HSC নেকলেস গল্পের স্মার্ট নোট (PDF)

HSC নেকলেস গল্পের স্মার্ট নোটপরীক্ষার্থীদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি সহায়িকা। এখানে সারাংশ, চরিত্র পরিচিতি, বিষয়বস্তু, শব্দার্থ, ব্যাখ্যা, MCQ, CQ এবং পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সহজ ভাষায় সাজানো হয়েছে। নিচে সম্পূর্ণ নোট পড়ুন অথবা PDF Download করুন।


HSC নেকলেস গল্পের স্মার্ট নোট

গি দ্য মোপাসাঁ (Guy de Maupassant)

পরিচয়: ফরাসি কবি, গল্পকার ও ঔপন্যাসিক জন্ম: ৫ আগস্ট ১৮৫০, নরম্যান্ডি, ফ্রান্স মৃত্যু: ৬ জুলাই ১৮৯৩ (৪৩ বছর বয়সে) পিতা-মাতা: গুস্তাব দ্য মোপাসাঁ (পিতা), লরা লি পয়টিভিন (মাতা)

শিক্ষা ও কর্মজীবন

  • ১৮৬৭: নিম্ন মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি
  • ১৮৬৯: প্যারিসে আইন বিষয়ে পড়াশোনা শুরু
  • ফরাসি-প্রুশীয় যুদ্ধের কারণে পড়াশোনা ছেড়ে সেনাবাহিনীতে যোগদান
  • ১৮৭২–১৮৮০: নৌ মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সিভিল সার্ভেন্ট হিসেবে কর্মরত

সাহিত্যজীবন

  • গুরু/পারিবারিক বন্ধু: গুস্তাভ ফ্লবেয়ার
  • ১৮৮০: প্রথম কাব্যগ্রন্থ De Ver প্রকাশ (তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি)
  • একই বছর Les Soirées de Médan সংকলনে প্রকাশিত হয় প্রথম বড় গল্প ‘Boule de Suif’ (ফ্রাঙ্কো-প্রুশিয়ান যুদ্ধের পটভূমিতে)
  • ১৮৮৩: বিখ্যাত গল্প মাদমোয়াজেল ফিফি
  • প্রথম উপন্যাস Une Vie — সরকারি রোষানলের শিকার হয়
  • ১৮৮৫: বিখ্যাত উপন্যাস বেল আমি (Bel-Ami)
  • মাত্র এক দশকের সাহিত্যজীবনে রচনা করেন: ৩০০ ছোটগল্প, ৬টি উপন্যাস, কিছু কবিতা ও ৩টি ভ্রমণকাহিনী
  • মূল্যায়ন: ছোটগল্পকার হিসেবে যত পারদর্শী, উপন্যাসে ততটা নন

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ/গল্প

দ্যা ডায়মন্ড নেকলেস · আফটার · এ্যাট সী · এ ডিভোর্স কেইস · এ ম্যাডম্যান · এ লেটার · অ্যান অ্যাডভেঞ্চার ইন প্যারিস · এ ফ্যামিলি · এ ট্রু ড্রামা · অ্যান ওল্ড ম্যান

মৃত্যু

তারুণ্যেই সিফিলিসে আক্রান্ত হন → মানসিক বিপর্যয় → ২ জানুয়ারি ১৮৯২ আত্মহত্যার চেষ্টা (কণ্ঠনালী কেটে) → প্যারিসের প্রাইভেট অ্যাসাইলামে ভর্তি → ৬ জুলাই ১৮৯৩ মৃত্যু।

পূর্ণেন্দু দস্তিদার

পরিচয়: বাঙালি সশস্ত্র বিপ্লববাদী, রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক জন্ম: ২০ জুন ১৯০৯, ধলঘাট গ্রাম, পটিয়া উপজেলা, চট্টগ্রাম মৃত্যু: ৯ মে ১৯৭১ (ভারত যাওয়ার পথে অসুস্থ হয়ে) পিতা-মাতা: চন্দ্রকুমার দস্তিদার (পিতা), কুমুদিনী দস্তিদার (মাতা) পেশা: আইনজীবী

