বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রের বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর PDF Download। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় উনিশ শতকীয় বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে পরিচিত। ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন” রচনাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ‘প্রচার’ পত্রিকায়, ১৮৮৫ সালে; পরে এটি তাঁর ‘বিবিধ প্রবন্ধ’ নামক গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়। যার যে বিষয়ে অধিকার নেই সে বিষয়ে লেখার চেষ্টা করা যেমন অনুচিত তেমনি লেখায় বিদ্যা জাহির করার প্রবণতাকেও তিনি নিন্দনীয় বলে মনে করেছেন।


বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১। আদাস প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময় বিশ্বব্যাপী মূল্যবোধের অবক্ষয়, অর্থনৈতিক বিপর্যয়, হতাশা ও হাহাকারে উপমহাদেশ ছিল নানা অভিঘাতে বিপর্যস্ত ও রূপান্তরিত। এমনই এক পরিবেশে কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) তাঁর ব্যক্তিজীবনের অভিজ্ঞতায় বিনির্মাণ করলেন শাশ্বত কল্যাণ ও সাম্যবাদের মহাকাব্যিক এক আশাবাদী জগৎ। তিনি কলম তুলে নিলেন শোষণ-বঞ্চনাহীন, শ্রেণিবৈষম্যহীন, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক এক জগৎ সৃষ্টি করতে। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি সাম্যের গান গাইলেন। এক সময় তিনি হয়ে উঠলেন ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি-গোত্র নির্বিশেষে সকল মানুষের অধিকার আদায়ের কলমসৈনিক। শোষণ, বঞ্চনা ও সকল প্রকার বৈষম্যের বিরুদ্ধে তাঁর বিদ্রোহ আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে।

ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে সাহিত্যের উদ্দেশ্য কী?

খ. “অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী-ধারণ মহাপাপ” বলতে লেখক কী বুঝিয়েছেন?

গ. উদ্দীপকের কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য সাধনা ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের কোন বৈশিষ্ট্যটির প্রতিফলন ঘটায় তা ব্যাখ্যা করো।

ঘ. বাংলার নতুন লেখকদের প্রতি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নিবেদন উদ্দীপকে যথার্থভাবে প্রকাশিত হয়েছে কি? উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে তোমার মতামত দাও।

১ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে, সাহিত্যের উদ্দেশ্য হলো- সত্য ও ধর্ম।

খ। আলোচ্য উক্তির মাধ্যমে লেখক বুঝিয়েছেন, ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষা বা অন্যের অনিষ্ট সাধনের উদ্দেশ্যে লেখনী ধারণ চরম গর্হিত কাজ।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে, সাহিত্য রচনার উদ্দেশ্য হলো মজাল সাধন অথবা সৌন্দর্য সৃষ্টি। লেখার মাধ্যমে যদি সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠা হয়, তবে তা সার্থক হয়। অন্যদিকে যে লেখায় কেবল নিজের স্বার্থ প্রাধান্য পায়, সত্য, সুন্দর ও ধর্ম ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে মিথ্যা প্রশ্রয় দেওয়া হয় কিংবা যে লেখা মানুষের পীড়নের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তাই লেখনী ধারণকে লেখক মহাপাপ বলে উল্লেখ করেছেন।

গ। উদ্দীপকের কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য সাধনা ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধে প্রকাশিত সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে মানুষের মঙ্গল সাধনের বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন ঘটেছে।

‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বলেন, খ্যাতি বা অর্থলাভ সাহিত্য রচনার উদ্দেশ্য নয়। মানুষের কল্যাণ সাধনা বা সৌন্দর্য সৃজনের অভিপ্রায় থেকে লিখতে হবে। নতুন লেখকদের প্রতি তাই তাঁর নিবেদন, যে লেখায় দেশের বা মানুষের কল্যাণ সাধিত হয় এমন সাহিত্য রচনায় ব্রতী হতে হবে।

