বাংলা ভাষার রীতি ও বিভাজন MCQ

বাংলা ২য় পত্র: বাংলা ভাষার রীতি ও বিভাজন MCQ (PDF)

বাংলা ২য় পত্রের বাংলা ভাষার রীতি ও বিভাজন MCQ প্রশ্নগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে প্রতিটি বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর ব্যাখ্যাসহ উপস্থাপন করা হয়েছে। সহজভাবে প্রস্তুতি নেওয়া ও দ্রুত রিভিশনের জন্য এটি আপনাকে অনেকটাই সহায়তা করবে। তাই দেরি না করে বাংলা ভাষার রীতি ও বিভাজন MCQ গুলো পড়ে ফেলুন।


বাংলা ভাষার রীতি ও বিভাজন MCQ

০১. সাধু রীতির বহু সর্বনামে কী যুক্ত থাকে?

(a) ‘ক’-বর্ণ

(b) ‘ত’-বর্ণ

(c) ‘হ’-বর্ণ

(d) ‘ম’-বর্ণ

সঠিক উত্তর: (c) ‘হ’-বর্ণ

ব্যাখ্যা: সাধু রীতিতে সর্বনাম পদগুলো সাধারণত দীর্ঘ হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে ‘হ’ বর্ণ যুক্ত থাকে। যেমন: ‘তাহারা’, ‘ইহাদের’, ‘যাহারা’ ইত্যাদি। চলিত রীতিতে এগুলো সংক্ষিপ্ত হয়ে ‘তারা’, ‘এদের’, ‘যারা’ হয়।

০২. কোন শতকের সূচনা নাগাদ চলিত রীতির নতুন নাম হয় ‘প্রমিত রীতি’?

(a) আঠারো

(b) উনিশ

(c) বিশ

(d) একুশ

সঠিক উত্তর: (d) একুশ

ব্যাখ্যা: একুশ শতকের শুরুর দিকে চলিত রীতির মার্জিত ও সর্বজনগ্রাহ্য রূপটিকে আধুনিক ব্যাকরণে ‘প্রমিত রীতি’ (Standard Colloquial) হিসেবে অভিহিত করা শুরু হয়।

০৩. বাংলা কাব্যরীতি কয়ভাগে বিভক্ত?

(a) ২ ভাগে

(b) ৩ ভাগে

(c) ৪ ভাগে

(d) ৫ ভাগে

সঠিক উত্তর: (a) ২ ভাগে

ব্যাখ্যা: বাংলা কাব্যরীতি মূলত দুই ভাগে বিভক্ত: পদ্যরীতি ও গদ্যরীতি। কবিতায় ছন্দের ব্যবহার থাকলেও তার কাঠামোগত এই বিভাজনই প্রধান।

০৪. কোনটি সাধুরীতি বৈশিষ্ট্য?

(a) পরিবর্তনশীল

(b) পদবিন্যাস সুনির্দিষ্ট

(c) তদ্ভব শব্দবহুল

(d) বক্তৃতার জন্য বেশি উপযোগী

সঠিক উত্তর: (b) পদবিন্যাস সুনির্দিষ্ট

ব্যাখ্যা: সাধুরীতির কাঠামো অত্যন্ত কঠোর এবং এর পদবিন্যাস সুনির্দিষ্ট ও অপরিবর্তনীয়। এটি পরিবর্তনশীল নয় এবং বক্তৃতার চেয়ে লিখার জন্য বেশি ব্যবহৃত হয়।

০৫. অধিকাংশ ভাষায় অন্তত কয়টি রীতি থাকে?

(a) দুটি

(b) তিনটি

(c) চারটি

(d) পাঁচটি

সঠিক উত্তর: (a) দুটি

ব্যাখ্যা: পৃথিবীর প্রায় সব প্রধান ভাষায় অন্তত দুটি রূপ বা রীতি দেখা যায়—একটি মৌখিক বা কথ্য রীতি এবং অন্যটি লিখিত বা লেখ্য রীতি।

০৬. বাংলা ভাষায় লেখ্য ভাষা রীতি কয়টি?

(a) দুটি

(b) তিনটি

(c) চারটি

(d) পাঁচটি

সঠিক উত্তর: (b) তিনটি

ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার লেখ্য রূপকে মূলত তিনটি প্রধান রীতিতে ভাগ করা যায়: সাধু রীতি, চলিত (বা প্রমিত) রীতি এবং কাব্য রীতি।

০৭. সাধু রীতি কোন জাতীয় ভাষা রীতি?

(a) লেখ্য ভাষা রীতি

(b) কথ্য ভাষা রীতি

(c) প্রমিত রীতি

(d) কাব্য রীতি

সঠিক উত্তর: (a) লেখ্য ভাষা রীতি

ব্যাখ্যা: সাধু রীতি মূলত সাহিত্য রচনা ও চিঠিপত্র লিখার কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা বা কথ্য রীতি নয়।

০৮. ভাষার মূল রূপ কোন ভাষা রীতি?

