সমাস দিয়ে শব্দ গঠন MCQ

বাংলা ২য় পত্র: সমাস দিয়ে শব্দ গঠন MCQ (PDF)

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ২য় পত্রের সমাস দিয়ে শব্দ গঠন MCQ (ব্যাখ্যাসহ) PDF ডাউনলোড করুন। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সমাহার, দ্রুত প্রস্তুতির জন্য এখনই অনুশীলন শুরু করুন।


সমাস দিয়ে শব্দ গঠন MCQ

বাংলা ব্যাকরণে সমাস একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সমাস শব্দের অর্থ হলো সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ

পরস্পর অর্থসঙ্গতি আছে এমন দুই বা ততোধিক পদের এক পদে পরিণত হওয়াকে সমাস বলে। সমাসের মূল লক্ষ্য হলো বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করা এবং শ্রুতিমধুর করা।

সমাস সংক্রান্ত কিছু জরুরি পরিভাষা

আলোচনা গভীরে যাওয়ার আগে এই শব্দগুলো জেনে নেওয়া প্রয়োজন:

  • সমস্তপদ: সমাসবদ্ধ হওয়ার পর যে নতুন শব্দটি তৈরি হয় (যেমন: ‘সিংহ চিহ্নিত আসন’ থেকে ‘সিংহাসন’)।
  • ব্যাস বাক্য: সমস্তপদকে ভেঙে যে বাক্য তৈরি করা হয় (যেমন: ‘সিংহাসন’ এর ব্যাস বাক্য ‘সিংহ চিহ্নিত আসন’)।
  • পূর্বপদ ও পরপদ: সমস্তপদের প্রথম অংশকে পূর্বপদ এবং পরের অংশকে পরপদ বা উত্তরপদ বলে।

সমাসের প্রকারভেদ

সাধারণত সমাস ছয় প্রকার। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. দ্বন্দ্ব সমাস

যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। ব্যাস বাক্যে সাধারণত ‘ও’, ‘এবং’, ‘আর’ ব্যবহৃত হয়।

  • উদাহরণ: মা ও বাবা = মা-বাবা, তাল ও তমাল = তাল-তমাল।

২. তৎপুরুষ সমাস

পূর্বপদে বিভক্তির লোপ পেয়ে যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।

  • উদাহরণ: ভাতকে রাঁধা = ভাতরাঁধা (এখানে ‘কে’ বিভক্তি লোপ পেয়েছে)।
  • এটি ২য়া থেকে ৯মা পর্যন্ত বিভিন্ন বিভক্তির নামে হয়।

৩. কর্মধারয় সমাস

বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন হয়ে যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের অর্থই প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।

  • উদাহরণ: নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।
  • উপকারভেদ: মধ্যপদলোপী (সিংহাসন), উপমান (তুষারশুভ্র), উপমিত (মুখচন্দ্র), রূপক (মন-মাঝি)।

৪. বহুব্রীহি সমাস

যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটিরই অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় অর্থকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।

  • উদাহরণ: দশ আনন (মাথা) যার = দশানন (এখানে দশ বা মাথা প্রধান নয়, রাবণকে বোঝানো হচ্ছে)।

৫. দ্বিগু সমাস

পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ বসে এবং পরপদে বিশেষ্য থাকে এবং সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।

  • উদাহরণ: তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল, চৌরাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা।

৬. অব্যয়ীভাব সমাস

পূর্বপদে অব্যয় থাকে এবং সেই অব্যয়ের অর্থের প্রাধান্য থাকে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। এটি সাধারণত অভাব, পর্যন্ত, সাদৃশ্য বা উপ অর্থে বসে।

  • উদাহরণ: মরণ পর্যন্ত = আমরণ, ভাতের অভাব = হাভাত।

সমাস চেনার সহজ উপায়

সমাসের নামপদের প্রাধান্যচেনার উপায়
দ্বন্দ্বউভয় পদব্যাস বাক্যে ‘ও’ থাকে।
তৎপুরুষপরপদবিভক্তি লোপ পায়।
কর্মধারয়পরপদবিশেষণ + বিশেষ্য (তুলনা)।
দ্বিগুপরপদশুরুতে সংখ্যা থাকে।
অব্যয়ীভাবপূর্বপদশুরুতে অব্যয় থাকে।
বহুব্রীহিঅন্য কোনো পদনতুন কোনো অর্থ প্রকাশ করে।

নোট: এছাড়া কিছু অপ্রধান সমাস আছে যেমন— প্রাদি সমাস, নিত্য সমাস এবং অলুক সমাস।

বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

০১। ‘হাতাহাতি’ কোন সমাস?

