HSC রেইনকোট গল্পের স্মার্ট নোটপরীক্ষার প্রস্তুতিকে সহজ ও গুছিয়ে তুলতে তৈরি করা হয়েছে। এই নোটে গল্পের কাহিনি, মূলভাব, গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র, বিষয়বস্তু, সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর এবং পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। HSC পরীক্ষার্থীরা এই স্মার্ট নোটের মাধ্যমে অল্প সময়ে রেইনকোট গল্প ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে। পাশাপাশি নোটটি PDF আকারে ডাউনলোড করে মোবাইল বা কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে যেকোনো সময় পড়া যাবে।
HSC রেইনকোট গল্পের স্মার্ট নোট
পরিচিতি
- পূর্ণ নাম: আখতারুজ্জামান মোহাম্মদ ইলিয়াস
- জন্ম: ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩
- জন্মস্থান: গটিয়া গ্রাম, সাঘাটা, গাইবান্ধা
- মৃত্যু: ৪ জানুয়ারি ১৯৯৭ (ঢাকা)
- পেশা: ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, অধ্যাপক
- বিশেষ পরিচয়: সমাজবাস্তবতার অনন্য রূপকার
- রচনার বৈশিষ্ট্য:
- বাস্তবতার নিখুঁত চিত্রণ
- রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক সচেতনতা
- কথ্যভাষার স্বাভাবিক ব্যবহার
- গভীর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ
- সূক্ষ্ম কৌতুকবোধ
শিক্ষাজীবন
| বিষয় | তথ্য |
| ম্যাট্রিক | বগুড়া জিলা স্কুল (১৯৫৮) |
| উচ্চ মাধ্যমিক | ঢাকা কলেজ (১৯৬০) |
| স্নাতক | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৩) |
| স্নাতকোত্তর | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৪) |
কর্মজীবন
ক্রম অনুযায়ী—
- করটিয়া সা’দত কলেজ
- জগন্নাথ কলেজ
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক
- ঢাকা কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান
সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য (খুব গুরুত্বপূর্ণ)
✅ সমাজবাস্তবতার শক্তিশালী চিত্রকর
✅ নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনচিত্র
✅ মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক বাস্তবতা
✅ ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস রচনা
✅ সংলাপে কথ্যভাষার সফল ব্যবহার
উপন্যাস
১. চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৬)
পটভূমি
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
প্রধান চরিত্র
- ওসমান গণি
- হাড্ডি খিজির
- আনোয়ার
- করমালি
- খয়বার গাজী
২. খোয়াবনামা (১৯৯৬)
পটভূমি
- তেভাগা আন্দোলন
- সিপাহী বিদ্রোহ (১৮৫৭)
- দেশভাগ (১৯৪৭)
স্থান
- বগুড়া জেলা
গুরুত্ব
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক-রাজনৈতিক উপন্যাস।
ছোটগল্প সংকলন
| গ্রন্থ | প্রকাশ |
| অন্য ঘরে অন্য স্বর | ১৯৭৬ |
| খোঁয়ারি | ১৯৮২ |
| দুধভাতে উৎপাত | ১৯৮৫ |
| দোজখের ওম | ১৯৮৯ |
| জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল | ১৯৯৭ |
গুরুত্বপূর্ণ গল্প
অন্য ঘরে অন্য স্বর
- উৎসব
- প্রতিশোধ
- যোগাযোগ
- ফেরারী
- অন্য ঘরে অন্য স্বর
- নিরুদ্দেশ যাত্রা
খোঁয়ারি
