বাংলা ২য় পত্রের ব্যঞ্জনধ্বনি MCQ

বাংলা ২য় পত্র: ব্যঞ্জনধ্বনি MCQ (PDF)

এসএসসি (নবম-দশম শ্রেণি) বাংলা ২য় পত্রের ব্যঞ্জনধ্বনি MCQ প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ PDF ডাউনলোড করুন। বোর্ড পরীক্ষা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই টপিক থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই ব্যঞ্জনধ্বনি ভালোভাবে আয়ত্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পোস্টে আপনি পাবেন গুরুত্বপূর্ণ ও বাছাইকৃত MCQ প্রশ্নসমূহ সহজ ব্যাখ্যাসহ। চলুন, এখনই ব্যঞ্জনধ্বনি MCQ গুলো অনুশীলন শুরু করি।


বাংলা ২য় পত্রের ব্যঞ্জনধ্বনি MCQ

ব্যঞ্জনধ্বনি

ব্যঞ্জনধ্বনি হলো সেই সব ধ্বনি যা উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখগহ্বরের কোনো না কোনো স্থানে (যেমন: দাঁত, তালু, ঠোঁট) বাধা পায়। এগুলো স্বরধ্বনির সাহায্য ছাড়া স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হতে পারে না।

নিচে ব্যঞ্জনধ্বনির বিস্তারিত শ্রেণিবিভাগ আলোচনা করা হলো:

১. স্পর্শ বা বর্গীয় ব্যঞ্জন (Stop Consonants)

‘ক’ থেকে ‘ম’ পর্যন্ত এই ২৫টি বর্ণকে স্পর্শ ব্যঞ্জন বলে। উচ্চারণের স্থান অনুযায়ী এদের ৫টি বর্গে ভাগ করা হয়েছে:

বর্গবর্ণসমূহউচ্চারণ স্থাননাম
ক-বর্গক, খ, গ, ঘ, ঙজিহ্বামূল/কণ্ঠকণ্ঠ্য বর্ণ
চ-বর্গচ, ছ, জ, ঝ, ঞতালুতালব্য বর্ণ
ট-বর্গট, ঠ, ড, ঢ, ণমূর্ধা (দন্তমূলের উপরে)মূর্ধন্য বর্ণ
ত-বর্গত, থ, দ, ধ, নদাঁতদন্ত্য বর্ণ
প-বর্গপ, ফ, ব, ভ, মঠোঁটওষ্ঠ্য বর্ণ

২. বাতাসের চাপ ও গাম্ভীর্য অনুযায়ী শ্রেণিবিভাগ

বর্গীয় বর্ণগুলোকে প্রধানত দুটি মানদণ্ডে ভাগ করা যায়:

ক. অঘোষ ও ঘোষ ধ্বনি (Voicing):

  • অঘোষ: বর্গের ১ম ও ২য় বর্ণ। এগুলো উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না (যেমন: ক, খ, চ, ছ)।
  • ঘোষ: বর্গের ৩য়, ৪থ ও ৫্য বর্ণ। এগুলো উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় বা গাম্ভীর্য সৃষ্টি হয় (যেমন: গ, ঘ, জ, ঝ)।

খ. অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি (Aspiration):

  • অল্পপ্রাণ: বর্গের ১ম ও ৩য় বর্ণ। এগুলো উচ্চারণে বাতাসের চাপ কম থাকে (যেমন: ক, গ, চ, জ)।
  • মহাপ্রাণ: বর্গের ২য় ও ৪থ বর্ণ। এগুলো উচ্চারণে বাতাসের চাপ বেশি থাকে এবং শেষে ‘হ’ ধ্বনির মতো আওয়াজ পাওয়া যায় (যেমন: খ, ঘ, ছ, ঝ)।

৩. নাসিক্য ব্যঞ্জন (Nasal Consonants)

বর্গের প্রতিটি সারির শেষ বর্ণটি (ঙ, ঞ, ণ, ন, ম) উচ্চারণের সময় বাতাস মুখ ও নাক উভয় পথ দিয়ে বের হয়। এদের নাসিক্য বর্ণ বা অনুনাসিক বর্ণ বলে।

