বাংলা বানানের নিয়ম

এইচএসসি বাংলা বানানের নিয়ম ২০২৬ (PDF)

বাংলা বানানের নিয়ম: আপনি কি প্রায়ই দ্বিধায় ভোগেন যে শব্দটি ‘ই’ দিয়ে হবে নাকি ‘ঈ’ দিয়ে? কিংবা ‘ণ’ হবে নাকি ‘ন’? আপনি একা নন! বাংলা ভাষা আমাদের হৃদয়ের ভাষা হলেও, এর বানানরীতি অনেক সময় বেশ কঠিন মনে হতে পারে। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই! কারণ, বাংলা বানানের নিয়ম আসলে কিছু সহজ ও যৌক্তিক সূত্রের সমষ্টি। বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়মগুলো সহজ সরল উদাহরণসহ আলোচনা করা হয়েছে, যাতে আপনি মিনিটের মধ্যে বুঝে নিতে পারেন কোথায় কী ব্যবহার করবেন। এই নিয়মগুলো অনুসরণ করে তোমাদের পড়াশোনা আরও নিখুঁত ও স্মার্ট করতে পাড় । তাহলে চলো, শুরু করা যাক!


বাংলা বানানের নিয়ম ২০২৬ PDF

১. প্রমিত বাংলা বানানের যেকোনো পাঁচটি নিয়ম

বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের সাধারণ পাঁচটি নিয়ম নিচে উদাহরণসহ দেওয়া হলো:

1. তৎসম শব্দের বানান: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অবিকৃত সংস্কৃত শব্দের বানান যথাযথ ও অপরিবর্তিত থাকবে। তবে যেসব তৎসম শব্দে ই, ঈ বা উ, ঊ উভয় শুদ্ধ সেসব শব্দে কেবল হ্রস্ব ই (ি) বা হ্রস্ব উ (ু) এবং তাদের কারচিহ্ন ব্যবহৃত হবে।

উদাহরণ: কিংবদন্তি, খঞ্জনি, চিৎকার, ধমনি, ধূলি, পঞ্জি, পদবি ইত্যাদি।

2. রেফ-এর ব্যবহার: রেফ-এর পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না।

উদাহরণ: অর্চনা, অর্জন, অর্থ, কর্ম, কার্য, বার্তা, সূর্য ইত্যাদি (অর্চ্চণা, কার্য্য, কর্ম্ম – লেখা যাবে না)।

3. অনুস্বার (ং) ও ঙ-এর ব্যবহার (সন্ধি): সন্ধির ক্ষেত্রে ক, খ, গ, ঘ পরে থাকলে পদের অন্তস্থিত ‘ম্’-এর স্থানে অনুস্বার ‘ং’ লেখা যাবে।

উদাহরণ: অহম্ + কার = অহংকার; এভাবে— ভয়ংকর, সংগীত, সংগঠন। তবে সন্ধিবদ্ধ না হলে ‘ঙ’ স্থানে ‘ং’ হবে না (যেমন: অঙ্ক, গঙ্গা, বঙ্গ)।

4. অ-তৎসম শব্দের বানান: সকল অ-তৎসম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র শব্দে কেবল হ্রস্ব ই (ি) বা হ্রস্ব উ (ু) এবং এদের কার চিহ্ন ব্যবহৃত হবে। জাতিবাচক শব্দের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য।

উদাহরণ: গাড়ি, চুরি, দাড়ি, বাড়ি, তরকারি, দাবি, হাতি, খুশি, হিজরি, আরবি, জাপানি ইত্যাদি।

5. বিসর্গ (ঃ)-এর বর্জন: শব্দের শেষে বিসর্গ (ঃ) থাকবে না।

উদাহরণ: প্রধানত, ক্রমশ, কার্যত, মূলত ইত্যাদি (প্রধানতঃ, ক্রমতঃ লেখা যাবে না)।

২. অ-তৎসম শব্দের বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম

বাংলা একাডেমি প্রণীত আধুনিক নিয়ম অনুসারে অ-তৎসম শব্দের (তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র) বানানের পাঁচটি নিয়ম:

