খ. বৃষ্টির মতো
গ. জবাকুসুমসঙ্কাশ তরুণ অরুণের মতো
ঘ. চাঁদের মতো
✅ উত্তর: গ. জবাকুসুমসঙ্কাশ তরুণ অরুণের মতো
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “জবাকুসুমসঙ্কাশ তরুণ অরুণকে দেখিয়া প্রথম মানব যেমন করিয়া সশ্রদ্ধ নমস্কার করিয়াছিলেন, আমার প্রথম জাগরণ প্রভাবে তেমন সশ্রদ্ধ বিস্ময় লইয়া যৌবনকে অন্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন করিয়াছি।”
২৭। ‘যৌবন সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি’—এই উক্তির অর্থ কী?
ক. যৌবন শেষ হলেই সুখ আসে
খ. যৌবন শেষ হলেই দুঃখের রাত শুরু হয়
গ. যৌবন কখনো শেষ হয় না
ঘ. যৌবন সবসময় বিরাজ করে
✅ উত্তর: খ. যৌবন শেষ হলেই দুঃখের রাত শুরু হয়
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, যৌবন সূর্যের মতো। যেখানে যৌবন সূর্য অস্ত যায়, সেখানেই দুঃখের ঘন অন্ধকার রাতের লীলাভূমি। অর্থাৎ যৌবন শেষ হলেই বার্ধক্যের দুঃখ শুরু হয়।
২৮। কবি নিজেকে কী বলে অভিহিত করেছেন?
ক. যৌবনের পূজারী কবি
খ. যৌবনের শত্রু
গ. যৌবনের সমালোচক
ঘ. যৌবনের ভক্ত
✅ উত্তর: ক. যৌবনের পূজারী কবি
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “আমি যৌবনের পূজারী কবি বলিয়াই যদি আমায় আপনারা আপনাদের মালার মধ্যমণি করিয়া থাকেন, তাহা হইলে আমার অভিযোগ করিবার কিছুই নাই।”
আরো পড়ুন: এইচএসসি নেকলেস গল্পের বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ও উত্তর
২৯। কবি কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চান?
ক. দলপতি
খ. সহযাত্রী
গ. সভাপতি
ঘ. পরিচালক
✅ উত্তর: খ. সহযাত্রী
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “আপনাদের দলপতি হইয়া নয়, আপনাদের দলভুক্ত হইয়া, সহযাত্রী হইয়া। আমাদের দলে কেহ দলপতি নাই।”
৩০। কবির মতে বার্ধক্য কাকে বলে?
ক. যারা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকড়ে থাকে
খ. যারা নতুনকে গ্রহণ করে
গ. যারা সময়ের সাথে চলে
ঘ. যারা শিশুদের ভালোবাসে
✅ উত্তর: ক. যারা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকড়ে থাকে
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “বার্ধক্য তাহাই-যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকে।”
৩১। কবির মতে বৃদ্ধ কারা?
ক. যাদের বয়স বেশি
খ. যারা মায়াচ্ছন্ন নব মানবের অভিনব জয়যাত্রার বোঝা ও বিঘ্ন
গ. যারা শিশুদের ভালোবাসে
ঘ. যারা নতুনকে স্বাগত জানায়
✅ উত্তর: খ. যারা মায়াচ্ছন্ন নব মানবের অভিনব জয়যাত্রার বোঝা ও বিঘ্ন
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “বৃদ্ধ তাহারাই-যাহারা মায়াচ্ছন্ন নব মানবের অভিনব জয় যাত্রার শুধু বোঝা নয়, বিঘ্ন; শতাব্দীর নব যাত্রীর চলার ছন্দে ছন্দ মিলাইয়া যাহারা কুচকাওয়াজ করিতে জানে না, পারে না।”
৩২। কবির মতে যারা অটল সংস্কারের পাষাণস্তুপ আঁকড়ে থাকে তারা কী?