৪. উচ্চারণ প্রকৃতি অনুযায়ী অন্যান্য ব্যঞ্জন

  • উষ্ম বা শিস ধ্বনি: শ, ষ, স, হ। এগুলো উচ্চারণের সময় বাতাস ঘর্ষণপ্রাপ্ত হয় এবং শিস দেওয়ার মতো আওয়াজ হয়।
  • অন্তঃস্থ বর্ণ: য, র, ল, ব। এগুলো স্পর্শ ও উষ্ম বর্ণের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে।
  • কম্পিত ব্যঞ্জন: ‘র’। এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বার ডগা কম্পিত হয়।
  • তাড়নজাত ব্যঞ্জন: ‘ড়’ ও ‘ঢ়’। এগুলো উচ্চারণের সময় জিভের সামনের অংশ দিয়ে দাঁতের মূলে দ্রুত আঘাত করা হয়।
  • পার্শ্বিক ব্যঞ্জন: ‘ল’। এটি উচ্চারণের সময় বাতাস জিহ্বার দুই পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়।
  • পরাশ্রয়ী বর্ণ: ং (অনুস্বার), ঃ (বিসর্গ), ঁ (চন্দ্রবিন্দু)। এরা অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া বসতে পারে না।

৫. অনুবর্ণ ও যুক্তবর্ণ

  • ফলা: ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলে (যেমন: ম-ফলা, য-ফলা)। এটি মোট ৬টি
  • রেফ: ‘র’ বর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ যা অন্য বর্ণের মাথায় বসে (র্)।
  • যুক্তবর্ণ: যখন দুই বা ততোধিক ব্যঞ্জনধ্বনি মাঝখানে স্বরধ্বনি ছাড়াই যুক্ত হয়। যেমন: ক্ষ (ক+ষ), জ্ঞ (জ+ঞ)।

মনে রাখার সহজ টিপস:

বর্গের ১ম থেকে ৫ম সারি মনে রাখলে অল্পপ্রাণ-মহাপ্রাণ এবং ঘোষ-অঘোষের প্যাটার্নটি খুব সহজে ধরা যায়। তোমার কি বর্গের এই ছকটি বুঝতে কোনো সমস্যা হচ্ছে?

বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

০১. পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ কোনটি? [ঢা.বো, রা.বো, সি.বো, য.বো]

(a) ম

(b) ন

(c) ল

(d) থ

সঠিক উত্তর: (c) ল

ব্যাখ্যা: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস জিভের দুই পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, তাকে পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনি বলে। বাংলায় ‘ল’ হলো পার্শ্বিক ধ্বনি।

০২. নিচের কোন শব্দে কম্পিত ব্যঞ্জনধ্বনি রয়েছে? [ব.বো.’২৪]

(a) ভার

(b) লাল

(c) বাড়ি

(d) শসা

সঠিক উত্তর: (a) ভার

ব্যাখ্যা: ‘র’ উচ্চারণের সময় জিভের ডগা কাঁপে বলে একে কম্পিত ব্যঞ্জনধ্বনি বলে। ‘ভার’ শব্দে ‘র’ বিদ্যমান। (উল্লেখ্য: ‘ড়’ ও ‘ঢ়’ হলো তাড়নজাত ধ্বনি)।

০৩. দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন ধ্বনির উদাহরণ কোনটি? [য.বো.’২৪]

(a) র-ধ্বনি

(b) ট-ধ্বনি

(c) ঝ-ধ্বনি

(d) খ-ধ্বনি

সঠিক উত্তর: (a) র-ধ্বনি

ব্যাখ্যা: র, ল, ন, স—এগুলো উচ্চারণের সময় জিভের ডগা উপরের দাঁতের মূল বা মাড়ি স্পর্শ করে, তাই এরা দন্তমূলীয়।

০৫. তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ আছে কোন শব্দে? [দি.বো.’২৪]