পারিবারিক প্রেক্ষাপট

দস্তিদার পরিবারের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সদস্য: শহীদ বিপ্লবী অর্ধেন্দু দস্তিদার (ভাই, জালালাবাদ পাহাড়ের যুদ্ধে শহীদ), সুখেন্দু দস্তিদার ও শরদিন্দু দস্তিদার (পিকিংপন্থী কমিউনিস্ট নেতা), কবি ত্রিদিব দস্তিদার। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের পরিবারের সাথে আত্মীয়তা ছিল এবং তাকে বিপ্লবী আন্দোলনে আনার কৃতিত্ব তার।

রাজনৈতিক ও বিপ্লবী জীবন

  • ১৯২৭: চট্টগ্রাম কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে আই.এস.সি পাশ, পরে যাদবপুরে ভর্তি
  • বি.পি.এস-এর নেতৃস্থানীয় কর্মী; চট্টগ্রাম স্বাধীনতা আন্দোলনে যুক্ত
  • মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম যুববিদ্রোহে যোগদান
  • ১৮ এপ্রিল ১৯৩০: চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন অভিযানে অংশগ্রহণ → গ্রেপ্তার → দীর্ঘ কারাবাস
  • জেল থেকে মুক্তির পর ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগদান
  • দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গ বিধানসভার সদস্য
  • ১৯৪৮: পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি হলে পুনরায় কারাবরণ; পরে আইয়ুব খান সরকারের অধীনে অন্তরীণ
  • ১৯৭০ নির্বাচনে ন্যাপ (ওয়ালি)-এর প্রতিনিধি; ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক সংগঠনে সক্রিয়
  • জেলে থাকাকালীন বি.এ ও আইন পাশ

সাহিত্যকর্ম

মৌলিক গ্রন্থ: স্বাধীনতা সংগ্রামে চট্টগ্রাম, কবিয়াল রমেশ শীল, বীরকন্যা প্রীতিলতা অনুবাদ: শেখভের গল্প, মোপাসাঁর গল্প (এর অন্তর্গত ‘নেকলেস’ গল্পটি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত)

স্মৃতিচিহ্ন

প্রীতিলতা ও ভাই অর্ধেন্দুর স্মৃতিতে প্রতিষ্ঠিত শহিদ মিনার ও স্মারক আজও বাংলাদেশে বিদ্যমান।

সংযোগ

পূর্ণেন্দু দস্তিদার মোপাসাঁর ফরাসি ছোটগল্প সংকলন ‘লা গাইলাইস’-এর অন্তর্ভুক্ত ‘নেকলেস’ গল্পটি বাংলায় অনুবাদ করেন, যা বাংলাদেশের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যসূচির অংশ।

নেকলেস গল্পের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

★ গল্পের নাম ‘নেকলেস’, মূল ফরাসি নাম La Parure, ইংরেজি নাম The Necklace।

★ গল্পের রচয়িতা গী দ্য মোপাসাঁ, বিখ্যাত ফরাসি গল্পকার, ঔপন্যাসিক ও কবি।

★ মোপাসাঁর জন্ম ৫ আগস্ট ১৮৫০ সালে, ফ্রান্সের নরম্যান্ডিতে।

★ মোপাসাঁর মৃত্যু ৬ জুলাই ১৮৯৩ সালে, মাত্র ৪৩ বছর বয়সে।

★ মোপাসাঁর পিতার নাম গুস্তাব দ্য মোপাসাঁ, মাতার নাম লরা লি পয়টিভিন।

★ মোপাসাঁর মা দুরারোগ্য ম্যালানকোলিয়া রোগে ভুগতেন।

★ মোপাসাঁ ১৮৬৭ সালে নিম্ন মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি হন।