ক. মহৎ
খ. জীব হইয়াও জড়
গ. সৃষ্টিশীল
ঘ. গতিশীল
✅ উত্তর: খ. জীব হইয়াও জড়
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “যাহারা অটল সংস্কারের পাষাণস্তুপ আঁকড়িয়া পড়িয়া আছে।” তারা জীবিত থেকেও জড় পদার্থের মতো।
৩৩। বয়সের ফ্রেমে বার্ধক্যকে বাঁধা যায় না কেন?
ক. বয়স সবসময় বাড়ে বলে
খ. যৌবন-বার্ধক্য কর্ম ও মনোভাবে নির্ধারিত হয় বলে
গ. বয়স কখনো শেষ হয় না বলে
ঘ. বার্ধক্য নির্দিষ্ট বয়সে আসে বলে
✅ উত্তর: খ. যৌবন-বার্ধক্য কর্ম ও মনোভাবে নির্ধারিত হয় বলে
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “বার্ধক্যকে সব সময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।” কারণ তিনি বহু যুবক দেখেছেন যাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল, আর বহু বৃদ্ধ দেখেছেন যাদের বার্ধক্যের জীর্ণাবরণের তলে প্রদীপ্ত যৌবন।
৩৪। তরুণ নামের জয়মুকুট কার?
ক. যার বয়স কম
খ. যার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়
গ. যার অর্থ বেশি
ঘ. যার বিদ্যা বেশি
✅ উত্তর: খ. যার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “তরুণ নামের জয়-মুকুট শুধু তাহারই যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তন্ডপ্রায়।”
৩৫। যৌবন দেখিয়াছি কোন কোন ব্যক্তির শক্তিতে?
ক. রবীন্দ্রনাথ-নজরুলে
খ. কামাল-করিম-মুসোলিনি-সানইয়াৎ-লেনিনের শক্তিতে
গ. গান্ধী-নেহেরুতে
ঘ. শেক্সপিয়ার-মিলটনে
✅ উত্তর: খ. কামাল-করিম-মুসোলিনি-সানইয়াৎ-লেনিনের শক্তিতে
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “কালাপাহাড়ের অসিতে, কামাল-করিম-মুসোলিনি-সানইয়াৎ লেনিনের শক্তিতে” যৌবন দেখিয়াছেন। তিনি বিভিন্ন দেশের বিপ্লবী ও নেতাদের শক্তিতে যৌবনের রূপ দেখেছেন।
৩৬। বৈমানিকরূপে অনন্ত আকাশের সীমা খুঁজতে গিয়ে যারা প্রাণ হারায়, তাদের মাঝে কবি কী দেখেছেন?
ক. দুঃখ
খ. যৌবন
গ. বার্ধক্য
ঘ. নিঃসঙ্গতা
✅ উত্তর: খ. যৌবন
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “যৌবন দেখিয়াছি তাহাদের মাঝে- যাহারা বৈমানিকরূপে অনন্ত আকাশের সীমা খুঁজিতে গিয়া প্রাণ হারায়।”
৩৭। যৌবনের মাতৃরূপ কবি কোথায় দেখেছেন?
ক. মাতৃমন্দিরে
খ. শব বহন করে শ্মশানঘাটে যাওয়ায়, অনাহারে থেকে অন্ন পরিবেশন করায়, রোগীর শয্যাপার্শ্বে রাত জাগায়
গ. সন্তান লালন-পালনে
ঘ. সংসার সামলানোয়
✅ উত্তর: খ. শব বহন করে শ্মশানঘাটে যাওয়ায়, অনাহারে থেকে অন্ন পরিবেশন করায়, রোগীর শয্যাপার্শ্বে রাত জাগায়
ব্যাখ্যা: কবি যৌবনের মাতৃরূপ দেখেছেন সেবাপরায়ণতার মধ্যে—শব বহন, অন্ন পরিবেশন, রোগীর সেবা, দুর্দশাগ্রস্তদের জন্য ভিক্ষা করা, দুর্বলের পাশে দাঁড়ানো, হতাশের বুকে আশা জাগানো—এসবেই যৌবনের মাতৃরূপ।
৩৮। কবির মতে তরুণদের সেনানিবাস কোথায়?
