HSC বাংলা সিরাজউদ্দৌলা নাটকের স্মার্ট নোট

HSC সিরাজউদ্দৌলা নাটকের স্মার্ট নোট পরীক্ষার প্রস্তুতিকে সহজ ও গুছিয়ে তুলতে তৈরি করা হয়েছে। এই নোটে নাটকের কাহিনি, গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র, মূলভাব, সংলাপের ব্যাখ্যা, সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর এবং পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। HSC পরীক্ষার্থীরা এই স্মার্ট নোটের মাধ্যমে অল্প সময়ে সিরাজউদ্দৌলা নাটক ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে। পাশাপাশি নোটটি PDF আকারে ডাউনলোড করে মোবাইল বা কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে যেকোনো সময় পড়া যাবে।


সিরাজউদ্দৌলা নাটকের স্মার্ট নোট

📌 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

সিকান্দার আবু জাফর (১৯ মার্চ ১৯১৯ – ৫ আগস্ট ১৯৭৫) — বাঙালি কবি, সঙ্গীত রচয়িতা, নাট্যকার ও সাংবাদিক। সমকাল পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে বিশেষ খ্যাত; প্রগতিশীল সাহিত্য আন্দোলনের অগ্রদূত।

🧬 জন্ম ও পরিবার

বিষয়বিবরণ
জন্মস্থানতেঁতুলিয়া গ্রাম, তালা উপজেলা, খুলনা জেলা
পিতাসৈয়দ মঈনুদ্দীন হাশেমী (কৃষক ও ব্যবসায়ী)
পিতৃব্যসৈয়দ জালালুদ্দীন হাশেম

📚 শিক্ষা ও কর্মজীবন

শিক্ষা

  • স্থানীয় স্কুল থেকে ম্যাট্রিক
  • কলকাতার রিপন কলেজ-এ পড়াশোনা (সমাপ্ত করেননি বলে ধারণা)

কর্মজীবনের ধারা

সময়কালকর্মস্থল
১৯৪১নবযুগ (কাজী নজরুল ইসলামের পত্রিকা)
দৈনিক ইত্তেফাক
দৈনিক মিল্লাত
দেশবিভাগের পরঢাকায় স্থায়ী হন
১৯৫০-এর দশকরেডিও পাকিস্তান-এর শিল্পী
১৯৫৭-১৯৭৫সমকাল-এর প্রকাশক ও সম্পাদক

📰 সমকাল পত্রিকা: তার সবচেয়ে বড় অবদান

বিষয়বিবরণ
প্রথম প্রকাশ১৯৫৭
সম্পাদনা কাল১৯৫৭-১৯৭৫ (মৃত্যু পর্যন্ত)
অবদানষাটের দশকের সকল নামী-দামী লেখকের রচনা প্রকাশ; নতুন প্রতিভা আবিষ্কার; মুদ্রণ পরিপাট্য; প্রগতিশীল সাহিত্যধারার অগ্রগামী

“লেখার সাবধানী ও নৈর্ব্যক্তিক নির্বাচন, প্রতিভাবান নতুন লেখকদের মর্যাদা প্রদান, মনোযোগী সম্পাদনা এবং মুদ্রণ পরিপাট্যের জন্য সমকাল সকল কবি-লেখকের জন্য স্বপ্নের পত্রিকা হয়ে উঠেছিল।”

✍️ সাহিত্যকর্ম

কাব্যগ্রন্থ

শিরোনামপ্রকাশকাল
প্রসন্ন প্রহর১৯৬৫
বৈরী বৃষ্টিতে১৯৬৫
তিমিরান্তিক১৯৬৫
বৃশ্চিক লগ্ন১৯৭১
বাংলা

নাটক

শিরোনামপ্রকাশকাল
সিরাজউদ্দৌলা১৯৬৫ (সবচেয়ে বিখ্যাত)
মহাকবি আলাওল১৯৬৬
শকুন্ত উপাখ্যান১৯৬২
মাকড়সা১৯৬০

উপন্যাস

  • মাটি আর অশ্রু
  • পূরবী
  • নতুন সকাল
  • জয়ের পথ

কিশোর উপন্যাস

  • জয়ের পথে
  • নবী কাহিনী

অনুবাদ

  • রুবাইয়াৎ ওমর খৈয়াম
  • সেন্ট লুইয়ের সেতু
  • বারনাড মালামুডের যাদুর কলস

গান

  • মালব কৌশিক (সঙ্গীত রচনা)

