ব্যবস্থাপনা ১ম পত্রের যৌথ মূলধনী ব্যবসায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন (PDF)

এইচএসসিব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্রের যৌথ মূলধনী ব্যবসায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন পিডিএফ ডাউনলোড করুন। ২০২৬ সালের সকল বোর্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন এখানে দেওয়া হলো।


যৌথ মূলধনী ব্যবসায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ২০২৬

প্রশ্ন-১. যৌথ মূলধনী ব্যবসায় বা কোম্পানি কী?

উত্তর: কোম্পানি আইন অনুযায়ী গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত সংগঠনকে যৌথ মূলধনী কোম্পানি বলে।

প্রশ্ন-২. প্রথম কোথায় যৌথ মূলধনী ব্যবসায়ের উদ্ভব হয়?

উত্তর: সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডে যৌথ মূলধনী ব্যবসায়ের উদ্ভব হয়।

প্রশ্ন-৩. সর্বপ্রথম কত সালে কোম্পানি আইন পাস করা হয়?

উত্তর: সর্বপ্রথম ১৮৪৪ সালে কোম্পানি আইন পাস করা হ্যা।

প্রশ্ন-৪. কোম্পানির অস্তিত্ব কোন প্রকৃতির?

উত্তর: কোম্পানির অস্তিত্ব চিরন্তন প্রকৃতির।

প্রশ্ন-৫. কোম্পানির কৃত্রিম সত্তা কাকে বলে?

উত্তর: যে সত্তা বা অস্তিত্বের মাধ্যমে কোম্পানি ব্যক্তি না হয়েও ব্যক্তির মতো আইনগত মর্যাদা ও অধিকার লাভ করে এবং স্বাধীনভাবে নিজ নামে পরিচিত ও পরিচালিত হয়, তাকে কোম্পানির কৃত্রিম সত্তা বলে।

প্রশ্ন-৬. কোম্পানির চিরন্তন অস্তিত্ব কাকে বলে?

উত্তর: যৌথ মূলধনী কোম্পানি আইনের মাধ্যমে গঠিত ও টিকে থাকে বলে সদস্যদের দেউলিয়াত্ব, মৃত্যু বা পরিবর্তনে কোম্পানি বিলুপ্ত হয় না। এজন্য একে চিরন্তন অস্তিত্বের অধিকারী ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বলে।

প্রশ্ন-৭. সনদপ্রাপ্ত কোম্পানি কাকে বলে?

উত্তর: ১৮৪৪ সালে ব্রিটেনে কোম্পানি আইন পাস হওয়ার আগে ঐ দেশের রাজা বা রানীদের বিশেষ আদেশ বা সনদ বলে যে কোম্পানি গঠিত হয়েছে, তাকে সনদপ্রাপ্ত কোম্পানি বলে। যেমন: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।

প্রশ্ন-৮. বিধিবদ্ধ কোম্পানি কী?

উত্তর: দেশের আইনসভায় বিল পাস বা রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধ্যাদেশে গঠিত ও নিয়ন্ত্রিত কোম্পানিকে বিধিবদ্ধ/ সংবিধিবদ্ধ, কোম্পানি বলে। যেমন: বাংলাদেশ ব্যাংক, ওয়াসা এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের উদাহরণ।

প্রশ্ন-৯. কোম্পানি নিবন্ধন কী?

উত্তর: কোম্পানি আইন অনুযায়ী নিবন্ধকের কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানের নাম তালিকাভুক্ত করাকে কোম্পানি নিবন্ধন বলে।

আরো পড়ুন: ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র অংশীদারি ব্যবসায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

প্রশ্ন-১০. নিবন্ধিত কোম্পানি কী?

উত্তর: দেশে বিদ্যমান কোম্পানি আইন অনুযায়ী নিবন্ধনপত্র সংগ্রহ করে যে কোম্পানি গঠন ও পরিচালনা করা হয়, তাকে নিবন্ধিত কোম্পানি বলে।

প্রশ্ন-১১. সীমিত দায় কোম্পানি কত প্রকার?

উত্তর: সীমিত দায় কোম্পানি দু প্রকার।

প্রশ্ন-১২. সীমাবদ্ধ দায় কী?

