SSC বাংলা নিমগাছ গল্পের স্মার্ট নোট

SSC নিমগাছ গল্পের স্মার্ট নোট শিক্ষার্থীদের জন্য গল্পটি সহজভাবে বোঝা ও পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার একটি কার্যকর সহায়িকা। এখানে পাঠ পরিচিতি, লেখক পরিচিতি, মূলভাব, সহজ ব্যাখ্যা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। গল্পের বিষয়বস্তু বুঝে পড়া, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মনে রাখা এবং পরীক্ষার আগে দ্রুত রিভিশন দেওয়ার জন্য এই নোটটি বিশেষভাবে উপকারী।


নিমগাছ গল্পের স্মার্ট নোট

বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল) সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

পরিচয়

  • নাম: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
  • ছদ্মনাম: বনফুল
  • জন্ম: ১৯ জুলাই ১৮৯৯, মণিহারী, বিহার
  • মৃত্যু: ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯, কলকাতা
  • পরিচয়: বাঙালি কথাসাহিত্যিক, চিকিৎসক, ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও কবি।
  • মূল পেশা ছিল চিকিৎসা; প্রায় ৪০ বছর প্যাথলজিস্ট হিসেবে কাজ করেন।
  • আদি নিবাস: শিয়াখালা, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ।
  • পরিবার “কাঁটাবুনে মুখুজ্জ্যে” নামে পরিচিত ছিল।

পরিবার

  • পিতা: সত্যচরণ মুখোপাধ্যায় — চিকিৎসক
  • মাতা: মৃণালিনী দেবী — গৃহবধূ
  • অনুজ: অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় — খ্যাতনামা চলচ্চিত্র পরিচালক

শিক্ষা ও কর্মজীবন

  • মণিহারী স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা।
  • পরে সাহেবগঞ্জ উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা।
  • ১৯১৮: প্রবেশিকা (এন্ট্রান্স) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
  • ১৯২০: হাজারীবাগের সেন্ট কলম্বাস কলেজ থেকে I.Sc. পাস।
  • কলকাতা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করেন।
  • পাটনা মেডিকেল কলেজ থেকে M.B. ডিগ্রি লাভ।
  • পেশাগতভাবে দীর্ঘদিন প্যাথলজিস্ট ছিলেন।
  • ১৯৬৮: স্থায়ীভাবে কলকাতায় বসবাস শুরু করেন।

সাহিত্যজীবন

  • কৈশোর থেকেই লেখালেখি শুরু।
  • ১৯১৫: সাহেবগঞ্জ স্কুলে পড়ার সময় মালঞ্চ পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে সাহিত্যজীবনের সূচনা।
  • শিক্ষকদের কাছ থেকে নিজের নাম গোপন রাখতে ‘বনফুল’ ছদ্মনাম গ্রহণ করেন।
  • শনিবারের চিঠি-তে ব্যঙ্গকবিতা ও প্যারডি লিখে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
  • প্রবাসী, ভারতীসহ বিভিন্ন পত্রিকায় ছোটগল্প প্রকাশিত হয়।
  • তাঁর লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর বক্তব্য।

সাহিত্যকর্ম — গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

বনফুল রচনা করেছেন—

  • ১,০০০-এর বেশি কবিতা
  • ৫৮৬টি ছোটগল্প
  • ৬০টি উপন্যাস
  • ৫টি নাটক
  • জীবনী ও অসংখ্য প্রবন্ধ
  • তাঁর রচনাবলি ২২ খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য উপন্যাস

  • তৃণখণ্ড — ১৯৩৫
  • বৈতরণীর তীরে — ১৯৩৬
  • কিছুক্ষণ — ১৯৩৭
  • সে ও আমি — ১৯৪২
  • সপ্তর্ষি — ১৯৪৫
  • নিরঞ্জনা — ১৯৫৫
  • ভুবন সোম — ১৯৫৭
  • মহারাণী — ১৯৫৮
  • অগ্নীশ্বর — ১৯৫৯
  • পীতাম্বরের পুনর্জন্ম — ১৯৬৩
  • মানসপুর — ১৯৬৬
  • এরাও আছে — ১৯৭২
  • নবীন দত্ত — ১৯৭৪
  • উদয় অস্ত — ১৯৭৪
  • হরিশ্চন্দ্র — ১৯৭৯

ছোটগল্পের সংকলন

  • বনফুলের গল্প
  • বনফুলের আরও গল্প
  • বাহুল্য
  • বিন্দু বিসর্গ
  • অনুগামিনী
  • বনফুলের শ্রেষ্ঠ গল্প
  • বনফুলের গল্প সংগ্রহ — ১
  • বনফুলের গল্প সংগ্রহ — ২
  • মানুষের মন