(a) কাকা

(b) থালা

(c) ঝড়

(d) ধান

সঠিক উত্তর: (c) ঝড়

ব্যাখ্যা: চ-বর্গের বর্ণগুলো (চ, ছ, জ, ঝ) তালব্য। ‘ঝড়’ শব্দে ‘ঝ’ রয়েছে যা একটি তালব্য ব্যঞ্জন।

০৬. কোনগুলো অঘোষ ব্যঞ্জন? [ঢা.বো.’২৩]

(a) শ, ক

(b) দ, ধ

(c) ট, জ

(d) ভ, ম

সঠিক উত্তর: (a) শ, ক

ব্যাখ্যা: বর্গের ১ম ও ২য় বর্ণ এবং শ, স হলো অঘোষ। এখানে ‘ক’ বর্গের ১ম বর্ণ এবং ‘শ’ একটি অঘোষ ধ্বনি।

০৭. কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ কোনটি? [রা.বো.’২৩]

(a) ক

(b) ল

(c) র

(d) হ

সঠিক উত্তর: (d) হ

ব্যাখ্যা: ‘হ’ উচ্চারণের সময় সরাসরি কণ্ঠনালি থেকে বাতাস আসে বলে একে কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনি বলা হয়।

০৮. অঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি কোনটি? [সি.বো.’২৩]

(a) ভ

(b) ধ

(c) থ

(d) ও

সঠিক উত্তর: (c) থ

ব্যাখ্যা: ‘থ’ হলো ত-বর্গের ২য় বর্ণ। বর্গের ১ম ও ২য় বর্ণ সবসময় অঘোষ হয়।

০৯. উচ্চারণস্থান অনুসারে উষ্ম ব্যঞ্জন ধ্বনিগুলোকে কী কী ভাগে ভাগ করা যায়? [ব.বো.’২৩]

(a) দন্তমূলীয়, তালব্য, কণ্ঠনালীয়

(b) দন্তমূলীয়, কণ্ঠনালীয়, পার্শ্বিক

(c) তালব্য, কণ্ঠনালীয়, নাসিক্য

(d) কণ্ঠনালীয়, দন্তমূলীয়, মূর্ধন্য

সঠিক উত্তর: (a) দন্তমূলীয়, তালব্য, কণ্ঠনালীয়

ব্যাখ্যা: উষ্ম বর্ণগুলো হলো শ, ষ, স, হ। এর মধ্যে ‘স’ দন্তমূলীয়, ‘শ’ তালব্য এবং ‘হ’ কণ্ঠনালীয়।

১০. কোনটি ঘোষ মহাপ্রাণ বর্ণ? [কু.বো.’২৩]

(a) র

(b) ঠ

(c) দ

(d) ভ

সঠিক উত্তর: (d) ভ

ব্যাখ্যা: বর্গের ৪র্থ বর্ণগুলো ঘোষ মহাপ্রাণ হয়। ‘ভ’ হলো প-বর্গের ৪র্থ বর্ণ।

১১. অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জন নিচের কোনটি? [দি.বো.’২৩]

(a) হ

(b) ধ

(c) ঠ

(d) দ

সঠিক উত্তর: (d) দ

ব্যাখ্যা: বর্গের ১ম ও ৩য় বর্ণগুলো অল্পপ্রাণ (বাতাসের চাপ কম)। ‘দ’ হলো ত-বর্গের ৩য় বর্ণ।

১২. ঘোষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি কোনগুলো? [ম.বো.’২৩]

(a) ধ, ভ

(b) খ, ছ

(c) ট, ঠ

(d) ত, থ

সঠিক উত্তর: (a) ধ, ভ

ব্যাখ্যা: ‘ধ’ (ত-বর্গের ৪থ) এবং ‘ভ’ (প-বর্গের ৪থ) উভয়ই ঘোষ মহাপ্রাণ।

১৩. ‘ক’ ধ্বনির উচ্চারণ স্থান কোনটি? [রা.বো.’২২]