ক. নির্দিষ্ট দেশে
খ. নির্দিষ্ট জাতিতে
গ. নির্দিষ্ট ধর্মে
ঘ. দেশ-কাল-জাতি-ধর্মের সীমার ঊর্ধ্বে
✅ উত্তর: ঘ. দেশ-কাল-জাতি-ধর্মের সীমার ঊর্ধ্বে
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “দেশ-কাল-জাতি-ধর্মের সীমার ঊর্ধ্বে ইহাদের সেনানিবাস।”
৩৯। মুসলিম তরুণদের প্রাণের ধর্ম কী?
ক. ইসলাম
খ. হিন্দুধর্ম
গ. খ্রিষ্টধর্ম
ঘ. তারুণ্য, যৌবন
✅ উত্তর: ঘ. তারুণ্য, যৌবন
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “ধর্ম আমাদের ইসলাম, কিন্তু প্রাণের ধর্ম আমাদের তারুণ্য, যৌবন।” অর্থাৎ ধর্মীয় পরিচয় পৃথক হলেও তাদের প্রাণের পরিচয় হলো তারুণ্য।
৪০। আমরা সকলের—কিসের ঊর্ধ্বে?
ক. দেশ-কাল-জাতি-ধর্মের
খ. শিক্ষা-দীক্ষার
গ. অর্থ-সম্পদের
ঘ. বয়সের
✅ উত্তর: ক. দেশ-কাল-জাতি-ধর্মের
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “আমরা সকল দেশের, সকল জাতির, সকল ধর্মের, সকল কালের।” অর্থাৎ আমরা দেশ-কাল-জাতি-ধর্মের ঊর্ধ্বে।
৪১। যাঁহারা দেশ-জাতি-ধর্ম-কালকে অতিক্রম করিতে পারিয়াছেন, তাঁহারাই কী?
ক. মহামানব, মহাত্মা, মহাবীর
খ. দার্শনিক
গ. বিজ্ঞানী
ঘ. কবি
✅ উত্তর: ক. মহামানব, মহাত্মা, মহাবীর
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “এই জাতি-ধর্ম-কালকে অতিক্রম করিতে পারিয়াছে যাঁহাদের যৌবন, তাঁহারাই আজ মহামানব, মহাত্মা, মহাবীর।”
৪২। পথ-পার্শ্বের ধর্ম-অট্টালিকা আজ কী অবস্থায়?
ক. নতুন করে গড়া হয়েছে
খ. পড় পড় হইয়াছে
গ. মজবুত আছে
ঘ. ভাঙা হয়েছে
✅ উত্তর: খ. পড় পড় হইয়াছে
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “পথ-পার্শ্বের ধর্ম-অট্টালিকা আজ পড় পড় হইয়াছে, তাহাকে ভাঙিয়া ফেলিয়া দেওয়াই আমাদের ধর্ম।”
৪৩। জীর্ণ অট্টালিকা চাপা পড়িয়া কী হতে পারে?
ক. নতুন আশ্রয়
খ. বহু মানবের মৃত্যুর কারণ
গ. সৌন্দর্য বৃদ্ধি
ঘ. সম্পদ বৃদ্ধি
✅ উত্তর: খ. বহু মানবের মৃত্যুর কারণ
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “ঐ জীর্ণ অট্টালিকা চাপা পড়িয়া বহু মানবের মৃত্যুর কারণ হইতে পারে।” অর্থাৎ সংস্কার-জীর্ণ ধর্মীয় রীতিনীতি মানবজাতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
৪৪। যে-ঘর আমাদের আশ্রয় দিয়াছে, তাহা যদি সংস্কারাতীত হইয়া আমাদেরই মাথায় পড়িবার উপক্রম করে, তাহাকে ভাঙিয়া নতুন করিয়া গড়িবার দুঃসাহস আছে কার?
ক. প্রবীণের
খ. তরুণের
গ. ধর্মীয় নেতার
ঘ. শাসকের
✅ উত্তর: খ. তরুণের
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “সে-ঘর আমাদের আশ্রয় দান করিয়াছে, তাহা যদি সংস্কারাতীত হইয়া আমাদেরই মাথায় পড়িবার উপক্রম করে, তাহাকে ভাঙিয়া নতুন করিয়া গড়িবার দুঃসাহস আছে একা তরুণেরই।”
৪৫। খোদা কী জন্য হাত দিয়েছেন?