★ মোপাসাঁ ১৮৬৯ সালে প্যারিসে আইন বিষয়ে লেখাপড়া শুরু করেন।

★ ফরাসি-প্রুশীয় যুদ্ধের কারণে মোপাসাঁ পড়াশোনা ছেড়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।

★ ১৮৭২–১৮৮০ সাল পর্যন্ত মোপাসাঁ নৌ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সিভিল সার্ভেন্ট ছিলেন।

★ মোপাসাঁর সাহিত্যগুরু ও পারিবারিক বন্ধু ছিলেন গুস্তাভ ফ্লবেয়ার।

★ ১৮৮০ সালে মোপাসাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ De Ver প্রকাশিত হয়।

★ মোপাসাঁর প্রথম বিখ্যাত গল্প ‘Boule de Suif’ (ব্যুল দ্য সুইফ)।

★ ‘Boule de Suif’ প্রকাশিত হয় Les Soirées de Médan সংকলনে।

★ ‘Boule de Suif’ গল্পের বিষয় ফ্রাঙ্কো-প্রুশিয়ান যুদ্ধের পটভূমিতে এক বেশ্যার কাহিনি।

★ ১৮৮৩ সালে মোপাসাঁর বিখ্যাত গল্প ‘মাদমোয়াজেল ফিফি’ প্রকাশিত হয়।

★ মোপাসাঁর প্রথম উপন্যাস Une Vie সরকারি রোষানলের শিকার হয়।

★ ১৮৮৫ সালে মোপাসাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘বেল আমি’ রচিত হয়।

★ মোপাসাঁ মাত্র এক দশকে ৩০০ ছোটগল্প রচনা করেন।

★ মোপাসাঁ তার সাহিত্যজীবনে ৬টি উপন্যাস রচনা করেন।

★ মোপাসাঁ তার সাহিত্যজীবনে ৩টি ভ্রমণকাহিনি রচনা করেন।

★ মোপাসাঁ ছোটগল্পকার হিসেবে যতটা পারদর্শী, উপন্যাসে ততটা ছিলেন না।

★ মোপাসাঁ তরুণ বয়সেই সিফিলিস রোগে আক্রান্ত হন।

★ মোপাসাঁ ২ জানুয়ারি ১৮৯২ সালে কণ্ঠনালী কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

★ আত্মহত্যা চেষ্টার পর মোপাসাঁকে প্যারিসের একটি প্রাইভেট অ্যাসাইলামে ভর্তি করা হয়।

★ ‘নেকলেস’ গল্পটি মূলত মোপাসাঁর ফরাসি সংকলন ‘লা গাইলাইস’-এর অন্তর্ভুক্ত।

★ ‘নেকলেস’ গল্পের বাংলা অনুবাদক পূর্ণেন্দু দস্তিদার।

★ পূর্ণেন্দু দস্তিদারের জন্ম ২০ জুন ১৯০৯ সালে চট্টগ্রামের ধলঘাট গ্রামে।

★ পূর্ণেন্দু দস্তিদারের মৃত্যু ৯ মে ১৯৭১ সালে, ভারতে যাওয়ার পথে অসুস্থ হয়ে।

★ পূর্ণেন্দু দস্তিদারের পিতার নাম চন্দ্রকুমার দস্তিদার, মাতার নাম কুমুদিনী দস্তিদার।

★ পূর্ণেন্দু দস্তিদার পেশায় ছিলেন একজন আইনজীবী।

★ পূর্ণেন্দু দস্তিদার ছিলেন সশস্ত্র বিপ্লববাদী, রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক।

★ পূর্ণেন্দু দস্তিদার মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম যুববিদ্রোহে যোগ দেন।

★ পূর্ণেন্দু দস্তিদার ১৮ এপ্রিল ১৯৩০ সালে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন অভিযানে অংশ নেন।

