মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: এইচএসসি রসায়ন ১ম পত্রের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন জ্ঞানমূলক প্রশ্ন পিডিএফ ডাউনলোড করুন। ২০২৬ সালের সকল বোর্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন একসাথে দেওয়া হলো । মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম জ্ঞানমূলক প্রশ্ন অনলাইনে পড়ার পাশাপাশি PDF Downloadকরে অফলাইনে ও পড়তে পারবে। তাহলে চলো, শুরু করি।
মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ২০২৬
১) আধুনিক পর্যায় সূত্রের সংজ্ঞা দাও।
উ: আধুনিক পর্যায় সূত্রের সঙ্গাটি হলো- “মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।”
২) অবস্থান্তর মৌল কাকে বলে?
উ: পর্যায় তালিকায় d-ব্লক মৌলসমূহ যাদের সুস্থিত আয়নে অরবিটাল ইলেকট্রন দ্বারা আংশিকভাবে পূর্ণ থাকে তাদেরকে অবস্থান্তর মৌল বলে।
৩) পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কী?
উ: মৌলসমূহের ইলেকট্রন বিন্যাস ভিত্তিক পরিবর্তনশীল ধর্মসমূহকে পর্যায়বৃত্ত ধর্ম বলে।
৪) ইলেকট্রন আসক্তি কাকে বলে?
উ: গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের 1 মোল চার্জ নিরপেক্ষ বিচ্ছিন্ন পরমাণুর প্রত্যেকটির সাথে একটি করে মোট 1 মোল ইলেকট্রন পরমাণুর সর্বশেষ শক্তিস্তরে যুক্ত হয়ে 1 মোল একক ঋণানাক চার্জযুক্ত গ্যাসীয় আয়ন সৃষ্টি করতে যে পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তা হলো ঐ মৌলের ইলেকট্রন আসত্তি।
৫)π (পাই) বন্ধন কী?
উ: অণু গঠন বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী দুটি পরমাণুর একই অক্ষ বরাবর অবস্থানরত দুটি যোজনী অরবিটালের পাশাপাশি অধিক্রমণের ফলে সৃষ্ট সমযোজী বন্ধনকে π বন্ধন বলে।
৬) সিগমা বন্ধন কী?
উ: দুটি একই বা ভিন্ন পরমাণুর দুটি পারমাণবিক অরবিটাল একই অক্ষ বরাবর মুখোমুখি অধিক্রমণের ফলে আণবিক অরবিটাল সৃষ্টির মাধ্যমে যে সমযোজী বন্ধন গঠিত হয় তাকে সিগমা বন্ধন বলে।
৭) সমযোজী ব্যাসার্ধ কাকে বলে?
উ: একটি একক সমযোজী বন্ধনে যুক্ত একই মৌলের দুটি পরমাণু যোগে গঠিত অণুতে পরমাণুদ্বয়ের নিউক্লিয়াসের মধ্যবর্তী দূরত্বের অর্ধেককে উক্ত মৌলের পরমাণুর সমযোজী ব্যাসার্ধ বলা হয়।
৮) সংকরায়ন কী?
উ: কোনো পরমাণুর যোজ্যতা স্তরের বিভিন্ন অরবিটালসমূহ পরস্পরের সাথে মিশ্রিত হয়ে পরে সমশক্তির অরবিটাল সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে অরবিটালসমূহের সংকরায়ন বলে।
৯) পোলারিটি কাকে বলে?
উ: সমযোজী যৌগের অণুতে ডাইপোল সৃষ্টির ধর্মকে সেই যৌগের পোলারিটি বলে।
১০) পোলারায়ন (Polarization) কী?
উ: যখন কোনো ক্যাটায়ন একটি অ্যানায়নের খুব নিকটে আসে, তখন ক্যাটায়নের সামগ্রিক ধনাত্মক চার্জ অ্যানায়নের ইলেকট্রন মেঘকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। একই সাথে ক্যাটায়নটি অ্যানায়নের নিউক্লিয়াসকে বিকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ ও বিকর্ষণের ফলে অ্যানায়নের ইলেকট্রন মেঘ ক্যাটায়নের দিকে সরে আসে একে পোলারায়ন বলে।
আরো পড়ুন: এইচএসসি গুণগত রসায়ন জ্ঞানমূলক প্রশ্ন
১১) হাইড্রোজেন বন্ধন কাকে বলে?
