সাহিত্যে খেলা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

সাহিত্যে খেলা প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর (PDF)

এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রের সাহিত্যে খেলা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর পিডিএফ ডাউনলোড করুন। বিগত সালের বোর্ড প্রশ্ন ও শীর্ষস্থানীয় কলেজের প্রশ্নগুলো বিশ্রেষণ করে এখানে গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যে খেলা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো। তাহলে চলো, শুরু করি।


সাহিত্যে খেলা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬

সৃজনশীল প্রশ্ন ১। আজ্ঞানের কথা জানা হয়ে গেলে আর জানতে ইচ্ছা করে না- তা জেনে মনে আনন্দও জন্মে না। সূর্য পূর্বাকাশে ওঠে- এই তথ্য আমাদের মন টানে না। কিন্তু সূর্যোদয়ে যে সৌন্দর্য ও দেখার আনন্দ তা সৃষ্টিকাল থেকে আজও বিদ্যমান। এই সৌন্দর্য ও আনন্দানুভূতি পাঠক হৃদয়ে জাগিয়ে তোলাই সাহিত্যের কাজ। পাঠ ও অনুধাবনের মাধ্যমে রসিক পাঠকের হৃদয়ে তা সঞ্চারিত হয়। রস গ্রহণে অসমর্থ লোকই সাহিত্যের সৌন্দর্য ও আনন্দানুভূতির পরিবর্তে আত্মহিত ও সন্তুষ্টি খোঁজে। সাহিত্যে নির্মিত সৌন্দর্য-অনুভূতি যদি লোকহিত সাধন করে, তাতে সাহিত্যের কুললক্ষণ নষ্ট হয় না। শুধু লোকহিত ও সন্তুষ্টির প্রচেষ্টা সাহিত্যকে কুলত্যাগী করে, সাহিত্যিক শিক্ষকে রূপান্তরিত হন।

ক. ‘রামায়ণ’ কে রচনা করেছেন?

খ. ‘অতি সস্তা খেলনা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

গ. ‘সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত’ হওয়ার বিষয়টি উপরের অনুচ্ছেদে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে, বুঝিয়ে দাও।

ঘ. ‘শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য ভিন্নধর্মী’- বক্তব্যটি উপরের অনুচ্ছেদে কতখানি প্রতিফলিত হয়েছে বলে তুমি মনে করো? উত্তরের পক্ষে। যুক্তি দাও।

১ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক। ‘রামায়ণ’ বাল্মীকি রচনা করেছেন।

খ। ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে ‘অতি সস্তা খেলনা’ বলতে সেই সাহিত্যকে বোঝানো হয়েছে, যা অতি সহজেই পাঠকের মনোরঞ্জন করে।

লেখকের মতে, সাহিত্যের প্রধান উদ্দেশ্য আনন্দ দেওয়া, কারো মনোরঞ্জন করা নয়। সাহিত্য যখন কারো মনোরঞ্জন করে তখন তার মধ্যে আর কোনো আদর্শ থাকে না। তা পরিণত হয় একটি সম্ভা খেলনায়। প্রকৃত, সাহিত্যিকদের কাছ থেকে এরকম ‘সস্তা খেলনা’ জাতীয় সৃষ্টিকর্ম প্রাবন্ধিক প্রত্যাশা করেন না।

গ। উপরের অনুচ্ছেদে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের মনোরঞ্জনের মাধ্যমে সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত হওয়ার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।

‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের লেখক প্রমথ চৌধুরী বলেছেন, খেলাধুলার যেমন আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকে না, সাহিত্যে চর্চার বা রচনার মধ্যেও আনন্দদান ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকা উচিত নয়। লেখকের ব্যক্তি-মননের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ ঘটবে সাহিত্যে। প্রাবন্ধিকের মতে, সাহিত্যে যখন তত্ত্ব-উপদেশ প্রকাশ পায় বা সাহিত্য যখন জনসাধারণের মনোরঞ্জনের জন্য রচিত হয় তখন তা স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে। (সাহিত্যে খেলা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর)