★ পূর্ণেন্দু দস্তিদারের ভাই অর্ধেন্দু দস্তিদার জালালাবাদ পাহাড়ের যুদ্ধে শহিদ হন।

★ পূর্ণেন্দু দস্তিদারের অনূদিত অন্য গ্রন্থ ‘শেখভের গল্প’ (চেখভের গল্প)।

★ পূর্ণেন্দু দস্তিদারের মৌলিক গ্রন্থ ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ ও ‘কবিয়াল রমেশ শীল’।

★ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র মাতিলদা লোইসেল, রূপবতী কিন্তু দরিদ্র কেরানি-পত্নী।

★ মাতিলদার স্বামীর নাম মসিয়ে লোইসেল, শিক্ষা পরিষদ আপিসের সাধারণ কেরানি।

★ মাতিলদার ধনী বান্ধবীর নাম মাদাম ফোরস্টিয়ার, যাকে ডাকনামে ‘জেনি’ বলা হয়।

★ মাদাম ফোরস্টিয়ার ছিল মাতিলদার ‘কনভেন্ট’ স্কুলের সহপাঠিনী।

★ মাতিলদা নিয়তির ভুলে এক কেরানির পরিবারে জন্ম নিয়েছিল বলে মনে করত।

★ মাতিলদার কোনো আনন্দ, আশা বা বিলাসিতার সুযোগ ছিল না।

★ মাতিলদা সর্বদা বিলাসিতা ও উচ্চ সমাজের জীবনের স্বপ্ন দেখত।

★ মাতিলদা তার বাসকক্ষের দারিদ্র্য ও জীর্ণ আসবাবের জন্য দুঃখ পেত।

★ মাতিলদা কল্পনা করত প্রাচ্য-চিত্র-শোভিত পার্শ্বকক্ষ ও মোটাসোটা গৃহভৃত্যের।

★ মাতিলদার স্বামী এক সন্ধ্যায় শিক্ষামন্ত্রীর নিমন্ত্রণপত্র নিয়ে ঘরে ফেরে।

★ নিমন্ত্রণপত্র ছিল জনশিক্ষা মন্ত্রী ও মাদাম জর্জ রেমপন্নর বাসগৃহে ১৮ জানুয়ারির অনুষ্ঠানের।

★ নিমন্ত্রণপত্র পেয়ে মাতিলদা খুশি না হয়ে বিদ্বেষভরে তা টেবিলে ফেলে দেয়।

★ মাতিলদা উপযুক্ত পোশাকের অভাবে অনুষ্ঠানে যেতে অস্বীকার করে।

★ মাতিলদা একটি নতুন পোশাকের জন্য চারশ ফ্রাঁ দাবি করে।

★ মাতিলদার স্বামী তার বন্দুক কেনার সঞ্চিত টাকা দিয়ে পোশাকের খরচ দেয়।

★ মাতিলদার স্বামী তাকে দশ ফ্রাঁ দিয়ে সত্যিকার ফুল দিয়ে সাজতে বলেছিল।

★ মাতিলদা ফুল দিয়ে সাজতে রাজি হয়নি, একে অপমানজনক মনে করেছিল।

★ স্বামীর পরামর্শে মাতিলদা মাদাম ফোরস্টিয়ারের কাছ থেকে গহনা ধার চায়।

★ মাদাম ফোরস্টিয়ারের গহনার বাক্সে কঙ্কন, মুক্তার মালা ও সোনার ভিনিশার ক্রুশ ছিল।

★ মাতিলদা কালো স্যাটিনের বাক্সে রাখা একখানা হীরার হার বেছে নেয়।

★ মাতিলদা হারখানা পরে আনন্দে বিহ্বল হয়ে যায়।

★ ‘বল’ নাচের অনুষ্ঠানে মাতিলদা ছিল সবচেয়ে সুন্দরী ও আকর্ষণীয়া।

★ স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রী মাতিলদার দিকে দৃষ্টি দিচ্ছিলেন।

