মানুষ মুহম্মদ (স.) সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

এসএসসি মানুষ মুহম্মদ (স.) সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর (PDF)

এসএসসি বাংলা ১ম পত্রের মানুষ মুহম্মদ (স.) সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর পিডিএফ ডাউনলোড করুন। ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধটি মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী–এর রচিত গ্রন্থ মরু ভাস্কর থেকে সংকলিত। প্রবন্ধে হযরত মুহম্মদ (স.)-এর মানবিক গুণাবলি বিশদভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। হযরত মুহম্মদ (স.)-এর মৃত্যুর পর তাঁর অনুসারীদের মধ্যে যে বেদনা ও হতাশা দেখা দিয়েছিল, তা প্রশমন করতে হযরত আবুবকর (রা) মহানবি (স.)-এর জীবনের নৈতিক ও মানবিক বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন। এই প্রবন্ধের মাধ্যমে পাঠক নৈতিকতা, সততা ও মানবিকতার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা লাভ করতে পারে। এই পোস্টে মানুষ মুহম্মদ (স.) সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তরও উপস্থাপন করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে।


মানুষ মুহম্মদ (স.) সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১। উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্ত দাও।

হজরত নূহ (আ) ধর্ম ও ন্যায়ের পথে চলার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। এতে মাত্র চল্লিশ জন মানুষ সাড়া দেন। বাকিরা সবাই তাঁর বিরোধিতা শুরু করে নানা অত্যাচারে তাঁকে অতিষ্ঠ করে তোলে। এ অত্যাচারের মাত্রা সহনাতীত হলে তিনি একপর্যায়ে অত্যাচারীর বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানান। আল্লাহর হুকুমে তখন এমন বন্যা হয় যে, ঐ চল্লিশ জন বাদে সকল অত্যাচারী ধ্বংস হয়ে যায়।

ক. হজরত মুহম্মদ (স.) কোন বংশে জন্মগ্রহণ করেন?

খ. সুমহান প্রতিশোধ বলতে কী বোঝায়?

গ. হজরত নূহ (আ) যেদিক দিয়ে হজরত মুহম্মদ (স.) থেকে ভিন্ন তা ব্যাখ্যা কর।

ঘ. হজরত নূহ (আ)-এর চরিত্রে কী ধরনের পরিবর্তন আনলে হজরত মুহম্মদ (স.)-এর একটি বিশেষ গুণ তাঁর মধ্যে ফুটে উঠত? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

১নং প্রশ্নের উত্তর

ক। হজরত মুহম্মদ (স.) মক্কার শ্রেষ্ঠ কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন।

খ। ‘সুমহান প্রতিশোধ’ বলতে হজরত মুহম্মদ (স.)-এর ক্ষমার মাধ্যমে মানুষের প্রতি প্রেমপূর্ণ মনোভাব প্রদর্শন করাকে বোঝানো হয়েছে।

হজরত মুহম্মদ (স.) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব। তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব তাঁর কর্ম, চিন্তা, ধৈর্য ও সততায় প্রকাশমান। অজ্ঞানতার ঘোর অন্ধকারে মানুষ যখন দিশেহারা, পথভ্রষ্ট, অবক্ষয়ের সর্বশেষ স্তরে উপনীত, তখন তাঁর আগমন। এই জ্যোতির্ময় মহাপুরুষের জীবন কল্যাণাদর্শে চিরভাস্বর। তিনি ছিলেন সংকল্পে অটল, অবিচল, নির্লোভ, ত্যাগী, নির্মোহ, অসীম ধৈর্যশীল, সাম্যবাদী, অসম্ভব নীতিজ্ঞান-বুদ্ধিমত্তার অধিকারী। তিনি ন্যায়বিচারের মূর্ত প্রতীক। তিনি তাঁর উদারতা ও ক্ষমাশীলতা গুণে ঘোর শত্রুকেও ক্ষমা করে দিতেন। তাঁর প্রেমপূর্ণ ক্ষমাই ছিল শত্রুর জন্য সুমহান প্রতিশোধ।