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, জ্ঞানের কথা আমাদের মনে কোনো আকর্ষণ সৃষ্টি করে না। যেমন, সূর্য পূর্বাকাশে ওঠে- এ তথ্য আমাদের মন টানে না। কিন্তু সূর্যোদয়ের যে সৌন্দর্য তা আমাদের মনে আনন্দের জন্ম দেয়। এই আনন্দ সৃষ্টি করা অর্থাৎ সৌন্দর্যলোকের সন্ধান দেওয়াই সাহিত্যের কাজ। শুধু লোকহিতার্থে ও সন্তুষ্টির জন্য প্রচেষ্টা সাহিত্যকে কুলত্যাগী করে। ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত হওয়ার বিষয়টি উল্লিখিত অনুচ্ছেদে এ ভাবেই প্রতিফলিত হয়েছে।

ঘ। উপরের অনুচ্ছেদে শিক্ষা ও সাহিত্যের পার্থক্য স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হওয়ায় ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের ‘শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য যে ভিন্নধর্মী’ সেই বিষয়টি সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয়েছে।

‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধ প্রাবন্ধিক বলেন সাহিত্যের কাজ মানুষের মনকে জাগানো। আর শিক্ষা হলো সেই জিনিস যা অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানুষ গলাধঃকরণ করতে বাধ্য হয়। সেখানে আনন্দ থাকে না, থাকে বাস্তবতার কৌশল। সাহিত্যে থাকে রসের আবেগ ও ব্যক্তি-মনের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ। লেখকের এ বক্তব্য প্রমাণ করে, শিক্ষা ও সাহিত্য এক জিনিস নয়। উভয়ের উদ্দেশ্যও ভিন্ন।

উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটিতে শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্যকে স্বতন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, শিক্ষণীয় বিষয় অর্থাৎ জ্ঞানের কথা একবার জানা হয়ে গেলে তা আর জানতে ইচ্ছা করে না বা তা জেনে মনে আনন্দও জন্মে না। কিন্তু সাহিত্য সৃষ্টিকাল থেকে আজও পাঠক-হৃদয়ে সৌন্দর্য ও আনন্দানুভূতি জাগিয়ে রেখেছে।

আলোচ্য প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের বক্তব্য থেকে উপলব্ধি করা যায়, সাহিত্য মানুষের মনের প্রসার ঘটায় ও পাঠককে নির্মল আনন্দদান করে। শুধু লোকহিতার্থে বা পাঠকের সন্তুষ্টির জন্য সাহিত্য রচনার প্রচেষ্টা সাহিত্যকে কুলত্যাগী করে। সাহিত্যিক তখন শিক্ষকে রূপান্তরিত হন। এ বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে বলা যায়, শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য যে ভিন্নধর্মী তা উল্লিখিত অনুচ্ছেদে যথার্থভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

আরো পড়ুন: অপরিচিতা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্ন ২। মানুষের একটি চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা হচ্ছে নিজের অনুভূতি ও উপলব্ধি অন্যের কাছে প্রকাশ করা। জয়নুল আবেদিনের মতো ছবি এঁকে কিংবা রবীন্দ্রনাথের মতো কবিতা, গান লিখে নিজ হৃদয়ানুভূতি ও রূপচেতনা সে অন্য মনে ছড়িয়ে দিতে চায়। এভাবে সে জগতের সকল মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়। চায় লক্ষ হৃদয়ের মধ্যে বেঁচে থাকতে। এ কাজ তখনই সফল হয় যখন রঙে, ঢঙে, আকারে-প্রকারে, ভাষায়-সুরে, ছন্দে, ইঙ্গিতে নিখুঁত রূপ বা অনুভূতি অন্য মনে প্রতিফলিত ও সঞ্চারিত করা যায়। এ কাজ যে পারে, শিল্পরাজ্যের সেই রাজা। ধর্মের জাতপাত, বর্ণভেদ সেখানে একাকার। (সাহিত্যে খেলা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর)

ক. রোদ্যার একটি শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্যের নাম লেখো।

খ. ‘মানুষের দেহমনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ।’- কেন? ব্যাখ্যা করো।

গ. প্রবন্ধে বর্ণিত ব্রাহ্মণশূদ্রের মানবাধিকার উপরের অনুচ্ছেদের কোন বক্তব্যে প্রতীয়মান হয়? আলোচনা করো।