1. ই-কার ও উ-কার: সকল অ-তৎসম শব্দে কেবল হ্রস্ব ই (ি) ও হ্রস্ব উ (ু) এবং এদের কার চিহ্ন ব্যবহৃত হবে।

উদাহরণ: গাড়ি, চুরি, বাড়ি, খুশি, আরবি, জাপানি, মুলো, কুলপি ইত্যাদি।

2. ‘-আলি’ প্রত্যয়: ‘–আলি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ‘ই’–কার হবে।

উদাহরণ: খেয়ালি, বর্ণালি, মিতালি, সোনালি, হেঁয়ালি।

3. ণত্ব-বিধি বর্জন: তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র কোনো শব্দের বানানে ণত্ব—বিধি মানা হবে না অর্থাৎ ব্যবহার করা হবে না, ব্যবহৃত হবে।

উদাহরণ: কান, কোরান, গুনতি, গোনা, ধরন, পরান, হর্ন।

4. বিদেশি শব্দের বানানে যুক্তবর্ণ: বাংলায় বিদেশি শব্দের আদিতে বর্ণবিশ্লেষণ সম্ভব নয়। এগুলো যুক্তবর্ণ দিয়ে লিখতে হবে।

উদাহরণ: স্টেশন, স্ট্রিট, স্প্রিং ইত্যাদি (স্, ট্, র্ – আলাদা লেখা যাবে না)।

5. ধ্বনিপদ্ধতি অনুসরণ: বাংলায় প্রচলিত বিদেশি শব্দ সাধারণভাবে বাংলা ভাষার ধ্বনিপদ্ধতি–অনুযায়ী লিখতে হবে।

উদাহরণ: কাগজ, জাহাজ, হুকুম, হাসপাতাল, টেবিল, পুলিশ, জেব্রা।

৩. আধুনিক বাংলা বানানে ই-কার ব্যবহারের পাঁচটি নিয়ম

আধুনিক বাংলা বানানে হ্রস্ব ই-কার (ি) ব্যবহারের পাঁচটি নিয়ম:

1. হ্রস্ব-দীর্ঘ ই-কার উভয় শুদ্ধ তৎসম শব্দ: যেসব তৎসম শব্দে ই, ঈ-কার উভয়ই শুদ্ধ সেসব শব্দে হ্রস্ব ই-কার হবে।

উদাহরণ: কিংবদন্তি, পদবি, ধমনি, শ্রেণি।

2. অ-তৎসম শব্দ: সকল অ-তৎসম শব্দে (তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র) হ্রস্ব ই-কার হবে।

উদাহরণ: খুশি, পাখি, শাড়ি, দাবি।

3. ‘-আলি’ প্রত্যয়: ‘-আলি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ‘ই’–কার হবে।

উদাহরণ: বর্ণালি, রুপালি, সোনালি।

4. ‘কি’ শব্দের ব্যবহার: যেসব প্রশ্নবাচক বাক্যের উত্তর ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ হবে সেসব বাক্যে ব্যবহৃত প্রশ্নবোধক ‘কি’ শব্দটি হ্রস্ব ই-কার দিয়ে লেখা হবে।

উদাহরণ: তুমিও কি যাবে? সে কি এসেছিল?

5. ভাষা ও জাতিবাচক শব্দ: ভাষা ও জাতিবাচক নামে হ্রস্ব ই-কার বসবে।

উদাহরণ: ইরানি, জাপানি, ইংরেজি।

৪. তৎসম শব্দের পাঁচটি বাংলা বানানের নিয়ম

বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে তৎসম শব্দের বানানের পাঁচটি নিয়ম:

1. মূল বানান অপরিবর্তিত: তৎসম শব্দের বানান যথাযথ ও অপরিবর্তিত থাকবে।

উদাহরণ: অভিষ্ট, গভীর, অংশু, শস্য, ক্ষীর।

2. হ্রস্ব ই/উ-কার: যেসব তৎসম শব্দে ই, ঈ বা উ, ঊ উভয় শুদ্ধ সেসব শব্দে কেবল হ্রস্ব ই (ি) বা হ্রস্ব উ (ু) ব্যবহৃত হবে।