উত্তর: কোম্পানির শেয়ার ক্রয়মূল্য পর্যন্ত যে দায় নির্দিষ্ট থাকে, তাকে সীমাবদ্ধ দায় বলে।

প্রশ্ন-১৩. প্রতিশ্রুতি দ্বারা দায় সীমাবদ্ধ কোম্পানি কী?

উত্তর: যে কোম্পানির সদস্যগণ তাদের কেনা শেয়ারের মূল্য ছাড়াও যেকোনো দেনার নির্দিষ্ট অংশের দায় বহন করার প্রতিশ্রুতি দেন, তাকে প্রতিশ্রুতি দ্বারা দায় সীমাবদ্ধ কোম্পানি বলে।

প্রশ্ন-১৪. সরকারি কোম্পানি কাকে বলে?

উত্তর: যে কোম্পানিতে কমপক্ষে ৫১% শেয়ার সরকারি মালিকানায় থাকে, তাকে সরকারি কোম্পানি বলে। এ ধরনের কোম্পানির পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের মূল দায়িত্ব সরকারের হাতে থাকে।

প্রশ্ন-১৫. বেসরকারি কোম্পানি কাকে বলে?

উত্তর: যেখানে সব বা অধিকাংশ শেয়ার ব্যক্তিমালিকানায় থাকে, তাকে বেসরকারি কোম্পানি বলে। এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের মূল ভার শেয়ারহোল্ডারদের ওপর থাকে।

প্রশ্ন-১৬. হোল্ডিং কোম্পানি কী?

উত্তর: যে কোম্পানি অন্য এক বা একাধিক কোম্পানির সব শেয়ার অথবা ৫০%-এর বেশি শেয়ার কিনে সেগুলোর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের অধিকার লাভ করে, তাকে হোল্ডিং কোম্পানি বলে।

প্রশ্ন-১৭. সাবসিডিয়ারি কোম্পানি কী?

উত্তর: যে কোম্পানির অধিকাংশ শেয়ারের মালিকানা, বেশির ভাগ ভোট দেওয়ার ক্ষমতা এবং পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা অন্য কোনো কোম্পানির হাতে অর্থাৎ, হোল্ডিং কোম্পানির হাতে থাকে; তাকে সাবসিডিয়ারি কোম্পানি বলে।

প্রশ্ন-১৮. অসীম দায়সম্পন্ন কোম্পানি কাকে বলে?

উত্তর: যে নিবন্ধিত কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের বিনিয়োগ করা মূলধনের বাইরেও ব্যক্তিগত দায় থাকে, তাকে অসীম দায়সম্পন্ন কোম্পানি বলে।

আরো পড়ুন: একমালিকানা ব্যবসায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

প্রশ্ন-১৯. বিদেশি কোম্পানি কাকে বলে?

উত্তর: বিদেশে গঠিত ও নিবন্ধিত কোম্পানি বাংলাদেশে কোনো নির্দিষ্ট কাজ পরিচালনার জন্য ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ৩৭৮ ধারা অনুযায়ী পুনরায় নিবন্ধিত হলে, তাকে বিদেশি কোম্পানি বলে।

প্রশ্ন-২০. বহুজাতিক কোম্পানি কাকে বলে?

উত্তর: যে কোম্পানির মালিকানা, ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ একটি নির্দিষ্ট দেশের প্রধান অফিসের মাধ্যমে বিশ্বের অন্যান্য দেশে পরিচালিত হয়, তাকে বহুজাতিক কোম্পানি বলে।

প্রশ্ন-২১. প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি কী?

উত্তর: যে কোম্পানির সর্বনিম্ন সদস্য সংখ্যা দুই এবং সর্বোচ্চ পদ্যাশ জনে সীমাবদ্ধ এবং শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য নয়, তাকে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলে।

প্রশ্ন-২২. পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি কী?

উত্তর: যে কোম্পানির ন্যূনতম সদস্য সংখ্যা সাত এবং সর্বোচ্চ সদস্য এর শেয়ার সংখ্যায় সীমাবদ্ধ, শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য এবং জনগণের উদ্দেশ্যে শেয়ার বিক্রির আহ্বান জানাতে পারে, তাকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি বলে।

প্রশ্ন-২৩. জনসাধারণের কাছ থেকে ঋণ নিতে পারে কোন ধরনের সংগঠন?