উ: হাইড্রোজেনযুক্ত পোলার অণুসমূহ যখন পরস্পর পরস্পরের সান্নিধ্যে আসে, তখন এক অণুর ধনাত্মক (হাইড্রোজেন) প্রান্ত অন্য অণুর ঋণাত্মক প্রান্তের দিকে বিশেষভাবে আকর্ষিত হয়। এ আকর্ষণকে হাইড্রোজেন বন্ধন বলে।
১২) পোলারায়ন ক্ষমতা কাকে বলে?
উ: ইলেকট্রন মেঘের বিকৃত হওয়ার ক্ষমতাকে পোলারায়ন ক্ষমতা বলে।
১৩) পোলার ও অপোলার কী?
উ: সমযোজী যৌগে আবদ্ধ দুটি পরমাণুর মধ্যে তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য অনেক বেশি হলে যৌগটিকে পোলার যৌগ এবং তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য শূন্য হলে যৌগটিকে অপোলার যৌগ বলে।
১৪) ফাযানের নীতি কী?
উ: পোলারণ প্রভাব যত বেশি হয় তড়িৎযোজী বন্ধনের সমযোজী বন্ধনও তত অধিক হয়। এ সম্পর্কে একটি নীতি আছে যাকে ফাযানের নীতি বলে।
১৫) ভ্যানডার ওয়াল আকর্ষণ বল কী?
উ: অপোলার সমযোজী যৌগসমূহের একটি অণু অন্যান্য অণু কর্তৃক যে দুর্বল এবং ক্ষণস্থায়ী আকর্ষণ বল দ্বারা আকৃষ্ট হয় তাই ভ্যানডার ওয়াল আকর্ষণ বল।
১৬) ভ্যানডার ওয়ালস্ বল কাকে বলে?
উ: কোনো কঠিন পদার্থের কেলাসে বিদ্যমান পাশাপাশি দুটি অণু যে দুর্বল শক্তির মাধ্যমে আবদ্ধ থাকে তাকে ভ্যানডার ওয়ালস্ বল বলে।
১৭) ভ্যানডার ওয়ালস্ আকর্ষণ বল কোন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
উ: ভ্যানডার ওয়ালস্ আকর্ষণ বল গ্যাসীয়, তরল এবং কঠিন সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
১৮) বিরল মৃত্তিকা ধাতু কাকে বলে?
উ: পর্যায় সারণির ষষ্ঠ পর্যায়ের সিরিয়াম (Ce) থেকে লুটেসিয়াম (Lu) পর্যন্ত 14টি মৌলকে বিরল মৃত্তিকা ধাতু বলা হয়।
১৯) মৃৎক্ষার ধাতু কাকে বলে?
উ: s-ব্লক মৌলসমূহের মধ্যে যেগুলোর সর্ববহিঃস্থ স্তরের ইলেকট্রন বিন্যাস ns² তাদেরকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে।
২০) যোজনী কাকে বলে?
উ: মৌলের পরমাণু বহিঃস্তরে যতটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে বা বহিঃস্তর থেকে যতটি ইলেকট্রন বর্জন করে, অথবা অপর পরমাণুর সাথে যতটি অযুগল ইলেকট্রন শেয়ারে অংশগ্রহণ করে সেই সংখ্যাকে মৌলের যোজনী বলে।
২১) Pd(46) এর ইলেকট্রন বিন্যাস লিখ।
উ: Pd(46) এর ইলেকট্রন বিন্যাস হচ্ছে 1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 3d10 4s2 4p6 4d10
২২) আয়নিকরণ বিভব কী?
উ: গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের 1.0 মোল বিচ্ছিন্ন পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ স্তর হতে থেকে একটি করে 1.0 মোল পরিমাণ ইলেকট্রন অসীম দূরত্বে অপসারণ করে পরমাণুটিকে একক ধনাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে পরিমাণ শক্তির প্রয়োজন হয় তাই আয়নিকরণ বিভব।
২৩) ধাতব ব্যাসার্ধ কাকে বলে?
উ: ধাতুর কেলাসে অন্তর্ভুক্ত দুটি পরমাণুর আন্তঃনিউক্লিয়ার দূরত্বের অর্ধেককে ঐ ধাতুর ধাতব ব্যাসার্ধ বলা হয়।
২৪) অরবিটাল সংকরণ কী?
