আজকে তোমাদের জন্য নিয়ে আসলাম ২০২৬ সালের নতুন সংযোজিত এইচএসসি অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের নোট। বেগম রোকেয়ার ‘অর্ধাঙ্গী’ প্রবন্ধে উনিশ শতকের শেষ এবং বিশ শতকের গোড়ায় ভারতবর্ষের পুরুষশাসিত সমাজে নারীর বিশেষ করে মুসলিম নারীর পশ্চাদপদতা, দুর্বহ জীবন ও অধিকারহীনতা কেমন ছিল তা দেখানো হয়েছে। প্রবন্ধটিতে পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা এবং আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রভাবও তুলে ধরা হয়েছে।
এই অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের নোট তোমরা PDF ফাইল ডাউনলোড করে অফলাইনেও পড়তে পারবে। চলুন, শুরু করা যাক!
Table of Contents
এইচএসসি অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের নোট
লেখক পরিচিতি: অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের নোট
✪ ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
✪ ১৯৩২ সালেন ৯ ডিসেম্বর মারা যান।
✪ শিক্ষা জীবন: পারিবারিক বাধা-নিষেধ সত্ত্বেও বড় ভাই ও বোনের উৎসাহ ও যত্নে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় পারদর্শি হন।
✪ বিবাহ: বিহারের ভাগলপুর অধিবাসী খান বাহাদুর সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের সাথে (১৮৯৮)।
✪ সাহিত্যের ময়দানে প্রবেশ ১৯০২ সালে কলকাতার নবপ্রভা পত্রিকায় ‘পিপলস মহরম’ নামে তাঁর একটি রচনা প্রকাশিত হয়।
✪ অসাধারণ কীর্তি: মুসলিম মেয়েদের শিক্ষার জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠা।
✪ প্রথম স্কুল প্রতিষ্ঠা: ১৯০১ সালের ১লা অক্টোবর মাত্র পাঁচজন ছাত্রী নিয়ে বিহারে ‘সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল’ প্রতিষ্ঠা।
✪ সমাজ সেবা ব্রত হলেও তিনি কলম ধরেছেন: সমাজ জাগানোর লক্ষ্যে।
✪ তাঁর জীবন শুরু হয়েছিলো অন্তঃপুরবাসিনী অবস্থায়।
✪ সমকালীন কোনো কবি-সাহিত্যিক তাঁর মতো ছিলেন না। তিনি ছিলেন এমনই অদ্বিতীয় রচনার অধিকারী।
✪ উপাধি: মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত।
✪ তাঁর রচিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ: মতিচুর।
✪ লেখক নাম: মিসেস আর এস হোসেন।
✪ তাঁর রচিত সর্বশেষ রচনা: নারীর অধিকার।
✪ তাঁর নেতৃত্বে সংগঠিত নারীবাদী সংগঠন: আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম।
প্রবন্ধ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি : অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের নোট