🎵 বিখ্যাত কবিতা/গান

“জনতার সংগ্রাম চলবেই”

জনতার সংগ্রাম চলবেই, আমাদের সংগ্রাম চলবেই

হতমানে অপমানে নয়, সুখ সম্মানে বাঁচবার অধিকার কাড়তে

দাস্যের নির্মোক ছাড়তে অগণিত মানুষের প্রাণপণ যুদ্ধ চলবেই

চলবেই, আমাদের সংগ্রাম চলবেই।

“তুমি বাংলা ছাড়ো” (বাংলা ছাড় কবিতা)

রক্তচোখের আগুন মেখে ঝলসে যাওয়া আমার বছরগুলো

আজকে যখন হাতের মুঠোয় কণ্ঠনালীর খুন পিয়াসী ছুরি

কাজ কি তবে আগলে রেখে বুকের কাছে কেউটে সাপের ঝাপি

আমার হাতেই নিলাম আমার নির্ভরতার চাবি

তুমি আমার আকাশ থেকে সরাও তোমার ছায়া

তুমি বাংলা ছাড়ো।

🏆 পুরস্কার ও সম্মাননা

পুরস্কারবছরমন্তব্য
বাংলা একাডেমি পুরস্কার১৯৬৬সাহিত্যে অবদানের জন্য
একুশে পদক১৯৮৪মরণোত্তর

⚰️ মৃত্যু

  • তারিখ: ৫ আগস্ট ১৯৭৫
  • বয়স: ৫৬ বছর

🔑 সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য ও অবদান

  • প্রগতিশীল সাহিত্যধারার অগ্রগামী
  • সমকাল সম্পাদনা করে পূর্ববাংলার সাহিত্য আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চার
  • সামাজিক-রাজনৈতিক সচেতনতা কবিতা ও নাটকে প্রতিফলিত
  • ঐতিহাসিক নাটক (সিরাজউদ্দৌলামহাকবি আলাওল) রচনা
  • অনুবাদ সাহিত্য ও কিশোর সাহিত্য-তেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান

📖 গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • ভারত বিভাগোত্তর প্রথম প্রজন্মের সাহিত্যিক
  • রেডিও পাকিস্তান-এর শিল্পী হিসেবে সঙ্গীতচর্চা
  • সাংবাদিক হিসেবে দীর্ঘ কর্মজীবন
  • সমকাল পত্রিকা তার জীবনের সবচেয়ে তাৎপর্যময় সৃষ্টি

“একজন সাহিত্যিক হিসেবে সিকান্দার আবু জাফরের যে খ্যাতি, তার চেয়েও অনেক বেশি প্রসিদ্ধি সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে।”

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

★ “সিরাজউদ্দৌলা” নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময় — ১৭৫৬ সালের ১৯এ জুন।

★ প্রথম দৃশ্যের স্থান — ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ।

★ ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে আক্রমণকারী — নবাব সিরাজউদ্দৌলার সৈন্য।

★ ক্যাপ্টেন ক্লেটনের সাথে যুদ্ধরত গোলন্দাজদের পরিচয় — মুষ্টিমেয় বাঙালি গোলন্দাজ।

★ ইংরেজদের যুদ্ধকালীন প্রতিজ্ঞা — Victory or death (জয় অথবা মৃত্যু)।

★ দুর্গ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ইংরেজ অধিনায়কের নাম — এনসাইন পিকার্ড।

★ নবাব পদাতিক বাহিনীর দুর্গে প্রবেশের রুট — দমদমের সরু রাস্তা।

★ নবাব গোলন্দাজ বাহিনীর চলাচলের পথ — শিয়ালদহের মারাঠা খাল।

★ বেইমানি করে নৌকাযোগে পালিয়ে যাওয়া ইংরেজ কর্মকর্তা — ক্যাপ্টেন মিনচিন, কাউন্সিলার ফকল্যান্ড ও ম্যানিংহাম।

★ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সার্জন — জন জেফানিয়া হলওয়েল।

★ ডাচ ও ফরাসিদের কাছে ইংরেজদের চেয়ে না পাওয়া বস্তু — সৈন্য ও এক ছটাক বারুদ।

★ দুর্গের ভেতর থেকে গভর্নর ড্রেক ও ক্যাপ্টেন ক্লেটনের পলায়নের মাধ্যম — নৌকা।

★ পালিয়ে যাওয়ার সময় ড্রেককে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল — দুর্গের এক প্রহরী।

