বাংলা ২য় পত্রের ধ্বনি ও বর্ণ MCQ

বাংলা ২য় পত্র: ধ্বনি ও বর্ণ MCQ (PDF)

বাংলা ২য় পত্রের ধ্বনি ও বর্ণ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর ব্যাখ্যাসহ PDF আকারে ডাউনলোড করুন। যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এখানে বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর উপস্থাপন করা হয়েছে। সহজভাবে প্রস্তুতি নেওয়া ও দ্রুত রিভিশনের জন্য এটি আপনাকে সহায়তা করবে। তাহলে চলো, শুরু করি ধ্বনি ও বর্ণ MCQ।


বাংলা ২য় পত্রের ধ্বনি ও বর্ণ MCQ

ধ্বনি ও বর্ণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ধ্বনি (Sound)

মানুষের মুখনিসৃত অর্থবোধক আওয়াজই হলো ধ্বনি। ধ্বনি কানে শোনা যায়, কিন্তু দেখা যায় না। বাংলা ভাষায় ধ্বনি প্রধানত দুই প্রকার:

  • স্বরধ্বনি: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের প্রবাহ মুখগহ্বরের কোথাও বাধা পায় না (যেমন: অ, আ)। বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি (অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা)।
  • ব্যঞ্জনধ্বনি: যে ধ্বনি স্বরধ্বনির সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হতে পারে না (যেমন: ক্, খ্)। উচ্চারণের বিচারে মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি

বর্ণ (Letter)

ধ্বনির লিখিত রূপ বা চিহ্নকে বলা হয় বর্ণ। বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে।

  • স্বরবর্ণ: ১১টি (অ থেকে ঔ)।
  • ব্যঞ্জনবর্ণ: ৩৯টি (ক থেকে চন্দ্রবিন্দু)।

বর্ণের বিভিন্ন রূপ

বাংলা ভাষায় মূল বর্ণের পাশাপাশি আরও কিছু রূপ ব্যবহৃত হয়:

  • কার (Vowel Sign): স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘কার’ বলে। এটি ১০টি (শুধু ‘অ’-এর কোনো কার নেই)।
  • ফলা (Consonant Sign): ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘ফলা’ বলে। এটি ৬টি (ন, ব, ম, য, র, ল)।
  • অনুবর্ণ: ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপ। যেমন: রেফ (র্), ফলা বা বর্ণসংক্ষেপ।

যুক্তবর্ণের প্রকারভেদ

যুক্তবর্ণ মূলত দুই ধরনের হয়:

  1. স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: যে যুক্তবর্ণের রূপ দেখে তার ভেতরের বর্ণগুলো সহজে চেনা যায়। যেমন: প্ত (প+ত), ম্প (ম+প)।
  2. অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: যে যুক্তবর্ণের রূপ বদলে যায় এবং ভেতরের বর্ণ চেনা কঠিন হয়। যেমন: ক্ষ (ক+ষ), জ্ঞ (জ+ঞ), ষ্ণ (ষ+ণ)।

মাত্রা অনুযায়ী বর্ণ

বর্ণের ওপরের রেখাকে মাত্রা বলে। পরীক্ষার জন্য এই সংখ্যাগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ:

  • পূর্ণমাত্রা: ৩২টি।
  • অর্ধমাত্রা: ৮টি (ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)।
  • মাত্রাহীন: ১০টি (এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)।

উচ্চারণের স্থান অনুযায়ী বর্গীয় বর্ণ

ব্যঞ্জনবর্ণের প্রথম ২৫টি বর্ণকে (ক থেকে ম) ৫টি বর্গে ভাগ করা হয়েছে। এদের স্পর্শ বর্ণ বলা হয়:

  • ক-বর্গ (ক, খ, গ, ঘ, ঙ): কণ্ঠ্য বর্ণ।
  • চ-বর্গ (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ): তালব্য বর্ণ।
  • ট-বর্গ (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ): মূর্ধন্য বর্ণ।
  • ত-বর্গ (ত, থ, দ, ধ, ন): দন্ত্য বর্ণ।
  • প-বর্গ (প, ফ, ব, ভ, ম): ওষ্ঠ্য বর্ণ।

বিশেষ নোট: বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ ৩টি (ং, ঃ, ঁ)। এরা অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া বসতে পারে না।

বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

০১. কোনটি মৌলিক স্বরধ্বনি?

(a) ঐ

(b) ই

(c) ঔ

(d) ঈ

সঠিক উত্তর: (b) ই

ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি: অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা। অপশনে থাকা ‘ঐ’ এবং ‘ঔ’ হলো যৌগিক স্বরধ্বনি। আর ‘ঈ’ হলো দীর্ঘ স্বর।

০২. অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ কোনটি?

