বাংলা ২য় পত্রের বর্ণের উচ্চারণ MCQ

বাংলা ২য় পত্র: বর্ণের উচ্চারণ MCQ (PDF)

এসএসসি (নবম-দশম শ্রেণি) বাংলা ২য় পত্রের বর্ণের উচ্চারণ MCQ প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ PDF ডাউনলোড করুন। বোর্ড পরীক্ষা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই টপিক থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই বর্ণের উচ্চারণ ভালোভাবে আয়ত্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পোস্টে আপনি পাবেন গুরুত্বপূর্ণ ও বাছাইকৃত MCQ প্রশ্নসমূহ সহজ ব্যাখ্যাসহ। চলুন, এখনই বর্ণের উচ্চারণ MCQ গুলো অনুশীলন শুরু করি।


বাংলা ২য় পত্রের বর্ণের উচ্চারণ MCQ

বর্ণের উচ্চারণ

১. ‘অ’ ধ্বনির উচ্চারণ

‘অ’ ধ্বনির উচ্চারণ দুই ধরনের হয়:

  • বিবৃত বা স্বাভাবিক উচ্চারণ: যখন ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘অ’-এর মতোই থাকে। যেমন: অনেক, কথা, জল।
  • সংবৃত বা ও-কারান্ত উচ্চারণ: যখন ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’-এর মতো হয়।
    • শব্দের শুরুতে ‘অ’ এবং পরে ‘ই’ বা ‘উ’ কার থাকলে। যেমন: অতি (ওতি), নদী (নোদীয়)।
    • শব্দের শেষে ‘তর’, ‘তম’ প্রত্যয় থাকলে। যেমন: প্রিয়তর (প্রিয়তোরো)।

২. ‘এ’ ধ্বনির উচ্চারণ

‘এ’ ধ্বনির উচ্চারণও দুই প্রকার:

  • সংবৃত (স্বাভাবিক): যখন ‘এ’ একদম ‘এ’-এর মতোই উচ্চারিত হয়। যেমন: মেঘ, দেশ, শেষ।
  • বিবৃত (অ্যা-কারান্ত): যখন ‘এ’ উচ্চারিত হয় ‘অ্যা’-এর মতো। এটি সাধারণত শব্দের শুরুতে বেশি হয়। যেমন: এক (অ্যাক), খেলা (খ্যালা), দেখা (দ্যাখা)।

৩. ব-ফলার উচ্চারণ

ব-ফলা শব্দের কোথায় বসছে, তার ওপর ভিত্তি করে উচ্চারণ বদলায়:

  • শব্দের শুরুতে: ব-ফলা থাকলে তার উচ্চারণ হয় না। যেমন: ত্বক (তক), স্বাধীন (সাধিন)।
  • শব্দের মধ্যে বা শেষে: যে বর্ণের সাথে যুক্ত হয়, সেই বর্ণটি দুইবার (দ্বিত্ব) উচ্চারিত হয়। যেমন: বিশ্বাস (বিশ্-শাশ্), অশ্ব (অশ্-শো)।
  • ব্যতিক্রম: ‘হ’-এর সাথে ব-ফলা থাকলে ‘ভ’-এর মতো শোনা যায়। যেমন: আহ্বান (আওভান)।

৪. ম-ফলার উচ্চারণ

  • শব্দের শুরুতে: উচ্চারণ হয় না, তবে বর্ণটি কিছুটা অনুনাসিক বা চন্দ্রবিন্দুর মতো হয়। যেমন: শ্মশান (শঁশান)।
  • শব্দের মধ্যে বা শেষে: বর্ণটির দ্বিত্ব উচ্চারণ হয় এবং সামান্য নাসিক্য ভাব আসে। যেমন: পদ্ম (পদ্দোঁ), রশ্মি (রোশশি)।
  • ব্যতিক্রম: গ, ঙ, ট, ণ, ন, ম, ল বর্ণের সাথে ম-ফলা যুক্ত হলে ‘ম’ এর উচ্চারণ বজায় থাকে। যেমন: জন্ম, গুল্ম।