উত্তর: যৌথ মূলধনী কোম্পানির অন্তর্গত পাবলিক লি. কোম্পানি জনসাধারণের কাছ থেকে ঋণ নিতে পারে।

প্রশ্ন-২৪. পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির ন্যূনতম পরিচালক সংখ্যা কত?

উত্তর: পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির ন্যূনতম পরিচালক সংখ্যা তিন জন।

প্রশ্ন-২৫. নিবন্ধনপত্র সংগ্রহের পর কোন কোম্পানি কাজ শুরু করতে পারে?

উত্তর: নিবন্ধনপত্র সংগ্রহের পর প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি কাজ শুরু করতে পারে।

প্রশ্ন-২৬. কোন কোম্পানিকে কাজ শুরু করার জন্য কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হয়?

উত্তর: পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিকে কাজ শুরু করার জন্য কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হয়।

প্রশ্ন-২৭. কোম্পানির অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম কী?

উত্তর: কোম্পানির অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম বলতে কোম্পানির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা ও দৈনন্দিন কাজ পরিচালনা সংক্রান্ত কাজগুলোকে বোঝায়।

আরো পড়ুন: ব্যবসায় পরিবেশ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

প্রশ্ন-২৮. বিধিবদ্ধ সভা আহ্বান করা হয় কত দিনের মধ্যে?

উত্তর: বিধিবদ্ধ সভা ১৮০ দিনের মধ্যে আহ্বান করা হয়।

প্রশ্ন-২৯. এজিএম কাকে বলে?

উত্তর: প্রত্যেক কোম্পানিতে প্রতিবছর যে বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজন করতে হয়, তাকে এজিএম (Annual General Meetting) বলে।

প্রশ্ন-৩০. কোম্পানির মূল দলিলের নাম কী?

উত্তর: কোম্পানির মূল দলিলের নাম হলো স্মারকলিপি/সংঘস্মারক/পরিমেলবন্ধ।

প্রশ্ন-৩১. স্মারকলিপি/সংঘস্মারক/ পরিমেলবন্ধ কী?

উত্তর: যে মূল দলিলে কোম্পানির মৌলিক বিষয়গুলো (কোম্পানির নাম, ঠিকানা, উদ্দেশ্য, দায়, মূলধন, সম্মতি) সংক্ষেপে লিপিবদ্ধ থাকে, তাকে স্মারকলিপি বা পরিমেলবন্ধ বলে।

প্রশ্ন-৩২. পরিমেল নিয়মাবলি বা সংঘবিধি কী?

উত্তর: যে দলিলে কোম্পানির অভ্যন্তরীণ কাজ পরিচালনা সংক্রান্ত যাবতীয় নিয়ম-নীতি লিপিবদ্ধ থাকে এবং যেটি প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত বিভিন্ন ব্যক্তির ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও সম্পর্কের দিকনির্দেশনা দেয়; তাকে পরিমেল নিয়মাবলি বলে।

প্রশ্ন-৩৩. বিবরণপত্র কী?

উত্তর: পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার বিক্রির জন্য জনসাধারণের উদ্দেশ্যে কোম্পানির সব বিষয় উল্লেখ করে যে প্রচারপত্র ইস্যু করে, তাকে বিবরণপত্র বলে।

প্রশ্ন-৩৪. বিকল্প বিবরণপত্র কাকে বলে?

উত্তর: কোম্পানির প্রবর্তকগণ জনগণকে শেয়ার কেনার আহ্বান না জানিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে কোম্পানি সম্পর্কে শুধু নিবন্ধককে জানাতে যে প্রচারপত্র প্রকাশ করে, তাকে বিকল্প বিবরণপত্র বলে।

প্রশ্ন-৩৫. ন্যূনতম মূলধন/চাঁদা কী?

উত্তর: পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির পরিমেল নিয়মাবলি ও বিবরণপত্রে কোম্পানি গঠনের প্রাথমিক খরচ, চলতি মূলধন ও অন্যান্য প্রাথমিক খরচের উদ্দেশ্যে যে নির্দিষ্ট ন্যূনতম পরিমাণ মূলধন, সংগ্রহের প্রতিশ্রুতির কথা বলা থাকে, তাকে ন্যূনতম মূলধন বা ন্যূনতম চাঁদা বলে।

আরো পড়ুন: ব্যবসায়ের মৌলিক ধারণা জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

প্রশ্ন-৩৬. কোম্পানির নিবন্ধনপত্র কাকে বলে?