- খোঁয়ারি
- অসুখ-বিসুখ
- তারাবিবির মরদপোলা
- পিতৃবিয়োগ
দোজখের ওম
- কীটনাশকের কীর্তি
- যুগলবন্দি
- অপঘাত
- দোজখের ওম
জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল
- প্রেমের গপ্পো
- ফোঁড়া
- জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল
- কান্না
- রেইনকোট
অসমাপ্ত ও প্রবন্ধ
- অসমাপ্ত উপন্যাস: করতোয়া মাহাত্ম্য
- প্রবন্ধ সংকলন: সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু (১৯৯৮, মরণোত্তর)
পুরস্কার
| পুরস্কার | সাল |
| হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার | ১৯৭৬ |
| বাংলা একাডেমি পুরস্কার | ১৯৮২ |
| আলাওল সাহিত্য পুরস্কার | ১৯৮৭ |
| আনন্দ পুরস্কার | ১৯৯৬ |
| একুশে পদক (মরণোত্তর) | ১৯৯৮ |
| জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার | ২০১৪ |
এক নজরে (MCQ Revision)
📌 জন্ম — ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩
📌 মৃত্যু — ৪ জানুয়ারি ১৯৯৭
📌 জন্মস্থান — গটিয়া, সাঘাটা, গাইবান্ধা
📌 প্রথম গল্পগ্রন্থ — অন্য ঘরে অন্য স্বর (১৯৭৬)
📌 প্রথম উপন্যাস — চিলেকোঠার সেপাই
📌 শ্রেষ্ঠ উপন্যাস — খোয়াবনামা
📌 সমাজবাস্তবতার অনন্য রূপকার
📌 মোট উপন্যাস — ২টি
📌 ছোটগল্প সংকলন — ৫টি
📌 অসমাপ্ত উপন্যাস — করতোয়া মাহাত্ম্য
📌 উল্লেখযোগ্য গল্প — রেইনকোট, খোঁয়ারি, মিলির হাতে স্টেনগান, অপঘাত, প্রতিশোধ
📌 সংলাপে কথ্যভাষার ব্যবহার তাঁর রচনার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
রেইনকোট গল্পের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
★ “রেইনকোট” গল্পের রচয়িতা — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের জন্ম — ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩ সালে।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের মৃত্যু — ৪ জানুয়ারি ১৯৯৭ সালে।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ডাকনাম — মঞ্জু।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের জন্মস্থান — গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের গটিয়া গ্রাম (মামার বাড়ি)।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের পৈতৃক বাড়ি — বগুড়া শহরের চেলোপাড়ায় (পরে করতোয়া নদীর তীরে নারুলি গ্রামে স্থানান্তরিত)।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বাবার নাম — বদিউজ্জামান মোহাম্মদ ইলিয়াস।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের মায়ের নাম — বেগম মরিয়ম ইলিয়াস।
★ বদিউজ্জামান মোহাম্মদ ইলিয়াস ছিলেন — পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (১৯৪৭-১৯৫৩) ও মুসলিম লীগের পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কনিষ্ঠ তিন ভাই — শহিদুজ্জামান, নূরুজ্জামান ও খালিকুজ্জামান।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের প্রাথমিক শিক্ষা শুরু — ১৯৪৯ সালে ঢাকার সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার্স স্কুলে।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন — ১৯৫৮ সালে বগুড়া জিলা স্কুল থেকে।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন — ১৯৬০ সালে ঢাকা কলেজ থেকে।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে (যথাক্রমে ১৯৬৩ ও ১৯৬৪ সালে)।
★ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি যুক্ত ছিলেন — ‘স্বাক্ষর’ নামের একটি কবিতাপত্রের সাথে।
★ বিশ্ববিদ্যালয়ে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সহপাঠী ছিলেন — কবি আবদুল মান্নান সৈয়দ ও আসাদ মান্নান।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কর্মজীবন শুরু হয় — করটিয়া সা’দত কলেজে।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস শিক্ষকতা করেছেন — জগন্নাথ কলেজ ও ঢাকা কলেজে।
★ তিনি জগন্নাথ কলেজে সহকারী অধ্যাপক হন — ১৯৭৯ সালে।
★ তিনি জগন্নাথ কলেজে সহযোগী অধ্যাপক হন — ১৯৮৪ সালে।
★ তিনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হন — ১৯৮৭ সালে।
★ তিনি বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ছিলেন — ঢাকা কলেজে।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস সরকারি কলেজের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেননি — বাকশালে (১৯৭৫ সালে)।
★ ‘বাংলাদেশ লেখক শিবির’ সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ছিলেন — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সম্পাদনায় প্রকাশিত ত্রৈমাসিক পত্রিকা — ‘লেখক শিবির তৃণমূল’।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের স্ত্রীর নাম — সুরাইয়া তুতুল (সিরাজগঞ্জ মহিলা কলেজের ইতিহাসের প্রভাষক)।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বিয়ে হয় — ১৯৭৩ সালে।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একমাত্র ছেলের নাম — আন্দালিব ইলিয়াস (জন্ম ১৯৭৪)।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ক্যানসার ধরা পড়ে — ১৯৯৬ সালের ১৩ জানুয়ারি।
★ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তার ডান পা কেটে বাদ দেওয়া হয় — ১৯৯৬ সালের ২০ মার্চ।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস মৃত্যুবরণ করেন — ঢাকার মালিবাগে কমিউনিটি হাসপাতালে।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সমাধিস্থল — দক্ষিণ বগুড়া গোরস্থান।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসকে বলা হয় — সমাজবাস্তবতার অনন্যসাধারণ রূপকার।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ছিলেন একজন — স্বল্পপ্রজ লেখক।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের প্রথম কবিতা ছাপা হয় — ১৯৫২ সালে কলকাতার ‘সত্যযুগ’ পত্রিকায়।
★ ইলিয়াসের প্রথম ছোটগল্প ছাপা হয় — ১৯৫২ সালে আজাদ পত্রিকার ‘মুকুলের মাহফিলে’।
★ দশম শ্রেণীতে পড়াকালীন ইলিয়াসের গল্প ছাপা হয়েছিল — ‘সওগাত’ পত্রিকায়।
★ জলবসন্তে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে থাকার অভিজ্ঞতায় লিখিত গল্প — “অতন্দ্র” (প্রকাশিত ‘সমকাল’ পত্রিকায়)।
