সুচেতনা কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

এইচএসসি বাংলা সুচেতনা কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ (PDF)

এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রের সুচেতনা কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর পিডিএফ ডাউনলোড করুন। বিগত সালের বোর্ড প্রশ্নগুলো বিশ্লেষণ করে এখানে গুরুত্বপূর্ণ সুচেতনা কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন দেওয়া হলো।


সুচেতনা কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬

১। কবি জীবনানন্দ দাশ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর: কবি জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।

২। জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান কোথায়?

উত্তর: জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান বরিশাল।

৩। জীবনানন্দ দাশের মায়ের নাম কী?

উত্তর: জীবনানন্দ দাশের মায়ের নাম কুসুমকুমারী দাশ।

৪। কুসুমকুমারী দাশ কী হিসেবে বিখ্যাত ছিলেন?

উত্তর: কুসুমকুমারী দাশ কবি হিসেবে বিখ্যাত ছিলেন।

৫। জীবনানন্দ দাশ কার কাছ থেকে কবিতা লেখার প্রেরণা লাভ করেন?

উত্তর: জীবনানন্দ দাশ তাঁর মা কুসুমকুমারী দাশের কাছ থেকে কবিতা লেখার প্রেরণা লাভ করেন।

৬। জীবনানন্দ দাশের পিতার নাম কী?

উত্তর: জীবনানন্দ দাশের পিতার নাম সত্যানন্দ দাশ।

৭। জীবনানন্দ দাশ মূলত কোন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন?

উত্তর: জীবনানন্দ দাশ মূলত ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপনায় নিয়োজিত ছিলেন।

৮। জীবনানন্দ দাশ কবিতায় কেমন জগৎ তৈরি করেন?

উত্তর: জীবনানন্দ দাশ কবিতায় সূক্ষ্ম ও গভীর অনুভবের জগৎ তৈরি করেন।

৯। জীবনানন্দ দাশের কবিতায় নিসর্গের সঙ্গে কী যুক্ত হয়?

উত্তর: জীবনানন্দ দাশের কবিতায় নিসর্গের সঙ্গে অনুভব ও বোধের বহুতর মাত্রা যুক্ত হয়।

১০। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কাব্যবৈশিষ্ট্যকে কী বলে আখ্যায়িত করেছেন?

উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কাব্যবৈশিষ্ট্যকে ‘চিত্ররূপময়’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

রো পড়ুন: এইচএসসি বাংলা সাহিত্যে খেলা প্রবন্ধের জ্ঞানমূলক প্রশ্নের উত্তর

১১। ‘নির্জনতম কবি’ কে?

উত্তর: ‘নির্জনতম কবি’ জীবনানন্দ দাশ।

১২। কবি বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশকে কী বলে অভিহিত করেছেন?

উত্তর: কবি বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশকে ‘নির্জনতম কবি’ বলে অভিহিত করেছেন।

১৩। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জীবনানন্দ দাশের কোন ধরনের কবিতা বাঙালি জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিল?

উত্তর: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জীবনানন্দ দাশের প্রকৃতিবিষয়ক কবিতা বাঙালি জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিল।

১৪। ‘মহাপৃথিবী’ গ্রন্থটি কে রচনা করেছেন?

উত্তর: ‘মহাপৃথিবী’ গ্রন্থটি জীবনানন্দ দাশ রচনা করেছেন।

১৫। ‘মহাপৃথিবী’ গ্রন্থটি কোন শ্রেণির গ্রন্থ?

উত্তর: ‘মহাপৃথিবী’ একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।

১৬। ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থটির কবি কে?

উত্তর: ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থটির কবি জীবনানন্দ দাশ।

১৭। ‘মাল্যবান’ জীবনানন্দ দাশের কোন শ্রেণির গ্রন্থ?

উত্তর: ‘মাল্যবান’ জীবনানন্দ দাশ রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।

১৮। ‘কবিতার কথা’ কোন শ্রেণির গ্রন্থ?

উত্তর: ‘কবিতার কথা’ একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ।

১৯। জীবনানন্দ দাশ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

উত্তর: জীবনানন্দ দাশ ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

২০। কবি জীবনানন্দ দাশ কীভাবে মৃত্যুবরণ করেন?