(ক) দ্বন্দ্ব

(খ) কর্মধারয়

(গ) তৎপুরুষ

(ঘ) বহুব্রীহি

সঠিক উত্তর: (ঘ) বহুব্রীহি

ব্যাখ্যা: হাতে হাতে যে লড়াই = হাতাহাতি। এটি পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝায় বলে একে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলা হয়।

০২। রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?

(ক) মনমাঝি

(খ) চন্দ্রমুখ

(গ) ঘিভাত

(ঘ) ত্রিফলা

সঠিক উত্তর: (ক) মনমাঝি

ব্যাখ্যা: মন রূপ মাঝি = মনমাঝি। যেখানে উপমেয় (মন) এবং উপমানের (মাঝি) মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না বা অভেদ কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় বলে।

০৩। পারস্পরিক ক্রিয়ার কোনো অবস্থা তৈরি হলে তাকে কোন বহুব্রীহি সমাস বলে?

(ক) সমানাধিকরণ বহুব্রীহি

(খ) ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি

(গ) ব্যতিহার বহুব্রীহি

(ঘ) অলুক বহুব্রীহি

সঠিক উত্তর: (গ) ব্যতিহার বহুব্রীহি

ব্যাখ্যা: যখন একাধিক কর্তা একত্রে কোনো কাজ করে বা পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝায়, তখন তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলে। যেমন: কানাকানি, চুলাচুলি।

০৪। ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কোনটি?

(ক) হাতেখড়ি

(খ) লালপেড়ে

(গ) গোঁফখেজুরে

(ঘ) সেতার

সঠিক উত্তর: (ঘ) সেতার

ব্যাখ্যা: তিন তার আছে যার = সেতার। যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ ও পরপদ কোনটিই বিশেষণ নয়, তাকে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি বলে।

০৫। কোন সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়টিরই অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে?

(ক) কর্মধারয়

(খ) দ্বন্দ্ব

(গ) তৎপুরুষ

(ঘ) বহুব্রীহি

সঠিক উত্তর: (খ) দ্বন্দ্ব

ব্যাখ্যা: দ্বন্দ্ব সমাসে ব্যাসবাক্যের উভয় পদের অর্থই সমস্তপদে অটুট থাকে। যেমন: মা ও বাবা = মা-বাবা।

০৬। ‘রাজপথ’ কোন সমাসের উদাহরণ?

(ক) দ্বন্দ্ব

(খ) বহুব্রীহি

(গ) কর্মধারয়

(ঘ) তৎপুরুষ

সঠিক উত্তর: (ঘ) তৎপুরুষ

ব্যাখ্যা: পথের রাজা = রাজপথ। এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস, যেখানে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়।

০৭। মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?

(ক) কাজলকালো

(খ) বিজয়-পতাকা

(গ) সিংহপুরুষ

(ঘ) বউভাত

সঠিক উত্তর: (খ) বিজয়-পতাকা

ব্যাখ্যা: বিজয় নির্দেশক পতাকা = বিজয়-পতাকা। ব্যাসবাক্যের মাঝখানের পদ (নির্দেশক) লোপ পাওয়ায় এটি মধ্যপদলোপী।

০৮। সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কোনটি?

(ক) আলুসিদ্ধ

(খ) মধুমাখা

(গ) চোখেমুখে

(ঘ) হাতেখড়ি

সঠিক উত্তর: (খ) মধুমাখা

ব্যাখ্যা: মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা। এখানে ‘দিয়ে’ অনুসর্গটি লোপ পেয়েছে।

০৯। উপমিত কর্মধারয় সমাস কোনটি?

(ক) মনমাঝি

(খ) চন্দ্রমুখ

(গ) ঘরজামাই

(ঘ) কাজলকালো

সঠিক উত্তর: (খ) চন্দ্রমুখ

ব্যাখ্যা: মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ। সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা করা হয়েছে।

১০। কোনটি কর্মধারয় সমাস?

(ক) হাতে-কলমে

(খ) গোলাভরা

(গ) পদদ্মআঁখি

(ঘ) লালপেড়ে

সঠিক উত্তর: (গ) পদ্মআঁখি

ব্যাখ্যা: পদ্মের ন্যায় আঁখি (চোখ) = পদ্মআঁখি। এটি কর্মধারয় সমাস।

১১। কোনটি দ্বিগু কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?