(a) লেখ্য ভাষা রীতি

(b) সাধু ভাষা রীতি

(c) কথ্য ভাষা রীতি

(d) প্রমিত ভাষা রীতি

সঠিক উত্তর: (c) কথ্য ভাষা রীতি

ব্যাখ্যা: ভাষার আদি ও মৌলিক রূপ হলো মানুষের মুখের কথা বা কথ্য রীতি। লিখন পদ্ধতি বা লেখ্য রূপ অনেক পরে তৈরি হয়েছে।

০৯. স্থান ও কালভেদে মূলত কোন ভাষা রীতির পরিবর্তন ঘটে?

(a) কথ্য ভাষা রীতি

(b) লেখ্য ভাষা রীতি

(c) সাধু ভাষা রীতি

(d) কাব্য ভাষা রীতি

সঠিক উত্তর: (a) কথ্য ভাষা রীতি

ব্যাখ্যা: মানুষের মুখের ভাষা ভৌগোলিক দূরত্ব (স্থান) এবং সময়ের (কাল) পরিবর্তনের সাথে সাথে দ্রুত বদলে যায়, যা থেকে উপভাষার জন্ম হয়।

১০. কোন ভাষা রীতির পরিবর্তনের ফলে নতুন নতুন ভাষা ও উপভাষার জন্ম হয়?

(a) কাব্য ভাষা রীতি

(b) প্রমিত ভাষা রীতি

(c) কথ্য ভাষা রীতি

(d) লেখ্য ভাষা রীতি

সঠিক উত্তর: (c) কথ্য ভাষা রীতি

ব্যাখ্যা: কথ্য রীতি স্থির নয়। এটি এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে বা এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে যাওয়ার সময় পরিবর্তিত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন ভাষা বা উপভাষা তৈরি করে।

১১. বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চলের উপভাষার নাম কী?

(a) দক্ষিণী

(b) পূর্বী

(c) বাঙালি

(d) বরেন্দ্রি

সঠিক উত্তর: (c) বাঙালি

ব্যাখ্যা: ভাষাতাত্ত্বিক বিভাজন অনুযায়ী বাংলাদেশের মধ্যভাগ (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী) এবং দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষাকে ‘বাঙালি’ উপভাষা বলা হয়।

১২. পশ্চিমবঙ্গে কোন উপভাষার ব্যবহার পাওয়া যায়?

(a) বাঙালি

(b) বরেন্দ্রি

(c) ঝাড়খণ্ডি

(d) রাঢ়ি

সঠিক উত্তর: (d) রাঢ়ি

ব্যাখ্যা: পশ্চিমবঙ্গের প্রধান উপভাষা হলো ‘রাঢ়ি’। আধুনিক প্রমিত বাংলা ভাষার ভিত্তি মূলত এই রাঢ়ি উপভাষার ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

১৩. বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের উপভাষা—

(a) ঝাড়খণ্ডি

(b) রাঢ়ি

(c) বরেন্দ্রি

(d) কৃষ্ণনগরি

সঠিক উত্তর: (c) বরেন্দ্রি

ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল অর্থাৎ রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু অংশে যে উপভাষা প্রচলিত, তাকে ‘বরেন্দ্রি’ বলা হয়।

১৪. বাঙালি জনগোষ্ঠীর সর্বজনীন কথ্য ভাষা কোনটি?

(a) আদর্শ কথ্য রীতি

(b) আঞ্চলিক কথ্য রীতি

(c) প্রমিত রীতি

(d) আদর্শ ও আঞ্চলিক কথ্য রীতি

সঠিক উত্তর: (a) আদর্শ কথ্য রীতি

ব্যাখ্যা: শিক্ষিত বাঙালি জনগোষ্ঠী যখন নিজেদের মধ্যে বা আনুষ্ঠানিক প্রয়োজনে কথা বলে, তখন তারা একটি সর্বজনগ্রাহ্য ‘আদর্শ কথ্য রীতি’ ব্যবহার করে।

১৫. প্রমিত লেখ্য রীতির ভিত্তি কী?