উত্তর: কবি জীবনানন্দ দাশ ট্রাম দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন।

আরো পড়ুন: এইচএসসি বাংলা রেইনকোট গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

২১। কবি সুচেতনাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করেছেন?

উত্তর: কবি সুচেতনাকে এক দূরতর দ্বীপের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

২২। ‘সুচেতনা’ কবিতায় বিকেলের নক্ষত্রের কাছে কী আছে?

উত্তর: ‘সুচেতনা’ কবিতায় বিকেলের নক্ষত্রের কাছে আছে এক দূরতর দ্বীপ।

২৩। কোথায় নির্জনতা আছে?

উত্তর: দারুচিনি-বনানীর ফাঁকে নির্জনতা আছে।

২৪। দারুচিনি-বনানীর ফাঁকে কী আছে?

উত্তর: দারুচিনি-বনানীর ফাঁকে নির্জনতা আছে।

২৫। কবি জীবনানন্দ দাশের মতে, কোনটি শেষ সত্য নয়?

উত্তর: কবি জীবনানন্দ দাশের মতে, এই পৃথিবীর রণ রক্ত সফলতা শেষ সত্য নয়।

২৬। ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবি প্রাণ কোথায় ঘুরেছে?

উত্তর: ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবি প্রাণ অনেক রূঢ় রৌদ্রে ঘুরেছে।

২৭। ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবি পৃথিবীর মানুষকে কেমন ভালোবাসা দিতে চেয়েছেন?

উত্তর: ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবি পৃথিবীর মানুষকে মানুষের মতো ভালোবাসা দিতে চেয়েছেন।

২৮। ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবি মানুষকে ভালোবাসা দিতে গিয়েও কী দেখেছেন?

উত্তর: ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবি মানুষকে ভালোবাসা দিতে গিয়েও দেখেছেন হয়তো নিহত অবস্থায় পড়ে আছেন তাঁর স্বজন।

২৯। ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবি কার গভীর অসুখের কথা বলেছেন?

উত্তর: ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবি পৃথিবীর গভীর অসুখের কথা বলেছেন।

৩০। ‘সুচেতনা’ কবিতামতে মানুষ কার কাছে ঋণী?

উত্তর: ‘সুচেতনা’ কবিতামতে মানুষ পৃথিবীর কাছে ঋণী।

সুচেতনা কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

৩১। কোনটি অনেক শতাব্দীর মনীষীর কাজ?

উত্তর: পৃথিবীর ক্রমমুক্তি অনেক শতাব্দীর মনীষীর কাজ।

৩২। কোন আলো জ্বেলে পৃথিবীর ক্রমমুক্তি হবে?

উত্তর: সুচেতনার আলো জ্বেলে পৃথিবীর ক্রমমুক্তি হবে।

৩৩। ‘সুচেতনা’ কবিতায় কোন বাতাসের কথা উল্লেখ আছে?

উত্তর: ‘সুচেতনা’ কবিতায় পরম সূর্যকরোজ্জ্বল বাতাসের উল্লেখ আছে।

৩৪। সূর্যকরোজ্জ্বল বাতাসের সঙ্গে কবি কীসের তুলনা করেছেন?

উত্তর: সূর্যকরোজ্জ্বল বাতাসের সঙ্গে কবি ভালো মানব-সমাজের তুলনা করেছেন।

৩৫। ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিকের হাতে কবি কী গড়ে দিতে চান?

উত্তর: ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিকের হাতে কবি ভালো মানব-সমাজ গড়ে দিতে চান।

৩৬। ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিকেরা নিজ হাতে কী গড়ে দেবে?

উত্তর: ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিকেরা নিজ হাতে ভালো মানব-সমাজ গড়ে দেবে।

৩৭। ক্লান্তিহীন নাবিকেরা কখন ভালো মানব-সমাজ গড়তে পারবে বলে কবি আশা করেন?

উত্তর: ক্লান্তিহীন নাবিকেরা ঢের দূর অন্তিম প্রভাতে ভালো মানব-সমাজ গড়তে পারবে বলে কবি আশা করেন।

৩৮। মাটি পৃথিবীর টানে কবি কোথায় এসেছেন?

উত্তর: মাটি পৃথিবীর টানে কবি মানবজন্মের ঘরে এসেছেন।

৩৯। কোথায় এসে কবির না এলেই ভালো হতো-এমন অনুভব হয়েছে?