(a) ষ্ণ

(b) ক্ষ

(c) হ্ন

(d) স্ট

সঠিক উত্তর: (b) ক্ষ

ব্যাখ্যা: যে যুক্তবর্ণের রূপ দেখে তার ভেতরের বর্ণগুলো সহজে চেনা যায় না, তাকে অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ বলে। ‘ক্ষ’ তৈরি হয়েছে ‘ক’ ও ‘ষ’ দিয়ে, যা বাইরে থেকে বোঝা কঠিন।

০৩. বাংলা ভাষায় কোন স্বরবর্ণটির সংক্ষিপ্ত রূপ নেই?

(a) এ

(b) ঔ

(c) অ

(d) ই

সঠিক উত্তর: (c) অ

ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা ‘কার’ ১০টি। শুধুমাত্র ‘অ’ বর্ণের কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ নেই। এই কারণে ‘অ’-কে ‘নীলীন বর্ণ’ বলা হয়।

০৪. নিচের কোন যুক্তবর্ণটি অস্বচ্ছ? [ব.বো.’২৪]

(a) স্ত

(b) ক্ষ

(c) জ্জ

(d) দ্ধ

সঠিক উত্তর: (b) ক্ষ

ব্যাখ্যা: ‘স্ত’, ‘জ্জ’, ‘দ্ধ’—এই বর্ণগুলোতে মূল বর্ণগুলো কিছুটা দৃশ্যমান। কিন্তু ‘ক্ষ’ (ক্ + ষ) বর্ণটির গঠন পুরোপুরি ভিন্ন বা অস্বচ্ছ।

০৫. কোনটি স্বচ্ছ যুক্তবর্ণের উদাহরণ? [কু.বো.’২৪]

(a) ষ্ণ

(b) ক্ষ

(c) প্ত

(d) স্ক

সঠিক উত্তর: (c) প্ত

ব্যাখ্যা: ‘প্ত’ বর্ণটিতে ‘প’ এবং ‘ত’ পরিষ্কারভাবে চেনা যাচ্ছে। তাই এটি স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ।

০৬. নিচের কোনটি মৌলিক স্বরধ্বনি? [দি.বো.’২৪]

(a) অ্যা

(b) ঐ

(c) ঔ

(d) ঈ

সঠিক উত্তর: (a) অ্যা

ব্যাখ্যা: ড. মুহম্মদ আব্দুল হাই বাংলা ভাষায় ৭টি মৌলিক স্বরধ্বনি চিহ্নিত করেছেন, যার মধ্যে ‘অ্যা’ একটি। এটি বর্ণমালায় সরাসরি নেই কিন্তু উচ্চারণে ব্যবহৃত হয়।

০৭. মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি কতটি? [ঢা.বো.’২৩]

(a) ৭টি

(b) ১১টি

(c) ৩০টি

(d) ৩৯টি

সঠিক উত্তর: (c) ৩০টি

ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি হলেও উচ্চারণের বিচারে মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি।

০৮. যুক্তবর্ণ কয় রকম হয়? [রা.বো.’২৩]

(a) দুই

(b) তিন

(c) চার

(d) পাঁচ

সঠিক উত্তর: (a) দুই

ব্যাখ্যা: গঠন অনুসারে যুক্তবর্ণ মূলত দুই প্রকার: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।

০৯. ভাষার ক্ষুদ্রতম একক কী? [চ.বো.’২৩]

(a) ধ্বনি

(b) বর্ণ

(c) শব্দ

(d) বাক্য

সঠিক উত্তর: (a) ধ্বনি

ব্যাখ্যা: মানুষের কণ্ঠ নিঃসৃত আওয়াজ বা ধ্বনিই হলো ভাষার মূল ভিত্তি বা ক্ষুদ্রতম উপাদান।

১০. ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপের নাম কী? [চ.বো.’২৩]

(a) কারবর্ণ

(b) অনুবর্ণ

(c) সংখ্যাবর্ণ

(d) যুক্তবর্ণ

সঠিক উত্তর: (b) অনুবর্ণ

ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপকে অনুবর্ণ বলে। অনুবর্ণের মধ্যে ফলা, রেফ এবং বর্ণসংক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত।

১১. ‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণটি কোন কোন বর্ণযোগে গঠিত? [চ.বো.’২৩]

(a) ষ+ঞ

(b) ঞ+ষ

(c) ষ+ণ

(d) ণ+ষ

সঠিক উত্তর: (c) ষ+ণ

ব্যাখ্যা: ‘ষ্ণ’ বর্ণটি মূর্ধন্য-ষ (ষ) এবং মূর্ধন্য-ণ (ণ) এর সমন্বয়ে গঠিত একটি অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ (যেমন: উষ্ণ, তৃষ্ণা)।