(ক) শশব্যস্ত

(খ) চৌরাস্তা

(গ) আলুসিদ্ধ

(ঘ) মনমাঝি

সঠিক উত্তর: (খ) চৌরাস্তা

ব্যাখ্যা: চার রাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা। সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে বসে সমাহার বোঝালে তাকে দ্বিগু বলে।

১২। কোনটি উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?

(ক) কাজলকালো

(খ) চন্দ্রমুখ

(গ) মনমাঝি

(ঘ) পদ্মআঁখি

সঠিক উত্তর: (ক) কাজলকালো

ব্যাখ্যা: কাজলের ন্যায় কালো = কাজলকালো। এখানে সাধারণ গুণ (কালো) সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে।

১৩। গোলাপ নামের ফুল = গোলাপফুল কোন সমাসের উদাহরণ?

(ক) দ্বন্দ্ব

(খ) বহুব্রীহি

(গ) তৎপুরুষ

(ঘ) কর্মধারয়

সঠিক উত্তর: (ঘ) কর্মধারয়

ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।

১৫। কোনটিতে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয়েছে?

(ক) চৌরাস্তা

(খ) বিষাদসিন্ধু

(গ) চাঁদমুখ

(ঘ) নয়ছয়

সঠিক উত্তর: (খ) বিষাদসিন্ধু

ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু। শোক বা বিষাদকে সরাসরি সমুদ্রের সাথে অভেদ বা এক করে দেখা হয়েছে।

১৬। ‘আলুসিদ্ধ’ কোন সমাসের উদাহরণ?

(ক) কর্মধারয়

(খ) তৎপুরুষ

(গ) অব্যয়ীভাব

(ঘ) বহুব্রীহি

সঠিক উত্তর: (ক) কর্মধারয়

ব্যাখ্যা: সিদ্ধ যে আলু = আলুসিদ্ধ।

১৭। যার সাথে তুলনা করা হয় তাকে কী বলে?

(ক) উপমান

(খ) উপমেয়

(গ) রূপক

(ঘ) অলুক

সঠিক উত্তর: (ক) উপমান

ব্যাখ্যা: যার সাথে তুলনা করা হয় সে উপমান, আর যাকে তুলনা করা হয় সে উপমেয়

২০। ‘সিংহাসন’ সমস্ত পদটি কোন কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?

(ক) রূপক

(খ) মধ্যপদলোপী

(গ) উপমিত

(ঘ) উপমান

সঠিক উত্তর: (খ) মধ্যপদলোপী

ব্যাখ্যা: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন। এখানে ‘চিহ্নিত’ পদটি লোপ পেয়েছে।

২১। ‘নীল যে পদ্ম’ – নীলপদ্ম কোন সমাস?

(ক) দ্বন্দ্ব

(খ) দ্বিগু

(গ) বহুব্রীহি

(ঘ) কর্মধারয়

সঠিক উত্তর: (ঘ) কর্মধারয়

ব্যাখ্যা: নীল (বিশেষণ) ও পদ্ম (বিশেষ্য) পদের মিলনে এবং পরপদ ‘পদ্ম’-এর অর্থ প্রধান হওয়ায় এটি কর্মধারয় সমাস।

২২। ‘রাজপুত্র’ কোন তৎপুরুষ সমাস?

(ক) দ্বিতীয়া

(খ) তৃতীয়া

(গ) পঞ্চমী

(ঘ) ষষ্ঠী

সঠিক উত্তর: (ঘ) ষষ্ঠী

ব্যাখ্যা: রাজার পুত্র = রাজপুত্র। এখানে পূর্বপদের ষষ্ঠী বিভক্তি (র/এর) লোপ পেয়েছে।

২৩। ‘অরুণরাঙা’ কোন কর্মধারয় সমাস?

(ক) মধ্যপদলোপী

(খ) উপমান

(গ) উপমিত

(ঘ) রূপক

সঠিক উত্তর: (খ) উপমান

ব্যাখ্যা: অরুণের ন্যায় রাঙা = অরুণরাঙা। উপমান পদের সাথে সাধারণ গুণের (রাঙা) সমাস হওয়ায় এটি উপমান কর্মধারয়।

২৪। মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস কোনটি?