উত্তর: মানবজন্মের ঘরে এসে কবির না এলেই ভালো হতো- এমন অনুভব হয়েছে।

৪০। শিশির শরীর ছুঁয়ে- কবির কী মনে হয়?

উত্তর: শিশির শরীর ছুঁয়ে কবির মনে হয় মানবজন্মের ঘরে এসে গভীরতর লাভ হয়েছে।

সুচেতনা কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

৪১। কবি কখন শিশির শরীর ছুঁয়েছেন?

উত্তর: কবি শিশির শরীর ছুঁয়েছেন সমুজ্জ্বল ভোরে।

৪২। শাশ্বত রাত্রির বুকে কী হবে বলে কবির বিশ্বাস?

উত্তর: শাশ্বত রাত্রির বুকে অনন্ত সূর্যোদয় হবে বলে কবির বিশ্বাস।

৪৩। শুভচেতনার কথা বোঝাতে কবি কোন শব্দ ব্যবহার করেছেন?

উত্তর: শুভচেতনার কথা বোঝাতে কবি ‘সুচেতনা’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

৪৪। কবির কল্পনায় দ্বীপের মতো বিচ্ছিন্ন চেতনায় কী বিরাজ করে?

উত্তর: কবির কল্পনায় দ্বীপের মতো বিচ্ছিন্ন চেতনায় নির্জনতা বিরাজ করে।

৪৫। ‘সুচেতনা’ কবিতা অনুযায়ী কী সর্বত্র বিস্তারিত বা বিরাজমান নয়?

উত্তর: ‘সুচেতনা’ কবিতা অনুযায়ী শুভচেতনা সর্বত্র বিস্তারিত বা বিরাজমান নয়।

৪৬। সভ্যতার বিকাশের পাশাপাশি কী সংঘটিত হয়েছে?

উত্তর: সভ্যতার বিকাশের পাশাপাশি বহু যুদ্ধ রক্তপাত-প্রাণহানি সংঘটিত হয়েছে।

৪৭। কোনটি পৃথিবীর শেষ সত্য নয়?

উত্তর: সভ্যতার ধ্বংসাত্মক দিকটি পৃথিবীর শেষ সত্য নয়।

৪৮। কীভাবে ভালোবাসার পরিণামে পৌঁছাতে হয়?

উত্তর: অনেক রক্তাক্ত পথ পাড়ি দিয়েই ভালোবাসার পরিণামে পৌঁছাতে হয়।

৪৯। পৃথিবীব্যাপ্ত গভীর অসুখ থেকে মুক্তির পথ কী?

উত্তর: পৃথিবীব্যাপ্ত গভীর অসুখ থেকে মুক্তির পথ শুভচেতনা।

৫০। পৃথিবীতে মানবরূপে জন্ম না নেওয়াকে আপাতভাবে কাঙ্ক্ষিত মনে হয় কখন?

উত্তর: ব্যক্তিক ও সামষ্টিক সংকট প্রত্যক্ষ করে পৃথিবীতে মানবরূপে জন্ম না নেওয়াকে আপাতভাবে কাঙ্ক্ষিত মনে হয়।

আরো পড়ুন: এইচএসসি বাংলা যৌবনের গান প্রবন্ধের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

৫১। কোনটি আমাদের গভীরভাবে প্রাণিত ও ঋণী করে?

উত্তর: পৃথিবী ও শুভচেতনা থেকে প্রাপ্তিই আমাদের গভীরভাবে প্রাণিত ও ঋণী করে।

৫২। পৃথিবীব্যাপ্ত অন্ধকার বা অশুভের অন্তরালে কী আছে?

উত্তর: পৃথিবীব্যাপ্ত অন্ধকার বা অশুভের অন্তরালে আছে সূর্যোদয়, মুক্তির দিশা।

৫৩। কীভাবে আলোকোজ্জ্বল পৃথিবীর দেখা মিলবে?

উত্তর: সুচেতনার বিকাশে আলোকোজ্জ্বল পৃথিবীর দেখা মিলবে।

৫৪। কোন ধরনের সংকট প্রত্যক্ষ করে কবি মানবরূপে জন্ম না নেওয়াকে আপাতভাবে কাঙ্ক্ষিত মনে করেছেন?

