SSC বাংলা বই পড়া প্রবন্ধের স্মার্ট নোট

SSC বাংলা ১ম পত্রের বই পড়া প্রবন্ধের স্মার্ট নোটশিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই নোটে প্রবন্ধের মূলভাব, লেখকের বক্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা এবং পরীক্ষায় আসতে পারে এমন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর সহজ ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। অল্প সময়ে বিষয়টি বুঝে নেওয়া, গুরুত্বপূর্ণ অংশ মনে রাখা এবং পরীক্ষার আগে দ্রুত রিভিশন দেওয়ার জন্য এই স্মার্ট নোটটি একটি কার্যকর সহায়িকা।


বই পড়া প্রবন্ধের স্মার্ট নোট

পরিচিতি ও অবদান: প্রমথ চৌধুরী

  • ছদ্মনাম: বীরবল
  • পৈতৃক নিবাস: হরিপুর, চাটমোহর, পাবনা
  • বিশেষ খ্যাতি: বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক, প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক, সনেট ও ছোটগল্পকার
  • সম্পাদিত পত্রিকা: সবুজপত্র (চলিত রীতির ধারক) ও বিশ্বভারতী

শিক্ষাজীবন ও সম্মাননা

  • শিক্ষা: এন্ট্রান্স (হেয়ার স্কুল), এফএ (সেন্ট জেভিয়ার্স), বিএ অনার্স (দর্শন, প্রেসিডেন্সি)
  • এমএ: ইংরেজি সাহিত্য (১৮৯০, ১ম শ্রেণী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়)
  • উচ্চশিক্ষা: বিলাত থেকে বার-অ্যাট-ল’ (ব্যারিস্টারি)
  • পুরস্কার: জগত্তারিণী পদক (১৯৪১, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়)

পারিবারিক ও কর্মজীবন

  • পেশা: হাইকোর্টে আইন ব্যবসা, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা ও ঠাকুর এস্টেটের ব্যবস্থাপক
  • রবীন্দ্র-সম্পর্ক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাইঝি জামাতা (স্ত্রী: ইন্দিরা দেবী)
  • প্রথম প্রবন্ধ: জয়দেব (১৮৯৩, ‘সাধনা’ পত্রিকায় প্রকাশিত)

উল্লেখযোগ্য রচনাসমগ্র

  • প্রবন্ধ গ্রন্থ:
    • তেল-নুন-লাকড়ী (১৯০৬)
    • বীরবলের হালখাতা (১৯১৬)
    • নানাকথা (১৯১৯)
    • রায়তের কথা (১৯১৯)
    • আমাদের শিক্ষা (১৯২০)
    • নানাচর্চা (১৯৩২)
    • প্রবন্ধ সংগ্রহ (১৯৫২–১৯৫৩)
  • গল্পগ্রন্থ:
    • চার-ইয়ারী কথা (১৯১৬)
    • আহুতি (১৯১৯)
    • নীললোহিত (১৯৪১)
    • অনুকথা সপ্তক
    • ঘোষালে ত্রিকথা
  • কাব্যগ্রন্থ:
    • সনেট পঞ্চাশৎ (১৯১৩)
    • পদচারণ (১৯১৯)

বই পড়া প্রবন্ধের স্মার্ট নোট: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

★ “বই পড়া” প্রবন্ধের লেখক — প্রমথ চৌধুরী।

★ লেখক বই পড়াকে বলেছেন — মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ শখ।

★ লেখক কাউকে শখ হিসেবে বই পড়তে পরামর্শ দিতে চান না — প্রথমত আমরা জাত হিসেবে শৌখিন নই, দ্বিতীয়ত অনেকে তা কুপরামর্শ মনে করবেন।

★ রোগ-শোক, দুঃখ-দারিদ্র্যের দেশে প্রধান সমস্যা — সুন্দর জীবন ধারণ করা।

★ সুন্দর জীবনকে সুন্দর ও মহৎ করার প্রস্তাব অনেকের কাছে ঠেকবে — নিরর্থক এবং নির্মম।

★ আমরা প্রস্তুত নই — সাহিত্যের রস উপভোগ করতে।

★ আমরা উদ্ধাবাহু — শিক্ষার ফল লাভের জন্য।

★ আমাদের বিশ্বাস শিক্ষা দূর করবে — গায়ের জ্বালা ও চোখের জল।

★ শিক্ষা আমাদের গায়ের জ্বালা ও চোখের জল দূর করবে — এ আশা দুরাশা।

★ শিক্ষার সর্বপ্রধান অঙ্গ — সাহিত্যচর্চা।

★ লোকে সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার সর্বপ্রধান অঙ্গ হিসেবে সন্দেহ করে — কারণ এ শিক্ষার ফল হাতে হাতে পাওয়া যায় না (নগদ বাজারদর নেই)।