★ মাতিলদা ভোর চারটার দিকে অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরে।

★ বাড়ি ফেরার পথে মাতিলদার কাঁধে ছিল একটি আটপৌরে সাধারণ চাদর।

★ বাড়ি ফিরে আয়নার সামনে গিয়ে মাতিলদা দেখে হারখানা গলায় নেই।

★ হার হারানোর স্থান নির্দিষ্ট করতে তারা গাড়ির নম্বর মনে করতে পারেনি।

★ লোইসেল সারারাত রাস্তায় হার খুঁজেও কিছু পায়নি।

★ লোইসেল পুলিশের কাছে গিয়ে পুরস্কার ঘোষণা করে বিজ্ঞাপন দেয়।

★ তারা বান্ধবীকে লিখে জানায় যে হারের আংটা মেরামত করতে দেওয়া হয়েছে।

★ এক সপ্তাহ পর তারা আসল হার খুঁজে পাওয়ার আশা ত্যাগ করে।

★ প্যালেস রয়েলে তারা হুবহু একই রকম একটি হীরার হার খুঁজে পায়।

★ নতুন হারের প্রকৃত দাম ছিল চল্লিশ হাজার ফ্রাঁ।

★ স্বর্ণকার ছত্রিশ হাজার ফ্রাঁয় হারখানা বিক্রি করতে রাজি হয়।

★ লোইসেলের বাবার মৃত্যুর পর প্রাপ্ত আঠারো হাজার ফ্রাঁ ছিল।

★ বাকি টাকা লোইসেল অত্যন্ত সুদে বিভিন্ন মহাজনের কাছ থেকে ধার করে।

★ মাতিলদা নতুন হার মাদাম ফোরস্টিয়ারকে ফেরত দেয়, বদল ধরা পড়েনি।

★ ঋণ শোধের জন্য মাতিলদা-লোইসেল দাসী বিদায় করে দেয়।

★ তারা বাসা পাল্টে নিচু ছাদের সস্তা কয়েকটি কামরায় ওঠে।

★ মাতিলদা নিজ হাতে বাসন মাজা, কাপড় কাচা ও ঘরকন্নার কাজ শিখে নেয়।

★ মাতিলদা রোজ সকালে আবর্জনা ফেলতে যেত ও সিঁড়ি বেয়ে জল তুলত।

★ লোইসেল সন্ধ্যায় ব্যবসায়ীদের হিসাবের খাতা ঠিক করে বাড়তি রোজগার করত।

★ লোইসেল রাতে প্রতি পাতা পাঁচ ‘সাও’ হিসেবে লেখা নকল করত।

★ ঋণ শোধ করতে মাতিলদা-লোইসেল দম্পতির দশ বছর সময় লাগে।

★ দশ বছর পর তারা সব ঋণ সুদসহ শোধ করে ফেলে।

★ দশ বছরের কঠোর পরিশ্রমে মাতিলদা রূপ হারিয়ে বয়স্কা রমণীর মতো হয়ে যায়।

★ মাতিলদার চুল অবিন্যস্ত হয়ে যায় এবং হাত দুটি লাল হয়ে ওঠে।

★ এক রবিবার মাতিলদা চামপস্-এলিসিস (Champs-Élysées)-এ বেড়াতে বের হয়।

★ চামপস্-এলিসিসে মাতিলদার সঙ্গে মাদাম ফোরস্টিয়ারের হঠাৎ দেখা হয়।

★ মাদাম ফোরস্টিয়ার প্রথমে বদলে যাওয়া মাতিলদাকে চিনতেই পারেনি।

★ মাতিলদা গর্বের সঙ্গে বান্ধবীকে হার হারানো ও নতুন হার কেনার কথা জানায়।

★ মাদাম ফোরস্টিয়ার প্রকাশ করে যে তার আসল হারখানা ছিল নকল।

★ মাদাম ফোরস্টিয়ারের নকল হারের প্রকৃত দাম ছিল মাত্র পাঁচশত ফ্রাঁর কম।

★ গল্পের সবচেয়ে বিখ্যাত উক্তি: ‘আমারটি ছিল নকল, দাম পাঁচশত ফ্রাঁর বেশি হবে না।’