ক. ভিক্ষা করার জন্য
খ. বেহেশত ও বেহেশতি চিজ অর্জন করিয়া লইবার জন্য
গ. প্রার্থনা করার জন্য
ঘ. দান করার জন্য
✅ উত্তর: খ. বেহেশত ও বেহেশতি চিজ অর্জন করিয়া লইবার জন্য
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “খোদা হাত দিয়াছেন বেহেশত ও বেহেশতি চিজ অর্জন করিয়া লইবার জন্য, ভিখারীর মতো হাত তুলিয়া ভিক্ষা করিবার জন্য নয়।”
৪৬। তরুণের সাধনা কী হওয়া উচিত?
ক. ধর্ম পালন করা
খ. আমাদের পৃথিবী আমাদের মনের মতো করিয়া গড়িয়া লওয়া
গ. বিদ্যা অর্জন করা
ঘ. অর্থ উপার্জন করা
✅ উত্তর: খ. আমাদের পৃথিবী আমাদের মনের মতো করিয়া গড়িয়া লওয়া
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “আমাদের পৃথিবী আমরা আমাদের মনের মতো করিয়া গড়িয়া লইব। ইহাই হউক তরুণের সাধনা।”
৪৭। যারা নব অরুণোদয় দেখিয়া নিদ্রাভঙ্গের ভয়ে দ্বার রুদ্ধ করিয়া পড়িয়া থাকে, তারা কারা?
ক. তরুণ
খ. বৃদ্ধ
গ. শিশু
ঘ. যুবক
✅ উত্তর: খ. বৃদ্ধ
ব্যাখ্যা: কবি বৃদ্ধদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, “বৃদ্ধ তাহারাই যাহারা নব অরুণোদয় দেখিয়া নিদ্রাভঙ্গের ভয়ে দ্বার রুদ্ধ করিয়া পড়িয়া থাকে।”
৪৮। যাহাদের জীর্ণ পুঁথি চাপা পড়িয়া নাভিশ্বাস বহিতেছে, তাহারা কারা?
ক. পণ্ডিত
খ. বৃদ্ধ
গ. তরুণ
ঘ. শিশু
✅ উত্তর: খ. বৃদ্ধ
ব্যাখ্যা: কবি বলেছেন, “জীর্ণ পুঁথি চাপা পড়িয়া যাহাদের নাভিশ্বাস বহিতেছে, অতি জ্ঞানের অগ্নিমান্দ্যে যাহারা আজ কঙ্কালসার বৃদ্ধ তাহরাই।”
৪৯। যারা আলোক পিয়াসী প্রাণচঞ্চল শিশুদের কলকোলাহলে বিরক্ত হয়, তারা কারা?
ক. তরুণ
খ. বৃদ্ধ
গ. মাতাপিতা
ঘ. শিক্ষক
✅ উত্তর: খ. বৃদ্ধ
ব্যাখ্যা: কবি বৃদ্ধদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, “আলোক পিয়াসী প্রাণচঞ্চল শিশুদের কল কোলাহলে যাহারা বিরক্ত হইয়া অভিসম্পাত করিতে থাকে।”
৫০। যাহারা শতাব্দীর নব যাত্রীর চলার ছন্দে ছন্দ মিলাইয়া কুচকাওয়াজ করিতে জানে না, তাহারা কারা?
ক. তরুণ
খ. বৃদ্ধ
গ. সৈনিক
ঘ. নেতা
✅ উত্তর: খ. বৃদ্ধ
ব্যাখ্যা: কবি বৃদ্ধদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, “শতাব্দীর নব যাত্রীর চলার ছন্দে ছন্দ মিলাইয়া যাহারা কুচকাওয়াজ করিতে জানে না, পারে না; যাহারা জীব হইয়াও জড়।”
এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রের যৌবনের গান MCQ প্রশ্নের উত্তর ব্যাখ্যাসহ পিডিএফ ডাউনলোড করুন।