★ সাহিত্যের সার্থকতা বোঝে না — ডেমোক্রেসি।

★ ডেমোক্রেসি বোঝে শুধু — অর্থের সার্থকতা।

★ ডেমোক্রেসির গুরুরা চেয়েছিলেন — সকলকে সমান করতে।

★ ডেমোক্রেসির শিষ্যরা প্রতিজনে হতে চায় — বড়োমানুষ।

★ ইংরেজি সভ্যতার সংস্পর্শে এসে আমরা আয়ত্ত করেছি — ডেমোক্রেসির দোষগুলো।

★ ডেমোক্রেসির গুণ আয়ত্ত না করে দোষ আত্মসাৎ করার কারণ — ব্যাধিই সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়।

★ আমাদের শিক্ষিত সমাজের লোলুপদৃষ্টি পড়েছে — অর্থের উপরে।

★ সাহিত্যচর্চার সুফল সম্বন্ধে সন্দিহান — আমাদের শিক্ষিত সমাজ।

★ যাঁরা হাজারখানা ল-রিপোর্ট কেনেন, তারা কিনতে প্রস্তুত নন — একখানা কাব্যগ্রন্থ।

★ ল-রিপোর্ট কেনার কারণ — তাতে ব্যবসার সুসার আছে।

★ পেশাদারদের মহাভ্রান্তি — যে কথা জজে শোনে না, তার কোনো মূল্য নেই মনে করা।

★ প্রমথ চৌধুরীর মতে প্রত্যক্ষ সত্য — জ্ঞানের ভাণ্ডার ধনের ভাণ্ডার নয়।

★ যে জাতির জ্ঞানের ভাণ্ডার শূন্য, সে জাতির — ধনের ভাঁড়েও ভবানী।

★ ধনের সৃষ্টি — জ্ঞানসাপেক্ষ।

★ জ্ঞানের সৃষ্টি — মনসাপেক্ষ।

★ মানুষের মনকে সরল, সচল, সরাগ ও সমৃদ্ধ করার ভার ন্যস্ত হয়েছে — সাহিত্যের উপর।

★ সাহিত্যের জন্ম হয় — মানুষের দর্শন, বিজ্ঞান, ধর্মনীতি, অনুরাগ-বিরাগ, আশা-নৈরাশ্য, অন্তরের স্বপ্ন ও সত্যের সমবায়ে।

★ অপরাপর শাস্ত্রের ভিতর পাওয়া যায় — মানুষের মনের ভগ্নাংশ।

★ মানুষের পুরো মনটার সাক্ষাৎ পাওয়া যায় — শুধুমাত্র সাহিত্যে।

★ দর্শন ও বিজ্ঞানকে লেখক তুলনা করেছেন — মনগঙ্গার তোলা জলের সাথে।

★ সাহিত্যের ভেতর আবহমানকাল সোল্লাসে সবেগে বয়ে চলেছে — মনগঙ্গার পূর্ণ স্রোত।

★ আমাদের সকল পাপমুক্ত হব — সাহিত্যেরূপ গঙ্গাতে অবগাহন করে।

★ সাহিত্যচর্চার একমাত্র উপায়ান্তর — বই পড়া।

★ ধর্মের চর্চা করা চলে — মন্দিরের বাইরেও।

★ দর্শনের চর্চা করা চলে — গুহায়।

★ নীতির চর্চা করা চলে — ঘরে।

★ বিজ্ঞানের চর্চা করা চলে — জাদুঘরে।

★ সাহিত্য চর্চার জন্য প্রয়োজন — লাইব্রেরি।

★ মানুষ সাহিত্যের চর্চা করতে পারে না — কারখানাতে বা চিড়িয়াখানাতে।

★ প্রমথ চৌধুরীর মতে আমাদের জাত মানুষ হবে — সাহিত্যের মধ্যে।

★ দেশের উপকার হবে — যত বেশি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

★ এ দেশে লাইব্রেরির সার্থকতা — হাসপাতালের চাইতে কিছু কম নয় এবং স্কুল-কলেজের চাইতে একটু বেশি।

★ প্রমথ চৌধুরীর মতে শিক্ষা কেউ কাউকে — দিতে পারে না।

★ “সুশিক্ষিত লোক মাত্রই — স্বশিক্ষিত।”