ঘ. উপরের অনুচ্ছেদের ‘লক্ষ হৃদয়ের মধ্যে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা’ বাক্যাংশ অবলম্বনে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে বর্ণিত ‘বিশ্বমানবের সঙ্গে সম্বন্ধ পাতানোরই নামান্তর।’- প্রসঙ্গে তোমার মতামত উপস্থাপন করো।

২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক। রোদ্যার একটি শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্যের নাম হলো ‘নরকের দুয়ার’।

খ। মানুষের দেহমনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ, কেননা তা উদ্দেশ্যহীন যা নিষ্কাম কর্ম।

প্রাবন্ধিকের মতে, সাধারণত মানুষ যখন খেলা করে তখন সে আনন্দ ছাড়া অন্য কোনোকিছুর আকাঙ্ক্ষা রাখে না। নিষ্কাম আনন্দই তার একমাত্র প্রত্যাশা। মানুষ খেলা করে শুধু সেসময়ের কাঙ্ক্ষিত আনন্দের জন্য, অন্য কোনোকিছু পাওয়ার ইচ্ছা তার থাকে না। ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক মনে করেন, এ কথাটির পিছনে ব্যক্তির কামনা-বাসনা বা অভিসন্ধির মতো কোনো হীন প্রবৃত্তি কাজ করে না। ক্রীড়াকে তাই তিনি শ্রেষ্ঠ কর্ম হিসেবে বিবেচনা করেন।

গ। প্রবন্ধে বর্ণিত ব্রাহ্মণশূদ্রের মানবাধিকার উপরের অনুচ্ছেদের শিল্পরাজ্যে ধর্মের জাতপাত ও রর্ণভেদে একাকার হয়ে যাওয়ার বক্তব্যে প্রতীয়মান হয়।

‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরীর মতে, শিল্পরাজ্যে খেলা করার অধিকার সকলের সমান। কারণ এ পৃথিবীতে একমাত্র খেলার ময়দানে ব্রাহ্মণশূদ্রের কোনো প্রভেদ নেই। রাখাল ছেলের সাথে দরিদ্রের ছেলেরও খেলায় যোগ দেওয়ার অধিকার আছে। আর একবার সাহস করে এ জগতে প্রবেশ করলে সাহিত্য জগতের রাজা-রাজড়ার দলে মিশে যাওয়া যায়। (সাহিত্যে খেলা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর)

অনুচ্ছেদেও বলা হয়েছে, শিল্পী ছবি এঁকে, কবি কবিতা লিখে ও গান লিখে নিজের হৃদয়ানুভূতি ও রূপচেতনা দিয়ে জগতের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে চান। তাঁদের এ কাজ তখনই সম্ভব হয় যখন তিনি রঙে-ঢঙে, আকারে-প্রকারে, ভাষায় সুরে, ছন্দে অন্যের মনে প্রতিফলিত ও সণ্যারিত করতে পারেন। যিনি এ কাজ করতে পারেন শিল্পরাজ্যে তিনিই রাজা। যেখানে ধর্মের জাতপাত ও বর্ণভেদের কোনো জায়গা থাকে না। সেখানে শিল্পই প্রধান হয়ে ওঠে। তাই বলা যায় যে, প্রবন্ধে বর্ণিত ব্রাহ্মণশূদ্রের মানবাধিকার উপরের অনুচ্ছেদের শিল্পরাজ্যে ধর্মের জাতপাত ও বর্ণভেদ একাকার হয়ে যাওয়ার বক্তব্যে প্রতীয়মান হয়।

ঘ। সাহিত্যের মাধ্যমে লেখকের পাঠক-হৃদয়ে স্থান পাওয়ার প্রত্যাশার প্রেক্ষিতে বলা যায়, প্রসঙ্গটি যথার্থ।

‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বলেন, লেখকেরাও দশজন পাঠকের কাছে হাততালি পাওয়ার প্রত্যাশা রাখেন। বাহবা পেলে তাঁরা আনন্দিতও হন। কারণ তাঁরা শুধু পারিবারিক মানুষ নন, তাঁরা সামাজিক মানুষও। লেখায়, চিন্তায়, চেতনায় বিশ্বমানবের মনের সঙ্গে নিত্যনতুন সম্পর্ক স্থাপন করাই কবি বা লেখক-মনের কাজ।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, চিত্রশিল্পী বা কবি ছবি এঁকে, গান বা কবিতা লিখে নিজের হৃদয়ানুভূতি ও রূপচেতনা দর্শক বা পাঠক-মনে ছড়িয়ে দিতে চান। নিজের কাজ দিয়ে জগতের সকল মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে চান। কাজ দিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ের মধ্যে। বেঁচে থাকতে চান।

‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধ ও উদ্দীপক উভয় ক্ষেত্রেই বর্ণিত হয়েছে শিল্প-সাহিত্যের মধ্য দিয়ে মানব-হৃদয়ের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের তৎপরতা। উভয় জায়গায় আমরা দেখতে পাই যে, কবি, সাহিত্যিক, গীতিকার বা চিত্রশিল্পী সবাই তাঁদের কাজ দিয়ে মানুষের মন আকর্ষণ করতে চান। মানব-হৃদয়ে স্থান পেতে চান। তাই আমরা বলতে পারি যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

আরো পড়ুন: এইচএসসি সাহিত্যে খেলা প্রবন্ধের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩। হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় সাহিত্যিক। তিনি তাঁর মনের আনন্দের প্রকাশ ঘটান সাহিত্যে। কোনো মানুষের দিকে তাকিয়ে নয়, তার চারপাশে যেসব মানুষকে তিনি দেখেন তাদেরই ভিত্তি করে দাঁড় করান এক একটি বিখ্যাত চরিত্র। হিমু, মিসির আলি তাঁর অসম্ভব পাঠকনন্দিত চরিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। মনের আনন্দে তিনি এসব চরিত্র সৃষ্টি করেছেন। পাঠকের কাছেও তাঁর চরিত্রগুলো ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।

ক. ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে উল্লিখিত বিখ্যাত ভাস্করের নাম কী?

খ. কাব্যরস নামক অমৃতে আমাদের অরুচি জন্মেছে কেন?

গ. উদ্দীপকের হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্য রচনার সজো ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের কোন দিকটির সাযুজ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. ‘মনের আনন্দে সাহিত্য সৃষ্টি করেন বলেই হুমায়ূন আহমেদ পাঠকনন্দিত হতে পেরেছিলেন।’- ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটির সত্যতা যাচাই করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪। কাজল একজন নবীন ঔপন্যাসিক। পাঠকের মনোরঞ্জন করার মতো ক্ষমতা তার মধ্যে রয়েছে। সস্তা প্রেমের তরল কাহিনি তার উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য। তাছাড়া তার উপন্যাসে সামাজিক ও রাজনৈতিক বক্তব্যের সুরও পাওয়া যায়। একশ্রেণির তরুণ পাঠক তার উপন্যাসের খুব ভক্ত। সাহিত্যে খেলা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ক. ‘কলারাজ্য’ অর্থ কী?

খ. ‘রামঞ্চে না চড়লে আমাদের অভিনয় কেউ দেখে না।’- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের আলোকে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে বর্ণিত মনোরঞ্জনধর্মী সাহিত্যের স্বরূপ তুলে ধরো।

ঘ. “উদ্দীপকে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাব ফুটে ওঠেনি।”- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৫। অধ্যাপক জাহিদ রেজা একজন সাহিত্যানুরাগী ব্যক্তি। তিনি নিয়মিত লেখালেখিও করেন। স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় তাঁর। কোনো গল্প বা প্রবন্ধ প্রকাশিত হলে তিনি অতিশয় আনন্দিত হয়ে তাঁর স্ত্রীকে তা পড়তে বলেন। তাঁর স্ত্রী এতে ভীষণ বিরক্ত হন এবং বলেন, ‘এসব বিনে পয়সার লেখা বাদ দিয়ে বরং প্রেমের গল্প নিয়ে সিনেমার স্ক্রিপ্ট লেখো, ঘরে কিছুটা বাড়তি পয়সা আসবে আর তোমার খ্যাতিও বাড়বে।’

ক. ফরাসি ভাস্কর রোদ্যার পূর্ণ নাম কী?

খ. সাহিত্য জগতে আমাদের কী উদ্দেশ্য নিয়ে প্রবেশ করা উচিত?

গ. উদ্দীপকে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. “উদ্দীপকের মিসেস জাহিদ রেজার চেতনা ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের আদর্শ বিরোধী।”- বিশ্লেষণ করো।


এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রের সাহিত্যে খেলা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর পিডিএফ ডাউনলোড করুন।

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top