৫. য-ফলার উচ্চারণ

  • শব্দের শুরুতে: বর্ণটির উচ্চারণ ‘অ্যা-কারান্ত’ হয়। যেমন: ব্যয় (ব্যায়), ব্যস্ত (ব্যাস্ত)।
  • শব্দের মধ্যে বা শেষে: বর্ণটির দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়। যেমন: বিদ্যা (বিদ্দ্যা), গদ্য (গোদ্দ্যো)।

৬. শ, ষ, স-এর উচ্চারণ

  • বাংলায় এই তিনটি বর্ণের আলাদা লিখিত রূপ থাকলেও উচ্চারণে প্রায় সব জায়গাতেই তালব্য ‘শ’ আধিপত্য বিস্তার করে।
  • মূর্ধন্য-ষ: এর নিজস্ব কোনো উচ্চারণ নেই, এটি সবসময় ‘শ’-এর মতো উচ্চারিত হয়। যেমন: ভাষা (ভাশা)।
  • দন্ত্য-স: এটি ‘ত, থ, ন, ল, স’ এর সাথে যুক্ত থাকলে কেবল ‘স’-এর মতো থাকে (যেমন: রাস্তা), অন্যথায় এটিও ‘শ’-এর মতো হয় (যেমন: সাধারণ = শাধারণ)।

৭. ‘জ্ঞ’ এবং ‘ক্ষ’ এর উচ্চারণ

  • ক্ষ (ক+ষ): শুরুতে থাকলে ‘খ’-এর মতো (যেমন: ক্ষমা = খমা), আর মধ্যে বা শেষে থাকলে ‘ক-খ’ এর মতো (যেমন: পক্ষ = পকখো)।
  • জ্ঞ (জ+ঞ): শুরুতে থাকলে ‘গ্যাঁ’ (যেমন: জ্ঞান = গ্যান), আর মধ্যে বা শেষে থাকলে ‘গ্গঁ’ এর মতো (যেমন: বিজ্ঞান = বিগ্ গাঁ)।

বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

০১. ‘মৌমাছি’-এর সঠিক উচ্চারণ হলো- [ঢা.বো.’২৪]

(a) মৌমাছি

(b) মউমাছি

(c) মওমাছি

(d) মৌমাছি্

সঠিক উত্তর: (d) মউমাছি

ব্যাখ্যা: বাংলা উচ্চারণের নিয়ম অনুযায়ী, ‘ঔ’ কারের উচ্চারণ ‘ও’ এবং ‘উ’ এর মিলিত ধ্বনির মতো হয়। তাই ‘মৌ’ উচ্চারিত হবে ‘মউ’ হিসেবে। এছাড়া শেষে ‘ছি’ স্বরধ্বনিযুক্ত থাকায় তা অবিকৃত থাকে।

০২. ‘আ’ এর স্বাভাবিক উচ্চারণ নেই কোনটিতে? [চ.বো.’২৪]

(a) জ্ঞাপন

(b) আকাশ

(c) রাত

(d) আলো

সঠিক উত্তর: (a) জ্ঞাপন

ব্যাখ্যা: ‘জ্ঞাপন’ শব্দের শুরুতে ‘জ্ঞ’ এর সাথে যুক্ত ‘আ’ কারের উচ্চারণ কিছুটা সংবৃত বা ‘অ্যা’-এর মতো (গ্যাঁ পোন) হয়। অন্য শব্দগুলোতে ‘আ’ একদম পরিষ্কার বা স্বাভাবিকভাবে উচ্চারিত হচ্ছে।

০৩. ‘শৃগাল’ শব্দের সঠিক উচ্চারণ রূপ কোনটি? [য.বো.’২৪]

(a) শিগাল্

(b) সৃগাল্

(c) শ্রীগাল্

(d) শৃগাল্

সঠিক উত্তর: (c) শ্রীগাল্

ব্যাখ্যা: ‘শৃ’ বর্ণটি উচ্চারণের সময় ‘শ’ এর সাথে ‘রি’ যুক্ত হয়ে ‘শ্রি’ বা ‘শ্রী’ এর মতো শোনা যায়। তাই সঠিক উচ্চারণ রূপ হলো ‘শ্রীগাল্’।