★ উমিচাঁদের দৃষ্টিতে ‘ব্রিটিশ সিংহ’ — ক্যাপ্টেন ক্লেটন।

★ ক্লেটন পালিয়ে যাওয়ার পর কেল্লার নতুন সর্বাধিনায়ক — জন জেফানিয়া হলওয়েল।

★ হলওয়েলের পেশা — গাইস হাসপাতালের হাতুড়ে সার্জন।

★ সন্ধি ও আত্মসমর্পণের প্রতীক — দুর্গ প্রাচীরে সাদা নিশান।

★ দুর্গের গঙ্গার দিকের ফটক ভেঙে পালিয়ে যাওয়া সৈন্য — একদল ডাচ সৈন্য।

★ ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে প্রবেশকারী নবাবের দুই সেনাপতি — রাজা মানিকচাঁদ ও মিরমর্দান।

★ সিরাজের মতে কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার — জন জেফানিয়া হলওয়েল।

★ সিরাজউদ্দৌলার নির্দেশে জ্বালিয়ে দেওয়া ইংরেজ কুঠি — কাশিমবাজার কুঠি।

★ কাশিমবাজার কুঠি থেকে বন্দি হওয়া দুই ইংরেজ — ওয়াটস ও কলেট।

★ ইংরেজরা নবাবকে নিষেধ সত্ত্বেও আশ্রয় দিয়েছিল — কৃষ্ণবল্লভকে।

★ ওয়াটসের মতে ইংরেজদের ভারতবর্ষে আসার মূল উদ্দেশ্য — We have come to earn money & not to get into politics.

★ কলকাতায় ইংরেজদের সুরক্ষিত দুর্গের নাম — ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ।

★ কলকাতার দুর্গ সংস্কারে ইংরেজদের অজুহাত — ফরাসি ডাকাতদের হাত থেকে আত্মরক্ষা।

★ নবাবের নির্দেশে কামানের গোলায় উড়িয়ে দেওয়া বাড়ি — গভর্নর ড্রেকের বাড়ি।

★ নবাবের আদেশে কলকাতার পরিবর্তিত নতুন নাম — আলিনগর।

★ সিরাজউদ্দৌলা আলিনগরের নতুন দেওয়ান নিযুক্ত করেন — রাজা মানিকচাঁদকে।

★ সিরাজউদ্দৌলার বিচারে মুক্ত হওয়া বন্দি — উমিচাঁদ ও কৃষ্ণবল্লভ।

★ বিচারে সিরাজউদ্দৌলার স্থায়ী বন্দি হিসেবে আটক ইংরেজ — জন জেফানিয়া হলওয়েল, ওয়াটস ও কলেট।

★ প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যের সময় — ১৭৫৬ সালের ৩রা জুলাই।

★ দ্বিতীয় দৃশ্যের স্থান — কলকাতার ভাগীরথী নদীতে ‘ফোর্ট উইলিয়াম’ জাহাজ।

★ ড্রেক, কিলপ্যাট্রিক ও অন্যান্য ইংরেজদের সাময়িকভাবে আশ্রয়ের স্থান — ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজ।

★ মাদ্রাজ থেকে কোম্পানির জাহাজে আসা সৈন্য সংখ্যা — প্রায় আড়াইশত সৈন্য।

★ মাদ্রাজ থেকে আড়াইশত সৈন্য নিয়ে ফেরত আসা ইংরেজ অফিসার — কিলপ্যাট্রিক।

★ ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের কেল্লা শাসনের সর্বাধিনায়ক হিসেবে দাবিদার — গভর্নর রজার ড্রেক।

★ কলকাতায় কোম্পানির সত্তর টাকা বেতনের দুই কর্মচারী — হ্যারি ও মার্টিন।

★ ড্রেক, হ্যারি ও মার্টিনের ব্যাংকে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ — বিশ হাজারের কম নয়।

★ জাহাজ থেকে ড্রেকের মুখের ওপর ছেঁড়া ভিজে গাউন ছুড়ে দিতে উদ্যত নারী — জনৈক ইংরেজ মহিলা।

★ নবাবের হাতে বন্দি দশা থেকে ছাড়া পেয়ে জাহাজে আসা দুই ইংরেজ — হলওয়েল ও ওয়াটস।

★ ওয়াটস ও হলওয়েল মুক্ত হওয়ার স্থান — মুর্শিদাবাদ।

★ ইংরেজদের সাথে পুনরায় যোগাযোগ ও সহায়তার প্রস্তাবকারী নেটিভ ব্যবসায়ী — উমিচাঁদ।

★ সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে নবাবের কানে কথা তোলার পরিকল্পনা করা চক্রান্তকারী — মিরজাফর, জগৎশেঠ ও রাজবল্লভ।

★ জাহাজে ম্যালেরিয়া ও ডিসেন্ট্রিতে ভুগে মারা গিয়েছিল — কয়েকজন ইংরেজ সৈন্য।

★ নদীপথের আস্তানাটিকে সেনাদৃষ্টিতে নিরাপদ ভাবার কারণ — সমুদ্র কাছে এবং কলকাতা ৪০ মাইলের মধ্যে।

★ দেওয়ান মানিকচাঁদের কাছ থেকে অনুমতিপত্র এনে দেওয়া উমিচাঁদের লোক প্রেরিত চিঠি — মানিকচাঁদকে ১২ হাজার টাকা নজরানা দিয়ে ইংরেজদের বাণিজ্যের অনুমতিপত্র সংগ্রহ।

★ মানিকচাঁদের অনুমতির বিনিময়ে উমিচাঁদের মোট দাবি — ১৭ হাজার টাকা (মানিকচাঁদের ১২ হাজার + পারিশ্রমিক ও অন্যান্য ব্যয় ৫ হাজার)।

★ উমিচাঁদের মূল জন্মস্থান — সুদূর লাহোর।

★ উমিচাঁদকে ড্রেকের দেওয়া গালি — A perfect scoundrel.

★ সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করা ব্যক্তি — শওকতজং।

★ শওকতজংকে সমর্থনে প্রস্তুত দল — মিরজাফর, রাজবল্লভ ও জগৎশেঠ।

★ সমুদ্রের দিক থেকে আসা কোম্পানির জাহাজের সংখ্যা — ৫টি জাহাজ।

★ প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যের সময় — ১৭৫৬ সালের ১০ই অক্টোবর।

★ তৃতীয় দৃশ্যের স্থান — ঘসেটি বেগমের বাড়ি (মতিঝিল)।

★ চক্রান্তের জলসায় উপস্থিত নর্তকী ও বাদক ছাড়া ব্যক্তিগণ — ঘসেটি বেগম, উমিচাঁদ, রাজবল্লভ, জগৎশেঠ, রাইসুল জুহালা ও রায়দুর্লভ।

★ উমিচাঁদের সাথে আসা ছদ্মবেশী জবরদস্ত শিল্পী — রাইসুল জুহালা।

★ ‘রাইসুল জুহালা’ নামের অর্থ — মূর্খদের প্রধান / জাহেলদের রইস।

★ রাইসুল জুহালার পরিবেশিত বিশেষ একক নাচ — বক পাখি বা পক্ষীকুলের বিশেষ একটি নৃত্য।

★ নৃত্য পরিবেশনের অন্তরালে চিঠি আদান-প্রদানের জন্য নিযুক্ত ব্যক্তি — রাইসুল জুহালা।

★ শওকতজং নবাব হলে ঘসেটি বেগম ও রাজবল্লভের উদ্দেশ্য — দেশ শাসন করা।

★ ঘসেটি বেগমের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অপরাধে ইতিপূর্বে প্রাণ হারায় — হোসেন কুলি খাঁ।

★ জগৎশেঠের নিজস্ব নিরাপত্তার জন্য পোষা বাহিনীর আকার — সেনাপতি ইয়ার লুৎফ খাঁয়ের অধীনে ২০০০ অশ্বারোহী।

★ শওকতজংকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে যুদ্ধযাত্রার পরামর্শ দেওয়া চিঠি — সিপাহসালার মিরজাফরের চিঠি।

★ উমিচাঁদের আসল পূজনীয় বিষয় — দওলত (টাকা-পয়সা)।

★ ড্রেক সাহেবের চিঠি পাওয়ার কথা ঘসেটিকে নিশ্চিত করে — উমিচাঁদ।

★ ঘসেটি বেগমের কামরায় নর্তকীদের নাচ থামাতে হঠাৎ প্রবেশকারী — নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও মোহনলাল।

★ নবাবের আগমনে বাধা দেওয়া ঘসেটি বেগমের পাহাদারদের অবস্থান — দেউড়িতে (প্রধান ফটক)।

★ সিরাজউদ্দৌলা চিরকালের জন্য বন্ধ করে দিলেন — মতিঝিলের জলসা।

★ ঘসেটি বেগমকে বন্দি করে সিরাজ যেখানে নিয়ে গেলেন — নবাব প্রাসাদ (আমিনা বেগমের কাছে)।