✪ ‘অর্ধাঙ্গী’ প্রবন্ধটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়: নবনূর (১৩১১), আশ্বিন সংখ্যা।
✪ ‘অর্ধাঙ্গী’ প্রবন্ধটি নেওয়া হয়েছে: বেগম রোকেয়ার ‘মতিচুর’ (১ম খন্ড) প্রবন্ধ গ্রন্থ থেকে।
✪ প্রবন্ধটিতে তুলে ধরা হয়েছে উনিশ শতকের শেষ ও বিশ শতকের শুরুর মুসলিম সমাজে নারীদের অবনতির চিত্র।
✪ নারীদের অবনতির জন্য বেগম রোকেয়া দায়ী করেছেন: পুরুষদের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি।
✪ বেগম রোকেয়া রচনাটিতে অবলম্বন করেছেন অবৈপ্লবিক পন্থা।
✪ এই রচনাটি তিনি লিখেছেন: আবেগ ও যুক্তির সাথে।
✪ সমাজের উন্নয়নের জন্য পুরুষের পাশাপাশি নারী জাগরণের বিকল্প নেই।
✪ যুক্তি প্রধান লেখার উদ্দেশ্য থাকে: পাঠকের প্রত্যয় ও বিশ্বাস জাগানো।
✪ যুক্তি দুই প্রকার। মূল যুক্তি ও আনুষাঙ্গিক বা সহায়ক যুক্তি।
✪ যুক্তিপ্রধান রচনা তর্ক বিতর্কের মতো নয়।
✪ যুক্তি প্রধান রচনার বৈশিষ্ট্য মোট: ৫টি।
✪ রচনায় তিনজন লেখকের গ্রন্থের সহায়তা নেওয়া হয়েছে।
১. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (বোধোদয়, ১৯৫১),
২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (নবদম্পতির প্রেমালাপ, ৯ লাইন)
৩. লেখকের নিজের গ্রন্থ (স্ত্রীজাতির অবনতি)।
✪ রচনায় দেবীর নাম আছে দুটি। কালী ও শীতলা। এরা রাক্ষস প্রকৃতির দেবী।
✪ কোনো রোগের চিকিৎসা করতে হলে প্রথমে রোগের অবস্থা জানা আবশ্যক।
✪ আমাদের দাসত্ব নামে একটা রোগ আছে- একথা বেগম রোকেয়া বলেছেন: ‘স্ত্রীজাতির অবনতি’ প্রবন্ধ গ্রন্থে। (অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের নোট)
✪ ‘স্ত্রীজাতির অবনতি’ প্রবন্ধ পড়ে পর্দা বিদ্বেষ ছাড়া আর কোনো কিছু না পেলে মনে করতে হবে: লেখিকা ঠিকমতো নিজের মনোভাব প্রকাশ করতে পারেন নি বা পাঠক ঠিকমতো প্রবন্ধটি পড়েন নি।
✪ যে প্রবন্ধে প্রায় সব নারীজাতির আলোচনা করা হয়েছে: ‘স্ত্রীজাতির অবনতি’ প্রবন্ধ গ্রন্থে।
✪ কোনো একটা নূতন কাজ শুরু করলে সমাজ প্রথমে গোলযোগ করে পরে তা মেনে নেয়।
✪ পার্সি মহিলারা প্রথমে ছাতা ব্যবহারের অধিকারিণী ছিলো না।
✪ পার্সি পুরুষরা মেয়েদের ঘরের বাহিরে বের করেছিলো বিলেতী সভ্যতার অন্ধ অনুকরণে।
✪ পুরুষের কথায় পর্দা ত্যাগ বা গ্রহণ কখনোই প্রশংসনীয় নয়।
✪ নারী আপন স্বত্ব-স্বামিত্ত বুঝে নিয়ে নিজেকে পুরুষের চাইতে শ্রেষ্ঠ মনে করবে এটাও বাহ্যিক পাগলামি বৈ কি। (অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের নোট)
✪ নারীকে শিক্ষা দেবার লক্ষ্যে গুরুরা উদাহরণ দেখান: সীতাকে।
✪ সীতা ছিলেন: রামচন্দ্রের অর্ধাঙ্গী, রাণী, প্রনয়িণী এবং সহচরী।