গ। হজরত নূহ (আ) শত্রু ও অত্যাচারীদের ক্ষমা করে সত্যের পথে ফিরিয়ে আনার মানসিকতার দিক দিয়ে হজরত মুহম্মদ (স.) থেকে ভিন্ন।

মানবতাবাদী মানুষ সবার প্রিয়পাত্র হন। উন্নত চরিত্রের প্রকাশ ঘটিয়ে তিনি সবার বিশ্বাস অর্জন করেন। উদার মানবিকতাবোধসম্পন্ন ক্ষমাশীল ব্যক্তি সহজেই মানুষের মাঝে মানবকল্যাণের বাণী ছড়িয়ে দিতে পারেন, সত্য ও ন্যায়ের পথ দেখিয়ে তাদেরকে মনুষ্যত্বের অধিকারী করতে পারেন।

উদ্দীপকে শত্রুর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে হজরত নূহ (আ) অত্যাচারকারীদের ধ্বংসের জন্য যে প্রার্থনা করেছিলেন, সেই বিষয়টি বর্ণনা করা হয়েছে। তাঁর প্রতি বিশ্বাসী মাত্র চল্লিশজন মানুষ ছাড়া বাকিরা আল্লাহর হুকুমে ধ্বংস হয়ে যায়। এখানে হজরত নূহ (আ)-এর অধৈর্যশীলতা এবং মানবতাবোধের দীনতা প্রকাশ পেয়েছে। এই বিষয়টি হজরত মুহম্মদ (স.)-এর আচরণের সম্পূর্ণ বিপরীত এবং ভিন্ন। কারণ হজরত মুহম্মদ (স.) শত্রুর প্রচণ্ড অত্যাচারে জর্জরিত হয়েও তার ধ্বংস কামনা করতেন না। বরং তাদের অপরাধ ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতেন; বলতেন- এদের জ্ঞান দাও প্রভু, এদের ক্ষমা কর।

ঘ। ইজরত নূহ (আ)-এর চরিত্রে অস্থির ও অসহিষ্ণুতার পরিবর্তে ধৈর্যশীলতা, ক্ষমাশীলতা ও উদারতার সমাবেশ ঘটলে হজরত মুহম্মদ (স.)-এর একটি বিশেষ গুণ তাঁর মধ্যে ফুটে উঠত।

পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে অসহিষ্ণু মনোভাব পরিহার করে ধৈর্যশীল হতে হবে। উদারতা দিয়ে মানুষকে কল্যাণের পথে আহ্বান করতে হবে। অজ্ঞতা, কুসংস্কার, অন্যায় ও অত্যাচারের অবসান ঘটিয়ে স্রষ্টার নির্দেশিত পথে সবাইকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য মহৎ ও ক্ষমাশীল হতে হবে। এই পৃথিবীতে যাঁরা মহৎ হিসেবে আমাদের কাছে অনুকরণীয় তাঁরা সবাই ক্ষমাশীল ছিলেন।

উদ্দীপকে হজরত নূহ (আ)-এর অসহিষ্ণু মনোভার ও উদারতার অভাবের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। তিনি যাদের সত্যের পথে আহ্বান করেছিলেন, তাদের মধ্যে যারা তাঁর বিরোধিতা করে-তাঁর শত্রুতে পরিণত হয়েছিলেন তিনি তাদের ক্ষমা করে দিয়ে তাঁর ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা দিয়ে মানবিকবোধে উন্নীত করতে পারেননি। তিনি স্রষ্টার কাছে তাঁদের ধ্বংসের জন্য প্রার্থনা করেছেন। কিন্তু মহানবি হজরত মুহম্মদ (স.) শত্রুকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার জন্য কখনো আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেননি। প্রার্থনা করেছেন তাদেরকে ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য।

হজরত মুহম্মদ (স.) শত্রুর অত্যাচারে জর্জরিত হয়েও তাকে অভিশাপ দিতেন না, তার ধ্বংস চাইতেন না। তিনি তাকে হত্যা করতে আসা চরম শত্রুকে ক্ষমা করে দিয়ে তাকে সত্য ও ন্যায়ের পথে নিয়ে আসতেন। হজরত নূহ (আ) যদি তাঁর মতো ধৈর্যশীল, উদার ও ক্ষমাশীল হতেন তাহলে তাঁরও হজরত মুহম্মদ (স.)-এর মতো বিশেষ গুণ ফুটে উঠত।