উত্তর: কোম্পানি আইনের বিভিন্ন বিধান বা আনুষ্ঠানিকতা পালন শেষে কোনো কোম্পানির প্রবর্তক বা উদ্যোক্তারা কোম্পানি নিবন্ধকের কাছ থেকে নিবন্ধনের প্রমাণ হিসেবে যে দলিল সংগ্রহ করে, তাকেই নিবন্ধনপত্র বলে।

প্রশ্ন-৩৭. কোন দলিলকে কোম্পানির জন্মসনদ বলে?

উত্তর: নিবন্ধপত্রকে কোম্পানির জন্মসনদ বলে।

প্রশ্ন-৩৮. কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র/ছাড়পত্র কী?

উত্তর: পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির ব্যবসায়িক কাজ শুরুর জন্য উদ্যোক্তারা নিবন্ধকের কাছ থেকে যে অনুমতি বা ছাড়পত্র লাভকরে থাকে, তাকে কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র বলে।

প্রশ্ন-৩৯. যোগ্যতাসূচক শেয়ার কী?

উত্তর: স্মারকলিপি এবং পরিমেল নিয়মাবলিতে বর্ণিত যে নির্ধারিত সংখ্যক সাধারণ শেয়ার কিনলে কোম্পানির পরিচালক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করা যায়, তাকে পরিচালকের যোগ্যতাসূচক শেয়ার বলে।

প্রশ্ন-৪০. কোম্পানির মূলধন কী?

উত্তর: কোম্পানির মূলধন বলতে শেয়ার মালিক ও অন্যান্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা নগদ অর্থ এবং এর যাবতীয় স্থায়ী ও অস্থায়ী সম্পত্তিকে বুঝিয়ে থাকে, যেগুলোর সাহায্যে কোম্পানি পরিচালিত হয়।

প্রশ্ন-৪১. শেয়ার কী?

উত্তর: কোম্পানি সংগঠনের অনুমোদিত মোট শেয়ার মূলধনের প্রতিটি সমান ও ক্ষুদ্র অংশের একককেই শেয়ার বলে। অর্থাৎ, কোম্পানি মূলধনের সমভাগে ভাগ করা একেকটি অংশকে শেয়ার বলে।

প্রশ্ন-৪২. শেয়ার ওয়ারেন্ট কী?

উত্তর: শেয়ারের সম্পূর্ণ মূল্য আদায়ের পর এর প্রমাণ হিসেবে শেয়ার মালিকদের যে দলিল ইস্যু করা হয়, তাই শেয়ার ওয়ারেন্ট।

প্রশ্ন-৪৩. শেয়ার মালিকানার মুখ্য প্রামাণ্য দলিলকে কী বলে?

উত্তর: শেয়ার মালিকানার মুখ্য প্রামাণ্য দলিলকে শেয়ার সার্টিফিকেট বলে।

প্রশ্ন-৪৪. সাধারণ শেয়ার কী?

উত্তর: যে শেয়ারের মালিকগণ অধিকার, দায়িত্ব ও কর্তব্যের দিক বেশি সুবিধা ও মর্যাদা পেলেও লভ্যাংশ বণ্টনে এবং বিলোপসাধনের সময় মূলধন ফেরতে অগ্রাধিকার পান না, তাকে সাধারণ বা ইক্যুইটি শেয়ার বলে।

প্রশ্ন-৪৫. অগ্রাধিকার শেয়ার কাকে বলে?

উত্তর: যে শেয়ারের মালিকগণ ব্যবসায়ের লভ্যাংশ বণ্টনের ক্ষেত্রে এবং ব্যবসায়ের বিলোপসাধনের সময় সকলের আগে তাদের মূলধন ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে অধিকার পায়, তাকে অগ্রাধিকারযুক্ত শেয়ার বলে।

প্রশ্ন-৪৬, অসঞ্চয়ী অগ্রাধিকার শেয়ার কী?

উত্তর: যে শেয়ারের মালিকগণ কোম্পানির মুনাফা হলে নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ পায় কিন্তু মুনাফা না হলে ঐ লভ্যাংশ পায় না, তাকে অসঞ্চয়ী অগ্রাধিকার শেয়ার বলে।

প্রশ্ন-৪৭. পার্টিসিপেটিং বা অংশগ্রহণকারী অগ্রাধিকার শেয়ার কী?