★ “স্বগতমৃত্যুর পটভূমি” গল্পটি প্রকাশিত হয় — ১৯৬৪ সালে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ সম্পাদিত ‘সাম্প্রতিক ধারার গল্প’ সংকলনে।
★ “চিলেকোঠায়” গল্পটি প্রকাশিত হয় — ১৯৬৯ সালে ‘আসন্ন’ লিটল ম্যাগাজিনে।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের প্রথম ছোটগল্প সংকলন — ‘অন্য ঘরে অন্য স্বর’ (১৯৭৬)।
★ ‘অন্য ঘরে অন্য স্বর’ গ্রন্থ সম্পর্কে হাসান আজিজুল হক বলেছিলেন — “এটি তীরের মতো ঋজু, ধানি লঙ্কার মতো বদমেজাজি, পরনারীর মতো আকর্ষণীয়।”
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের দ্বিতীয় ছোটগল্প সংকলন — ‘খোঁয়ারি’ (১৯৮২)।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের তৃতীয় ছোটগল্প সংকলন — ‘দুধভাতে উৎপাত’ (১৯৮৫)।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের চতুর্থ ছোটগল্প সংকলন — ‘দোজখের ওম’ (১৯৮৯)।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের পঞ্চম ছোটগল্প সংকলন — ‘জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল’ (১৯৯৭)।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের মোট ছোটগল্পের সংখ্যা — ৩১টি (৫টি সংকলনে ২৩টি প্রকাশিত)।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের প্রথম উপন্যাস — ‘চিলেকোঠার সেপাই’ (১৯৮৬)।
★ ‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট — ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান।
★ ‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র — ওসমান গণি, হাড্ডি খিজির, আনোয়ার, করমালি, খয়বার গাজী।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের দ্বিতীয় ও সর্বশেষ উপন্যাস — ‘খোয়াবনামা’ (১৯৯৬)।
★ ‘খোয়াবনামা’ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট — তেভাগা আন্দোলন, ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ, ১৯৪৭ সালের বঙ্গভঙ্গ (বগুড়ার পটভূমি)।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের অসমাপ্ত উপন্যাস — ‘করতোয়া মাহাত্ম্য’।
★ ‘কণ্ঠস্বর’ পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া কিন্তু অপ্রকাশিত উপন্যাস — ‘অন্ধকারকে কেঁদে’।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একমাত্র প্রবন্ধ সংকলন — ‘সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু’ (১৯৯৮, মরণোত্তর কলকাতা থেকে প্রকাশিত)।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার পান — ১৯৭৬ সালে (‘অন্য ঘরে অন্য স্বর’-এর জন্য)।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন — ১৯৮২ সালে।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আলাওল সাহিত্য পুরস্কার পান — ১৯৮৭ সালে (‘চিলেকোঠার সেপাই’-এর জন্য)।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আনন্দ পুরস্কার ও সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার পান — ১৯৯৬ সালে (‘খোয়াবনামা’-এর জন্য)।
★ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস মরণোত্তর একুশে পদক লাভ করেন — ১৯৯৯ সালে (তথ্যমতে ১৯৯৮/১৯৯৯)।
★ ‘রেইনকোট’ গল্প অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র — ‘মেঘমল্লার’ (২০১৪, পরিচালক: জাহিদুর রহিম অঞ্জন)।