আরো পড়ুন: এসএসসি প্রত্যুপকার গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

২। উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্ত দাও।

একদা রাতে হাজী মুহাম্মদ মুহসীন ঘুমাচ্ছিলেন। মাঝরাতে একটি শব্দে তার ঘুম ভেঙে যায়। তিনি দেখলেন তার ঘরে একজন অপরিচিত লোক ঢুকেছে। মুহসীন বললেন, “কে তুমি? আমার ঘরে কেন প্রবেশ করেছ?” লোকটি সভয়ে বলল, “আমি তিন দিন ধরে কিছু খাইনি, আমার কাছে কোনো টাকা-পয়সা নাই।” মুহসীনের দয়া হলো। তিনি লোকটিকে কিছু টাকা দিয়ে বিদায় করলেন। মানুষ মুহম্মদ (স.) সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ক. সকলের মহাযাত্রা কার দিকে?

খ. মহানবি (স.) মানুষের একজন হয়েও দুর্লভ কেন? বুঝিয়ে লেখ।

গ. উদ্দীপকে হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের কর্মকাণ্ডে ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? বর্ণনা কর।

ঘ. উদ্দীপকে প্রতিফলিত দিকটি ‘মানুষ মুহস মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধের সমগ্রতাকে ধারণে সক্ষম নয়- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।

২নং প্রশ্নের উত্তর

ক। সকলের মহাযাত্রা সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর দিকে।

খ। মহানবি (স.) মানুষের একজন হয়েও দুর্লভ। কারণ তিনি মানবিক গুণাবলির দিক দিয়ে এক ব্যতিক্রমী আদর্শ, যা অন্য কোনো মানুষের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায় না।

হজরত মুহম্মদ (স.) ছিলেন মানুষের নবি। তিনি বিপুল ঐশ্বর্য, ক্ষমতা, মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার মধ্যে থেকেও একজন সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করে গেছেন। মহত্ত্ব, প্রেম, দয়া, সাধুতা, ত্যাগ তাঁর অজস্র চারিত্রিক গুণের মধ্যে প্রধান। তিনি ছিলেন সাহসী, তীক্ষ্ণদৃষ্টি, ক্ষমা ও সৌজন্যের আদর্শ। একজন মানুষের মধ্যে একসঙ্গে এত গুণের সমাবেশ অতি দুর্লভ। তিনি মানুষের শ্রেষ্ঠ আদর্শ। মানবসভ্যতার ইতিহাসে মহানবি (স) অত্যন্ত অসাধারণ চরিত্র। তাই বলা হয়েছে, মহানবি (স.) মানুষের মধ্যে একজন হয়েও দুর্লভ।

গ। উদ্দীপকে হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের কর্মকান্ডে ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধের ক্ষমাশীলতা ও সহমর্মিতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

আমাদের সমাজে এমন কিছু দানশীল ও মহান মানুষ থাকেন যারা নিজেদের ধন-সম্পদ এই অসহায়দের মধ্যে বিলিয়ে দেন। কখনো কখনো নিজেদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বাদ দিয়ে তারা অসহায় মানুষকে সাহায্য করে থাকেন।

উদ্দীপকের হাজী মুহাম্মদ মুহসীন মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন তার ঘরে অপরিচিত লোক ঢুকেছে। লোকটির পরিচয় জানতে চাইলে সে বলে, সে তিনদিন ধরে কিছুই খায়নি, তার কাছে কোনো টাকা-পয়সাও নেই। তিনি তাকে ক্ষমা করে টাকা-পয়সা দিয়ে বিদায় করলেন। ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধে হজরত মুহম্মদ (স.)-এর চরিত্রেও এই ক্ষমা ও সহমর্মিতার গুণাবলি ফুটে উঠেছে। ইসলামের সুমহান বাণী প্রচার করতে গিয়ে তিনি অজস্র নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কিন্তু তিনি প্রতিশোধ না নিয়ে তাদের ক্ষমা করে বুকে টেনে নিয়েছেন। অসহায় মানুষদের পাশে সব সময় দাঁড়িয়েছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের কর্মকান্ডে ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধের ক্ষমাশীলতা ও সহমর্মিতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