উদ্দীপকে কাজী নজরুল ইসলামের কথা বলা হয়েছে যিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সংকটকালে মানবমুক্তির গান নিয়ে সাহিত্যাঙ্গনে আবির্ভূত হয়েছিলেন। শোষণ-বঞ্চনা, ক্ষুধা-দারিদ্র্যের যন্ত্রণা কাতর মানুষ তাঁর লেখনীতে স্পষ্ট হয়ে ধরা দেয়। শ্রেণি-বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের স্বপ্নের কথাই নজরুলের সাহিত্যে মুখ্য হয়ে ওঠে। মূলত তার এই মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কলম ধরার বিষয়টি আলোচ্য প্রবন্ধের মজঙ্গল সাধনার উদ্দেশ্যে সাহিত্যচর্চা করার দিকটির প্রতিফলন ঘটায়।

আরো পড়ুন: এইচএসসি বাংলা জীবন ও বৃক্ষ গল্পের নোট

ঘ। বাংলার নতুন লেখকদের প্রতি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নিবেদন করেছেন সত্য, সুন্দর ও দেশ বা মানুষের কল্যাণের জন্য লিখতে যা উদ্দীপকে যথাযথভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বলেন সাহিত্য রচনার উদ্দেশ্য যশ বা অর্থ লাভ নয় বরং মানবকল্যাণ। প্রাবন্ধিকের মতে, লিখতে হবে সত্য সৌন্দর্যের জন্য। লেখার মধ্য দিয়ে দেশের বা মানব জাতির মঙ্গল করতে হবে। (বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর)

উদ্দীপকে কাজী নজরুল ইসলামের লেখক সত্তার পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বব্যাপী মূল্যবোধের অবক্ষয় শোষণ-বঞ্চনা, দারিদ্র্য, সাম্প্রদায়িক উন্মাদনা- এসবই তিনি খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেছেন। নিজের সাহিত্যে তিনি এ সমস্ত অন্ধকারের অবসান কামনা করেছেন। মানুষে মানুষে ভেদাভেদহীন সৌহার্দপূর্ণ সমাজ গড়ার লক্ষ্যে তিনি কলম ধরেন।

‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক নতুন লেখকদের লেখার রীতিনীতি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে কিছু উপদেশ দিয়েছেন। এই উপদেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো খ্যাতি বা অর্থের উদ্দেশ্যে নয়; লিখতে হবে মানুষের কল্যাণ সাধন এবং সৌন্দর্য সৃষ্টির অভিপ্রায়ে। উদ্দীপকেও এই বিষয়টি ফুটে উঠেছে। কাজী নজরুল ইসলাম একজন কলমসৈনিক হিসেবে লিখেছেন মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। তাঁর লেখা এখনো আমাদের অনুপ্রাণিত করে। তাই বলা যায় যে, বাংলার নতুন লেখকদের প্রতি প্রাবন্ধিকের নিবেদন উদ্দীপকে যথার্থভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

২। লোকহিতৈষী ও মানবতার মহান সাধক লালন ফকির জাতি-ধর্ম-বর্ণ ও ব্রাত্য-বৃত্য নির্বিশেষে মানবমুক্তির লক্ষ্যে আমৃত্যু সংগীতসাধনা করে গেছেন। প্রচলিত সমাজের বিরুদ্ধে তাঁর দ্রোহিতা ছিল মানবতার প্রত্যয়জাত দায়িত্ববোধ থেকে উৎসারিত। আর এ কারণেই এই মহৎ আরাধক মনুষ্য সমাজে চিরস্বরণীয় হয়ে আছেন।

ক. লেখকের মতে, সত্য ও ধর্ম ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী ধারণ কী?