উত্তর: যে অগ্রাধিকার শেয়ারের মালিকগণ মুনাফা থেকে নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ পেলেও পরবর্তীতে সাধারণ শেয়ার মালিকদের মধ্যে লভ্যাংশ ভাগ করে দেওয়ার সময় পুনরায় অংশ পায়, তাকে পার্টিসিপেটিং অগ্রাধিকার শেয়ার বলে।

প্রশ্ন-৪৮. বিলম্বিত বা প্রবর্তকদের শেয়ার কী?

উত্তর: যে শেয়ারের মালিকগণ অগ্রাধিকার ও সাধারণ শেয়ার মালিকদের পরে লভ্যাংশ পান এবং বিলোপসাধনের সময় সকলের শেষে মূলধন ফেরত পান, তাকে বিলম্বিত বা প্রবর্তকদের শেয়ার বলে।

প্রশ্ন-৪৯. বোনাস শেয়ার কাকে বলে?

উত্তর: শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ হিসেবে নগদ অর্থ পরিশোধ না করে যে শেয়ার ইস্যু করা হয়, তাকে বোনাস শেয়ার বলে।

প্রশ্ন-৫০. রাইট শেয়ার কাকে বলে?

উত্তর: কোম্পানির অতিরিক্ত মূলধন সংগ্রহের উদ্দেশ্যে নতুন শেয়ার বাজারে ছাড়ার সময় বর্তমান শেয়ার মালিকদের অগ্রাধিকার দিয়ে তাদের আগের কেনা শেয়ারের অনুপাতে যে নতুন শেয়ার ইস্যু করে, তাকে রাইট/দাবিযুক্ত/অধিকার শেয়ার বলে।

প্রশ্ন-৫১. অনাঙ্কিক মূল্য শেয়ার কী?

উত্তর: যেসব শেয়ারের কোনো আঙ্কিক মূল্য থাকে না, সেগুলোকে অনাকিক মূল্য শেয়ার বলে।

প্রশ্ন-৫২. কোম্পানিতে শেয়ারহোল্ডারদের প্রতিনিধি কাদের বলা হয়?

উত্তর: কোম্পানিতে শেয়ারহোল্ডারদের প্রতিনিধি বলা হয় কোম্পানির পরিচালকদের।

প্রশ্ন-৫৩. অবলেখক কে?

উত্তর: পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার ও ঋণপত্র বিক্রির জন্য চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অবলেখক বলে।

প্রশ্ন-৫৪. অবলেখন কী?

উত্তর: পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার ও ঋণপত্র বিক্রির জন্য অবলেখকদের কাজকে অবলেখন বলে।

প্রশ্ন-৫৫. ঋণপত্র কী?

উত্তর: পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি ঋণ নেওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে যে দলিল ইস্যু করে, তাকে ঋণপত্র বলে।

প্রশ্ন-৫৬, স্টক কাকে বলে?

উত্তর: কোম্পানির আদায় করা মূলধনকে বিভিন্ন অসমান অংশে ভাগ করা হলে, তার প্রত্যেকটি একককে স্টক বলে।

প্রশ্ন-৫৭. কোম্পানি সংগঠনের বিলোপসাধন কী?

উত্তর: কোম্পানির সব সম্পত্তির আর্থিক মূল্য নির্ধারণ ও বিক্রি, ঋণ পরিশোধ, শেয়ারহোল্ডারদের দাবি পরিশোধ প্রভৃতি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোম্পানির আইনগত সত্তার সমাপ্ত করাকে কোম্পানির বিলোপসাধন বলা হয়।

প্রশ্ন-৫৮. কোম্পানি বিলোপসাধনের পদ্ধতি কয়টি?

উত্তর: কোম্পানি বিলোপসাধনের পদ্ধতি তিনটি।

প্রশ্ন-৫৯. স্বেচ্ছাকৃত বিলোপসাধন কী?

উত্তর: কোম্পানির সদস্য বা পরিচালকগণ নিজেদের ইচ্ছায় কোনো ব্যবসায় বন্ধ করলে, তাকে স্বেচ্ছাকৃত বিলোপসাধন বলে।

প্রশ্ন-৬০, পাওনাদারগণ কর্তৃক স্বেচ্ছাকৃত বিলোপসাধন কী?