উ: বিক্রিয়াকালে কোনো পরমাণুর যোজ্যতা স্তরের বিভিন্ন অরবিটালসমূহ পরস্পরের সাথে মিশ্রিত হয়ে পরে সমশক্তির অরবিটাল সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে অরবিটাল সংকরণ বা হাইব্রিডাইজেশন বলে।
২৫) আণবিক অরবিটাল কী?
উ: দুটি অরবিটালের অধিক্রমণের ফলে পরমাণু দুটির নিউক্লিয়াসের মাঝামাঝি স্থানে ইলেকট্রন মেঘের সাধারণ ঘনত্ববিশিষ্ট একটি ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়; এটিকে আণবিক অরবিটাল বলে।
২৬) সন্নিবেশ বন্ধন কাকে বলে?
উ: দুটি পরমাণুর মধ্যে বন্ধন সৃষ্টির সময় যখন একটি পরমাণু একজোড়া ইলেকট্রন দান করে কিন্তু উভয় পরমাণু বা আয়ন সেই একজোড়া ইলেকট্রন সমভাবে শেয়ার করে বন্ধন সৃষ্টি করে তাকে সন্নিবেশ বন্ধন বলে।
২৭) জটিল যৌগ কী?
উ: যখন কোন অণুতে কোন কেন্দ্রীয় পরমাণুর সাথে দুই বা ততোধিক পরমাণু বা পরমাণুগুচ্ছ সন্নিবেশ সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত হয় তখন ঐ অনুই হচ্ছে জটিল যৌগ।
২৮) পোলার সমযোজী বন্ধন কাকে বলে?
উ: আংশিক ধনাত্মক ও আংশিক ঋণাত্মক চার্জবিশিষ্ট সমযোজী যৌগসমূহকে পোলার সমযোজী যৌগ বলা হয় এবং এই বন্ধনকে বলা হয় পোলার সমযোজী বন্ধন।
২৯) ক্ষার ধাতু কী?
উ: গ্রুপ 1 এর ধাতব মৌলসমূহ (যেমন- Li, Na, K, Rb, Cs) অত্যন্ত সক্রিয় হওয়ায় এরা পানির সাথে বিক্রিয়া করে তীব্র ক্ষার উৎপন্ন করে। এজন্য এদের ক্ষার ধাতু বলা হয়।
৩০) p ব্লক মৌল কী?
উ: যেসব মৌলের সর্বশেষ ইলেকট্রনটি অরবিটালে প্রবেশ করে তাদেরকে p ব্লক মৌল বলে।
৩১) পর্যায় সূত্র কী?
উ: পর্যায় সূত্রটি হলো- বিভিন্ন মৌলের ভৌত রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক সংখ্যার বৃদ্ধির সাথে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।
৩২) d-ব্লক মৌল কী?
উ: যে সকল মৌলসমূহের পরমাণুর সর্বশেষ ইলেকট্রনটি d অরবিটালে প্রবেশ করে তাদেরকে d-ব্লক মৌল বলে।
৩৩) নিকটোজেন কী?
উ: পর্যায় সারণির 15 নং গ্রুপের (নাইট্রোজেন পরিবার) অন্তর্গত মৌলসমূহকে সাধারণভাবে নিকটোজেন বলা হয়।
৩৪) ল্যান্থানাইড কী?
উ: পর্যায় সারণির ল্যান্থানাম La (57) এর পরবর্তী মৌল সিরিয়াম Ce(58) থেকে লুটেশিয়াম Lu(71) পর্যন্ত 14টি মৌলকে ল্যান্থানাইড বলা হয়।
৩৫) f-ব্লক মৌল কাকে বলে?
উ: যে সকল মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ ইলেকট্রনটি। অরবিটালে যায় তাদেরকে f-ব্লক মৌল বলে।
৩৬) sp হাইব্রিডাইজেশন কাকে বলে?
উ: একটি s অরবিটাল ও একটি p অরবিটাল পরস্পর পরস্পরকে অধিক্রমণ করে সমশক্তি সম্পন্ন দুটি হাইব্রিড অরবিটাল উৎপন্ন করলে তাকে sp হাইব্রিডাইজেশন বলে।
৩৭) sp²-হাইব্রিডাইজেশন কাকে বলে?
উ: যে প্রক্রিয়ায় 1টি s ও দুইটি p অরবিটাল পরস্পর যুক্ত হয়ে একই শক্তির অভিন্ন নতুন তিনটি হাইব্রিড অরবিটাল উৎপন্ন করে তাকে sp²-হাইব্রিডাইজেশন বলে।
৩৮) sp²-হাইব্রিডাইজেশনের মধ্যে বন্ধন কোণ কত?