★ ‘মেঘমল্লার’ চলচ্চিত্রের জন্য মরণোত্তর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার) পান — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (২০১৪ সালে)।
★ ইলিয়াসের উপন্যাস সম্পর্কে মহাশ্বেতা দেবী বলেছিলেন — “কী পশ্চিম বাংলা, কী বাংলাদেশ সবটা মেলালে তিনি শ্রেষ্ঠ লেখক। ইলিয়াসের পায়ের নখের তুল্য কিছু লিখতে পারলে আমি ধন্য হতাম।”
★ ‘রেইনকোট’ গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় — ১৯৯৫ সালে।
★ ‘রেইনকোট’ গল্পটি সংকলিত হয়েছে — ‘জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল’ (১৯৯৭) গ্রন্থে।
★ পাঠের জন্য ‘রেইনকোট’ গল্পটি সংগৃহীত হয়েছে — ‘আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচনাসমগ্র ১’ থেকে।
★ “জেনারেল স্টেটমেন্ট” শব্দের অর্থ — সাধারণ বিবৃতি।
★ “স্পেসিফিক ক্লাসিফিকেশন” শব্দের অর্থ — সুনির্দিষ্ট শ্রেণিকরণ।
★ “মিসক্রিয়ান্ট” শব্দের অর্থ — দুষ্কৃতকারী (মুক্তিযোদ্ধাদের হেয় করতে পাকিস্তানি সেনার ব্যবহৃত শব্দ)।
★ “ওয়েলডিং ওয়ার্কশপ” শব্দের অর্থ — ঝালাই কারখানা।
★ “সাবভার্সিভ অ্যাকটিভিটিজ” শব্দের অর্থ — রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড।
★ “ক্রাক-ডাউনের রাত” বলতে বোঝায় — ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের কালরাত।
★ “জেনারেল উইন্টার” হলো — দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে রুশ বাহিনীর পক্ষে সহায়ক তীব্র শীত।
★ “জেনারেল মনসুন” বলতে বোঝানো হয়েছে — বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে হানাদার বাহিনীর বাধা হয়ে দাঁড়ানো প্রবল বর্ষা।
★ ‘রেইনকোট’ গল্পের পটভূমি — ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন অবরুদ্ধ ঢাকা শহর।
★ ‘রেইনকোট’ গল্পটির মূল কথক বা বর্ণনাকারী — নুরুল হুদা।
★ খনা বা লোককথা অনুযায়ী ‘শনিতে সাত, মঙ্গলে তিন’ নির্দেশ করে — বৃষ্টির মেয়াদ।
★ মঙ্গলে ভোররাতে বৃষ্টি শুরু হলে স্থায়ী হয় — তিন দিন।
★ বুধের সকালে পানি নামলে এবং বিকেলে মেঘ বিদায় নিলে তা নির্দেশ করে — বৃষ্টির পূর্বাভাস।
★ “ম্যান প্রোপোজেস…” প্রবাদের বাকি অংশ — কিন্তু ঈশ্বর তা ভেস্তে দেন (এখানে মিলিটারির আগমন)।
★ মিলিটারির ভয়ে নুরুল হুদা যে সুরা ও কালেমা রেডি রাখেন — পাঁচ কালেমা ও সুরা ইউনুসের আয়াত (“আল্লাহুম্মা আন্তা সুবহানকা…”)।
★ কপাট ফাঁক করতেই ঘরের ভেতর ঢোকে — প্রিন্সিপালের পিওন (ইসহাক মিয়া)।
★ প্রিন্সিপালের পিওনের নাম — ইসহাক মিয়া।
★ ইসহাক মিয়া প্রিন্সিপালের বার্তা দেয় — “স্যার নে সালাম দিয়া” এবং “তলব কিয়া, আভি যানে হোগা”।
★ গত রাতে কলেজের দেওয়াল ঘেঁষে দুর্ঘটনা ঘটেছিল — মিসক্রিয়ান্টরা ইলেকট্রিক ট্রান্সফর্মার উড়িয়ে দিয়েছিল।
★ ফেরত যাওয়ার সময় মিসক্রিয়ান্টরা গ্রেনেড ফেলেছিল — প্রিন্সিপাল সাহেবের কোয়ার্টারের গেটে।
★ ঢাকা কলেজের মিলিটারি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল — কলেজের জিমন্যাশিয়ামে।