উদাহরণ: কিংবদন্তি, খঞ্জনি, ধমনি, পঞ্জি, মঞ্জরি।

3. রেফ-এর পরে দ্বিত্ব বর্জন: রেফ-এর পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না।

উদাহরণ: অর্চনা, অর্জন, অর্থ, কর্ম, সূর্য।

4. ণত্ব-বিধি অনুসরণ: তৎসম শব্দে ট, ঠ, ড, ঢ ইত্যাদির পূর্বে মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়।

উদাহরণ: কণ্টক, লুণ্ঠন, প্রচণ্ড।

5. অনুস্বার ও ঙ: সন্ধির ক্ষেত্রে ক, খ, গ, ঘ পরে থাকলে পূর্ব পদের অন্তস্থিত ‘ম্’ এর স্থানে অনুস্বার (ং) লেখা যাবে।

উদাহরণ: অহংকার, সংগীত, সংঘটন।

৫. ণ-ত্ব বিধান ও তার নিয়মাবলি

ণ-ত্ব বিধান কাকে বলে?

তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের বানানে মূর্ধন্য ‘ণ’-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মকেই ণ-ত্ব বিধান বলে। এটি কেবল তৎসম শব্দের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, অ-তৎসম শব্দে ‘ণ’ ব্যবহৃত হয় না।

ণ-ত্ব বিধানের চারটি বাংলা বানানের নিয়ম

ণ-ত্ব ব্যবহারের চারটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম উদাহরণসহ:

1. ঋ, র, ষ-এর পর ণ: তৎসম শব্দে ঋ, র, ষ-এর পরে সবসময় মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়।

উদাহরণ: ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, উষ্ণ।

2. ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে ণ: ট-বর্গীয় ধ্বনি (ট, ঠ, ড, ঢ) -এর আগে যুক্তবর্ণে সবসময় মূর্ধন্য ‘ণ’ যুক্ত হয়।

উদাহরণ: ঘণ্টা, কাণ্ড, প্রচণ্ড, লুণ্ঠন।

3. উপসর্গের পরে ণ: প্র, পরা, পরি, নির – এই চারটি উপসর্গের পরে তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ‘ণ’ হবে।

উদাহরণ: প্রণয়, প্রয়াণ, পরিণাম, নির্ণয়।

4. ত-বর্গীয় বর্ণের সাথে যুক্ত ‘ন’: ত-বর্গীয় বর্ণের (ত, থ, দ, ধ) সঙ্গে যুক্ত ‘ন’ কখনো মূর্ধন্য ‘ণ’ হয় না।

উদাহরণ: অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন, দন্ত।

৬. ই, উ, ক্ষ, শ এবং রেফ ব্যবহারের বাংলা বানানের নিয়ম

বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে ই, উ, ক্ষ, শ এবং রেফ (র্) ব্যবহারের নিয়ম:

বর্ণ/কারনিয়মউদাহরণ
ই (ি)সকল অ-তৎসম শব্দে (তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র) হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হবে।খুশি, চাষি, হাসি, ডিশ।
উ (ু)সকল অ-তৎসম শব্দে হ্রস্ব উ-কার বসবে।কুমারি, মুলা, কুলপি।
ক্ষকেবল তৎসম শব্দে এই যুক্তবর্ণটি লেখা হয়।ক্ষিপ্ত, ক্ষুর, ক্ষীর, ক্ষমা।
ইংরেজি ও ইংরেজির মাধ্যমে আগত বিদেশি sh, sion, tion, ssion প্রভৃতি ধ্বনির জন্য ‘শ’ ব্যবহৃত হবে।স্টেশন, টেলিভিশন, রেশন, মিশন।
রেফ (র্)রেফ-এর পর ব্যঞ্জন বর্ণের দ্বিত্ব হবে নাঅর্জন, কার্য, গর্জন, মূর্ছা।


আরো পড়ুন:

সোনার তরী কবিতার নোট

এইচএসসি বাংলা উচ্চারণের নিয়ম

এইচএসসি অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের নোট


বোর্ড পরীক্ষায় আসা অশুদ্ধ ও শুদ্ধ বাংলা বানান

প্রমিত শুদ্ধ বানান উদাহরণসহ উল্লেখ করা হলো:

ক্রমঅশুদ্ধ বানানশুদ্ধ বানান
০১অতিথীঅতিথি
০২অধিনস্থঅধীন
০৩আশার/ আশাঢ়আষাঢ়
০৪আশ্বীর্বাদআশীর্বাদ
০৫আকাংখা/আকাঙ্খাআকাঙ্ক্ষা
০৬আনুষাঙ্গিকআনুষঙ্গিক
০৭আমাবস্যাঅমাবস্যা
০৮আবিস্কারআবিষ্কার
০৯আইনজীবিআইনজীবী
১০ইতিপূর্বেইতঃপূর্বে
১১ইতিমধ্যেইতোমধ্যে
১২উপরোক্ত/উপরুক্তউপর্যুক্ত/ উপরিউক্ত
১৩উজ্জলউজ্জ্বল
১৪উচ্চাস/ উচ্ছাসউচ্ছ্বাস
১৫উদীচিউদীচী
১৬ঐক্যতানঐকতান
১৭ঐক্যমত্যঐকমত্য
১৮ঔজ্জল্যঔজ্জ্বল্য
১৯কুজ্জটিকাকুজ্বটিকা
২০কিম্বদন্তী/ কিংবদন্তীকিংবদন্তি
২১কর্মজীবিকর্মজীবী
২২কৃচ্ছতাকৃচ্ছ্র
২৩কথোপোকোথনকথোপকথন
২৪কটুক্তিকটূক্তি
২৫কুপমন্ডুককূপমণ্ডূক
২৬কৃতিবাসকৃত্তিবাস
২৭ক্ষতিগ্রস্থ/ ক্ষতীগ্রস্থক্ষতিগ্রস্ত
২৮গীতাঞ্জলীগীতাঞ্জলি
২৯গ্রন্থাবলীগ্রন্থাবলি
৩০জাজ্জল্যমানজাজ্বল্যমান
৩১জেষ্ঠ্যজ্যেষ্ঠ
৩২ষ্টেডিয়ামস্টেডিয়াম
৩৩টুর্নামেণ্টটুর্নামেন্ট
৩৪দূরাবস্থা/ দূরাবস্থাদুরবস্থা
৩৫দায়ীত্বদায়িত্ব
৩৬দরিদ্রতা/দারিদ্র্যদারিদ্র্য বা দরিদ্রতা (তবে দারিদ্রতা অশুদ্ধ)
৩৭দূর্দমদুর্দম
৩৮দূর্বলতাদুর্বলতা
৩৯দূর্বিসহদুর্বিষহ
৪০দৈন্যতাদৈন্য বা দীনতা
৪১ধংসধ্বংস
৪২নুন্যতমন্যূনতম
৪৩নুপুরনূপুর
৪৪নিরসনীরস
৪৫নিরবনীরব
৪৬নির্দোষীনির্দোষ
৪৭নমষ্কারনমস্কার
৪৮নিশিথিনিনিশীথিনী
৪৯নিরপরাধীনিরপরাধ
৫০পিপিলিকা /পীপিলিকাপিপীলিকা
৫১পূর্বাহ্নপূর্বাহ্ণ
৫২প্ৰাতঃভ্ৰমণপ্রাতভ্ৰমণ
৫৩পিত্রিদত্তপিতৃদত্ত
৫৪প্রবাহমানপ্রবহমান
৫৫প্রতিযোগীতাপ্রতিযোগিতা
৫৬পৈত্রিকপৈতৃক
৫৭প্রতিদ্বন্দ্বিপ্রতিদ্বন্দ্বী
৫৮পুরষ্কারপুরস্কার
৫৯পরাণপরান (বা প্রাণ)
৬০পল্লীগ্রামপল্লিগ্রাম
৬১প্রত্নতাত্তিকপ্রত্নতাত্ত্বিক
৬২প্রানপুরুষপ্রাণপুরুষ
৬৩পূননির্মানপুনর্নির্মাণ
৬৪পানিণীপাণিনি
৬৫প্রনয়ণপ্রণয়ন
৬৬প্রাণীবিদ্যাপ্রাণিবিদ্যা
৬৭ফটোষ্ট্যাটফটোস্ট্যাট
৬৮বিভিষনবিভীষণ
৬৯বুদ্ধিজিবীবুদ্ধিজীবী
৭০ব্যবহারজীবিব্যবহারজীবী
৭১বন্দোপাধ্যায়বন্দ্যোপাধ্যায়