★ সিরাজউদ্দৌলা কর্তৃক বিদ্রোহী ঘোষিত হওয়া ব্যক্তি — শওকতজং।

★ শওকতজংকে দমন করতে সিরাজের প্রেরিত প্রধান সেনাপতি — মোহনলাল।

★ ঘসেটি বেগমের প্রাসাদ ত্যাগের সময় সিরাজকে দেওয়া অভিশাপ — “কেয়ামত নাজেল হবে।”

★ দ্বিতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময় — ১৭৫৭ সালের ১০ই মার্চ।

★ দ্বিতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের স্থান — নবাবের দরবার।

★ দরবারে সিরাজের প্রবেশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণাকারী — নকিব।

★ লবণ প্রস্তুতকারক প্রজাকে অত্যাচার করার স্থান — ইংরেজদের বাণিজ্য কুঠি।

★ কুঠিয়াল ইংরেজদের তৈরি লবণের ক্রয়-বিক্রয় মূল্য — ৩-৪ আনা মণ দরে কেনা এবং ২ টাকা থেকে ২.৫০ টাকা মণ দরে বিক্রি।

★ লবণের ইজারাদারি ইংরেজদের দেওয়ার পরামর্শদাতা — মিরজাফর, রাজবল্লভ ও জগৎশেঠ।

★ ইংরেজদের চন্দননগর দখলের সময় আলিনগরের সন্ধি খেলাপের মূল অভিযুক্ত — ক্লাইভ ও ওয়াটস।

★ ঘুষ খেয়ে ইংরেজদের কাছে চন্দননগর বিক্রি করে দেওয়া বেইমান — নন্দকুমার।

★ নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র না করার জন্য পবিত্র কোরআন ছুঁয়ে শপথ গ্রহণকারী — মিরজাফর।

★ হিন্দু ধর্মানুসারে তামা, তুলসী ও গঙ্গাজল ছুঁয়ে সিরাজের প্রতি আনুগত্যের শপথ গ্রহণকারী — রাজবল্লভ, জগৎশেঠ, উমিচাঁদ ও রায়দুর্লভ।

★ দরবার থেকে ওয়াটসকে তাড়িয়ে দেওয়ার কারণ — কোম্পানির প্রতিনিধি হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করা।

★ দ্বিতীয় অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যের সময় — ১৭৫৭ সালের ১৯এ মে।

★ দ্বিতীয় দৃশ্যের স্থান — মিরজাফরের আবাস।

★ মিরজাফরের বাসভবনে উপস্থিত চক্রান্তকারীগণ — মিরজাফর, রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ ও জগৎশেঠ।

★ শওকতজংকে হত্যা করতে সিরাজের সফল সেনাপতি — মোহনলাল।

★ নবাবের কয়েদখানা থেকে ১০ লক্ষ টাকা খেসারত দিয়ে মুক্ত পাওয়া ব্যক্তি — রাজা মানিকচাঁদ।

★ ধনসম্পত্তি রক্ষায় জগৎশেঠের মাসিক খরচের পরিমাণ — বিশাল অঙ্ক (মাসে মাসের খরচে ২ হাজার অশ্বারোহী পোষা)।

★ মিরজাফরের বাসভবনে ঢুকতে দেউড়ি থেকে মোট কতবার অনুমতিপত্র দেখাতে হয়েছিল — ২১ বার।

★ রাইসুল জুহালাকে তলোয়ারের কোপ মারে এবং মূলা দ্বিখণ্ডিত করে — রবার্ট ক্লাইভ।

★ ক্লাইভের জুহালাকে দেওয়া ইংরেজি গালি — “Are you a spy?”

★ রাইসুল জুহালা ক্লাইভকে দেওয়া ইংরেজি উত্তর — “You shut up.”