খ. সাহিত্য রচনার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? ব্যাখ্যা করো।

গ. ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধে বর্ণিত সাহিত্য রচনার কোন উদ্দেশ্যের প্রতিফলন উদ্দীপকে ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো। (বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর)

ঘ. ‘সাহিত্য রচনার ক্ষেত্রে লালন ফকিরের আদর্শ অনুসরণীয়।’- ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক। লেখকের মতে, সত্য ও-ধর্ম ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী ধারণ মহাপাপ।

খ। সাহিত্য রচনার প্রকৃত উদ্দেশ্য সৌন্দর্য সৃজন ও মানবকল্যাণ।

বিভিন্ন লেখক বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে সাহিত্য রচনায় ব্রতী হন। কেউ অর্থ ও যশলাভ করতে চান। কেউ নিছক সৌন্দর্যের ভাবনা প্রকাশ করেন। কেউ আবার মানবকল্যাণে জীবন সঁপে দেন। তবে সাহিত্যের প্রকৃত লক্ষ্য হলো সত্য ও ধর্ম। সৌন্দর্যসৃষ্টি ও মানবকল্যাণ যার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ কারণে সৌন্দর্যসৃষ্টি ও মানবমজঙ্গলই সাহিত্য রচনার প্রকৃত সর্বজনীন উদ্দেশ্য বলে বিবেচিত।

গ। ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধে উল্লিখিত মানবকল্যাণে সাহিত্য রচনার দিকটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।

‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাহিত্য রচনার প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তাঁর মতে, সাহিত্যের মূল উদ্দেশ্য হলো সত্য ও ধর্ম। সুন্দরের ভাবনা ও মানবমুক্তিই যার মূল প্রতিপাদ্য। তাই সৌন্দর্যসৃষ্টি অথবা মানবকল্যাণ সাধনই সাহিত্য রচয়িতার মূল লক্ষ্য হওয়া বাঞ্ছনীয়।

উদ্দীপকে লালন ফকিরের সংগীত সাধানার স্বরূপ ফুটে উঠেছে। তাঁর সাধনার মূলে ছিল মানবতার মুক্তি। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্নই তাঁকে প্রচলিত সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে দ্রোহী করে তুলেছিল। ফলে সংগীতের মাধ্যমে তিনি মানুষের অধিকারের কথা বলতেন। এ মাধ্যমেই তিনি মানবকল্যাণের পথে নিজেকে সমার্পণ করেছেন। তাঁর সংগীতে মানুষের প্রকৃত মর্যাদার কথাই বারবার ধ্বনিত ও রচিত হয়েছে। মানবতার কল্যাণার্থে সাহিত্য রচনার এ প্রসঙ্গটিই উদ্দীপক ও ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের মধ্যে সাদৃশ্য রচনা করেছে।

ঘ। উদ্দীপকের লালন ফকির ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের প্রত্যাশা অনুযায়ী লোকহিতৈষে সাহিত্য সাধনা করেছেন বলে তাঁর আদর্শ অনুসরণীয়। (বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর)

‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাহিত্য রচনার নানা দিক সম্পর্কে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি নবীন লেখকগণের উদ্দেশে নিবেদন করেছেন। এর অন্যতম হলো সাহিত্য রচনার অভিলক্ষ্য নির্ধারণ। তাঁর মতে, সৌন্দর্য সৃষ্টি ও মানবকল্যাণ সাধনের জন্যই কেবল লেখা উচিত। তবেই সাহিত্যের প্রকৃত উদ্দেশ্য পূরণ হবে।

উদ্দীপকে লোকহিতৈষী ও মানবমুক্তির মহান সাধক লালন ফকিরের কথা বলা হয়েছে। তাঁর সাহিত্য ও সংগীত সাধনার লক্ষ্য ছিল মানুষের কল্যাণ। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাকে তিনি নিজের দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। এ কারণেই তাঁর গানে মূর্ত হয় মানবতার কথা। ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধ অবলম্বনে বলা যায়, লালন ফকিরের সংগীত ও সাহিত্যে প্রকৃত উদ্দেশ্যই ফুটে উঠেছে।