উ: sp²-হাইব্রিডাইজেশনের মধ্যে বন্ধন কোণ 120°।
৩৯) sp³d হাইব্রিডাইজেশন কাকে বলে?
উ: একটি ও অরবিটাল, তিনটি p অরবিটাল ও একটি d অরবিটাল পরস্পর পরস্পরকে অধিক্রমণ করে সমশক্তি সম্পন্ন পাঁচটি sp³d-হাইব্রিড অরবিটাল উৎপন্ন করলে তাকে sp³d-হাইব্রিডাইজেশন বলে।
৪০) sp³d² হাইব্রিডাইজেশন কাকে বলে?
উ: একটি ও অরবিটাল, তিনটি p অরবিটাল ও দুটি d অরবিটাল পরস্পর পরস্পরকে অধিক্রমণ করে সমশক্তি সম্পন্ন ছয়টি sp³d²-হাইব্রিড অরবিটাল উৎপন্ন করলে তাকে sp³d²-হাইব্রিডাইজেশন বলে।
৪১) ডাইপোল-ডাইপোল আকর্ষণ বল কী?
উ: কোনো সমযোজী যৌগের ভিন্ন মৌলের পরমাণুষয়ের মধ্যে পরমাণু তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্যের ফলে অণুর দুইপ্রান্তে ভিন্ন চার্জ বা মেরু দূরত্বের সৃষ্টি হয় এবং দুটি অণুর মধ্যে আকর্ষণ বল কাজ করে। এই আকর্ষণ বলকে ডাইপোল-ডাইপোল আকর্ষণ বল বলে।
৪২) ডাইপোল কাকে বলে?
উ: সমযোজী যৌগের বন্ধনে অংশগ্রহণকারী দুটি পরমাণুর তড়িৎ কণাত্মকতার যথেষ্ট পার্থক্যের কারণে অণুর দুই প্রান্তে ইলেকট্রন চার্জের ঘনত্ব ভিন্ন হয়। ফলে মেরুর সৃষ্টি হয়। উভয় মেরুকে একত্রে ডাইপোল বলে।
৪৩) মুক্তজোড় ইলেকট্রন কী?
উ: যে সকল ইলেকট্রন জোড় রাসায়নিক বন্ধন গঠনে অংশগ্রহণ করে না সে সকল ইলেকট্রন জোড়ই হলো মুক্তজোড় ইলেকট্রন।
৪৪) বাইনারী যৌগ কী?
উ: যে সকল যৌগ দুটি ভিন্ন মৌল নিয়ে গঠিত তাদের বাইনারী যৌগ বলে।
৪৫) আন্তঃহ্যালোজেন যৌগ কী?
উ: হ্যালোজেনসমূহ (F, Cl, Br, I, At) নিজেদের সাথে যুক্ত হয়ে যৌগ তৈরি করতে পারে। এদেরকে আন্তঃহ্যালোজেন যৌগ বলে।
৪৬) অকটেট নিয়ম কাকে বলে?
উ: যোজ্যতার ইলেকট্রনীয় তত্ত্বানুযায়ী পর্যায় সারণির অন্যান্য মৌলসমূহ (H, Li) ব্যতীত বহিঃস্থ ইলেকট্রনস্তর অপূর্ণ থাকে। তারা পরস্পরের মধ্যে বন্ধন গঠনের সময় এমনভাবে ইলেকট্রন আদান-প্রদান বা শেয়ার করে যেন নিকটতম নিষ্ক্রিয় গ্যাসের সুস্থিত গঠন বিন্যাস লাভ করে, একে অকটেট নিয়ম বলে।
৪৭) কোন অক্সাইডগুলো নিরপেক্ষ?
উ: কিছু কিছু ধাতুর অক্সাইড পানির সাথে বিক্রিয়া করে না এরা নিরপেক্ষ অক্সাইড।
৪৮) cl_2 O_2কী ধরনের অক্সাইড?
উ: CL2 O7 অম্লধর্মী অক্সাইড।
৪৯) CaO কী ধরনের অক্সাইড?
উ: CaO ক্ষারীয় প্রকৃতির অক্সাইড।
এইচএসসি রসায়ন ১ম পত্রের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন জ্ঞানমূলক প্রশ্ন পিডিএফডাউনলোড করুন।