★ মনোরাজ্যে দান — গ্রহণসাপেক্ষ।

★ আমরা দাতার মুখ চেয়ে ভুলে যাই — গ্রহীতার কথা।

★ শিক্ষকের প্রকৃত সার্থকতা — ছাত্রকে শিক্ষা অর্জনে সক্ষম করায়।

★ শিক্ষক ছাত্রের করতে পারেন — শিক্ষার পথ প্রদর্শন, কৌতূহল উদ্রেক, বুদ্ধিবৃত্তি জাগ্রত, মনোরাজ্যের ঐশ্বর্যের সন্ধান ও জ্ঞানপিপাসাকে জ্বলন্ত।

★ যিনি যথার্থ গুরু, তিনি — শিষ্যের আত্মাকে উদ্‌বোধিত করেন এবং প্রচ্ছন্ন শক্তিকে মুক্ত ও ব্যক্ত করেন।

★ বিদ্যার সাধনা শিষ্যকে করতে হয় — নিজে।

★ গুরু শিক্ষার ক্ষেত্রে — উত্তরসাধক মাত্র।

★ আমাদের স্কুল-কলেজের শিক্ষার পদ্ধতি — উলটো (ছেলেদের বিদ্যে গেলানো হয়)।

★ জোর করে বিদ্যে গেলানোর ফলে ছেলেরা কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে — শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণশীর্ণ হয়ে।

★ মায়েরা শিশুর স্বাস্থ্যরক্ষার সর্বপ্রধান উপায় মনে করেন — শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানো।

★ গোদুগ্ধের উপকারিতা নির্ভর করে — ভোক্তার জীর্ণ করবার শক্তির উপর।

★ জোর জবরদস্তি করে দুধ খাওয়ালে মা শুধু ছেলের — যকৃতের মাথা খান এবং মরামুখ দেখার সম্ভাবনা বাড়ান।

★ স্কুল-কলেজের শিক্ষা পদ্ধতির ফলে ছেলেদের সুস্থ সরল মন গতাসু হচ্ছে — ইনফ্যান্টাইল লিভারে।

★ দেহের মৃত্যুর রেজিস্টারি রাখা হয়, কিন্তু হয় না — আত্মার মৃত্যুর।

★ পাশ করা ও শিক্ষিত হওয়া — এক বস্তু নয়।

★ “France was saved by her idlers” — উক্তিটি শিক্ষা-শাস্ত্রের একজন জগদ্বিখ্যাত ফরাসি শাস্ত্রীর।

★ ফরাসি দেশকে রক্ষা করেছিল — যারা পাশ করতে পারেনি বা চায় নি (স্কুল-পালানো ছেলের দল)।

★ ফ্রান্সের স্কুল-পালানো ছেলেরা সফল হয়েছিল — কারণ তারা কলেজের শিক্ষাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

★ আমাদের দেশের বিদ্যালয়ের মাস্টার মহাশয়েরা দেন — নোট।

★ নোট মুখস্থ করে ছেলেরা — পাশ হয়।

★ নোট গেলা ও পরীক্ষায় তা উগলে দেওয়াকে লেখক তুলনা করেছেন — বাজিকরের কামানের গোলা গেলা ও ওগলানোর সাথে।

★ ছেলেরা বিদ্যালয়ে গলাধঃকরণ করে — নোট নামক গুরুদত্ত নানা আকারের গোলা।

★ পরীক্ষালয়ে ছেলেরা নোট নামক গোলাগুলোকে — উদ্‌গিরণ করে দেয়।

★ আমাদের শিক্ষাযন্ত্রের মধ্যে নিষ্পেষিত হয়ে নির্গত হওয়া যুবকের — আপনার বলতে কিছু থাকে না।

★ কড়া প্রাণের লোকেরা বাঁচতে পারে — শিক্ষাপদ্ধতি মনকে জখম করলেও বধ করতে পারে না বলে।

★ লেখক লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের ওপরে স্থান দেন — কারণ সেখানে স্বেচ্ছায় স্বচ্ছন্দচিত্তে স্বশিক্ষিত হবার সুযোগ মেলে।

★ নগরে নগরে ও গ্রামে গ্রামে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা কর্তব্য — স্কুল-কলেজের অপকারের প্রতিকারের জন্য।