নাটক

  • বনফুল জীবনী-নাটকের অন্যতম পথিকৃৎ।
  • শ্রীমধুসূদন — মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবন অবলম্বনে
  • বিদ্যাসাগর

চলচ্চিত্র

বনফুলের কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র:

  • একটি রাত — ১৯৫৬
  • কিছুক্ষণ — ১৯৫৯
  • আলোর পিপাসা — ১৯৬৫
  • হাটে বাজারে — ১৯৬৭
  • ভুবন সোম — ১৯৬৯
  • অগ্নীশ্বর — ১৯৭৫

পুরস্কার ও সম্মাননা

সালসম্মাননা
১৯৫১শরৎস্মৃতি পুরস্কার
১৯৬২রবীন্দ্র পুরস্কার
১৯৬৭বিশ্বভারতীর জগত্তারিণী পদক
১৯৭৩যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের D.Litt.
১৯৭৫পদ্মভূষণ

পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন

  • বনফুল = বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় → চিকিৎসক + সাহিত্যিক
  • জন্ম: ১৯ জুলাই ১৮৯৯ → মণিহারী
  • মৃত্যু: ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ → কলকাতা
  • ছদ্মনাম: বনফুল
  • পেশা: চিকিৎসক/প্যাথলজিস্ট
  • ভাই: অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়
  • প্রথম প্রকাশিত কবিতা: ১৯১৫, মালঞ্চ
  • পদ্মভূষণ: ১৯৭৫
  • বিশেষ পরিচিতি: ছোটগল্পকার ও জীবনী-নাটকের পথিকৃৎ

নিমগাছ গল্পের স্মার্ট নোট

★ বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম — বনফুল।

★ বনফুলের জন্ম — ১৯ জুলাই ১৮৯৯।

★ জন্মস্থান — মণিহারী, বিহার।

★ বনফুলের মৃত্যু — ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯।

★ মৃত্যুস্থান — কলকাতা।

★ বনফুলের মূল পেশা — চিকিৎসক (প্যাথলজিস্ট)।

★ তিনি প্রায় — ৪০ বছর প্যাথলজিস্ট হিসেবে কাজ করেন।

★ আদি নিবাস — শিয়াখালা, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ।

★ বনফুলের পরিবার — “কাঁটাবুনে মুখুজ্জ্যে” নামে পরিচিত ছিল।

★ পিতার নাম — সত্যচরণ মুখোপাধ্যায় (চিকিৎসক)।

★ মাতার নাম — মৃণালিনী দেবী (গৃহবধূ)।

★ অনুজ — অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় (খ্যাতনামা চলচ্চিত্র পরিচালক)।

★ প্রাথমিক শিক্ষা — মণিহারী স্কুলে।

★ পরে পড়াশোনা — সাহেবগঞ্জ উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে।

★ ১৯১৮ সালে — প্রবেশিকা (এন্ট্রান্স) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।

★ ১৯২০ সালে — হাজারীবাগের সেন্ট কলম্বাস কলেজ থেকে I.Sc. পাস।

★ চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন — কলকাতা মেডিকেল কলেজে।

★ M.B. ডিগ্রি লাভ — পাটনা মেডিকেল কলেজ থেকে।

★ ১৯৬৮ সালে — স্থায়ীভাবে কলকাতায় বসবাস শুরু করেন।

★ কৈশোর থেকেই — লেখালেখি শুরু করেন।

★ সাহিত্যজীবনের সূচনা — ১৯১৫ সালে মালঞ্চ পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে।

★ “বনফুল” ছদ্মনাম গ্রহণের কারণ — শিক্ষকদের কাছ থেকে নিজের নাম গোপন রাখতে।

★ শনিবারের চিঠি-তে — ব্যঙ্গকবিতা ও প্যারডি লিখে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

★ তাঁর লেখা প্রকাশিত হত — প্রবাসী, ভারতীসহ বিভিন্ন পত্রিকায়।

★ লেখার বৈশিষ্ট্য — সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর বক্তব্য।