ঘ। উদ্দীপকে প্রতিফলিত দিকটি ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধের সমগ্রতাকে ধারণে সক্ষম নয়- মন্তব্যটি যথার্থ।

সততা, ক্ষমাশীলতা, দানশীলতা, সহনশীলতা, সহমর্মিতা প্রভৃতি মানুষের মানবীয় গুণ। এসব গুণ একজন মানুষকে মহান করে তোলে। মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করা ব্যক্তিই সেরা জীব।

উদ্দীপকের হাজী মুহম্মদ মুহসীন গভীর রাতে তার ঘরে একজন অপরিচিত লোককে দেখেও তার প্রতি দয়া দেখান। অসহায়, অভুক্ত লোকটিকে তিনি টাকা দিয়ে বিদায় করে দিলেন। এখানে তার চরিত্রে ক্ষমশীলতা ও সহমর্মিতার দিকটি ফুটে উঠেছে। ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধে মুহম্মদ (স.)-এর চরিত্রেও এই গুণাবলি বিদ্যমান ছিল। তিনিও তার শত্রুদের ক্ষমা করে দিয়ে বুকে টেনে নিয়েছিলেন। তবে প্রবন্ধে আরও অনেক ভাব ফুটে উঠেছে যা উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি। ক্ষমাশীলতা ও সহমর্মিতা ছাড়াও তাঁর চরিত্রের সত্যবাদিতা, ধৈর্যশীলতা, আমানত রক্ষা প্রভৃতি মহৎ গুণের উল্লেখ আছে যা উদ্দীপকে নেই।

‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধে হজরত মুহম্মদ (স.) এর মানবিক গুণাবলির অনেকগুলো দিক তুলে ধরা হয়েছে যা উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি। যেমন- সত্য প্রচার করতে গিয়ে নির্মম নির্যাতন ভোগ করা, মহানবি (স.)-এর সুমহান ব্যক্তিত্ব, মানবিক চেতনা, মানুষকে সঠিক ও সত্যের পথে চলার দিকনির্দেশনাও প্রবন্ধে চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। তাছাড়া তাঁর মৃত্যুতে সাহাবিদের ভেঙে পড়ার বিষয়টিও প্রবন্ধে বিশেষভাবে বর্ণিত হয়েছে। এসব বিষয় উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, প্রশ্নে প্রদত্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

আরো পড়ুন: আম-আঁটির ভেঁপু গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

৩। উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্ত দাও।

আনোয়ার সাহেব অত্যন্ত সৎ ও বিচক্ষণ মানুষ হিসেবে সবার কাছে পরিচিত। তিনি তার কর্মস্থলে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এ বিষয়টিতেই কিছু সহকর্মী বিরূপ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে এবং সুযোগ পেলেই তারা তাকে অপদস্থ করার চেষ্টা করে। আনোয়ার সাহেব সব বুঝতে পারলেও তাঁর অবস্থান থেকে সরে পড়েননি বরং সৃষ্টিকর্তার কাছে তাদের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন। (মানুষ মুহম্মদ (স.) সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর)

ক. ‘তায়েফ’ কোথায় অবস্থিত?

খ. ‘মানুষের একজন হইয়াও তিনি দুর্লভ’- কেন?

গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সহকর্মীদের বিরূপ দৃষ্টিভঙ্গি ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধের কোন দিকটিকে আলোকপাত করে? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকে আনোয়ার সাহেবের মাঝে যে গুণাবলি পরিলক্ষিত হয় তা ‘মানুষ মুহম্মদ কর।

৪। উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্ত দাও।

যে গেছে বুকেতে আঘাত হানিয়া তার লাগি আমি কাঁদি; যে মোরে দিয়েছে বিষেভরা বাণ আমি দেই তারে বুকভরা গান; কাঁটা পেয়ে তারে ফুল করি দান সারাটি জনম-ভর, (মানুষ মুহম্মদ (স.) সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর)

ক. ‘পরহিতব্রতী’ অর্থ কী?