★ আমাদের শিক্ষার বর্তমান অবস্থায় লাইব্রেরি হচ্ছে — একরকম মনের হাসপাতাল।

★ মুসলমান ধর্মে মানবজাতি বিভক্ত — দুই ভাগে (কেতাবি ও কেতাবি নয়)।

★ আমাদের শিক্ষিত সম্প্রদায় বই স্পর্শ করেন না — বাধ্য না হলে।

★ ছেলেরা নোট পড়ে এবং ছেলেদের বাপেরা নজির পড়েন — বাধ্য হয়ে (পেটের দায়)।

★ সাহিত্য সাক্ষাৎভাবে কাজে লাগে না — উদরপূর্তির।

★ কেউ স্বেচ্ছায় বই পড়লে আমরা তাকে ফেলি — নিষ্কর্মার দলে।

★ মানুষের সম্পূর্ণ মনস্তুষ্টি হয় না — একমাত্র উদরপূর্তিতে।

★ উদরের দাবি রক্ষা না করলে বাঁচে না — মানুষের দেহ।

★ মনের দাবি রক্ষা না করলে বাঁচে না — মানুষের আত্মা।

★ মানুষের প্রাণ যত মনের সম্পর্ক হারায় ততই তা — দুর্বল হয়ে পড়ে।

★ জাতির প্রাণ যথার্থ স্ফূর্তিলাভ করে না — মনকে সজাগ ও সবল রাখতে না পারলে।

★ যে জাতি যত নিরানন্দ — সে জাতি তত নির্জীব।

★ মানুষের মনপ্রাণ সজীব, সতেজ ও সরাগ হয়ে ওঠে — একমাত্র আনন্দের স্পর্শে।

★ সাহিত্যচর্চার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হওয়ার অর্থ — জাতির জীবনীশক্তির হ্রাস করা।

★ কাব্যামৃতে আমাদের অরুচি ধরার কারণ — আমাদের শিক্ষার দোষ।

★ জাতীয় আত্মরক্ষার জন্য আমাদের টানতে হবে — শিক্ষার উলটো টান।

★ প্রমথ চৌধুরী মনের আক্ষেপ প্রকাশ করতে মাঝে মাঝেই ব্যবহার করেন — কড়ি (তীব্র সুর)।

শব্দার্থ ও টীকা

শব্দঅর্থ
শৌখিনরুচিবান
উদ্বাহুঊর্ধ্ববাহু, আহ্লাদে হাত ওঠানো
ডেমোক্রেসিগণতন্ত্র
সন্দিহানসন্দেহযুক্ত
সুসারপ্রাচুর্য, সচ্ছলতা, সুবিধা
জজবিচারক
ভাঁড়েও ভবানীরিক্ত, শূন্য
আবহমানকালচিরকাল
সোল্লাসেআনন্দে
অবগাহনসর্বাঙ্গ ডুবিয়ে গোসল
উপায়ান্তরঅন্য কোনো উপায়
স্বশিক্ষিতনিজে নিজে শিক্ষিত
প্রচ্ছন্নগোপন
জীর্ণহজম
অব্যাহতিমুক্তি
গতাসুমৃত
গলাধঃকরণগিলে ফেলা
কারদানিবাহাদুরি
উদরপূর্তিপেট ভরানো
ডেমোক্রেটিকগণতান্ত্রিক
দাতাকর্ণমহাভারতের বিশিষ্ট চরিত্র, কুন্তীপুত্র; দানের জন্য প্রবাদতুল্য মানুষ
কেতাবিকেতাব অনুসরণ করে চলে যারা

পাঠ পরিচিতি

‘বই পড়া’ প্রবন্ধটি প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ সংগ্রহ থেকে নির্বাচন করা হয়েছে। একটি লাইব্রেরির বার্ষিক সভায় প্রবন্ধটি পঠিত হয়েছিল। আমাদের পাঠচর্চার অনভ্যাস যে শিক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটির জন্য ঘটছে তা সহজেই লক্ষণীয়। আর্থিক অনটনের কারণে অর্থকরী নয় এমন সবকিছুই এদেশে অনর্থক বলে বিবেচনা করা হয়। সেজন্য বই পড়ার প্রতি লোকের অনীহা দেখা যায় ৷ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে লব্ধ শিক্ষা পূর্ণাঙ্গ নয় বলে ব্যাপকভাবে বই পড়া দরকার। কারণ সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত । যথার্থ শিক্ষিত হতে হলে মনের প্রসার দরকার। তার জন্য বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে। এর জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন। বাধ্য না হলে লোকে বই পড়ে না। লাইব্রেরিতে লোকে নিজের পছন্দ অনুযায়ী বই পড়ে যথার্থ শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারে। প্রগতিশীল জগতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য সাহিত্যচর্চা করা আবশ্যক বলে লেখক মনে করেন। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে প্রমথ চৌধুরী বই পড়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্য উপস্থাপন করেছেন। প্রবন্ধটি এই শিক্ষাই দেয় যে, জাতির মানসিক বিকাশ ও সমৃদ্ধিতে বই পড়া, জ্ঞান ও সাহিত্যচর্চার কোনো বিকল্প নেই ।


SSC বাংলা বই পড়া প্রবন্ধের স্মার্ট নোট PDF Download

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার রেটিং দিন:

Scroll to Top