★ বনফুল রচনা করেছেন — ১,০০০-এর বেশি কবিতা।

★ ছোটগল্প রচনা করেছেন — ৫৮৬টি।

★ উপন্যাস রচনা করেছেন — ৬০টি।

★ নাটক রচনা করেছেন — ৫টি।

★ রচনাবলি — ২২ খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।

★ প্রথম উপন্যাস — তৃণখণ্ড (১৯৩৫)।

★ “বৈতরণীর তীরে” প্রকাশিত হয় — ১৯৩৬ সালে।

★ “কিছুক্ষণ” উপন্যাস প্রকাশিত হয় — ১৯৩৭ সালে।

★ “সে ও আমি” উপন্যাস প্রকাশিত হয় — ১৯৪২ সালে।

★ “সপ্তর্ষি” উপন্যাস প্রকাশিত হয় — ১৯৪৫ সালে।

★ “নিরঞ্জনা” উপন্যাস প্রকাশিত হয় — ১৯৫৫ সালে।

★ “ভুবন সোম” উপন্যাস প্রকাশিত হয় — ১৯৫৭ সালে।

★ “মহারাণী” উপন্যাস প্রকাশিত হয় — ১৯৫৮ সালে।

★ “অগ্নীশ্বর” উপন্যাস প্রকাশিত হয় — ১৯৫৯ সালে।

★ “পীতাম্বরের পুনর্জন্ম” উপন্যাস প্রকাশিত হয় — ১৯৬৩ সালে।

★ “মানসপুর” উপন্যাস প্রকাশিত হয় — ১৯৬৬ সালে।

★ “এরাও আছে” উপন্যাস প্রকাশিত হয় — ১৯৭২ সালে।

★ “নবীন দত্ত” উপন্যাস প্রকাশিত হয় — ১৯৭৪ সালে।

★ “উদয় অস্ত” উপন্যাস প্রকাশিত হয় — ১৯৭৪ সালে।

★ শেষ উপন্যাস — “হরিশ্চন্দ্র” (১৯৭৯)।

★ ছোটগল্পের সংকলন — বনফুলের গল্প, আরও গল্প, বাহুল্য, বিন্দু বিসর্গ, অনুগামিনী, শ্রেষ্ঠ গল্প, গল্প সংগ্রহ ১, গল্প সংগ্রহ ২, মানুষের মন। (নিমগাছ গল্পের স্মার্ট নোট)

★ বনফুল — জীবনী-নাটকের অন্যতম পথিকৃৎ।

★ জীবনীনাটক — “শ্রীমধুসূদন” (মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবন অবলম্বনে)।

★ জীবনীনাটক — “বিদ্যাসাগর”।

★ বনফুলের কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র — একটি রাত (১৯৫৬)।

★ “কিছুক্ষণ” চলচ্চিত্র নির্মিত হয় — ১৯৫৯ সালে।

★ “আলোর পিপাসা” চলচ্চিত্র নির্মিত হয় — ১৯৬৫ সালে।

★ “হাটে বাজারে” চলচ্চিত্র নির্মিত হয় — ১৯৬৭ সালে।

★ “ভুবন সোম” চলচ্চিত্র নির্মিত হয় — ১৯৬৯ সালে।

★ “অগ্নীশ্বর” চলচ্চিত্র নির্মিত হয় — ১৯৭৫ সালে।

★ বনফুল প্রথম পুরস্কার পান — ১৯৫১ সালে (শরৎস্মৃতি পুরস্কার)।

★ রবীন্দ্র পুরস্কার পান — ১৯৬২ সালে।

★ বিশ্বভারতীর জগত্তারিণী পদক পান — ১৯৬৭ সালে।

★ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের D.Litt. পান — ১৯৭৩ সালে।

★ পদ্মভূষণ পান — ১৯৭৫ সালে।

★ বনফুলের পরিচয় — বাঙালি কথাসাহিত্যিক, চিকিৎসক, ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও কবি।

★ “বনফুল” ছদ্মনামে তিনি — সাহিত্যজগতে বিশেষ পরিচিত।

★ বনফুলকে মনে রাখার উপায় — চিকিৎসক + সাহিত্যিক = বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)।

★ লেখালেখির ধরন — সংক্ষিপ্ত অথচ অর্থবহ ও গভীর।

★ বাংলা সাহিত্যে বনফুলের অবদান — ছোটগল্প ও জীবনীনাটকে বিশেষ পথিকৃৎ।

★ “নিমগাছ” গল্পের রচয়িতা — বনফুল।

★ “বনফুল” হলো বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের — ছদ্মনাম।

★ “নিমগাছ” একটি — প্রতীকী ছোটগল্প।

★ ছাল ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করা হয় — নিমগাছের।

★ খোস, দাদ, হাজা ও চুলকুনিতে লাগানো হয় — নিমগাছের ছাল, পাতা ও তৈরি তেল।

★ চর্মরোগের অব্যর্থ মহৌষধ — নিম।

★ নিমগাছের কচি পাতা অনেকে খায় — এমনি কাঁচাই কিংবা ভেজে বেগুন-সহযোগে।

★ নিমগাছের কচি পাতা ও বেগুন ভাজা — যকৃতের পক্ষে ভারী উপকার।

★ লোক দাঁত ভালো রাখার জন্য চিবোয় — নিমগাছের কচি ডাল।

★ নিমগাছের প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকেন — কবিরাজরা।

★ বাড়ির পাশে নিমগাছ গজালে খুশি হন — বিজ্ঞরা।

★ “নিমের হাওয়া ভালো, থাক, কেটো না” — উক্তিটি বিজ্ঞদের।

★ মানুষ নিমগাছ কাটে না, কিন্তু — যত্নও করে না।

★ নিমগাছের চারিদিকে জমে থাকে — আবর্জনা।

★ নিমগাছের চারিদিকে শান দিয়ে বাঁধিয়ে দেওয়াকে বলা হয়েছে — আর এক আবর্জনা।

★ হঠাৎ একদিন নিমগাছের নিচে এল — একটা নূতন ধরণের লোক।

★ নিমগাছের দিকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল — নতুন লোকটি (কবি)।