৭২বাল্মিকীবাল্মীকি
৭৩বয়ঃজেষ্ঠ্যবয়োজ্যেষ্ঠ
৭৪বাঞ্চনীয়বাঞ্ছনীয়
৭৫বাংগালীবাঙালি
৭৬বিদ্যানবিদ্বান
৭৭ব্যাবহারব্যবহার
৭৮বিদুষিবিদুষী
৭৯বৈয়াকরণিকবৈয়াকরণ
৮০বিভিষিকাবিভীষিকা
৮১বানিজ্যবাণিজ্য
৮২বহিস্কারবহিষ্কার
৮৩বুৎপত্তিব্যুৎপত্তি
৮৪ভীষনভীষণ
৮৫ভূবনভুবন
৮৬মনিষামনীষা
৮৭মুমর্ষু/মুমূর্ষ/মুমুর্ষুমুমূর্ষু
৮৮মনোপুতমনঃপূত
৮৯মরীচীকা/ মরিচিকামরীচিকা
৯০মন্ত্রীসভামন্ত্রিসভা
৯১মনযোগ/মনজোগমনোযোগ
৯২মহিয়সীমহীয়সী
৯৩মনিষী/মনিষিমনীষী
৯৪মুহুর্তমুহূর্ত
৯৫মহত্বমহত্ত্ব
৯৬মনকষ্টমনঃকষ্ট
৯৭মাধুর্যতামাধুর্য
৯৮লবনলবণ
৯৯শ্বাশুড়ীশাশুড়ি
১০০শান্তনাসান্ত্বনা
১০১শশুরবাড়ীশ্বশুরবাড়ি
১০২শ্রেণীশ্রেণি
১০৩শিরচ্ছেদশিরশ্ছেদ
১০৪শুধুমাত্রশুধু বা মাত্র
১০৫শারিরীকশারীরিক
১০৬শ্রদ্ধাঞ্জলীশ্রদ্ধাঞ্জলি
১০৭শুশ্রষাশুশ্রূষা
১০৮শিরোমনিশিরোমণি
১০৯শ্রমজিবিশ্রমজীবী
১১০শশ্মানশ্মশান
১১১স্বত্ত্বাধিকারীস্বত্বাধিকারী
১১২সূচীপত্র/ শুচীপত্রসূচিপত্র
১১৩সাবলম্বনস্বাবলম্বন
১১৪স্বরস্বতীসরস্বতী
১১৫সন্যাসীসন্ন্যাসী
১১৬হীনমন্যতাহীনম্মন্যতা
১১৭সমিচীন/সমিচিনসমীচীন
১১৮সলজ্জিতসলজ্জ বা লজ্জিত
১১৯সম্মাননীয়সম্মানীয়
১২০সৰ্বসসৰ্বস্ব
১২১স্ববান্ধবসবান্ধব
১২২সুস্থ্যসুস্থ
১২৩সুধিসুধী
১২৪সম্বর্ধনাসংবর্ধনা
১২৫সুষ্ঠ/সুষ্টসুষ্ঠু
১২৬স্নেহাশীষস্নেহাশিস
১২৭সর্বশান্তসৰ্বস্বান্ত
১২৮ষ্টেশনস্টেশন
১২৯সোনালীসোনালি
১৩০স্বামীগৃহগৃহস্বামী
১৩১সহযোগীতাসহযোগিতা
১৩২স্বাতন্দ্ৰস্বাতন্ত্র্য
১৩৩স্রোতোস্বিনিস্রোতঃস্বিনী
১৩৪সাতন্ত্রস্বাতন্ত্র্য
১৩৫সচিত্রিতসচিত্র


বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম pdf | প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম pdf download

সমাধানে যদি কোনো ভুল খুঁজে পান, তবে দয়া করে আমাদের জানিয়ে সাহায্য করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top