০৪. ‘পদ্ম’-শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি? [কু.বো.’২৪]

(a) পদ্য

(b) পদ্দোঁ

(c) পোদ্দা

(d) পোদ্দো

সঠিক উত্তর: (b) পদ্দোঁ

ব্যাখ্যা: শব্দের মধ্যে বা শেষে ‘ম-ফলা’ থাকলে সেই বর্ণটির দ্বিত্ব উচ্চারণ হয় এবং সামান্য নাসিক্য (চন্দ্রবিন্দু) ধ্বনি যুক্ত হয়। এখানে ‘দ’-এর দ্বিত্ব হয়ে ‘পদ্দোঁ’ হয়েছে।

০৫. ‘এ’ বর্ণের উচ্চারণ কয় রকমের? [ম.বো.’২৪]

(a) দুই

(b) তিন

(c) চার

(d) পাঁচ

সঠিক উত্তর: (a) দুই

ব্যাখ্যা: ‘এ’ বর্ণের উচ্চারণ দুই প্রকার: সংবৃত (স্বাভাবিক ‘এ’-র মতো, যেমন: মেঘ) এবং বিবৃত (অ্যা-র মতো, যেমন: খেলা)।

০৬. ‘এ’ বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণের উদাহরণ? [ঢা.বো.’২৩]

(a) একটা

(b) বেলা

(c) দেশ

(d) খেলা

সঠিক উত্তর: (c) দেশ

ব্যাখ্যা: ‘দেশ’ শব্দে ‘এ’ কারের উচ্চারণ অবিকৃত বা স্বাভাবিক। অন্যদিকে ‘একটা’, ‘খেলা’, ‘বেলা’ শব্দগুলোতে ‘এ’ এর উচ্চারণ ‘অ্যা’ এর মতো হয়।

০৭. শব্দের মধ্যে বা শেষে ব-ফলা যুক্ত হলে সেই ব্যঞ্জনের উচ্চারণ কী হয়? [রা.বো.’২৩]

(a) সংবৃত

(b) বিবৃত

(c) দ্বিত্ব

(d) নাসিক্য

সঠিক উত্তর: (c) দ্বিত্ব

ব্যাখ্যা: ব-ফলার নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শুরুতে ব-ফলা থাকলে উচ্চারণ হয় না, কিন্তু মধ্যে বা শেষে থাকলে ওই বর্ণটি দুইবার উচ্চারিত হয় (যেমন: বিশ্বাস = বিশ্ শাশ্)।

০৮. ‘স্মরণ’ শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি? [চ.বো.’২৩]

(a) শোরোন্

(b) শঁরোন

(c) সোরন্

(d) সঁরোন্

সঠিক উত্তর: (b) শঁরোন

ব্যাখ্যা: ‘স্ম’ শুরুতে থাকায় ‘ম’ এর উচ্চারণ হবে না, কিন্তু নাসিক্য প্রভাবের কারণে ‘শ’ এর ওপর চন্দ্রবিন্দু হবে। আর ‘ণ’ সবসময় ‘ন’ এর মতো উচ্চারিত হয়।

০৯. ‘ঔষধ’ শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি? [সি.বো.’২৩]

(a) ঔষধ

(b) ওউশধ

(c) ওশধ

(d) ঔসোধধ

সঠিক উত্তর: (b) ওউশধ

ব্যাখ্যা: ‘ঔ’ এর উচ্চারণ ‘ও+উ’। আর ‘ষ’ এর উচ্চারণ সবসময় ‘শ’ এর মতো হয়। তাই সঠিক রূপ ‘ওউশধ’।

১০. কোন শব্দটিতে ‘এ’ বর্ণের ‘অ্যা’ উচ্চারণ ঘটেছে? [ব.বো.’২৩]

(a) একটি

(b) দেশ

(c) এলো

(d) একটা

সঠিক উত্তর: (d) একটা

ব্যাখ্যা: ‘একটা’ শব্দে ‘এ’ এর উচ্চারণ বিবৃত বা ‘অ্যা’ এর মতো হয়।

১১. কোন শব্দটিতে ব-ফলা উচ্চারণ হবে না? [য.বো.’২৩]