★ উমিচাঁদের কাছে রাজবল্লভদের পাঠানো গোপন সংকেত — মিরজাফরের সাংকেতিক মোহর।

★ ষড়যন্ত্রের মন্ত্রণাসভার গোপন বৈঠকের নির্ধারিত তারিখ — আগামী মাসের ৮ তারিখ।

★ নবাবের দরবারের গোপন চিঠিপত্র কোম্পানির কাছে পাচারকারী — নবাবের বিশ্বাসী মির মুন্সি।

★ ক্লাইভের সাথে চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য দাবি করা টাকার পরিমাণ — ২ কোটি টাকার উপরে।

★ দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যের সময় — ১৭৫৭ সালের ৯ই জুন।

★ তৃতীয় দৃশ্যের স্থান — মিরনের আবাস।

★ সুরামত্ত অবস্থায় নর্তকীর নাচ দেখায় ব্যস্ত ব্যক্তি — মিরজাফরের পুত্র মিরন।

★ মিরনের আবাসে ছদ্মবেশে গোপনে আসা প্রথম ব্যক্তি — সেনাপতি রায়দুর্লভ।

★ সিরাজের পতনের পর রায়দুর্লভের কাঙ্ক্ষিত পদ — প্রধান সেনাপতি (সিপাহসালার)।

★ জানানা সওয়ারি (মহিলা) ছদ্মবেশে মিরনের বাসায় আসা দুজন ইংরেজ — রবার্ট ক্লাইভ ও ওয়াটস।

★ সিরাজের সাথে চুক্তিভঙ্গের জন্য উমিচাঁদের নতুন দাবি — ৩০ লক্ষ টাকা।

★ উমিচাঁদকে প্রতারিত করার জন্য ক্লাইভের প্রস্তুত করা দলিলের সংখ্যা — ২টি (আসল ও নকল)।

★ আসল ও নকল দলিলের পার্থক্য — আসল দলিলে উমিচাঁদের নাম থাকবে না, নকল দলিলে ৩০ লক্ষ টাকার উল্লেখ থাকবে।

★ ওয়াটসনের অনুপস্থিতিতে নকল দলিলে স্বাক্ষর জালকারী — লুসিংটন।

★ সিরাজের পতনে ক্লাইভদের প্রতিশ্রুত অর্থ — কোম্পানি ১ কোটি টাকা, কলকাতার বাসিন্দারা ৭০ লক্ষ টাকা, ক্লাইভ ১০ লক্ষ টাকা।

★ কোম্পানির সাথে ষড়যন্ত্রের চুক্তিপত্রে স্বাক্ষরকারী — মিরজাফর, রাজবল্লভ ও জগৎশেঠ।

★ সই করার সময় করুণ সংগীতের মধ্যে মিরজাফরের মনের অনুভূতি — “বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?”

★ মিরনের আবাসে আকস্মিক তলোয়ার হাতে প্রবেশকারী সত্যসন্ধানী সেনাপতি — মোহনলাল।

★ নর্তকীর ছুড়ে দেওয়া ফুলের মালা মোহনলাল যেভাবে কাটলেন — তলোয়ারের আঘাতে শূন্যেই দ্বিখণ্ডিত করলেন।

★ তৃতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময় — ১৭৫৭ সালের ১০ই জুন থেকে ২১এ জুনের মধ্যে যেকোনো একদিন।

★ প্রথম দৃশ্যের স্থান — লুৎফুন্নিসার কক্ষ।

★ সিরাজের দরবারে উপস্থিত তিন নারী — আমিনা বেগম (মা), ঘসেটি বেগম (খালা) ও লুৎফুন্নিসা (স্ত্রী)।

★ সিরাজের বিরুদ্ধে ঘসেটি বেগমের প্রধান অভিযোগ — মতিঝিল প্রাসাদ ও ধনসম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা।

★ আমিনা বেগমকে দেওয়া ঘসেটি বেগমের কটু মন্তব্য — “তুমি কম সাপিনী নও।”

★ সিরাজের উদ্দেশ্যে ঘসেটি বেগমের অভিশাপ — “তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে, কেয়ামত নাজেল হবে।”

★ সিরাজের শত্রুদের সাহায্য করতে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছিলেন — ঘসেটি বেগম।

★ ঘসেটি বেগমকে বাইরের যোগাযোগের পথ বন্ধ করতে সিরাজের নেওয়া পদক্ষেপ — নিজের প্রাসাদে নজরবন্দি রাখা।

★ সিরাজের প্রতি লুৎফার মন্তব্য — “আমার মাঝখানে একটি রাজত্বের দেয়াল।”

★ মদ স্পর্শ না করার জন্য সিরাজ কার কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন — দাদু আলিবর্দী খাঁ-এর কাছে।

★ আলিনগরের সন্ধির স্থায়িত্বকাল — ১ মাসের কম।

★ নিহত শওকতজঙ্গের বিশাল হারেম প্রতিপালন করছিলেন — নবাব সিরাজউদ্দৌলা।

★ তৃতীয় অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যের সময় — ১৭৫৭ সালের ২২এ জুন।