উত্তর: কোম্পানির পরিচালকদের আর্থিক সামর্থ্যের ঘোষণা না দেওয়ায় শেয়ারহোল্ডার ও পাওনাদাররা একসাথে হয়ে বিলোপসাধনের সিদ্ধান্ত নিলে, তাকে পাওনাদারগণ কর্তৃক স্বেচ্ছাকৃত বিলোপসাধন বলে।

প্রশ্ন-৬১. বায়িং হাউজ কী?

উত্তর: আমদানিকারক ও উৎপাদনকারীর মাঝে কমিশন নেওয়া ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান যেটি উভয় পক্ষের প্রতি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে ও পণ্য সরবরাহের দায়িত্ব পালন করে, তাকে বায়িং হাউজ বলে।

প্রশ্ন-৬২. মার্চেন্ডাইজিং ব্যবসায় কী?

উত্তর: কোন ব্যক্তি বা উৎপাদনকারী প্রয়োজনীয় কাঁচামাল কিনে পণ্য উৎপাদন, নিয়ন্ত্রণ ও বিক্রি করার দায়িত্ব নিলে, তাকে মার্চেন্ডাইজিং ব্যবসায় বলে।

প্রশ্ন-৬৩, স্টক এক্সচেঞ্জ কী?

উত্তর: স্টক এক্সচেঞ্জ হলো একটি সংগঠিত মাধ্যমিক (Secondary) বাজার; যেখানে সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত কোম্পানির শেয়ার, স্টক, বন্ড, ডিবেন্যার এবং সরকারি সিকিউরিটিসমূহ কেনা-বেচা করা হয়।

প্রশ্ন-৬৪. ক্ষুদ্র ঋণ কী?

উত্তর: ক্ষুদ্র শিল্প বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গঠন বা স্বপ্নবিত্তের দরিদ্র লোকদের উদ্যোগে স্বল্প পরিমাণে ও সহজ শর্তে যে ঋণ দেওয়া হয়, তাকে ক্ষুদ্র ঋণ বলা হয়।

প্রশ্ন-৬৫. বিকাশের মূল উদ্দেশ্য কী?

উত্তর: বিকাশের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের মানুষের জন্য বড় পরিসরে অর্থ স্থানান্তরের মাধ্যমে আর্থিক সেবা নিশ্চিত করা।

প্রশ্ন-৬৬, আউটসোর্সিং ব্যবসায় কী?

উত্তর: চুক্তির মাধ্যমে নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করানোকে সাধারণত আউটসোর্সিং বলে। আর এ কাজে জড়িত ব্যবসায়ই হলো আউটসোর্সিং ব্যবসায়।

প্রশ্ন-৬৭. ফ্রিল্যান্সার কাকে বলে?

উত্তর: আউটসোর্সিংয়ের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের ফ্রিল্যান্সার বলে। ফ্রিল্যান্সার মানে হলো মুক্ত বা স্বাধীন পেশাজীবী।

প্রশ্ন-৬৮. সফটওয়্যার কী?

উত্তর: কম্পিউটার বা কোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্র কীভাবে কাজ করবে তা নির্দেশ করতে সংগৃহীত কিছু প্রোগ্রামের সমষ্টি হলো সফটওয়্যার।

প্রশ্ন-৬৯. ডেটা এন্ট্রি ব্যবসায় কাকে বলে?

উত্তর: ডেটা এন্ট্রি হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ধরনের ডেটা একটি স্থান/প্রোগ্রাম থেকে অন্য আরেকটি স্থানে প্রাগ্রামে প্রতিলিপি তৈরি করা।

প্রশ্ন-৭০. কল সেন্টার, কাকে বলে?

উত্তর: কল সেন্টার এমন এক ধরনের প্রতিষ্ঠান, যার মাধ্যমে চুক্তির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানের কাস্টমারদের সেবা দেওয়া হয়।

প্রশ্ন-৭১. কুরিয়ার সার্ভিস কী?

উত্তর: দুত, সহজে ও নিরাপদে কোন জিনিস অন্য কোথাও প্রেরণের স্বতন্ত্র ডাক সেবা ব্যবস্থাকে কুরিয়ার সার্ভিস বলে।


এইচএসসি ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্রের যৌথ মূলধনী ব্যবসায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন পিডিএফডাউনলোড করুন।

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top