✪ সীতার সাথে রামের ব্যবহার প্রকাশ পায় পুতুলের সাথে বালকের ব্যবহারের মতো।
✪ হস্তপদ থাকা সত্ত্বেও কুশপুত্তলিকা অচেতন পদার্থ।
✪ আক্ষেপের বিষয়: বেগম রোকেয়া চিত্রকর নন।
✪ সীতার অনুভব শক্তি বুঝে কাজ করতে গেলে রামচন্দ্র তার পূর্ণ স্বামিত্ব খাটাতে পারতো না। Ody
✪ কালী-শীতলা এগুলো সব রাক্ষস প্রকৃতির দেবী।
✪ কথায় কথায় স্ত্রীকে অংশিনী বা উত্তমার্ধ বলা হয়েছে: ইংরেজি ভাষায়।
✪ রাজ্যশাসনের রীতিনীতি সুক্ষ্মভাবে রয়েছে: গার্হস্থ্যের বিষয়াবলিতে।
✪ শাস্ত্রকারগণ গার্হস্থ্যের বিষয়টিকে কল্পনা করেছেন মস্তকস্বরূপ। পতি ও পত্নীকে কল্পনা করেছেন তার অঙ্গস্বরূপ।
✪ ভারতবাসী উন্নতির পথে অগ্রসর হতে পারছে না: শকটের চাকা ছোট-বড় হওয়ার কারণে।
✪ নারীদের আলাদা করে রেখেছে সমাজের বিধি-ব্যবস্থা।
✪ আপাদমস্তক নিরীক্ষণের জন্য বৃহৎ দর্পণটি আছে: পূর্বদিকে।
✪ ‘নবদম্পতির প্রেমালাপ’ কবিতার যে কয় লাইন উদ্ধৃত করা হয়েছে নয় লাইন।
✪ কবিতাটির মূলভাব: স্ত্রী স্বামীর উপযুক্ত সহচারি না হওয়ার শিক্ষা।
✪ সচরাচর কন্যাদের বিদ্যার দৌড় ঈশ্বরচন্দ্রের লেখা শিশুপাঠ্য ‘বোধোদয়’ পর্যন্ত।
✪ মায়ের শিক্ষা না থাকার কারণে অনেক শিক্ষিত সন্তানের মেধা মায়ের সাথে রান্নাঘরেই ঘুরিতে থাকে।
✪ যারা কন্যার ব্যায়াম অনাবশ্যক মনে করে দৌহিত্রকে হৃষ্টপুষ্ট দেখতে চান তাহারা মূলত গোলাপ গাছে কাঁঠাল ফলাইতে চান। (অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের নোট)
✪ স্ত্রী শিক্ষার যথেষ্ট সুবিধা আছে: খ্রিস্টিয়ান সমাজে।
✪ খ্রিস্টান সমাজে নারী আপন স্বত্ব ষোল আনা ভোগ করিতে পারে না মানসিক দাসত্বেও কারণে।
✪ মুসলমান সমাজে নারীরা পুরুষের অর্ধেক উত্তারাধিকারের দিক থেকে।
✪ আমরা নারী ‘নজম-উল-ওলামা’ দেখতে চাই: সাহিত্যগগণে।
✪ উত্তারিধাকার সম্পত্তিতে কন্যা পুত্রের অর্ধেক ভাগ পাইবে বিষয়টি কেবল পুস্তকেই সীমাবদ্ধ।
✪ পিতার স্নেহ, যত্ন এগুলো সব অপার্থিব সম্পত্তি।
✪ ছেলের জন্য যেখানে চারজন শিক্ষক নিযুক্ত করা হয় সেখানে মেয়ের জন্য দুই জন শিক্ষিকা রাখা হয় না।
✪ অতি আদুরে কন্যাদের শিক্ষার দৌড় হাফেজা হওয়া পর্যন্ত।
✪ টিয়াপাখির মতো আবৃত্তি করা হয় কুরআনের শব্দগুলোকে।
✪ জগতে যখনই অন্যায়-অনাচার বেড়েছে তখনই পয়গম্বর এসে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন করিয়াছেন।
✪ বালিকাদের ঠিকমতো বঙ্গভাষা শিক্ষা দেয়া হয় না বঙ্গদেশে।
✪ মুহাম্মদ (সাঃ) কেবল বিধান প্রবর্তন করেই ক্ষ্যান্ত হন নি: স্বয়ং কন্যা পালন করে দেখিয়েছেন।
✪ মা কোনো পক্ষপাতিত্ব করেন না তবে আল্লাহ কিভাবে পক্ষপাতিত্ব করবেন?