★ দ্বিতীয় দৃশ্যের স্থান — পলাশিতে সিরাজের শিবির (গভীর রাত)।

★ পলাশি যুদ্ধে ইংরেজদের মোট সৈন্য সংখ্যা — ৩ হাজার।

★ ইংরেজদের কামানের সংখ্যা — ১০টি।

★ সিরাজউদ্দৌলার মোট সৈন্য সংখ্যা — ৫০ হাজার।

★ সিরাজের কামানের সংখ্যা — ৫০টির বেশি।

★ গঙ্গার ধারের টিপিতে পদাতিক বাহিনী নিয়ে প্রস্তুত সেনাপতি — বদ্রিআলি খাঁ (মিরমর্দানের জামাতা)।

★ বদ্রিআলির পাশে অবস্থানরত সেনাপতি — নৌবে সিং হাজারি।

★ লক্ষবাগ পর্যন্ত অর্ধচন্দ্রাকারে সৈন্য সাজানো তিন দেশদ্রোহী — মিরজাফর, রায়দুর্লভ ও ইয়ার লুৎফ খাঁ।

★ সিরাজের পক্ষে বিশ্বস্ত ও প্রধান তিন সেনাপতি — মোহনলাল, মিরমর্দান ও ফরাসি সেনাপতি সাঁফ্রে।

★ সিরাজের শিবিরের কাছে ধরা পড়া মিরজাফরের গুপ্তচর — কমর বেগ (উমর বেগ জমাদারের ভাই)।

★ প্রহরীদের তলোয়ারের ঘায়ে ইতিপূর্বে নিহত হওয়া ক্লাইভের চিঠি বহনকারী গুপ্তচর — উমর বেগ জমাদার।

★ যুদ্ধক্ষেত্রে সিরাজের পাঠ করা পবিত্র বই — কোরআন শরিফ।

★ তৃতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যের সময় — ১৭৫৭ সালের ২৩এ জুন।

★ তৃতীয় দৃশ্যের স্থান — পলাশির যুদ্ধক্ষেত্র।

★ সিরাজের শিবিরে প্রথম আক্রান্ত হয়ে নিহত হওয়া সেনাপতি — নৌবে সিং হাজারি।

★ পলাশির যুদ্ধে হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে অকেজো হয়ে যাওয়া জিনিস — নবাবের সেনাবাহিনীর বারুদ।

★ বারুদ ভিজ যাওয়ার পর হাতাহাতি লড়তে গিয়ে নিহত সেনাপতি — বদ্রিআলি খাঁ।

★ হাতাহাতি যুদ্ধে তলোয়ার নিয়ে লড়াই করার সময় কামানের গোলাঘাতে শহিদ বীর সেনাপতি — মিরমর্দান।

★ মিরমর্দানের মৃত্যুতে সাঁফ্রের শোকোক্তি — “The bravest soldier is dead.”

★ সিরাজের পক্ষে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়া ফরাসি সেনাপতি — সাঁফ্রে।

★ নবাবকে পলাশি থেকে মুর্শিদাবাদে ফিরে গিয়ে পুনরায় যুদ্ধের প্রস্তুতির পরামর্শদাতা — মোহনলাল।

★ বন্দি হওয়ার পূর্বে দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দেওয়া সিরাজের প্রধান গুপ্তচর — নারান সিং (ছদ্মবেশে রাইসুল জুহালা)।

★ নারান সিংকে বুকে সরাসরি গুলি চালিয়ে হত্যা করে — রবার্ট ক্লাইভ।

★ নারান সিংয়ের শেষ নিঃশ্বাসের উক্তি — “ভগবান সিরাজউদ্দৌলাকে রক্ষা…”

★ তৃতীয় অঙ্কের চতুর্থ দৃশ্যের সময় — ১৭৫৭ সালের ২৫এ জুন।

★ চতুর্থ দৃশ্যের স্থান — মুর্শিদাবাদ নবাব দরবার।

★ পলাশি থেকে ফিরে আসার পর সিরাজের মূল উদ্দেশ্য — সাধারণ মানুষকে সংগঠিত করে মুর্শিদাবাদ রক্ষা করা।

★ পলাশি বিপর্যয়ের পর নবাবকে ছেড়ে সপরিবারে শহর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া সিরাজের শ্বশুর — মুহম্মদ ইরিচ খাঁ।

★ সিরাজউদ্দৌলাকে সাহায্য করতে আসা দূরবর্তী দুই সেনাপতি — বিহারের রামনারায়ণ ও পাটনার ফরাসি বীর মসিয়েল।

★ সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করার সময় আসা দুঃসংবাদ — সেনাপতি মোহনলাল বন্দি হয়েছেন।

★ সিরাজউদ্দৌলার প্রাসাদ ত্যাগকালে সাথে যাওয়ার জন্য অটল থাকা ব্যক্তি — বেগম লুৎফুন্নিসা।

★ চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময় — ১৭৫৭ সালের ২৯এ জুন।

★ প্রথম দৃশ্যের স্থান — মিরজাফরের দরবার (মুর্শিদাবাদ)।

★ বাংলা-বিহার-ওড়িশার নতুন পুতুল নবাব — মিরজাফর।

★ ক্লাইভকে পুরস্কৃত করা মিরজাফরের নতুন সম্পত্তি — চব্বিশ পরগনার স্থায়ী মালিকানা (বার্ষিক ৪ লক্ষ টাকা আয়)।

★ নকল দলিলের প্রতারণা বুঝতে পেরে ক্লাইভের দরবারে উন্মাদের মতো ছুটে আসা ব্যক্তি — উমিচাঁদ।

★ সিরাজউদ্দৌলাকে বন্দি করার স্থান — ভগবানগোলা (মির কাশেমের সৈন্যদের দ্বারা)।

★ শিকল-বাঁধা অবস্থায় সিরাজউদ্দৌলাকে যেখানে বন্দি করে রাখার নির্দেশ — জাফরগঞ্জের কয়েদখানা।

★ সিরাজের করুণ পরিণতি নিশ্চিত করার মূল চক্রান্তকারী ও পরামর্শক — রবার্ট ক্লাইভ ও মিরন।

সিরাজউদ্দৌলার নাটকের চরিত্রসমূহের সারসংক্ষেপ:


১. সিরাজের পক্ষের চরিত্রসমূহ:

  • আলিবর্দী খাঁ: বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার নবাব (১৭৪০-১৭৫৬) এবং সিরাজউদ্দৌলার নানা।
  • আমিনা বেগম: সিরাজের মা ও নবাব আলিবর্দী খাঁর কনিষ্ঠা কন্যা।
  • সিরাজউদ্দৌলা: নাটকের মূল চরিত্র ও বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করে কলকাতার নাম রাখেন ‘আলিনগর’।
  • লুৎফুন্নেসা: সিরাজউদ্দৌলার বিশ্বস্ত স্ত্রী।
  • মির মর্দান & মোহনলাল: নবাবের অত্যন্ত দেশপ্রেমিক ও বীর সেনাপতি। মির মর্দান পলাশির যুদ্ধে শহিদ হন এবং মোহনলাল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালাতে চেয়েছিলেন।
  • রাইসুল জুহালা (নারান সিং): সিরাজের প্রধান গুপ্তচর, যাকে ক্লাইভের নির্দেশে গুলি করে হত্যা করা হয়।

২. সিরাজের বিপক্ষের (ষড়যন্ত্রকারী) চরিত্রসমূহ:

  • মির জাফর: সিরাজের প্রধান সেনাপতি, যে নবাবের সাথে বেইমানি করে ইংরেজদের সাথে হাত মেলায়।
  • ঘসেটি বেগম: আলিবর্দী খাঁর জ্যেষ্ঠা কন্যা ও সিরাজের খালা, যিনি সিরাজকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রধান চক্রান্তকারী ছিলেন।
  • জগৎশেঠ, রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ ও মানিকচাঁদ: নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে যুক্ত প্রভাবশালী দেশীয় ধনকুবের ও রাজপুরুষ।
  • উমিচাঁদ: চরম স্বার্থপর ও দ্বৈত আচরণকারী ব্যবসায়ী, যিনি অর্থের বিনিময়ে উভয় পক্ষের গোপন তথ্য পাচার করতেন।
  • রবার্ট ক্লাইভ, ওয়াটস, ড্রেক, হলওয়েল: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রতিনিধি ও ইংরেজ চক্রান্তকারী দল।
  • মোহাম্মদী বেগ: নবাবের বাবার আশ্রিত ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও ১০ হাজার টাকার লোভে নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।


Read More: লালসালু উপন্যাসের স্মার্ট নোট

Read More: HSC বাংলা সুচেতনা কবিতার স্মার্ট নোট


HSC বাংলা সিরাজউদ্দৌলা নাটকের স্মার্ট নোট PDF Download

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার রেটিং দিন:

Scroll to Top