১২. বাংলা ভাষায় কতটি মৌলিক ধ্বনি রয়েছে? [ব.বো.’২৩]

(a) ৭টি

(b) ১০টি

(c) ৩০টি

(d) ৩৭টি

সঠিক উত্তর: (d) ৩৭টি

ব্যাখ্যা: মোট মৌলিক ধ্বনি = মৌলিক স্বরধ্বনি (৭টি) + মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি (৩০টি) = ৩৭টি।

১৩. মোট কয়টি স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে? [য.বো.’২৩]

(a) ৫টি

(b) ৭টি

(c) ১০টি

(d) ১১টি

সঠিক উত্তর: (c) ১০টি

ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণ ১১টি হলেও ‘অ’ বাদে বাকি ১০টি স্বরবর্ণের কার-চিহ্ন বা সংক্ষিপ্ত রূপ আছে।

১৪. ধ্বনির প্রতীককে কী বলা হয়? [কু.বো.’২৩; য.বো.’২২]

(a) ভাষা

(b) বাক্য

(c) বর্ণ

(d) শব্দ

সঠিক উত্তর: (c) বর্ণ

ব্যাখ্যা: ধ্বনি হলো মুখে উচ্চারিত আওয়াজ, আর এই আওয়াজকে যখন কোনো লিখিত চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, তখন সেই চিহ্ন বা প্রতীককে বলা হয় বর্ণ

১৫. নিচের কোনটি অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ? [দি.বো.’২৩]

(a) ট্ট

(b) স্ট

(c) হ্ন

(d) স্ফ

সঠিক উত্তর: (c) হ্ন

ব্যাখ্যা: ‘হ্ন’ (হ + ন) বর্ণটিতে ‘হ’ এবং ‘ন’ এর রূপ বদলে গিয়ে একটি ভিন্ন আকৃতি ধারণ করেছে যা দেখে চট করে চেনা যায় না। তাই এটি অস্বচ্ছ। অন্যদিকে ট্ট, স্ট বা স্ফ-তে বর্ণগুলো স্পষ্টভাবে চেনা যাচ্ছে।

১৬. মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি? [ম.বো.’২৩]

(a) পাঁচ

(b) সাত

(c) দশ

(d) এগারো

সঠিক উত্তর: (b) সাত

ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট ৭টি। সেগুলো হলো: অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।

১৭. বাংলা ভাষায় পরাশ্রয়ী বর্ণ কয়টি? [সি.বো.’২২]

(a) ৩ টি

(b) ৪ টি

(c) ৫ টি

(d) ৬ টি

সঠিক উত্তর: (a) ৩ টি

ব্যাখ্যা: যে বর্ণগুলো স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হতে পারে না, অন্য বর্ণের আশ্রয়ে উচ্চারিত হয়, তাদের পরাশ্রয়ী বর্ণ বলে। এগুলো হলো: অনুস্বার (ং), বিসর্গ (ঃ) এবং চন্দ্রবিন্দু (ঁ)

১৮. বাংলা বর্ণমালায় মোট কতটি সরল বা অসংযুক্ত বর্ণ আছে? [চ.বো.’২২]

(a) ১১ টি

(b) ৩৯ টি

(c) ৪৯ টি

(d) ৫০ টি

সঠিক উত্তর: (d) ৫০ টি

ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি—এই মোট ৫০টি বর্ণকে পৃথকভাবে সরল বা অসংযুক্ত বর্ণ বলা হয়।

১৯. কোনো ভাষার বাকপ্রবাহকে সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করলে আমরা কতগুলো কী পাই? [ব.বো.’২২]

(a) বর্ণ

(b) ধ্বনি

(c) মৌলিক ধ্বনি

(d) মৌলিক বর্ণ

সঠিক উত্তর: (c) মৌলিক ধ্বনি

ব্যাখ্যা: আমরা যখন কথা বলি (বাকপ্রবাহ), তখন সেই আওয়াজকে ক্ষুদ্রতম অংশে ভাগ করলে আমরা মূলত মৌলিক ধ্বনিগুলো খুঁজে পাই।

২০. বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ফলা কয়টি? [ম.বো.’২২]

(a) পাঁচ

(b) ছয়

(c) সাত

(d) আট

সঠিক উত্তর: (b) ছয়

ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় ‘ফলা’। বাংলা ভাষায় ফলা মোট ৬টি: ন-ফলা, ব-ফলা, ম-ফলা, য-ফলা, র-ফলা এবং ল-ফলা

২১. মাত্রাহীন, অর্ধমাত্রা এবং পূর্ণমাত্রা বর্ণের সংখ্যা যথাক্রমে— [চ.বো.’২০]