★ ইসহাক মিয়া নাস্তার নিমন্ত্রণ ফিরিয়ে দিয়ে বলে যেতে হবে — আবদুস সাত্তার মৃধার বাসায়।
★ ইসহাক মিয়া রসায়ন বিভাগ থেকে জিওগ্রাফির প্রফেসরের বাড়িতে যায় — বেবি ট্যাকসি চেপে।
★ এপ্রিলের শুরু থেকে ইসহাক মিয়া যে ভাষায় কথা বলা ছেড়ে দেয় — বাংলা ভাষা (উর্দু বলা শুরু করে)।
★ ইসহাক মিয়ার পূর্বপুরুষদের পরিচয় — দিল্লির সাহেবের খাস খানসামা।
★ নুরুল হুদার স্ত্রী — আসমা।
★ নুরুল হুদার শারীরিক অসুস্থতা — হাঁপানির টান (অ্যাজমা)।
★ প্রিন্সিপাল ড. আফাজ আহমদ মিলিটারির কাছে শহিদ মিনার সরানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন — ১৯৭১ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি।
★ শহিদ মিনারকে ড. আফাজ আহমদ অভিহিত করেছিলেন — ‘পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা’ হিসেবে।
★ ঢাকা কলেজের মিলিটারি ক্যাম্পের পাশে অবস্থিত — প্রিন্সিপালের কোয়ার্টার।
★ রেডিও-টেলিভিশনে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে যা বলা হতো — “সিচুয়েশন নর্ম্যাল, দুশমন সম্পূর্ণ কব্জা।”
★ ‘আওয়ার আলটিমেট এইম রিমেইনস দ্য সেম…’ উক্তিটি করেছিলেন — পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট (ইয়াহিয়া খান)।
★ নুরুল হুদার শ্যালক তথা আসমার ভাইয়ের নাম — মিন্টু।
★ মিন্টু বাড়ি থেকে যুদ্ধে চলে যায় — ২৩শে জুন।
★ মিন্টু চলে যাওয়ার পর নুরুল হুদা বাড়ি শিফট করেন — ১লা জুলাই।
★ মিলিটারির ভয়ে নুরুল হুদা বাড়ি পাল্টেছেন মোট — চারবার।
★ নুরুল হুদার নতুন বাসার পূর্বদিকের জানালায় দেখা যায় — বিল ও ধানক্ষেত।
★ নুরুল হুদার নতুন বাসার নিচের তলার বাসিন্দা ছিলেন — ওয়েলডিং ওয়ার্কশপের মালিক (যার শ্বশুর রাজাকার)।
★ ওয়েলডিং ওয়ার্কশপের মালিকের শ্বশুর উপহার হিসেবে পাঠাত — রেফ্রিজারেটর, টেপ রেকর্ডার, সোফাসেট, ফ্যান, খাট-পালং।
★ আসমা তার স্বামীকে বৃষ্টির দিনে নিয়ে যেতে বলে — মিন্টুর রেইনকোট।
★ নুরুল হুদার মেয়ের বয়স — আড়াই বছর।
★ আড়াই বছরের মেয়ে বাবাকে রেইনকোট পরা দেখে বলে উঠে — “আব্বু ছোটোমামা হয়েছে।”
★ নুরুল হুদার ছেলের বয়স — পাঁচ বছর।
★ পাঁচ বছরের ছেলে বাবাকে দেখে মন্তব্য করে — “আব্বুকে ছোটোমামার মতো দেখাচ্ছে, আব্বু তা হলে মুক্তিবাহিনী।”
★ প্রিন্সিপাল ড. আফাজ আহমদের মতে মিলিটারি যাদের ধরে — যারা সামহাউ সাবভার্সিভ অ্যাকটিভিটিজের সাথে জড়িত।
★ মিলিটারির হাত থেকে বাঁচতে নুরুল হুদা কলিগদের আড্ডা ছেড়ে আশ্রয় নিতেন — প্রিন্সিপালের কামরায়।
★ প্রিন্সিপাল আফাজ আহমদ কলেজের যে শিক্ষককে তোয়াজ করতেন — উর্দুর প্রফেসর আকবর সাজিদকে।
★ রেইনকোট পরে বাসস্ট্যান্ডে যাওয়ার সময় নুরুল হুদার অনুভূতির পরিবর্তন ঘটে — গায়ে পানির ফোঁটা লাগে না, ভেতরে উষ্ণতা (ওম) অনুভব হয়।
★ বাসস্ট্যান্ডের পান-বিড়ি দোকানের বাচাল ছেলেটির দেওয়া খবর — জিপ উড়িয়ে ৫ জন খানসেনা খতম, রংপুরের অর্ধেক স্বাধীন।
★ বাসস্ট্যান্ডে এসে পৌঁছায় — লাল রঙের স্টেট বাস।
★ বাসটিতে থাকা কিছু যাত্রী নুরুল হুদাকে দেখে নেমে পড়ে কারণ — রেইনকোট পরা তাকে মিলিটারি বা বীরের মতো লাগছিল এবং তারা ভয় পাচ্ছিল।