✪ জীবনের প্রয়োজনে রান্না করা-সেলাই করা শিখা উচিত: তাই বলে জীবনটা রান্নাঘরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা উচিত না।
✪ মেয়েরা পিছনে পড়ে আছে পুরুষের মতো সুশিক্ষা না পাওয়ার কারণে।
✪ মেয়েদের উন্নতির চরম সীমা হলো: সলমা-চুমকির কারুকার্য আর উলের জুতা-মোজা ইত্যাদি তৈরি করা।
✪ মেয়েরা পুরুষদের শ্রেষ্ঠ মনে করে কারণ মেয়েরা শৈশব থেকেই নিজেদের নিন্দা শুনে আসছে।
✪ ছেলেদের দোষ ক্ষমা করে অন্যায় প্রশংসা করা হয় হাজার হোক ব্যাটা ছেলে বলে।
আরো পড়ুন:
এইচএসসি সাহিত্যে খেলা প্রবন্ধের নোট
✪ বেগম রোকেয়ার প্রবন্ধটির মূল উদ্দেশ্য: শিক্ষার অভাবে মেয়েরা পিছে পড়ে আছে- তা নিজে বোঝা এবং অপরকে বোঝানো।
✪ ভারতে দুই প্রকারের লোক অলস ভিক্ষু আর ধনবান।
✪ দশ জন রমণী একত্রিত হলে আপন আপন অর্ধাঙ্গের নিন্দা বা প্রশংসা করে বেড়ায়। আবশ্যক হলে তাদের মধ্যে কোন্দলও চলে। (অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের নোট)
✪ বেগম রোকেয়া আশা করেন: ‘স্বামীর’ স্থলে ‘অর্ধাঙ্গ’ শব্দটির প্রচলন হবে।
✪ প্রবন্ধে ব্যবহৃত উর্দু বাক্য মাৎ মারো! চোট লাগা হ্যায়!!….কায় মারতা থা? হাম নালিশ করোগা!
✪ ব্যবহৃত ফার্সি বাক্য: ‘কারিমা ববখশা এ বরহালে মা।’
✪ “আমাদের সাংসারিক জীবনটা দ্বিচক্র শকটের ন্যায়”-একথাটি বলে: শুক্লকেশ বুদ্ধিমানগণ।
✪ হস্তপদ থাকা সত্ত্বেও কুশপুত্তলিকা অচেতন পদার্থ।
✪ হাজার হোক ব্যাটা ছেলে বলিয়া ছেলেদের দোষ ক্ষমা করে অন্যায় প্রশংসা করি।
✪ “স্ত্রী লোকের উচ্চশিক্ষার প্রয়োজন নেই”- একথা অনেক পুরুষ বলে সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে।
✪ স্বামী যখন পৃথিবী থেকে সূর্য-নক্ষত্রের দূরত্ব মাপেন: স্ত্রী তখন বালিশের কভার সেলাইয়ের জন্য মাপেন।
✪ স্বামী যখন সৌরজগতে বিচরণ করেন ও ধুমকেতুর গতি নির্ণয় করেন: স্ত্রী তখন রান্নার জন্য চাল-ডাল মাপেন।
✪ স্বামী যখন ঋণের জালে দায়গ্রস্ত থাকেন: স্ত্রী তখন নতুন টুপি বানানোর চিন্তায় থাকেন।
✪ স্ত্রীর যেখানে না যাওয়া ভালো সূর্যমগুলে। সেখানে যাওয়ার আগেই স্ত্রী উত্তাপে বাষ্পীভূত হয়ে যেতে পারে।
✪ অনেকের মতে স্ত্রীদের জন্য যথেষ্ট: চর্ব্যচূষ্য রাধিতে পারা, সেলাই করতে পারা, দুই-চারটা উপন্যাস পড়তে পারা।
✪ সন্তান পৃথিবীতে আগমন করে মাতার দোষ-গুণ নিয়ে।
✪ অনেক সন্তান এফ.এ ও বি.এ পাশ করে শিক্ষকের বেত্রতাড়নায় ও কণ্ঠস্থ বিদ্যার জোরে।