★ নতুন লোকটি নিমগাছের ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না — ডালও ভাঙলে না।

★ “বাঃ কি সুন্দর পাতাগুলো… কি রূপ” — উক্তিটি কবির।

★ কবি নিমগাছের ফুলকে তুলনা করেছেন — নীল আকাশ থেকে সবুজ সায়রে নেমে আসা এক ঝাঁক নক্ষত্রের সাথে।

★ নিমগাছের ফুল দেখতে — থোকা থোকা।

★ নিমগাছের দিকে খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে চলে গেল — কবি।

★ নিমগাছটির ইচ্ছে করতে লাগল — লোকটার (কবির) সঙ্গে চলে যেতে।

★ নিমগাছটি লোকটার সঙ্গে যেতে পারল না কারণ — মাটির ভেতর তার শিকড় অনেক দূরে চলে গেছে।

★ নিমগাছটি দাঁড়িয়ে রইল — বাড়ির পিছনে আবর্জনার স্তূপের মধ্যেই।

★ নিমগাছের মতো একই দশা — বাড়ির গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মী বউটার।

★ “ওদের বাড়ীর গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মী বউটার ঠিক এই দশা” — গল্পের শেষ চরণ / যবনিকা।

শব্দার্থ ও টীকা

শব্দ / বাক্যাংশঅর্থ ও টীকা
ছালবাকল, এখানে নিমগাছের বাকল।
শিলে পেষাশিল-পাটায় বাটা।
অব্যর্থযা বিফল হবে না।
পাতাগুলো খায়ওনিমের কচিপাতা খেলে মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
শান দিয়ে বাঁধানোএখানে ইট ও সিমেন্ট দিয়ে বাঁধানো বোঝাচ্ছে।
কবিরাজযিনি গাছগাছালি পরিশোধন করে মনুষ্যরোগের চিকিৎসা করেন।
কবিযিনি কবিতা লেখেন।
শিকড় অনেক দূর চলে গেছেপ্রতীকাশ্রয়ে বর্ণিত। নিমগাছের শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে এবং চারিদিকে বিস্তৃতও হয়। লক্ষ্মী বউটার প্রতীক যেহেতু নিমগাছ, সেহেতু নিমগাছের শিকড়ের সঙ্গে বউয়ের সংসারের জালে চারিদিকে আবদ্ধ হওয়াকে বোঝানো হয়েছে।

পাঠ পরিচিতি

বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের (বনফুল) অদৃশ্যলোক গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত ‘নিমগাছ গল্প । এই গল্পের সংক্ষিপ্ত অবয়বের মধ্যে লেখক বিপুল বক্তব্য উপস্থাপনের যে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন তা বাংলা সাহিত্যে বিরল। নিমগাছের বর্ণনা, এর পাতা, বাকল, ছায়ার ইত্যাদির বাহ্যিক উপকারিতা কবিতার মতো বর্ণনা করা হয়েছে এই গল্পে। কবিরাজ তার চিকিৎসার কাজে, সাধারণ মানুষ প্রাত্যহিক প্রয়োজনে নিমগাছকে অনবরত ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু কেউ এই গাছের সামান্যও যত্ন নেয় না। একজন কবি একদিন নিমগাছের গুণ ও রূপের প্রশংসা করে। নিমগাছের ভালো লাগে ঐ লোককে এবং সে তার সঙ্গে চলে যেতে চায়। কিন্তু মাটির গভীরে তার শিকড়। গাছটি যেতে পারে না । আসলে গাছ তো চলতে পারে না। এটি একটি প্রতীকী গল্প । প্রকৃতপক্ষে, ‘নিমগাছ’ গল্পটির নিমগাছ প্রতীকের সূত্রে বনফুল দেখিয়েছেন নারীর অপরিসীম আত্মত্যাগ। নারীর মানবিক মর্যাদা, পারিবারিক ও সামাজিক গুরুত্ব উপলব্ধি করার ইঙ্গিত দেয় গল্পটি।


Read More: SSC বাংলা একুশের গল্পের স্মার্ট নোট


নিমগাছ গল্পের স্মার্ট নোট PDF Download

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার রেটিং দিন:

Scroll to Top