★ বাসে নুরুল হুদাকে দেখে ‘আরে রাখো রাখো’ ও ‘রোখো-রোখো’ বলে নেমে যাওয়া যাত্রীরা ছিল — চোর, পকেটমার ও রাজাকার।
★ বাসের জানালা দিয়ে দৃশ্য দেখার সময় আসাদ গেটে যে স্মৃতি নুরুল হুদার মনে পড়ে — ক্রাক-ডাউনের রাতে মসজিদের ছাদ থেকে মুয়াজ্জিনকে গুলি করে মারার ঘটনা।
★ আসাদ গেটে বাস থামিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছিল — ফর্সা ও লম্বা এক পাকিস্তানি মিলিটারি।
★ তল্লাশিকারী মিলিটারি নুরুল হুদার দিকে তাকালে নুরুল হুদা চোখ স্থির রাখে — মিলিটারির খাড়া নাক, ছুঁচালো চোখ ও গোঁফে।
★ মিলিটারি নুরুল হুদাকে না ধরে যেতে দেয় — রেইনকোটের ওপর জমা পানির ফোঁটা দেখে থমকে গিয়ে।
★ নুরুল হুদা বাস থেকে নেমে যান — নিউ মার্কেটের সামনে।
★ প্রিন্সিপালের চেয়ারে বসে থাকা সেনাকর্তার পদবী — কর্নেল বা ব্রিগেডিয়ার।
★ নুরুল হুদার পেশাগত সঠিক পদবী — কেমিস্ট্রির লেকচারার (প্রফেসর নন)।
★ মিলিটারির জিপে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় — নুরুল হুদা ও আবদুস সাত্তার মৃধাকে।
★ ঢাকা কলেজে সম্প্রতি আলমারি কেনা হয়েছিল — ১০টি।
★ অফিসে ৩টি, বোটানি, হিস্ট্রি ও জিওগ্রাফিতে ২টি করে এবং ইংরেজিতে ১টি — সর্বমোট ১০টি স্টিলের আলমারি।
★ আলমারি পরীক্ষা করার দায়িত্ব প্রিন্সিপাল দিয়েছিলেন — নুরুল হুদাকে।
★ মিলিটারির মতে কুলির ছদ্মবেশে কলেজে ঢুকেছিল — মিসক্রিয়ান্টরা (মুক্তিযোদ্ধারা)।
★ কুলিরা নুরুল হুদার সাথে কথা বলার সময় বর্ষা নিয়ে বলেছিল — “বর্ষাকালেই তো জুৎ।”
★ মিলিটারি জেরা করার সময় নুরুল হুদাকে মারধর করে — মুখে প্রবল বেগে দুটো ঘুষি মারে।
★ জবানবন্দি আদায়ের জন্য মিলিটারি নুরুল হুদাকে খাওয়ায় — পাউরুটি ও দুধ।
★ নুরুল হুদাকে ছাদের আংটার সাথে ঝুলিয়ে মারা হয় — চাবুকের সপাৎ সপাৎ বাড়ি।
★ নুরুল হুদার কাছে চাবুকের আঘাতকে মনে হচ্ছিল — মিন্টুর রেইনকোটের ওপর অবিরাম বৃষ্টির পতন।
★ চাবুকের যন্ত্রণার মাঝেও নুরুল হুদার ঝুলন্ত শরীর কাঁপে — ছদ্মবেশী কুলিদের আস্তানা জানার আত্মবিশ্বাসে ও দেশপ্রেমের উত্তেজনায়।
★ ‘রেইনকোট’ গল্পে রেইনকোটটি যার প্রতীক — অদম্য সাহস, দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক।
শব্দার্থ ও টীকা
| শব্দ / বাক্যাংশ | অর্থ ও ব্যাখ্যা |
| জেনারেল স্টেটমেন্ট | সাধারণ বিবৃতি। |
| স্পেসিফিক ক্লাসিফিকেশন | সুনির্দিষ্ট শ্রেণিকরণ। |
| “তলব কিয়া। আভি যানা হোগা” | ‘তলব করেছেন। এখনই যেতে হবে।’ |
| ‘মিসকিরিয়ান লোগ ইলেকটিরি টেরানসফারমর তোড় দিয়া। অওর ওয়াপস যানে কা টাইম পিরিনসিপাল সাহাবকা কোঠিমে গেরেনড ফেকা। গেট তোড় গিয়া।’- | ‘মিসক্রিয়েন্টরা ইলেকট্রিক ট্রান্সফরমার উড়িয়ে দিয়েছে। আবার ফিরে যাওয়ার সময় প্রিন্সিপাল সাহেবের বাড়িতে গ্রেনেড ছুড়েছে। গেট ভেঙে গেছে।’ |
| ‘ক্যায়সে?’ | ‘কীভাবে?’ |
| ‘উও আপ হি কহ সকতা’ | ‘সেটি আপনিই বলতে পারেন।’ |
| মিসক্রিয়ান্ট | দুষ্কৃতকারী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সরকার ও তার সেনাবাহিনী এই শব্দটি বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য ব্যবহার করেছিল। |