(a) বিশ্ব

(b) নশ্বর

(c) আস্বাদন

(d) স্বাধীন

সঠিক উত্তর: (d) স্বাধীন

ব্যাখ্যা: পদের শুরুতে ব-ফলা থাকলে তার উচ্চারণ হয় না। ‘স্বাধীন’ শব্দের ‘স’-এর নিচে ব-ফলাটি পদের শুরুতে থাকায় এটি অনুচ্চারিত।

বাংলা ২য় পত্রের বর্ণের উচ্চারণ MCQ

১২. ‘অতি’ শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি? [দি.বো.’২৩]

(a) উতি

(b) অহতি

(c) ওতি

(d) য়োতি

সঠিক উত্তর: (c) ওতি

ব্যাখ্যা: শব্দের শুরুতে ‘অ’ এর পর ‘ই’ বা ‘উ’ কার থাকলে সেই ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’ এর মতো হয়। তাই ‘অতি’ হবে ‘ওতি’।

১৩. ‘সাধারণ’ শব্দের উচ্চারণ কোনটি? [ম.বো.’২৩]

(a) সাধারণোন্

(b) শাধারণোণ্

(c) সাধারণ

(d) শাধারোন্

সঠিক উত্তর: (d) শাধারোন্

ব্যাখ্যা: বাংলায় ‘স’ এর উচ্চারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে ‘শ’ এর মতো হয় এবং শেষের ‘ন’ হলন্ত হয়।

১৪. ‘এ’ ধ্বনির বিবৃত উচ্চারণ কেবল শব্দের কোন অংশে পাওয়া যায়? [ঢা.বো., রা.বো.’২০]

(a) শেষে

(b) মধ্যে

(c) আদিতে

(d) আদি-অন্তে

সঠিক উত্তর: (c) আদিতে

ব্যাখ্যা: ‘এ’ ধ্বনির ‘অ্যা’ বা বিবৃত উচ্চারণ সাধারণত শব্দের শুরুতেই বেশি দেখা যায় (যেমন: দেখা, একা)।

১৫. তর, তম, তন প্রত্যয়যুক্ত বিশেষণ পদের অন্ত ‘অ’ কেমন উচ্চারণ হয়? [ম.বো., চ.বো. ‘২০]

(a) সংবৃত

(b) বিবৃত

(c) প্রকৃত

(d) অপ্রকৃত

সঠিক উত্তর: (a) সংবৃত

ব্যাখ্যা: বিশেষণ পদের শেষে যদি তর, তম বা তন প্রত্যয় থাকে, তবে সেই শব্দের শেষ ‘অ’ ধ্বনিটি ‘ও’-কারান্ত বা সংবৃত হয়। যেমন: প্রিয়তর (প্রিয়তোরো), উচ্চতম (উচ্চতোমো)।

১৬. একটিমাত্র ধ্বনিবিশিষ্ট শব্দের উচ্চারণ সব সময় কেমন হয়? [দি.বো. ‘২০]

(a) হ্রস্ব

(b) স্বাভাবিক

(c) দীর্ঘ

(d) সংবৃত

সঠিক উত্তর: (c) দীর্ঘ

ব্যাখ্যা: যেসব শব্দে মাত্র একটি ধ্বনি থাকে (একাক্ষর শব্দ), সেগুলোর উচ্চারণ সাধারণত একটু টেনে বা দীর্ঘ করে করতে হয়। যেমন: ‘মা’, ‘খা’, ‘গা’।

১৭. পূর্বস্বরের সঙ্গে মিল রেখে স্বর সঙ্গতির কারণে ‘অ’ বিবৃত হয়েছে কোনটিতে? [চ.বো. ‘১৯]

(a) বৈধতা

(b) কলম

(c) কথা

(d) যত

সঠিক উত্তর: (c) কথা

ব্যাখ্যা: ‘কথা’ শব্দে প্রথম বর্ণের সাথে ‘আ’ ধ্বনি থাকায় পরবর্তী ‘অ’ ধ্বনিটি স্বাভাবিক বা বিবৃত রয়ে গেছে।