(a) সাধু রীতি

(b) আঞ্চলিক কথ্য রীতি

(c) আদর্শ কথ্য রীতি

(d) কাব্য রীতি

সঠিক উত্তর: (c) আদর্শ কথ্য রীতি

ব্যাখ্যা: সমাজে যে আদর্শ কথ্য রূপটি প্রচলিত, তাকে ভিত্তি করেই প্রমিত লেখ্য রীতি গড়ে উঠেছে যাতে লিখা ও বলার মধ্যে সামঞ্জস্য থাকে।

১৬. ‘সাধু রীতি’র জন্ম—

(a) আঠারো শতকের শুরুতে

(b) এক হাজার বছর পূর্বে

(c) উনিশ শতকের সূচনায়

(d) বিশ শতকের সূচনায়

সঠিক উত্তর: (c) উনিশ শতকের সূচনায়

ব্যাখ্যা: উনিশ শতকের শুরুতে গদ্য সাহিত্যের বিকাশের সাথে সাথে পন্ডিতদের হাত ধরে একটি মার্জিত ও তৎসম শব্দবহুল রীতি হিসেবে ‘সাধু রীতি’র আত্মপ্রকাশ ঘটে।

১৭. হাজার বছর আগে বাংলা সাহিত্য কোন রীতিতে রচিত হয়েছিল?

(a) গদ্য রীতিতে

(b) কাব্য রীতিতে

(c) সাধু রীতিতে

(d) কোনোটি নয়

সঠিক উত্তর: (b) কাব্য রীতিতে

ব্যাখ্যা: প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য (যেমন- চর্যাপদ, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন) মূলত ছন্দোবদ্ধ বা কাব্য রীতিতে রচিত হয়েছিল। গদ্য রীতির প্রচলন হয়েছে অনেক পরে।

১৮. বাংলা কাব্য রীতি দুই ভাগে বিভক্ত; যথা—

(a) সাধু রীতি ও চলিত রীতি;

(b) পদ্য কাব্য রীতি ও গদ্য কাব্য রীতি;

(c) আঞ্চলিক কাব্য রীতি ও প্রমিত কাব্য রীতি;

(d) চলিত কাব্য রীতি ও গদ্য কাব্য রীতি;

সঠিক উত্তর: (b) পদ্য কাব্য রীতি ও গদ্য কাব্য রীতি

ব্যাখ্যা: সাহিত্যের রস প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত কাব্য রীতি মূলত দুই প্রকার—ছন্দোবদ্ধ ‘পদ্য’ এবং গল্পের মতো কিন্তু কাব্যিক ‘গদ্য’ রীতি।

১৯. বাংলা ভাষার সবচেয়ে পুরনো রীতি কোনটি?

(a) গদ্য কাব্য রীতি

(b) পদ্য কাব্য রীতি

(c) সাধু রীতি

(d) চলিত রীতি

সঠিক উত্তর: (b) পদ্য কাব্য রীতি

ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন যেমন ‘চর্যাপদ’ পদ্যে রচিত। অর্থাৎ, বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যিক প্রকাশ ঘটেছিল পদ্য কাব্য রীতির মাধ্যমে।

বাংলা ভাষার রীতি ও বিভাজন MCQ

২০. দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞান চর্চার প্রয়োজনে উনিশ শতকের শুরুতে কোন লেখ্য ভাষা রীতির সৃষ্টি হয়?

(a) চলিত রীতি

(b) কাব্য রীতি

(c) সাধু রীতি

(d) প্রমিত রীতি

সঠিক উত্তর: (c) সাধু রীতি

ব্যাখ্যা: আধুনিক গদ্যের বিকাশের সাথে সাথে প্রাতিষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক কাজের প্রয়োজনে উনিশ শতকের শুরুর দিকে পন্ডিতদের দ্বারা তৎসম শব্দবহুল ‘সাধু রীতি’র উদ্ভব ঘটে।

২১. সাধু ভাষা রীতির বৈশিষ্ট্য কোনটি?

(a) ক্রিয়ারূপ হ্রস্ব

(b) সর্বনামে ‘হ’-বর্ণযুক্ত

(c) সর্বনাম হ্রস্ব

(d) বিশেষ্যের আধিক্য

সঠিক উত্তর: (b) সর্বনামে ‘হ’-বর্ণযুক্ত

ব্যাখ্যা: সাধু রীতিতে সর্বনাম পদগুলো সাধারণত দীর্ঘ হয় এবং তাতে ‘হ’ বর্ণ থাকে। যেমন: ‘যাহারা’, ‘তাহারা’, ‘ইহাদের’।

২২. নিচের কোন বাক্যটি সাধু রীতির নয়?

(a) আমি তাহার কাছে যাইব না।

(b) এখানে ভাষা চুপ করিয়া আছে।

(c) সে ঘুমিয়ে পড়া শিশুটির মতো চুপ করে আছে।

(d) তাহারা সহসা যদি বিদ্রোহী হইয়া উঠে।

সঠিক উত্তর: (c) সে ঘুমিয়ে পড়া শিশুটির মতো চুপ করে আছে।

ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ‘ঘুমিয়ে’ এবং ‘করে’ পদগুলো চলিত বা প্রমিত রূপ। সাধু রীতিতে এগুলো হতো ‘ঘুমাইয়া’ এবং ‘করিয়া’।

২৩. চলিত রীতির নাম ‘প্রমিত রীতি’ হয় কখন?