| ‘আব্দুস সাত্তার মিরধাকা ঘর যানে হোগা। আপ আভি আইয়ে। এক কর্নেল সাহাব পঁওছ গিয়া। সব পরফসরকো এত্তেলা দিয়া। ফওরন আইয়ে।’ | ‘আবদুস সাত্তার মৃধার বাসায় যেতে হবে। আপনি এখনই আসুন। এক কর্নেল সাহেব এর মধ্যেই চলে এসেছেন। সব প্রফেসরকে ডেকেছেন। তাড়াতাড়ি আসুন।’ |
| ওয়েলডিং ওয়ার্কশপ | ঝালাই কারখানা। |
| সাবভার্সিভ অ্যাকটিভিটিজ | রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড। মুক্তিযোদ্ধাদের তৎপরতাকে পাকিস্তান সরকার ও তাদের সমর্থকরা ১৯৭১ সালে এভাবে অভিহিত করত। |
| ক্রাক-ডাউনের রাত | ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকায় যে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা পরিচালনা করে, সেই রাতের কথা বলা হয়েছে। |
| রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইন্টার, আমাদের জেনারেল মনসুন | দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রচণ্ড শীতের কবলে পড়ে হিটলারের বাহিনী রুশ বাহিনীর হাতে পর্যুদস্ত হয়েছিল। বাংলাদেশের প্রবল বর্ষায় তেমনি বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়েছিল হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী। এখানে সেই বিষয়েরই তুলনা করা হয়েছে। |
পাঠ-পরিচিতি
রেইনকোট’ গল্পটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে। পরে এটি লেখকের সর্বশেষ গল্পগ্রন্থ ‘জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল’ (১৯৯৭) গ্রন্থে সংকলিত হয়। এ গল্পের পাঠ গ্রহণ করা হয়েছে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচনাসমগ্র ১ থেকে। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ঢাকার পরিস্থিতি নিয়ে গল্পটি রচিত। মুক্তিযুদ্ধের তখন শেষ পর্যায়। ঢাকায় তখন মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণ শুরু হয়েছে। তারই একটি ঘটনা এ গল্পের বিষয়; যেখানে ঢাকা কলেজের সামনে গেরিলা আক্রমণের ফলে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কলেজের শিক্ষকদের তলব করে এবং তাদের মধ্য থেকে নুরুল হুদা ও আবদুস সাত্তার মৃধাকে গ্রেপ্তার করে নির্যাতন চালিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা করে। নুরুল হুদার জবানিতে গল্পের অধিকাংশ ঘটনা বিবৃত হয়েছে। বিবৃত হয়েছে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বর নিপীড়ন ও হত্যাযজ্ঞের মধ্যে ঢাকা শহরের আতঙ্কগ্রস্ত জীবনের চিত্র। গেরিলা আক্রমণের ঘটনা ঘটে যে রাতে, তার পরদিন সকালে ছিল বৃষ্টি । তলব পেয়ে সেই বৃষ্টির মধ্যে নুরুল হুদাকে কলেজে যেতে যে রেইনকোটটি পরতে হয় সেটি ছিল তার শ্যালক মুক্তিযোদ্ধা মিন্টুর। গল্পে এই রেইনকোটের প্রতীকী তাৎপর্য অসাধারণ । মুক্তিযোদ্ধা শ্যালকের রেইনকোট গায়ে দিয়ে সাধারণ ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার মধ্যে সঞ্চারিত হয় যে উষ্ণতা, সাহস ও দেশপ্রেম— তারই ব্যঞ্জনাময় প্রকাশ ঘটেছে এ গল্পে ।
Read More: লালসালু উপন্যাসের স্মার্ট নোট
Read More: সিরাজউদ্দৌলা নাটকের স্মার্ট নোট
HSC বাংলা রেইনকোট গল্পের স্মার্ট নোট PDF Download