এইচএসি বাংলা ১ম পত্রের যৌবনের গান গল্পের হ্যান্ডনোট পিডিএফ ডাউনলোড করুন। ১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে সিরাজগঞ্জে মুসলিম যুবসমাজের অভিনন্দনের উত্তরে তাদের উদ্দেশ্যে কাজী নজরুল ইসলাম যে প্রাণোচ্ছল ভাষণ প্রদান করেছিলেন, ‘যৌবনের গান’ রচনাটি তারই পরিমার্জিত লিখিত রূপ। এই অভিভাষণে কবি দুরন্ত ও দুর্বার তারুণ্যের প্রশস্তি উচ্চারণ করেছেন। তাঁর মতে, যৌবন অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার, যা মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়।
দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য ও প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর এই শক্তি মৃত্যুকেও তুচ্ছ জ্ঞান করে। এটি সমাজের জীর্ণ সংস্কার ভেঙে নতুন স্বপ্নময় জীবনের পথে এগিয়ে যায় এবং বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়ায় সেবার মানসিকতা নিয়ে।
অন্যদিকে, রক্ষণশীলতা, জড়তা ও পশ্চাৎপদ মানসিকতা মানুষের অগ্রগতির অন্তরায়। তাই কবি সেই মুক্ত, নির্ভীক তারুণ্যকে আহ্বান জানিয়েছেন, যা দেশ-কাল-ধর্মের সংকীর্ণতা অতিক্রম করে সমস্ত পুরোনো ও জীর্ণ সংস্কার ধ্বংস করে নতুন জগৎ নির্মাণে অগ্রসর হবে।
Read More: এইচএসসি বাংলা মাসি পিসি গল্পের হ্যান্ডনোট
Read More: এইচএসসি বাংলা নেকলেস গল্পের হ্যান্ডনোট