উত্তর: ব্যক্তিক ও সামষ্টিক সংকট প্রত্যক্ষ করে কবি মানবরূপে জন্ম না নেওয়াকে আপাতভাবে কাঙ্ক্ষিত মনে করেছেন।

৫৫। কোন প্রাপ্তি আমাদের শেষ পর্যন্ত গভীরভাবে প্রাণিত করে?

উত্তর: পৃথিবীর সুচেতনা থেকে প্রাপ্তিই আমাদের শেষ পর্যন্ত গভীরভাবে প্রাণিত করে।

৫৬। পৃথিবীব্যাপ্ত অশুভের অন্তরালে কী আছে?

উত্তর: পৃথিবীব্যাপ্ত অশুভের অন্তরালে আছে সূর্যোদয়, মুক্তির দিশা।

৫৭। কোথায় অনন্ত সূর্যোদয় হবে বলে কবির বিশ্বাস?

উত্তর: শাশ্বত রাত্রির বুকে অনন্ত সূর্যোদয় হবে বলে কবির বিশ্বাস।

৫৮। ‘সুচেতনা’ কবিতাটির রচয়িতা কে?

উত্তর: ‘সুচেতনা’ কবিতাটির রচয়িতা জীবনানন্দ দাশ।

৫৯। ‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থটি কে রচনা করেছেন?

উত্তর: ‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছেন জীবনানন্দ দাশ।

৬০। ‘সুচেতনা’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?

উত্তর: ‘সুচেতনা’ কবিতাটি ‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত।

৬১। ‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

উত্তর: ‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত হয়।

৬২। ‘সুচেতনা’ সম্বোধনে কবি কাকে সম্বোধন করেছেন?

উত্তর: ‘সুচেতনা’ সম্বোধনে কবি তাঁর আরাধ্য এক চেতনানিহিত বিশ্বাসকে সম্বোধন করেছেন।

৬৩। কবির বিশ্বাসমতে, সুচেতনা কোন ধরনের ধারণা?

উত্তর: কবির বিশ্বাসমতে, সুচেতনা দূরতম দ্বীপসদৃশ একটি ধারণা।

৬৪। যুদ্ধে, রক্তে কী নিঃশেষিত নয়?

উত্তর: সুচেতনা যুদ্ধে, রক্তে নিঃশেষিত নয়।

৬৫। জীবনানন্দ দাশ তাঁর চেতনানিহিত বিশ্বাসকে শিল্পিত করেছেন কোন শব্দের ব্যবহারে?

উত্তর: জীবনানন্দ দাশ তাঁর চেতনানিহিত বিশ্বাসকে শিল্পিত করেছেন ‘সুচেতনা’ শব্দের ব্যবহারে।

৬৬। বর্তমান পৃথিবীর গভীরতর ব্যাধিকে অতিক্রম করা যাবে কীসের মাধ্যমে?

উত্তর: বর্তমান পৃথিবীর গভীরতর ব্যাধিকে অতিক্রম করা যাবে সুচেতনার মাধ্যমে।

৬৭। জীবন্মুক্তির চেতনাগত সত্য কী প্রজ্বালিত করবে?

উত্তর: জীবন্মুক্তির চেতনাগত সত্য পৃথিবীর ক্রমমুক্তির আলোকে প্রজ্বালিত করবে।

৬৮। কী মানবসমাজের অগ্রযাত্রাকে নিশ্চিত করবে?

উত্তর: জীবনমুক্তির চেতনাগত সত্য অর্থাৎ সুচেতনা মানবসমাজের অগ্রযাত্রাকে নিশ্চিত করবে।

৬৯। কবির বিশ্বাসমতে, শাশ্বত রাত্রির বুকে কী প্রকাশিত হবে?

উত্তর: কবির বিশ্বাসমতে, শাশ্বত রাত্রির বুকে অনন্ত সূর্যোদয় প্রকাশিত হবে।

৭০। কে শ্বাশ্বত রাত্রির বুকে অনন্ত সূর্যোদয়কে প্রকাশ করবে?

উত্তর: সুচেতনা শাশ্বত রাত্রির বুকে অনন্ত সূর্যোদয়কে প্রকাশ করবে।


এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রের সুচেতনা কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর পিডিএফ ডাউনলোড করুন।

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top