(a) অগ্রতালু

(b) জিহ্বামূল

(c) অগ্রদন্তমূল

(d) পশ্চাৎ দন্তমূল

সঠিক উত্তর: (b) জিহ্বামূল

ব্যাখ্যা: ক-বর্গের বর্ণগুলো জিহ্বার গোড়া বা মূল থেকে উচ্চারিত হয় বলে এদের জিহ্বামূলীয় বা কণ্ঠ্যবর্ণ বলে।

১৪. ট-বর্গীয় ধ্বনি নয় কোনটি? [সি.বো.’২২]

(a) ট

(b) ঠ

(c) ণ

(d) ন

সঠিক উত্তর: (d) ন

ব্যাখ্যা: ‘ন’ হলো ত-বর্গীয় (দন্ত্য) বর্ণ। ট-বর্গের বর্ণগুলো হলো: ট, ঠ, ড, ঢ, ণ।

১৫. শ, ষ, স, হ—এগুলোকে কোন ধ্বনি বলা হয়? [দি.বো.’২২]

(a) শিস ধ্বনি (b) অন্তঃস্থ ধ্বনি (c) স্পর্শ ধ্বনি (d) পার্শ্বিক ধ্বনি

সঠিক উত্তর: (a) শিস ধ্বনি

ব্যাখ্যা: শ, ষ, স—এই তিনটি বর্ণ উচ্চারণের সময় আমরা বাতাসের ঘর্ষণে শিস দেওয়ার মতো আওয়াজ পাই, তাই এদের শিস ধ্বনি বা উষ্ম ধ্বনি বলা হয়।

বাংলা ২য় পত্রের ব্যঞ্জনধ্বনি MCQ

১৬. ওষ্ঠ্য ধ্বনি কোনগুলো? [ঢা.বো.’২২]

(a) ক খ গ ঘ ঙ

(b) চ ছ জ ঝ ঞ

(c) প ফ ব ভ ম

(d) ট ঠ ড ঢ ণ

সঠিক উত্তর: (c) প ফ ব ভ ম

ব্যাখ্যা: প-বর্গের বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় দুই ঠোঁটের (ওষ্ঠ) সাহায্য প্রয়োজন হয়, তাই এদের ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলে।

১৭. অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি কোনটি? [কু.বো.’২২]

(a) গ

(b) ঘ

(c) চ

(d) ব

সঠিক উত্তর: (c) চ

ব্যাখ্যা: বর্গের ১ম ও ২য় বর্ণ অঘোষ এবং ১ম ও ৩য় বর্ণ অল্পপ্রাণ। ‘চ’ হলো চ-বর্গের ১ম বর্ণ, তাই এটি একইসাথে অঘোষ ও অল্পপ্রাণ।

১৮. যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে, তাকে কোন ধ্বনি বলে? [চ.বো.’২২; কু.বো.’২০]

(a) অল্পপ্রাণ

(b) মহাপ্রাণ

(c) ঘোষ

(d) অঘোষ

সঠিক উত্তর: (b) মহাপ্রাণ

ব্যাখ্যা: বর্গের ২য় ও ৪থ বর্ণ উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য বা বেশি বাতাস বের হয় বলে এদের মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।

১৯. যে ব্যঞ্জনের উচ্চারণে বাতাস মুখবিবরে কোথাও বাধা না পেয়ে কেবল ঘর্ষণপ্রাপ্ত হয় এবং শিস ধ্বনির সৃষ্টি করে তাকে কী বলে? [ব.বো.’২২]

(a) অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি

(b) অঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি

(c) দন্ত্য ধ্বনি

(d) উষ্মধ্বনি

সঠিক উত্তর: (d) উষ্মধ্বনি

ব্যাখ্যা: উষ্ম মানে শ্বাস। যে ধ্বনিগুলো শ্বাস বেশিক্ষণ ধরে রাখা যায় এবং ঘর্ষণের সৃষ্টি করে, সেগুলোই উষ্মধ্বনি (শ, ষ, স, হ)।