(a) ৮, ১০, ৩২

(b) ৮, ১২, ৩০

(c) ১০, ৮, ৩২

(d) ১২, ৮, ৩০

সঠিক উত্তর: (c) ১০, ৮, ৩২

ব্যাখ্যা: এটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ‘১০-৮-৩২’। অর্থাৎ মাত্রাহীন ১০টি, অর্ধমাত্রা ৮টি এবং পূর্ণমাত্রা ৩২টি বর্ণ রয়েছে।

২২. উচ্চারণের সুবিধার জন্য বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির সঙ্গে কোন স্বরধ্বনিটি যোগ করা হয়? [সি.বো.’২০]

(a) ই

(b) উ

(c) অ

(d) এ

সঠিক উত্তর: (c) অ

ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণ একা উচ্চারিত হতে পারে না। যেমন: ‘ক’ উচ্চারণ করতে গেলে শেষে একটি ‘অ’ আসে (ক্ + অ = ক)। এই ‘অ’ ধ্বনিটি ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণে সাহায্য করে।

২৩. স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কী বলে? [য.বো.’১৯]

(a) ফলা

(b) কার

(c) মাত্রা

(d) অক্ষর

সঠিক উত্তর: (b) কার

ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন তার সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘কার’ বলে (যেমন: আকার, ই-কার)। আর ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে ‘ফলা’।

২৪. বাংলা ভাষায় ধ্বনি কত প্রকার?

(a) ২

(b) ৩

(c) ৩৭

(d) ৫০

সঠিক উত্তর: (a) ২

ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ধ্বনি প্রধানত দুই প্রকার: স্বরধ্বনি (যা নিজে নিজে উচ্চারিত হয়) এবং ব্যঞ্জনধ্বনি (যা স্বরধ্বনির সাহায্যে উচ্চারিত হয়)।

২৫. যুক্তবর্ণ লেখার সময়ে সংক্ষিপ্তাকারে লিখিত বর্ণকে কী বলে?

(a) অনুবর্ণ

(b) রেফ

(c) বর্ণসংক্ষেপ

(d) ফলা

সঠিক উত্তর: (c) বর্ণসংক্ষেপ

ব্যাখ্যা: অনেক সময় যুক্তবর্ণ তৈরি করার সময় বর্ণগুলোকে পুরো না লিখে সংক্ষেপে লেখা হয় (যেমন: ‘গুগল’ লিখতে ‘গ’ এর নিচে ‘ল’ যোগ করলে বর্ণটি ছোট হয়ে যায়)। এই সংক্ষিপ্ত রূপগুলোকে বর্ণসংক্ষেপ বলা হয়। এটি অনুবর্ণের একটি অংশ।

২৬. কোনটি অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ?

(a) ক্ত

(b) ল্প

(c) স্ট

(d) শ্চ

সঠিক উত্তর: (a) ক্ত

ব্যাখ্যা: এখানে ‘ল্প’ (ল+প), ‘স্ট’ (স+ট), এবং ‘শ্চ’ (শ+চ)-তে বর্ণগুলো আলাদাভাবে চেনা যাচ্ছে, তাই এগুলো স্বচ্ছ। কিন্তু ‘ক্ত’ (ক+ত) বর্ণটির রূপ এমনভাবে বদলে গেছে যে বাইরে থেকে সরাসরি ‘ক’ ও ‘ত’ চেনা কঠিন, তাই এটি অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ।

২৭. বাংলা বর্ণমালায় মূল বর্ণের পাশাপাশি থাকে—

(a) কারবর্ণ, যুক্তবর্ণ, অনুবর্ণ ও সংখ্যাবর্ণ

(b) কারবর্ণ, যুক্তবর্ণ, সংখ্যাবর্ণ ও ব্র্যাকেট/বন্ধনী

(c) সংখ্যাবর্ণ, কারবর্ণ, অনুবর্ণ ও যতিচিহ্ন

(d) কোনোটিই নয়।

সঠিক উত্তর: (a) কারবর্ণ, যুক্তবর্ণ, অনুবর্ণ ও সংখ্যাবর্ণ

ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার লিখন পদ্ধতিতে মূল বর্ণমালার (৫০টি বর্ণ) পাশাপাশি আমরা আরও চার ধরনের বর্ণ বা চিহ্ন ব্যবহার করি। সেগুলো হলো:

কারবর্ণ: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ।

যুক্তবর্ণ: একাধিক বর্ণের মিলন।

অনুবর্ণ: ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপ (যেমন: ফলা, রেফ)।

সংখ্যাবর্ণ: গাণিতিক প্রতীক বা সংখ্যা (১, ২, ৩…)।


Read More: বাংলা ২য় পত্রের বাকযন্ত্র MCQ

Read More: বাংলা ২য় পত্র: বাংলা ভাষার রীতি ও বিভাজন MCQ


বাংলা ২য় পত্রের ধ্বনি ও বর্ণ MCQ PDF Download

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top