(ক) মাতাপিতা

(খ) সাহিত্যসভা

(গ) জ্ঞানশূন্য

(ঘ) সুশীল

সঠিক উত্তর: (খ) সাহিত্যসভা

ব্যাখ্যা: সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা। ব্যাসবাক্যের মাঝখানের পদ ‘বিষয়ক’ লোপ পেয়েছে।

২৫। ‘বিষাদসিন্ধু’ এর সঠিক ব্যাসবাক্য কী?

(ক) বিষাদ যে সিন্ধু

(খ) বিষাদ ও সিন্ধু

(গ) বিষাদ রূপ সিন্ধু

(ঘ) সিন্ধু যে বিষাদ

সঠিক উত্তর: (গ) বিষাদ রূপ সিন্ধু

ব্যাখ্যা: বিষাদ ও সিন্ধুর মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে, যা রূপক কর্মধারয় সমাস গঠন করে।

২৬। ‘মুখ চন্দ্রের ন্যায়’ – কোন কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?

(ক) মধ্যপদলোপী

(খ) উপমান

(গ) রূপক

(ঘ) উপমিত

সঠিক উত্তর: (ঘ) উপমিত

ব্যাখ্যা: সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদ (মুখ) ও উপমান পদের (চন্দ্র) সমাস হওয়ায় এটি উপমিত কর্মধারয়।

২৭। নিচের কোন সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়?

(ক) দ্বন্দ্ব

(খ) বহুব্রীহি

(গ) অব্যয়ীভাব

(ঘ) কর্মধারয়

সঠিক উত্তর: (ঘ) কর্মধারয়

ব্যাখ্যা: তৎপুরুষ, কর্মধারয় ও দ্বিগু সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে।

২৮। সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়—

(ক) নতুন শব্দ

(খ) নতুন বাক্য

(গ) নতুন বর্ণ

(ঘ) নতুন ধ্বনি

সঠিক উত্তর: (ক) নতুন শব্দ

ব্যাখ্যা: সমাস হলো শব্দ গঠনের এমন একটি প্রক্রিয়া যা একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করে নতুন শব্দ তৈরি করে।

২৯। সমাসবদ্ধ পদকে বলে—

(ক) সমস্তপদ

(খ) সমস্যমান পদ

(গ) পূর্বপদ

(ঘ) পরপদ

সঠিক উত্তর: (ক) সমস্তপদ

ব্যাখ্যা: সমাস প্রক্রিয়ায় গঠিত হওয়া নতুন পদটিকে ব্যাকরণের ভাষায় সমস্তপদ বলা হয়।

৩০। ব্যাসবাক্য কাকে ব্যাখ্যা করে?

(ক) পূর্বপদ

(খ) পরপদ

(গ) সমস্তপদ

(ঘ) সমস্যমান পদ

সঠিক উত্তর: (গ) সমস্তপদ

ব্যাখ্যা: সমস্তপদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ দিয়ে এর অর্থ বিস্তারিত করা হয়, তাকে ব্যাসবাক্য বলে।

৩২। অর্থের প্রাধান্যের ভিত্তিতে বাংলা সমাস কত প্রকার?

(ক) দুই

(খ) তিন

(গ) চার

(ঘ) পাঁচ

সঠিক উত্তর: (গ) চার

ব্যাখ্যা: পদের অর্থের প্রাধান্য অনুযায়ী সমাস মূলত চার প্রকার: দ্বন্দ্ব (উভয় পদ), তৎপুরুষ (পরপদ), বহুব্রীহি (অন্য পদ) ও অব্যয়ীভাব (পূর্বপদ)।

৪১। কোন সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বোঝায়?

(ক) দ্বিগু সমাস

(খ) তৎপুরুষ সমাস

(গ) বহুব্রীহি সমাস

(ঘ) কর্মধারয় সমাস

সঠিক উত্তর: (গ) বহুব্রীহি সমাস

ব্যাখ্যা: বহুব্রীহি সমাসে ব্যাসবাক্যের কোনো পদের অর্থ প্রধান না হয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ প্রকাশ পায়।


Read More: বাংলা ২য় পত্র: প্রত্যয় দিয়ে শব্দ গঠন MCQ

Read More: বাংলা ২য় পত্র: উপসর্গ দিয়ে শব্দ গঠন MCQ


বাংলা ২য় পত্রের সমাস দিয়ে শব্দ গঠন MCQ PDF Download

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top