২০. কোন ব্যঞ্জনধ্বনির বর্ণসমূহের উচ্চারণস্থান জিহ্বামূল? [ঢা.বো.’২০]

(a) চ, ছ, জ, ঝ

(b) ক, খ, গ, ঘ

(c) ট, ঠ, ড, ঢ

(d) ত, থ, দ, ধ

সঠিক উত্তর: (b) ক, খ, গ, ঘ

ব্যাখ্যা: ক-বর্গের বর্ণগুলো জিহ্বার গোড়া বা মূল থেকে উচ্চারিত হয়।

২১. উচ্চারণ স্থানানুযায়ী র, ড়, ঢ় কোন ধরনের বর্ণ? [চ.বো.’২০]

(a) তালব্য

(b) মূর্ধন্য

(c) কম্পন

(d) তাড়নজাত

সঠিক উত্তর: (b) মূর্ধন্য

ব্যাখ্যা: র, ড়, ঢ় উচ্চারণের সময় জিভ মূর্ধা বা দন্তমূলের একটু উপরের অংশ স্পর্শ করে, তাই এরা মূর্ধন্য বর্ণ। (তবে প্রকৃতিভেদে ড়, ঢ় তাড়নজাত)।

২২. কোন ব্যঞ্জনধ্বনির বর্ণসমূহের উচ্চারণস্থান অগ্রতালু? [য.বো.’২০]

(a) ক, খ, গ, ঘ

(b) চ, ছ, জ, ঝ

(c) ট, ঠ, ড, ঢ

(d) ত, থ, দ, ধ

সঠিক উত্তর: (b) চ, ছ, জ, ঝ

ব্যাখ্যা: চ-বর্গের বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় জিভ সামনের তালু স্পর্শ করে, তাই এরা তালব্য বা অগ্রতালু জাত ধ্বনি।

২৪. উচ্চারণস্থান অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনি কত প্রকার?

(a) ৫

(b) ৬

(c) ৭

(d) ৮

সঠিক উত্তর: (a) ৫

ব্যাখ্যা: উচ্চারণস্থান অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনিকে প্রধান ৫টি ভাগে ভাগ করা হয়: কণ্ঠ্য, তালব্য, মূর্ধন্য, দন্ত্য ও ওষ্ঠ্য।

২৫. ‘ড়, ঢ়’ উচ্চারণের স্থান অনুযায়ী কী ধরনের ব্যঞ্জনধ্বনি?

(a) দন্ত্য

(b) তালব্য

(c) মূর্ধন্য

(d) কণ্ঠ্য

সঠিক উত্তর: (c) মূর্ধন্য

২৬. কম্পিত ব্যঞ্জনের উপস্থিতি আছে কোন শব্দে?

(a) বড়ো

(b) গাঢ়

(c) চানাচুর

(d) হঠাৎ

সঠিক উত্তর: (c) চানাচুর

ব্যাখ্যা: ‘চানাচুর’ শব্দে ‘র’ আছে, যা একটি কম্পিত ব্যঞ্জন। (বড়ো-তে ‘ড়’ এবং গাঢ়-তে ‘ঢ়’ হলো তাড়নজাত)।

২৭. অন্তঃস্থ বর্ণ কোনগুলো?

(a) য

(b) ব

(c) ল

(d) সবগুলো

সঠিক উত্তর: (d) সবগুলো

ব্যাখ্যা: য, র, ল, ব—এই চারটি বর্ণ স্পর্শ বর্ণ ও উষ্ম বর্ণের মাঝামাঝি থাকে বলে এদের অন্তঃস্থ বর্ণ বলা হয়।


Read More: বাংলা ২য় পত্র: স্বরধ্বনি MCQ

Read More: বাংলা ২য় পত্র: ধ্বনি ও বর্ণ MCQ


বাংলা ২য় পত্রের ব্যঞ্জনধ্বনি MCQ PDF Download. বাংলা ২য় পত্রের ব্যঞ্জনধ্বনি MCQ

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top