✪ শারীরিক দুর্বলতাবশত নারী জাতি অপর জাতির সাহায্য নির্ভর করে। তাই বলে পুরুষরা তাদের প্রভু হতে পারে না। (অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের নোট)
✪ জগতে দেখিতে পাই, প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট কোনো না কোনো প্রকার সাহায্য প্রার্থনা করে, যেন একে অপরের সাহায্য ব্যতীত চলিতে পারে না।
✪ অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে। যেহেতু “না জাগিলে এই ভারত ললনা, এই ভারত আর জাগিতে পারিবে না।”
✪ কেবল শারীরিক বলের দোহাই দিয়া অদূরদর্শী ভ্রাতৃ মহোদয়গণ যেন শ্রেষ্ঠত্বের দাবি না করেন।
✪ মানসিক উন্নতি করিতে হইলে হিন্দুকে হিন্দুত্ব বা খ্রিস্টানকে খ্রিস্টানি ছাড়িতে হইবে, এমন কোনো কথা নেই।
✪ আপন আপন সম্প্রদায়ের পার্থক্য রক্ষা করিয়াও মনটাকে স্বাধীনতা দেয়া যায়।
✪ ভদ্র মহিলার দল কর্তব্য অপেক্ষা অল্প কাজ করে।
গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ ও টিকা : অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের নোট
অবলা জাতি = বলহীনা। এখানে নারীসমাজ অর্থে ব্যবহৃত।
অবরোধ প্রথা = অন্তঃপুরে লোকচক্ষুর আড়ালে মেয়েদের আটকে রাখার নিয়ম।
পার্সি = পারস্য, ইরানীয়।
বিলাতি সভ্যতা = পাশ্চাত্য সভ্যতা।
নাকের দড়ি = নাকাল ও বাধ্য করার অস্ত্র।
ছত্র = ছাতা।
বাতুল = পাগল, উন্মাদ।
স্বত্ব-স্বামিত্ব = অধিকার ও মালিকানা।
সীতা = রামায়ণে বর্ণিত মিথিলারাজ জনকের কন্যা ও রামচন্দ্রের স্ত্রী।
রামচন্দ্র = রামায়ণে বর্ণিত দশরথ ও কৌশল্যার পুত্র এবং সীতার স্বামী।
শুকুকেশ = শুভ্র বা সাদা চুল বিশিষ্ট, পক্কদেশ।
শকট = গাড়ি।
দর্পণ = আয়না।
শাস্ত্রকার = শাস্ত্র-রচয়িতা, প্রাচিন ধর্মগ্রন্থ প্রণেতা।
রাসভকর্ণ = গাধার কান।
ওয়াড় = লেপ-বালিশ ইত্যাদির আবরণ।
তুলাদণ্ড = দাঁড়িপাল্লা।
চর্ব্যচোষ্য = চিবিয়ে ও চুষে খেতে হয় এমন।
পয়জার = জুতা।
হাম নালিশ করে গা = আমি নালিশ করবো।
অপার্থিব = অবস্তুগত।
হিতৈষিতা = হিতকামনা, কল্যাণ সাধনের ইচ্ছা।
শমস-উল-ওলামা = জ্ঞানীদের মধ্যে সূর্য।
নজম-উল-ওলামা = জ্ঞানীদের মধ্যে নক্ষত্র।
হাফেজ = সম্পূর্ণ কুরআন যার মুখস্থ।
তরঙ্গিনী = নদী।
কারিমা ববখশা এ বরহালে মা = হে আল্লাহ। আপনি আমাদের উপর দয়া করুন।
কাদম্বিনী = মেঘমালা।
সূত্রধর = ছুতার, কাঠের মিস্ত্রি।
তন্তুবায় = তাঁতি, তাঁত দিয়ে যে কাপড় বোনে।
চোগা = লম্বা ঢিলা বুক-খোলা এক ধরণের জামা যা চাপকানের উপরে পরা হয়।
এইচএসসি অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের নোট পিডিএফ ডাউনলোড করুন।