★ উপরের উক্তিটির বক্তা মাদাম ফোরস্টিয়ার, গল্পের একদম শেষ সংলাপ।

★ লোইসেলের বিখ্যাত সংলাপ: ‘কী বোকা দেখাত আমরা!’ — গহনা ধার নেওয়ার পরামর্শের সময়।

★ মাতিলদার বিখ্যাত উক্তি: ‘ধনী মেয়েদের মাঝে খেলো দেখানোর চেয়ে অপমানজনক কিছু নেই।’

★ গল্পের নদীর নাম সিন নদী (Seine), যার দিকে তারা গাড়ি খুঁজতে হাঁটে।

★ গল্পের উল্লেখযোগ্য রাস্তা/স্থান মার্টার স্ট্রিট, তাদের বাসভবনের ঠিকানা।

★ গল্পে উল্লিখিত বিলাসবহুল স্থান প্যালেস রয়েল, যেখানে হারের দোকান ছিল।

★ গল্পের মুদ্রার একক ফ্রাঁ (ফরাসি মুদ্রা)।

★ গল্পে উল্লিখিত খাদ্য: গোলাপি রং-এর রোহিত মাছ ও মুরগির পাখনা।

★ গল্পে উল্লিখিত গহনা: কঙ্কন, মুক্তার মালা, সোনার ক্রুশ ও হীরার হার।

★ গল্পের প্রতীকী বস্তু হীরার হার — মিথ্যা আভিজাত্য ও অহংকারের প্রতীক।

★ গল্পের প্রতীকী বস্তু আটপৌরে চাদর — মাতিলদার প্রকৃত দারিদ্র্যের প্রতীক।

★ গল্পের কেন্দ্রীয় ঘটনা: হার হারানো ও তার পরিণতিতে দশ বছরের দুর্দশা।

★ গল্পের কারণ: মাতিলদার মিথ্যা আভিজাত্যবোধ ও প্রকৃত অবস্থান গোপনের প্রবণতা।

★ গল্পের প্রভাব/ফলাফল: দরিদ্র দম্পতির জীবনভর কষ্টের সংগ্রাম ও রূপ-লাবণ্য বিনষ্টি।

★ গল্পের সমাপ্তি একটি বিখ্যাত ‘টুইস্ট এন্ডিং’ বা নাটকীয় চমকপ্রদ পরিণতি।

★ গল্পের মূল শিক্ষা: সামান্য একটি ভুল সিদ্ধান্ত সারাজীবনের দুর্ভোগ ডেকে আনতে পারে।

★ গল্পের মূল শিক্ষা: বাহ্যিক চাকচিক্য সবসময় প্রকৃত মূল্য নির্দেশ করে না।

★ গল্পের মূল শিক্ষা: সততা ও কঠোর পরিশ্রমই ঋণ শোধের একমাত্র পথ।

★ গল্পের সাহিত্যিক কৌশল আয়রনি (Irony), বিশেষত শেষের চমকপ্রদ সত্য উন্মোচনে।

★ পরীক্ষার ফাঁদ: মাতিলদা মনে করত হারটি আসল, প্রকৃতপক্ষে তা ছিল নকল।

★ পরীক্ষার ফাঁদ: হার হারানো হয় বাড়ি ফেরার পথে, গাড়িতে বলে অনুমিত হয়।

★ পরীক্ষার ফাঁদ: লোইসেল দম্পতি প্রকৃত হার নয়, নকল অনুরূপ হার কিনেছিল ফেরত দিতে।

★ পরীক্ষার ফাঁদ: গহনার দোকানের স্বর্ণকার হারটি বিক্রি করেনি, শুধু বাক্স দিয়েছিল।