বিভিন্ন লেখক বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে লিখে থাকেন। কেউ যশ, কেউ অর্থ কেউবা আবার ব্যক্তিগত স্বার্থরক্ষার জন্যও লেখনী ধারণ করেন। এ ধরনের লেখাগুলো সাধারণত উৎকৃষ্ট মানের হয় না এবং কালান্তরে তা সাহিত্যলোক থেকে হারিয়ে থাকে। অন্যদিকে যাঁরা সৌন্দর্যের ভাবনা বা মানবকল্যাণের প্রেরণা থেকে লিখতে চান, তাঁদের লেখা উৎকৃষ্ট এবং কালজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আদর্শ লেখকগণ নিজেদের সাহিত্য রচনার ক্ষেত্রে এ বিষয়ে সচেতন থাকেন। উদ্দীপকে বর্ণিত লালন ফকির তেমনই একজন সংগীত সাধক ও সাহিত্যিক। তাঁর সংগীতে আমরা দেখতে পাই বিভেদহীন সমাজে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা। আলোচ্য প্রবন্ধেও উৎকৃষ্ট লেখক হওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে সাহিত্য রচনার এই মহান লক্ষ্যের অনুগামী হওয়ার আহ্বান রয়েছে। সার্বিক বিবেচনায় তাই বলা যায়, সংগীত সাধন ও সাহিত্য রচনায় লালন ফকিরের আদর্শ নির্দ্বিধায় অনুসরণযোগ্য।

আরো পড়ুন: এইচএসসি বাংলা গন্তব্য কাবুল গল্পের নোট

৩। এম হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যের একজন কালজয়ী লেখক। আবেগ ও হাস্যরসের অসামান্য ব্যবহার তাঁর রচনাগুলো পাঠকসমাজে সমাদৃত করেছে। তাঁর লেখার অন্যতম দিক হলো সরলতা। সহজ ভাষায় জীবনের অন্তর্নিহিত দর্শনের এমন সাবলীল প্রকাশ খুব বেশি লেখকের মাঝে সচরাচর দেখা যায় না। এই গুণের কারণেই তাঁর লেখা পড়ে এদেশের বহু মানুষ বইমুখী হওয়ার প্রেরণা পেয়েছে।

ক. বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, কে শ্রেষ্ঠ লেখক?

খ. বঙ্কিমচন্দ্র সরলতাকে সকল অলংকারের শ্রেষ্ঠ অলংকার বলেছেন কেন?

গ. ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের লেখকের কোন বিষয়ক পরামর্শ উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। (বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর)

ঘ. ‘হুমায়ূন আহমেদ একজন সার্থক লেখক।’- প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

৪। এ যুগে অনেক লেখক কেবল অর্থ উপার্জনের আশায় নিম্নমানের সাহিত্য রচনা করেন। সাধারণ পাঠকের মনোরঞ্জন করা তাদের লেখার বৈশিষ্ট্য। কেবল নিম্নশ্রেণির লেখকের পক্ষেই এ ধরনের সাহিত্য রচনা করা সংগত। কিন্তু কোনো মহৎ লেখক কারো মনোরঞ্জনের জন্য সাহিত্য রচনা করেন না।

ক. ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

খ. ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকে ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. উদ্দীপকটি কি ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের সম্পূর্ণ বক্তব্যকে ধারণ করে? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও ।

৫। আরাফ বড়ো হয়ে লেখক হতে চায়। তাই সে এখন থেকেই লেখালেখির চর্চা করছে। সহজসরল শব্দ ব্যবহার তার লেখার প্রধান বৈশিষ্ট্য। অপরিচিত বা জটিল শব্দসম্ভার সে সর্বদা পরিত্যাগ করে। সে মনে করে যে, তার লেখা পাঠককে বোধগম্য করাই আসল লক্ষ্য।

ক. বঙ্কিমচন্দ্র কোনটিকে বাংলার ভরসা বলেছেন?

খ. লেখক বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টাকে নিষেধ করেছেন কেন?

গ. উদ্দীপকে ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. “উদ্দীপকে ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের আংশিক ভাবনা প্রকাশিত হয়েছে।”- বিশ্লেষণ করো।


এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রের বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর PDF Download

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top