(a) উনিশ শতকের সূচনায়

(b) বিশ শতকের সূচনায়

(c) বিশ শতকের মাঝামাঝি

(d) একুশ শতকের সূচনায়

সঠিক উত্তর: (d) একুশ শতকের সূচনায়

ব্যাখ্যা: চলিত রীতির মার্জিত ও সর্বজনগ্রাহ্য রূপটিকে আধুনিক ব্যাকরণবিদরা একুশ শতকের শুরুতে ‘প্রমিত রীতি’ হিসেবে নামকরণের প্রস্তাব করেন।

২৪. ‘প্রমিত রীতি’ অন্য কী নামে পরিচিত?

(a) কথ্য রীতি

(b) লেখ্য রীতি

(c) মান রীতি

(d) সাধু রীতি

সঠিক উত্তর: (c) মান রীতি

ব্যাখ্যা: প্রমিত রীতিকে ইংরেজি ‘Standard Language’ এর অনুকরণে ‘মান ভাষা’ বা ‘মান রীতি’ বলা হয়, যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য।

২৫. প্রমিত রীতির বৈশিষ্ট্য কোনটি?

(a) ক্রিয়া ও সর্বনাম দীর্ঘ হয়

(b) ক্রিয়া ও অনুসর্গ দীর্ঘ হয়

(c) সর্বনাম ও অনুসর্গ দীর্ঘ হয়

(d) ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর হয়

সঠিক উত্তর: (d) ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর হয়

ব্যাখ্যা: প্রমিত বা চলিত রীতিতে শব্দগুলো সহজ ও সংক্ষিপ্ত হয়। যেমন: সাধু ‘করিয়া’ (দীর্ঘ) থেকে প্রমিত ‘করে’ (হ্রস্ব) হয়।

২৬. কোন রীতিতে শব্দ ব্যবহার আলোচ্য বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল?

(a) কাব্য রীতি

(b) প্রমিত রীতি

(c) সাধু রীতি

(d) b ও c উভয়ই

সঠিক উত্তর: (b) প্রমিত রীতি

ব্যাখ্যা: প্রমিত রীতিতে শব্দের প্রয়োগ পরিবেশ ও বিষয়ের গাম্ভীর্য অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে, যা একে অনেক বেশি নমনীয় ও আধুনিক করে তোলে।

বাংলা ভাষার রীতি ও বিভাজন MCQ

২৭. প্রমিত রীতিতে কোন শব্দটি বর্জনীয়?

(a) ধুলো

(b) তুলো

(c) পুজো

(d) সবগুলো

সঠিক উত্তর: (d) সবগুলো

ব্যাখ্যা: আধুনিক প্রমিত বানানে ও-কারান্ত রূপ (যেমন: ধুলো, তুলো) পরিহার করে মূল রূপ (ধুলা, তুলা, পূজা) ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় অনেক ক্ষেত্রে, তবে এটি বানানরীতিভেদে ভিন্ন হতে পারে।

২৮. প্রতিটি বাঙালি শিশুর প্রথম মাতৃভাষা কোনটি?

(a) বাংলা ভাষা

(b) আরবি ভাষা

(c) সংস্কৃত ভাষা

(d) আঞ্চলিক ভাষা

সঠিক উত্তর: (d) আঞ্চলিক ভাষা

ব্যাখ্যা: একটি শিশু পরিবার ও সমাজ থেকে সবার আগে তার অঞ্চলের বিশেষ কথ্য রূপ বা উপভাষা শেখে। পরে সে বিদ্যালয়ে প্রমিত বাংলা শেখে।

২৯. প্রমিত রীতিতে যে শব্দগুলো ব্যবহার করা যায় তা হলো:

(a) বৎসর

(b) বছর

(c) চন্দ

(d) a ও b উভয়ই

সঠিক উত্তর: (d) a ও b উভয়ই

ব্যাখ্যা: প্রমিত রীতিতে প্রেক্ষাপট অনুযায়ী তৎসম (বৎসর) এবং তদ্ভব (বছর) উভয় প্রকার শব্দই ব্যবহারযোগ্য, যদিও তদ্ভব শব্দের ব্যবহার চলিত বা প্রমিত ঢঙে বেশি পছন্দনীয়।


Read More: বাংলা ২য় পত্র: বাংলা ব্যাকরণ MCQ

Read More: বাংলা ২য় পত্র: ভাষা ও বাংলা ভাষা MCQ


বাংলা ২য় পত্রের বাংলা ভাষার রীতি ও বিভাজন MCQ PDF Download। বাংলা ভাষার রীতি ও বিভাজন MCQ

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top