★ কঠিন শব্দার্থ: ‘হতশ্রী’ অর্থ শ্রীহীন, সৌন্দর্যহীন অবস্থা।

★ কঠিন শব্দার্থ: ‘নির্জীবকণ্ঠে’ অর্থ প্রাণহীন বা উদাসীন স্বরে।

★ কঠিন শব্দার্থ: ‘দুরারোগ্য’ অর্থ যা আরোগ্য বা নিরাময় করা কঠিন।

★ বিদেশি শব্দ: ‘বল’ (Bal) নাচ অর্থ ফরাসি রীতির নৃত্যানুষ্ঠান।

★ বিদেশি শব্দ: ‘সাও’ (Sou) একটি প্রাচীন ফরাসি মুদ্রার একক।

★ বিদেশি শব্দ: ‘পাত্তুয়া’/’কনভেন্ট’ অর্থ খ্রিষ্টান ধর্মীয় বিদ্যালয় বা আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

★ গল্পের রঙের উল্লেখ: কালো স্যাটিনের বাক্স ও গোলাপি রং-এর মাছ।

★ গল্পে বয়সের উল্লেখ: লোইসেল মাতিলদার চেয়ে পাঁচ বছরের বড় ছিল।

★ গল্পের সময়কাল: ঋণ শোধে ঠিক দশ বছর সময় লাগে, ফেব্রুয়ারি মাসের সীমা উল্লেখ আছে।

★ বহুনির্বাচনী গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ‘নেকলেস’ গল্পটি বাংলাদেশের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যসূচির অংশ।

শব্দার্থ ও টীকা

শব্দশব্দার্থ ও টীকা
কনভেন্টখ্রিষ্টান নারী মিশনারিদের দ্বারা পরিচালিত স্কুল। মিশনারিদের আবাস।
মসিয়েসৌজন্য প্রদর্শন ও সম্মান জানানোর জন্য ফ্রান্সে পুরুষদের মসিয়ে সম্বোধন করা হয়।
মাদামসৌজন্য প্রদর্শন ও সম্মান জানানোর জন্য ফ্রান্সে মহিলাদের মাদাম সম্বোধন করা হয়।
ফ্রাঁফরাসি মুদ্রার নাম। ২০০২ সাল পর্যন্ত এই মুদ্রা প্রচলিত ছিল। বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হওয়ায় ফ্রান্স ইউরো ব্যবহার করে।
‘বল’ নাচবিনোদনমূলক সামাজিক নৃত্যানুষ্ঠান। ইউরোপ-আমেরিকাসহ পৃথিবীর বহু দেশে এই নৃত্য প্রচলিত।
ক্রুশখ্রিষ্টান ধর্মীয় প্রতীক।
স্যাটিনমসৃণ ও চকচকে রেশমি বস্ত্র (Satin)।
প্যারীপ্যারিসের ফরাসি নাম।
প্যালেস রয়েলরাজকীয় প্রাসাদ।

পাঠ-পরিচিতি

বিশ্ববিখ্যাত গল্পকার গী দ্য মোপাসাঁর শ্রেষ্ঠ গল্পগুলোর মধ্যে ‘নেকলেস’ অন্যতম। ফরাসি ভাষায় গল্পটির নাম ‘La Parure’। ১৮৮৪ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি ফরাসি পত্রিকা ‘La Gaulois’-এ গল্পটি প্রকাশিত হয় এবং সে বছরই ইংরেজিতে অনূদিত হয়। একই সালে প্রকাশিত ‘নেকলেস’ শীর্ষক গল্পগ্রন্থের মধ্যে গল্পটি স্থান পায় । অপ্রত্যাশিত কিন্তু অত্যন্ত আকর্ষণীয় সমাপ্তির জন্য গল্পটি বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে।


HSC নেকলেস গল্পের স্মার্ট নোট PDF Download

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার রেটিং দিন:

Scroll to Top