১৮. ‘এ’ ধ্বনির সংবৃত উচ্চারণ হয় কোনটিতে? [চ.বো. ‘১৯]

(a) এখন

(b) তেলাপোকা

(c) দেখা

(d) কেহ

সঠিক উত্তর: (d) কেহ

ব্যাখ্যা: ‘কেহ’ শব্দে ‘এ’ ধ্বনিটি একদম স্বাভাবিক বা সংবৃতভাবে উচ্চারিত হচ্ছে। অন্য শব্দগুলোতে (যেমন: এখন, দেখা) এর উচ্চারণ কিছুটা ‘অ্যা’ এর মতো (বিবৃত)।

বাংলা ২য় পত্রের বর্ণের উচ্চারণ MCQ

১৯. পরবর্তী স্বর সংবৃত হলে শব্দের আদি ‘অ’ সংবৃত হয়। এই নিয়মে গঠিত শব্দের উদাহরণ কোনটি? [সি.বো. ‘১৯]

(a) কলম

(b) অতি

(c) প্রত্যয়

(d) গুরুত্ব

সঠিক উত্তর: (b)অতি

ব্যাখ্যা: শব্দের শুরুতে ‘অ’ থাকলে এবং পরে ই-কার বা উ-কার থাকলে ওই ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’ এর মতো (সংবৃত) হয়। তাই ‘অতি’ এর উচ্চারণ হয় ‘ওতি’।

২০. ‘অ’ বর্ণের উচ্চারণভেদ কয়টি?

(a) ১টি

(b) ২টি

(c) ৩টি

(d) ৪টি

সঠিক উত্তর: (b) ২এটি

ব্যাখ্যা: ‘অ’ বর্ণের উচ্চারণ দুই প্রকার: সংবৃত (ও-এর মতো) এবং বিবৃত (স্বাভাবিক অ-এর মতো)।

২১. ‘আ’ কোন যুক্তব্যঞ্জনের সাথে থাকলে [অ্যা]-এর মতো উচ্চারিত হয়?

(a) জ্ঞ (ক+ঙ)

(b) জ্ঞ (জ+ঞ)

(c) ক্ষ (ক+ষ)

(d) চ্ছ (চ+ছ)

সঠিক উত্তর: (b) জ্ঞ (জ+ঞ)

ব্যাখ্যা: ‘জ্ঞ’ এর সাথে ‘আ’ যুক্ত হলে তার উচ্চারণ ‘অ্যা’ এর মতো হয়। যেমন: জ্ঞান (গ্যান্), জ্ঞাপন (গ্যাপোন্)।

২২. কোন শব্দে ‘ব’ ফলার উচ্চারণ নেই?

(a) ত্বক

(b) অশ্ব

(c) বিশ্বাস

(d) পক্ব

সঠিক উত্তর: (a) ত্বক

ব্যাখ্যা: শব্দের শুরুতে ব-ফলা থাকলে তার উচ্চারণ হয় না। ‘ত্বক’ শব্দের শুরুতে ব-ফলা থাকায় এটি অনুচ্চারিত। (শব্দের মধ্যে বা শেষে থাকলে দ্বিত্ব হয়)।

২৩. ‘ষ’ এর উচ্চারণ সর্বদা কোনটি হয়?

(a) [য]

(b) [শ]

(c) [স]

(d) সবকয়টি

সঠিক উত্তর: (b) [শ]

ব্যাখ্যা: বাংলা উচ্চারণে ‘ষ’ (মূর্ধন্য-ষ) এর আলাদা কোনো অস্তিত্ব নেই, এটি সবসময় তালব্য ‘শ’ এর মতো উচ্চারিত হয়।


Read More: বাংলা ২য় পত্র: ব্যঞ্জনধ্বনি MCQ

Read More: বাংলা ২য় পত্র: স্বরধ্বনি MCQ


বাংলা ২য় পত্রের বর্ণের উচ্চারণ MCQ PDF Download. বাংলা ২য় পত্রের বর্ণের উচ্চারণ MCQ

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top