খ. মানুষের একজন হয়েও হজরত মুহম্মদ (স.) দুর্লভ কেন?

গ. উদ্দীপকে ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধের যে দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে তা’ ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকটি ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধের সমগ্র ভাবকে ধারণ করে কি? যুক্তিসহ তোমার মতামত দাও।

আরো পড়ুন: এসএসসি শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

৫। উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্ত দাও।

আমার এ কূল ভাঙিয়াছে যেবা আমি তাঁর কূল বাঁধি,

যে গেছে বুকেতে আঘাত হানিয়া তার লাগি আমি কাঁদি;

যে মোরে দিয়েছে বিষেভরা বাণ,

আমি দেই তারে বুকভরা গান;

আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

ক. সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের উর্বর প্রদেশটির নাম কী?

খ. “মুহম্মদ (স.) রাসুল বৈ আর কিছু নন”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

গ. উদ্দীপকে ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধের হজরত মুহম্মদ (স.)-এর যে গুণটির প্রতিফলন ঘটেছে তা ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উক্ত গুণ হজরত মুহম্মদ (স.)-এর চরিত্রকে আংশিক আলোকিত করে- ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধের প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।

৬। উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্ত দাও।

মসজিদের ইমাম সাহেব রাস্তার পাশে ধূমপানরত একদল মুসলিম যুবককে ধূমপান না করে ভালোভাবে পড়ালেখা করার ও মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার উপদেশ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই যুবকরা বিভিন্নভাবে ইমাম সাহেবকে অপমান করার চেষ্টা করে চলে যায়। কিন্তু তাদের আচরণে রাগ না করে ইমাম সাহেব হেদায়েতের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। এতে বিস্মিত হন ইমাম সাহেবের সাথে থাকা মুরব্বি লোকটি। তিনি তাদের বিরুদ্ধে এলাকার চেয়ারম্যানের কাছে নালিশ করার কথা বললেও ইমাম সাহেব তা করতে চাননি। পরদিন ভোর বেলা মসজিদে যাওয়ার পথে ওই যুবকদের দ্বারা আক্রান্ত হন ইমাম সাহেব। এলাকার লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। (মানুষ মুহম্মদ (স.) সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর)

ক. কার শিথিল অঙ্গ মাটিতে লুটাইল?

খ. ‘আমি রাজা নই, সম্রাট নই, মানুষের প্রভু নই।’- কথাটি বুঝিয়ে লেখ।

গ. উদ্দীপকের যুবকদের আচরণে ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধের যে দিকটির ইঙ্গিত বহন করে তা ব্যাখ্যা কর।

এ ঘ. “উদ্দীপকের ইমাম সাহেব যেন মুহম্মদ (স.)-এর আদর্শেরই অনুসারী।” ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

৭। উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্ত দাও।

যে মোরে দিয়েছে বিষে ভরা বাণ

আমি দেই তারে বুক ভরা গান

কাঁটা পেয়ে তারে ফুল করি দান সারাটি জনম-ভর,-

আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

ক. মহানবি (স.) কোথায় সত্য প্রচার করতে গিয়ে বিপদে পড়েছিলেন

খ. ‘এদের জ্ঞান দাও প্রভু, এদের ক্ষমা কর’- এ কথা কেন বলা হয়েছে?

গ. উদ্দীপকের সাথে ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’ প্রবন্ধের মহানবি (স.)-এর চরিত্রের সাদৃশ্যপূর্ণ গুণটি ব্যাখ্যা কর।

ঘ. ‘উদ্দীপকটি মহানবি (স.)-এর চরিত্রের খণ্ডিত দিক মাত্র’ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।


এসএসসি বাংলা ১ম পত্রের মানুষ মুহম্মদ (স.) সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর পিডিএফ ডাউনলোড করুন।

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top